মঙ্গলের বায়ুমণ্ডলে জলীয় বাষ্পের স্তর! জাগছে প্রাণের আশা

ইউরোপীয় এবং রাশিয়ান মহাকাশ সংস্থার বিজ্ঞানীরা জানান, মঙ্গলগ্রহে মিলেছে সুপীয় পানির স্তর। মঙ্গলীয় বায়ুমণ্ডলে জলীয় বাষ্পের একটি পাতলা স্তর লক্ষ্য করা গেছে।

জানা গেছে, ইউরোপীয় এবং রাশিয়ান মহাকাশ সংস্থার একটি অরবিটার এই নতুন তথ্য আবিষ্কার করেছে।

ইউরোপীয় স্পেস এজেন্সি (ইএসএ) এবং রাশিয়ান স্পেস এজেন্সি (রোসকোমোস) ২০১৬ সালের ১৪ মার্চ এক্সোমার্স ট্রেস গ্যাস অরবিটার পাঠিয়েছিল। ওই বছরের ১৯ অক্টোবর সেটি মঙ্গলের কক্ষপথে পৌঁছায়। দীর্ঘ প্রায় ৫ বছরের মাথায় সেই অরবিটার থেকে এলো এই দারুণ আবিষ্কারের তথ্য।

বিজ্ঞানীরা জানান, এক্সোমার্সের মাধ্যমে তারা মঙ্গলগ্রহের বায়ুমণ্ডলে জলীয় বাষ্পের একটি হালকা স্তরের উপস্থিতির চিহ্ন পেয়েছেন। বিজ্ঞানীদের বক্তব্য, এই বাষ্প থাকার অর্থ সেখানে হয়তো কোনো একসময় প্রাণের অস্তিত্ব ছিল।

বিজ্ঞানীদের বক্তব্য, যেহেতু এর বায়ুমণ্ডলে হালকা বাষ্প রয়েছে, এর থেকে বলা যেতে পারে এই গ্রহের প্রাচীন উপত্যকা এবং নদীতে কখনও না কখনও অবশ্যই পানি ছিল।

উল্লেখ্য, এর আগে মঙ্গল গ্রহে যে পানির প্রমাণ পাওয়া গেছে, তার বেশিরভাগ অংশই বরফের নীচে।

ব্রিটেন ওপেন ইউনিভার্সিটির দুই বিজ্ঞানী জানিয়েছেন, মঙ্গল গ্রহে নিশ্চয়ই পানি আছে, আর সেই কারণেই কোথাও থেকে জলীয় বাষ্প ফুটো হয়ে বাইরে বেরিয়ে আসছে। আর জলের থাকা মানেই যে সেখানে প্রাণের স্পন্দন থাকবে, সেটাই স্বাভাবিক।

বিজ্ঞানীরা বলছেন, মঙ্গল গ্রহের বায়ুমণ্ডলে হাইড্রোজেন এবং ডিউটিরিয়াম কিছু অনুপাতে মিশে রয়েছে। এই অনুপাত থেকে বিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন, নিশ্চয়ই এই গ্রহে কোনও একসময় পানি ছিল।

উল্লেখ্য, চলতি সপ্তাহে বারবার সংবাদের শিরোনামে এসেছে লালগ্রহ। চীনের মহাকাশযান বুধবার মঙ্গলের কক্ষপথে পৌঁছেছে। মে মাসে সম্ভববত এটি মঙ্গলের মাটিতে নামবে। তার আগের দিন মঙ্গলবারে মঙ্গলের কক্ষপথে পৌঁছে ছিল আরব আমিরাতের মহাকাশযান।

