চলতি বছর শেষে টিকা পাবে যুক্তরাষ্ট্রের শিশুরা

চলতি বছর শেষে টিকা পাবে যুক্তরাষ্ট্রের শিশুরা

যুক্তরাষ্ট্রের শিশুরা চলতি বছরের শেষের দিকে টিকা কার্যক্রমের আওতায় আসবে বলে জানিয়েছেন হোয়াইট হাউসের মহামারিবিষয়ক শীর্ষ উপদেষ্টা অ্যান্থনি ফাউসি। তিনি বলেন, চলতি বছরের শেষের দিকে বা আগামী বছরের শুরুতেই মার্কিন শিশুদের করোনা টিকা দেওয়া শুরু হতে পারে।

অ্যান্থনি ফাউসি বলেন, ‘আমাদের হাতে এখন তিনটি কার্যকরী টিকা রয়েছে’। এখনো পর্যন্ত কোনো টিকাই শিশুদের জন্য অনুমোদন পায়নি। অর্থাৎ ১৬ বছরের কম বয়সী শিশুরা এখনো টিকার আওতায় নয়। কিন্তু শিশুদের ওপর টিকার ট্রায়াল এর মধ্যেই শুরু হয়েছে। ফলে আশা করা যাচ্ছে যে তাদেরও এ বছরের শেষের দিকেই টিকা কর্মসূচির আওতায় আনা সম্ভব হবে।

দেশটির শিশুদেরকে টিকা কার্যক্রমের আওতায় আনা সম্ভব হলে তারা দ্রুত স্কুলে ফিরতে পারবে। এর ফলে কয়েক লাখ বাবা-মায়ের ওপর যে চাপ সৃষ্টি হয়েছে তা অনেকটাই কমে যাবে। শিশুরা স্কুলে যেতে পারছে না বলে তাদের পড়াশুনার সব দায়িত্ব এখন বাবা-মায়ের ওপরই। কিন্তু স্কুল খুলে গেলে সেটা শিশুদের জন্য যেমন ভালো তেমনই তাদের বাবা-মায়েদের জন্যও ভালো। শিশুরাও দীর্ঘদিন ধরে বাড়িতে আটকা পড়ে থাকায় তাদের মানসিক বিকাশ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

ফাউসি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রে ১৪ থেকে ১৮ বছর বয়সী উচ্চমাধ্যমিকের শিশুদের টিকার আওতায় আনা জরুরি। আমি সঠিকভাবে এটা বলতে পারছি না যে স্কুলগুলো কবে শুরু হবে। তবে এটা বলা যায় যে এটা খুব শিগগিরই হবে।

শিশুদের সুরক্ষা এবং নিরাপত্তা বিষয়টি গুরুত্ব দিয়েই টিকা কার্যক্রম শুরু করা হবে। ৫ থেকে ১৩ বছর বয়সী শিশুদের ২০২১ সালের শেষে বা ২০২২ সালের শুরুতেই টিকার আওতায় আনা সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

স্কুল খুলবে কি-না তা নিয়ে বহুদিন ধরেই বিতর্ক চলছে যুক্তরাষ্ট্রে। কেউ কেউ শিশুদের স্কুলে পাঠানোর পক্ষে আবার অনেকেই বলছেন, মহামারি পরিস্থিতিতে শিশুদের বাড়িতেই থাকা বেশি নিরাপদ।
সূত্র : এবিসি নিউজ

Leave a Reply

Your email address will not be published.

You may use these HTML tags and attributes:

<a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <s> <strike> <strong>

Related Posts

বিশ্বে করোনা ভাইরাস

বাংলাদেশে

আক্রান্ত
সুস্থ
মৃত্যু
সূত্র: আইইডিসিআর

বিশ্বে

আক্রান্ত
১৩২,৯২৪,৮৭৩
সুস্থ
৭৫,৬৪৮,৪৩৭
মৃত্যু
২,৮৮৫,০৮২

সর্বশেষ