সূত্র: কলকাতা*২৪।

‘মনের জোর’ বাড়ে যেসব কাজে

সফল হতে চাইলেই তো আর সফল হওয়া যায় না। তবে সফল হতে গেলে যেটা সবার আগে প্রয়োজন। তা হলো মানসিকভাবে শক্ত হওয়া। পরিস্থিতি যেসব সময় আপনার অনুকূল হবে তা কিন্তু নয়। পরিস্থিতি আপনার প্রতিকূলেও যেতে পারে, এটা অবশ্যই মাথায় রাখা দরকার। সেই কথা মাথায় রেখেই যেকোনো নতুন কাজ করা উচিত। তবে মানসিকভাবে শক্ত হওয়ার জন্য নিজের মনকেই সবার আগে স্থির করতে হবে। কিন্তু অনেকেই মনের জোড় না বাড়িয়ে নিজের ভাগ্যকেই দোষারোপ করতে থাকেন। তবে ভাগ্যকে দোষারোপ না করে নিজের মনের জোর বাড়াতে চেষ্টা করুন। এবার দেখে নিন কীভাবে নিজের মনের জোর বাড়িয়ে সফলতাকে আপনার সঙ্গী করবেন…

১. নিজের প্রতি দুঃখিত না হওয়া

নিজের প্রতি কখনোই দুঃখিত বোধ করবেন না। নিজেকে আহারে, বলার কোনও দরকার নেই এতে আপনার সময়ই নষ্ট হবে। আখেরে আপনার কোনো লাভ হবে না। সেখান থেকে উঠে দাঁড়ান। কাজে দেবে।

২. লক্ষ্যে স্থির হওয়া

আপনার পাশে যদি কেউ না দাঁড়ায় তাহলে ভয় পাবেন না। নিজেই নিজের সব থেকে বড় লাঠি হয়ে দাঁড়ান। যদি কেউ আপনার সঙ্গে চলতে না চায় তাহলে একলাই চলুন। সাফল্য পাওয়ার পর কারোর প্রতি কৃতজ্ঞতা স্বীকার করতে হবে না।

৩. পরিবর্তনকে ভয় না পাওয়া

আপনার রোজকার জীবনে যদি কোনও পরিবর্তন ঘটে তাহলে ভয় পাবেন না। জানবেন, সব পরিবর্তন আপনার প্রতি এক একটা চ্যালেঞ্জ। তাই ভয় না পেয়ে পরিবর্তনকে আপন করে নিন।

৪. পছন্দ না হওয়া কাজ না করা

ধরুন এমন কাজ যা আপনার ঠিক পছন্দ নয়। তাই আপনি ঠিক পারবেন না। এমনকি আপনার মনে কাজের প্রতি অতটা কনফিডেন্ট নেই। তখন সেই কাজ না করাই ভালো। যে কাজ আপনি মন থেকে ভালোবাসেন সেই কাজ করুন।

৫. অন্যের কথার গুরুত্ব না দেওয়া

কে কী বলল তাতে আপনার কী! কারোর কথায় গুরুত্ব দেওয়া ছেড়ে দিন। নিজের জীবন কীভাবে কাটাবেন, কী কাজ করে ভালো থাকবেন, তা একান্ত আপনার সিদ্ধান্ত। আপনার জীবনের সিদ্ধান্ত নেওয়ার দায়িত্ব অন্য কারোর হাতে কখনোই দেবেন না।

৬. ভাগ্যকে দোষারোপ না করা

কী হয়নি তা নিয়ে বেশি ভাবনা-চিন্তা করার দরকার নেই। কী হতে পারে, সেই নিয়ে ভাবনা-চিন্তা করুন। তাতে আপনার সময়ও বাঁচবে এবং নিজের মনোবলও বাড়বে।

৭. একই ভুল বারবার না করা

একই ভুল বারবার করার কোনও মানেই হয় না। বারবার একই ভুল করতে থাকলে আস্তে আস্তে নিজের মনোবল ভেঙে যাবে। তাই একই ভুল বারবার না করে ধীরে সুস্থে কাজ করুন।

৮. অন্যের খুশিতে খুশি হওয়া

অন্যের খুশিতে খুশি হওয়ার চেষ্টা করুন। মানুষের সঙ্গে সম্পর্ক ভালো রাখুন। দেখবেন আপনার সাফল্যতে এবং খারাপ সময় অনেকের সঙ্গ পাবেন। তবে যদি অন্যের খুশিতে খুশি না হন, তাহলে আপনি ভেঙে পড়বেন।

৯. প্রথমবার সফল হতে না পেরে ভেঙে পড়া

যদি প্রথমবার সফল হতে না পারেন, তাহলে আবার চেষ্টা করুন। দেখুন, চেষ্টা না করলে কেউই কখনও সফল হতে পারে না। তাই প্রথমবার যদি কোনোভাবে সফল হতে না পারেন, তাহলে ভেঙে না পড়ে, শক্ত হয়ে উঠে দাঁড়ান।

১০. একাকীত্বকে ভয় না পাওয়া

আপনার সঙ্গে কেউ না থাকলেও একাকীত্বকে ভয় পাবেন না। যদি খারাপ সময় কেউ আপনার পাশে দাঁড়াতে না চায় তাহলে ক্ষতি কী। একাই পরিস্থিতির মোকাবিলা করুন। দেখবেন, এতে আপনার মন যেভাবে শক্ত হবে তা কখনোই ভাঙা যাবে না।

১১. ধীর স্থিরভাবে কাজ করা

যখন পরিস্থিতি আপনার অনুকূল না হবে, তখন ধীর স্থিরভাবে কাজ করুন। তাড়াহুড়ো করে কাজ করলে কিছুই হবে না। অনেক ভুল হয়ে যাবে। তাই পরিস্থিতি আপনার প্রতিকূল হলে মাথা ঠান্ডা রেখে কাজ করুন।

১২. কাজের পর নিজেকে জাহির না করা

আপনি আপনার লক্ষ্যে স্থির থাকুন। যাতে কেউ না আপনাকে লক্ষ্যভ্রষ্ট করতে পারে। সফল হওয়ার পর নিজেকে জাহির করবেন না। কারণ, নিজের ঢাক নিজে না পেটানোই ভালো। এতটা আপনার নিজের পক্ষেও খুব একটা ভালো হবে না।

বিডি প্রতিদিন

 

নবজাতকের প্রথম ঢাল যে ব্যাকটেরিয়া

অণুজীব বিজ্ঞানী স্টেফানি গানালের মতে, জন্মের সময়ই শিশু প্রথমবার ব্যাকটেরিয়ার সংস্পর্শে আসে। গর্ভনালীর ভেতরেই মায়ের অন্ত্রের ব্যাকটেরিয়া শিশুর ভেতর ঢোকে। এই ব্যাকটেরিয়া তার জীবনের প্রথম ঢাল। এগুলো শিশুকে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরিতে সাহায্য করে।

‌‘আমরা যখন জন্মাই, তখন আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা পুরোপুরি তৈরি থাকে না। আস্তে আস্তে শরীর রোগ, অর্থাৎ ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়াকে চিনতে শুরু করে এবং তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে শেখে। এ ক্ষেত্রে অন্ত্রের অনুজীবগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এবং পরবর্তীতে ক্ষতিকারণ অনুজীবগুলোর বিরুদ্ধে লড়তে সাহায্য করে’,- বলছিলেন অণুজীব বিজ্ঞানী স্টেফানি গানাল।

মায়ের অন্ত্রের ব্যাকটেরিয়া শিশুর রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতার কেমন প্রভাব ফেলে এ নিয়ে গবেষণা করেছেন তিনি। এক গবেষণা তিনি দেখিয়েছেন, গর্ভাবস্থায় মায়েরা কী খাচ্ছেন, তা শিশুর জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, মায়ের অন্ত্রের ব্যাকটেরিয়া গর্ভাবস্থাতেই শিশুর ওপর প্রভাব ফেলছে।

এই গবেষক দেখিয়েছেন, কী করে মায়ের ব্যাকটেরিয়া পরিবাহকগুলো গর্ভনালির মাধ্যমে শিশুর ভেতরে যায় এবং তা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে প্রভাবিত করে।

তিনি বলেন, মাকে খুব খেয়াল করে খাবার খেতে হবে। যেমন প্রচুর ভিটামিন আছে, ভারসাম্যপূর্ণ এমন নানান ধরনের খাবার। মানে চিন্তা করতে হবে, আপনার কি চকলেট বা ক্যান্ডি খাওয়ার আদৌ দরকার আছে? না মাঝে মাঝে না খেলেও হয়। কী খাচ্ছি, কতটা খাচ্ছি, একটু খেয়াল করতে পারলে ভালো।

সূত্র: ডয়চে ভেলে

 

ডিম্পলের স্বামী হচ্ছেন বনি কাপুর?

শ্রীদেবীর মৃত্যুর ৩ বছর পর ডিম্পল কাপাডিয়ার সঙ্গে বনি কাপুরের গাঁটছড়া বাঁধার খবর পাওয়া গেছে। কিন্তু এই গাঁটছড়া বাঁধার ঘটনা ঘটতে চলেছে মুক্তির অপেক্ষায় থাকা তাদের অভিনীত নতুন সিনেমায়। ব্যক্তিগত জীবনে তিন মেয়ে জাহ্নবী ও খুশি, অংশুলা এবং এক ছেলে অর্জুন কাপুরকে নিয়ে ভালো আছেন বনি কাপুর।

পরিচালক লভ রঞ্জনের নতুন ছবিতে ডিম্পল কাপাডিয়ার স্বামীর ভূমিকায় অভিনয় করবেন বনি কাপুর। ছবিতে শ্রদ্ধা কাপুরের বিপরীতে তাদের ছেলে হচ্ছেন রণবীর। এই সিনেমায় অভিনয় করতে রাজি ছিলেন না বনি। পরে পরিচালকের অনুরোধে বাবাকে রাজি করানোর দায়িত্ব নেন জাহ্নবী আর অর্জুন।  সিনেমার সব কাজ শেষ হয়েছে এখন শুধু মুক্তির অপেক্ষা।

 

ভালোবাসা দিবসে ‘একদিন বৃষ্টিতে বিকেলে’

জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার প্রাপ্ত চিত্রনাট্যকার ও পরিচালক অনম বিশ্বাস নির্মাণ করেছেন ‘একদিন বৃষ্টিতে বিকেলে’ শিরোনামের একটি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র। ‘ক্লোজআপ কাছে আসার গল্প’ শিরোনামে তিনজন দর্শকের গল্পে নির্মিত হয়েছে তিনটি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র। আব্দুল্লাহ আর রাফির গল্পে নির্মিত নাটকে অভিনয় করেছেন অভিনেত্রী মুমতাহিনা টয়া, খায়রুল বাশার ও শাহেদ আলী সুজন। স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রর শুটিং হয়েছে ঢাকার বিভিন্ন লোকেশনে।

স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রটি প্রসঙ্গে অনম বিশ্বাসের ভাষ্য, ‘এই নিয়ে টানা তৃতীয়বারের মত দর্শকের পাঠানো কাছে আসার গল্প নিয়ে স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র পরিচালনা করছি। প্রতিবারের মত দর্শক এবারো মিষ্টি প্রেমের গল্প দেখতে দেখতে পারবেন আশা করি। গল্পে দেখা যাবে উবার ড্রাইভার রনি এবং কস্টিউম ডিজাইনার শ্রুতির রোমান্টিক সম্পর্কের গল্প।’

টয়া বলেন, ‘আমি দুই বছর পর ক্লোজআপ কাছে আসার গল্পে কাজ করলাম। বিশেষ দিবসের এই কাজটি আমার খুবই পছন্দের। এটা নিয়ে দর্শকদের মাঝেও বাড়তি আগ্রহ থাকে। এবার করলাম অনম দাদার সঙ্গে কাজ করলাম। আশা করি, অনমদা যেমনটা চেয়েছেন, তার কিছুটা হলেও করতে পেরেছি।’

খায়রুল বাশার বলেন, ‘গল্প নিয়ে বলার কিছুই নেই। আগের বার অনম দাদার সঙ্গে কাজ করছিলাম। এবারও সেই সুযোগ পেয়েছি। আসলে একটা চরিত্রকে উনি যতভাবে বিশ্লেষণ করেন তার কিছুটা ঘটাতে পারলেও চরিত্রের একটা বিশেষ চিত্রায়ন ঘটে যায়।’

জানা গেছে, আগামীকাল ভালোবাসা দিবসে (১৪ ফেব্রুয়ারি) দেশের ১৮টি টিভি চ্যানেলে রাত ৮টায় একযোগে প্রচার হবে ‘একদিন বৃষ্টিতে বিকেলে’ স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রটি। এছাড়া খুব দ্রুতই দর্শকরা ইউটিউবে উপভোগ করতে পারবেন নাটকটি।

১০০ ক্যান্সার আক্রান্তের চিকিৎসার দায়িত্ব নিলেন অর্জুন কাপুর

ক্যান্সার আক্রান্তদের পাশে দাঁড়ালেন অর্জুন কাপুর। ১০০ ক্যান্সার আক্রান্ত রোগীর চিকিৎসার দায়িত্ব নিজের কাধে তুলে নিলেন এই বলিউড অভিনেতা। নিজের ইনস্টাগ্রাম হ্যান্ডেলে একটি ভিডিও শেয়ার করে অর্জুন কাপুর জানান, ভালবাসার মৌসুম শুরু হয়েছে। ভ্যালেন্টাইনস ডে উপলক্ষ্যে মানুষ যখন নিজেদের প্রিয়জনদের জন্য বিশেষ কিছু করতে চাইছেন, সেই সময় অন্য রাস্তায় হাঁটছেন তিনি। নিজের পরিচিতির পরিধি বাড়াতে অর্জুন তাই সাহায্য করতে চাইছেন অচেনা অসহায় মানুষদের।

ক্যানসার পেশেন্ট এইড অ্যাসোসিয়েশন নামের একটি সংস্থার সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন অর্জুন কাপুর। ওই সংস্থার মাধ্যমেই ১০০ ক্যান্সার আক্রান্ত মানুষের চিকিৎসার দায়িত্ব নেন অভিনেতা। কেমোথেরাপি থেকে রেডিওথেরাপি, সংশ্লিষ্ট রোগীদের জন্য যা যা করণীয়, সেই হিসেবে তাদের বার্ষিক এক লাখ টাকা করে আর্থিক সাহায্য করবেন অর্জুন কাপুর। অসহায় মানুষদের জন্য কিছু ভাবতে পেরে এবং করতে পেরে ভাল লাগছে বলেও জানান অর্জুন।

এদিকে, মাত্র ‘ভূত পুলিশ’ ছবির শ্যুটিং শেষ করেছেন অর্জুন কাপুর। এই ছবিতে জ্যাকুলিন ফার্নান্ডেজ, ইয়ামি গৌতম এবং সাইফ আলি খানের সঙ্গে স্ক্রিন শেয়ার করছেন অর্জুন কাপুর। ‘ভূত পুলিশ’ ছবির শ্যুটিং উপলক্ষ্যে হিমাচল থেকে ফিরে আপাতত ব্যক্তিগত জীবন নিয়েই ব্যস্ত রয়েছে অভিনেতা।

১০০ ক্যান্সার আক্রান্তের চিকিৎসার দায়িত্ব নিলেন অর্জুন কাপুর

ক্যান্সার আক্রান্তদের পাশে দাঁড়ালেন অর্জুন কাপুর। ১০০ ক্যান্সার আক্রান্ত রোগীর চিকিৎসার দায়িত্ব নিজের কাধে তুলে নিলেন এই বলিউড অভিনেতা। নিজের ইনস্টাগ্রাম হ্যান্ডেলে একটি ভিডিও শেয়ার করে অর্জুন কাপুর জানান, ভালবাসার মৌসুম শুরু হয়েছে। ভ্যালেন্টাইনস ডে উপলক্ষ্যে মানুষ যখন নিজেদের প্রিয়জনদের জন্য বিশেষ কিছু করতে চাইছেন, সেই সময় অন্য রাস্তায় হাঁটছেন তিনি। নিজের পরিচিতির পরিধি বাড়াতে অর্জুন তাই সাহায্য করতে চাইছেন অচেনা অসহায় মানুষদের।

ক্যানসার পেশেন্ট এইড অ্যাসোসিয়েশন নামের একটি সংস্থার সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন অর্জুন কাপুর। ওই সংস্থার মাধ্যমেই ১০০ ক্যান্সার আক্রান্ত মানুষের চিকিৎসার দায়িত্ব নেন অভিনেতা। কেমোথেরাপি থেকে রেডিওথেরাপি, সংশ্লিষ্ট রোগীদের জন্য যা যা করণীয়, সেই হিসেবে তাদের বার্ষিক এক লাখ টাকা করে আর্থিক সাহায্য করবেন অর্জুন কাপুর। অসহায় মানুষদের জন্য কিছু ভাবতে পেরে এবং করতে পেরে ভাল লাগছে বলেও জানান অর্জুন।

এদিকে, মাত্র ‘ভূত পুলিশ’ ছবির শ্যুটিং শেষ করেছেন অর্জুন কাপুর। এই ছবিতে জ্যাকুলিন ফার্নান্ডেজ, ইয়ামি গৌতম এবং সাইফ আলি খানের সঙ্গে স্ক্রিন শেয়ার করছেন অর্জুন কাপুর। ‘ভূত পুলিশ’ ছবির শ্যুটিং উপলক্ষ্যে হিমাচল থেকে ফিরে আপাতত ব্যক্তিগত জীবন নিয়েই ব্যস্ত রয়েছে অভিনেতা।

বিচ্ছেদের গুঞ্জনের মাঝেই প্রেমিকের সঙ্গে প্রকাশ্যে সুস্মিতা

বলিউড জনপ্রিয় অভিনেত্রী সুস্মিতা সেন। দুই বছরেরও বেশি সময় ধরে উঠতি মডেল রহমান শলের সঙ্গে প্রেম করছেন সাবেক এই মিস ইউনিভার্স।

এদিকে সম্প্রতি বলিপাড়ায় কানাঘুষা শুরু হয়— প্রেমিকের সঙ্গে সম্পর্ক খুব একটা ভালো যাচ্ছে না সুস্মিতার। তাদের সম্পর্কে চিড় ধরেছে এবং ব্রেকআপের কথা ভাবছেন তারা। মূলত, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সুস্মিতার একটি পোস্ট থেকেই এই গুঞ্জন শুরু হয়।

তবে এই গুঞ্জন উড়িয়ে দিয়েছেন সুস্মিতা। শুক্রবার  মুম্বাইয়ের বান্দ্রায় রহমান শলের সঙ্গে দেখা যায় তাকে। এই সময় হাসিমুখেই পাপারাজ্জিদের ক্যামেরার সামনে হাজির হন তারা। যদিও ব্রেকআপের গুঞ্জন নিয়ে এই জুটি কোনও কথা বলেননি। তবে তাদের দেখে বোঝা যাচ্ছে, বেশ ভালো সময়ই পার করছেন তারা।

এর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার পোস্টে এই অভিনেত্রী লেখেন, ‘সমস্যা হলো নারীরা মনে করে পুরুষদের মধ্যে পরিবর্তন আসবে, কিন্তু হয় না। পুরুষদের ভুল ধারণা, নারীরা কখনোই ছেড়ে যাবে না। কিন্তু তারা যাবে।’

সর্বশেষ ‘আরিয়া’ ওয়েব সিরিজে দেখা গেছে সুস্মিতাকে। এতে কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করেছেন তিনি। দর্শক-সমালোচকদের বেশ প্রশংসাও কুড়িয়েছেন। এই ওয়েব সিরিজের মাধ্যমে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে অভিষেক হয়েছে সুস্মিতার।

বিডি প্রতিদিন

ভূত আতঙ্কে চার ছাত্রী হাসপাতালে!

বরিশাল নগরীর রূপাতলীর জমজম নার্সিং ইন্সটিটিউটের চার ছাত্রী হোস্টেলে ভূত আতঙ্কে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। অচেতন অবস্থায় শুক্রবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে তাদের শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

তারা হলেন নগরীর রূপাতলীর জমজম নার্সিং ইন্সটিটিউটের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী সেতু দাস ও জামিলা আক্তার এবং প্রথম বর্ষের বৈশাখী আক্তার ও তামান্না আক্তার।

ওই ইন্সটিটিউটের কয়েকজন শিক্ষার্থী জানান, নার্সিং ও ম্যাটস্ অনুষদের ছাত্রীদের হোস্টেলে থাকা বাধ্যতামূলক। ইন্সটিটিউটের পঞ্চম তলায় ম্যাটস্ এবং ষষ্ঠ তলায় ছাত্রী থাকার ব্যবস্থা রয়েছে। বেশ কিছুদিন ধরে আবাসিক ছাত্রীদের কেউ কেউ রাতের বেলা ছাদে হাঁটাহাঁটির শব্দ শুনতে পান! আবার কখনও কক্ষের মধ্যে অস্বাভাবিক ছায়া দেখতে পান। বিষয়টি ওই হোস্টেলে বসবসকারী সকল ছাত্রীর মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে। এ ঘটনাকে তারা ভূতের উপস্থিতি বলে বিশ্বাস করেন! শুক্রবার রাতেও হোস্টেলের ছাদে ভূতের উপস্থিতি অনুভব এবং কক্ষে অজ্ঞাত ছায়া দেখতে পান তারা! এতে পুরো ছাত্রী হোস্টেলে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। তখন জামিলাসহ চার ছাত্রী অজ্ঞান হয়ে পড়েন।

পরে তাদের হাসপাতালে ভর্তি করে হোস্টেলের বাবুর্চি মালেকা বেগম।

ইন্সটিটিউটের প্রভাষক জালিস মাহমুদ জানান, আবাসিক ছাত্রীদের ভীতি দূর করতে কাউন্সিলিংয়ে ব্যবস্থা করা হয়েছিল। গত বৃহস্পতিবার গভীর রাত পর্যন্ত ছাদে নজরদারি করা হয়। হুজুর এনে মিলাদ-দোয়ার আয়োজন করা হয়েছে। এরপরও তাদের ভয় কাটেনি।

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছাত্রীদের যথাযথ চিকিৎসা প্রদান ও কাউন্সিলিংয়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে বলে জানান ইন্সটিটিউটের জনসংযোগ কর্মকর্তা মুন্সি এনাম।

হোস্টেলে চার ছাত্রী অসুস্থ হয়ে পড়ার খবর পেয়ে কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। ঘটনাস্থল পরিদর্শনকারী কোতোয়ালি থানার উপ-পরিদর্শক রিয়াজুল ইসলাম জানান, কেন এমন ঘটনা ঘটল, তা তদন্ত চলছে।

এ ঘটনার পর রাতে ওই হোস্টেলে থাকা ৬০ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে ৪৫জন তাদের নিজ নিজ এবং আত্মীয়-স্বজনের বাসায় চলে যায়।

বিডি প্রতিদিন

নারায়ণগঞ্জে মসজিদ-মাদরাসা রক্ষায় মেয়র আইভীর বিরুদ্ধে সমাবেশ

নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভীর বিরুদ্ধে মাদরাসা উচ্ছেদ ও মসজিদ অপসারণের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার বাদ জুমার পর থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত নারায়ণগঞ্জ মহানগর উলামা পরিষদের উদ্যোগে শহরের চাষাঢ়া বাগে জান্নাত মসিজদ সংলগ্ন মূল রাস্তায় এই সমাবেশে অনুষ্ঠিত হয়।

এর আগে গত শনিবার শহরের দেওভোগ এলাকায় শত কোটি টাকা মূল্যের দেওভোগ মন্দিরের দেবত্তোর সম্পত্তি জিউস পুকুর দখলের প্রতিবাদে মেয়র আইভীর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ সমাবেশ করেছিল বাংলাদেশ হিন্দু, বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ।

সমাবেশে উলামা পরিষদের নেতৃবৃন্দ সম্প্রতি ফতুল্লায় আইভী কতৃক একটি মাদরাসা উচ্ছেদ ও শহরের একটি মাদরাসা ও মসজিদ ভাঙ্গার উদ্যোগ নিয়ে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, কোন মসজিদে মাদরাসায় হাত দিলে লাখ লাখ আলেম ওলামা আল্লাহর ঘর রক্ষায় তাজা রক্ত দিতে প্রস্তুত রয়েছে। ওই সময় বক্তারা সম্প্রতি আইভী সিঁদুর মাথায় দিয়ে দেবীর প্রনাম করা একটি ছবি উদ্ধৃতি দিয়ে ফতোয়া প্রদান করেন।

সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়ে চিটাগাং রোড মাদানীনগর মাদ্রসারা প্রধান মুফতি ও নারায়ণগঞ্জ হেফাজত ইসলামের সাধারণ সম্পাদক বশীরউল্লাহ বলেন, ফতুল্লার মাসদার্ই কবরস্থানে একটি মাদরাসা ছিল। সেটি মেয়র আইভী উচ্ছেদ করে দিয়েছেন। এ ঘটনায় আমরা খুব আঘাত পেয়েছি। কিন্তু মেয়র আইভী এবার শহরের বাগে জান্নাত মসজিদ সংলগ্ন মাদরাসা উচ্ছেদে চিঠি দিয়েছেন। এমনকি তিনি নিজে এসে নাকি মাদরাসাটি উচ্ছেদে তাগাদা দিচ্ছেন। আমরা পরিষ্কার করতে বলতে চাই মসজিদ মাদ্রাসায় হাত দিলে দেশের আলেম ওলামারা বসে থাকবে না। আল্লাহর ঘর রক্ষায় বুকে তাজা রক্ত দেয়ার ইতিহাস আমাদের জন্য সামান্য বিষয়।

সমাবেশে সভাপতি মহানগর ওলামা পরিষদের সভাপতি মাওলানা ফৌরদাউসুর রহমান সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আইভীকে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়ে বলেন, আপনি প্রধানমন্ত্রীর চেয়েও ক্ষমতাবান নন।  প্রধানমন্ত্রী এই মাদরাসাকে মাস্টার্স সম্মাননা দিয়েছেন। আর আপনি আসছেন মাদরাসা উচ্ছেদ করতে। আপনি যত শক্তি নিয়ে আসেন মাদরাসা উচ্ছদ করতে সফল হবেন না।

তিনি কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ধর্ম নিয়ে রাজনীতি বন্ধ করেন। ভোটের জন্য কখনো হিন্দু সাজেন আবার কখনো মুসলমান সাজেন। আপনি মাসদাইর কবরস্থানে থাকা একটি মাদরাসা উচ্ছেদ করে দিয়েছেন। আমরা এটা সহ্য করব না। অবিলম্বে আপনাকে ওই মাদরাসা পুনরায় স্থাপন করতে হবে।

ওই সময় তিনি আগামী সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে আইভীকে মসজিদ মাদরাসায় ধর্মীয় উপসানলয়ে উচ্ছেদে উদ্যোগ নেয়ায় জনগণকে ভোট না দেয়ার জন্য আহ্বান জানিয়ে প্রতিটি এলাকায় আইভী ঠেকাও স্লোগান তুলবেন বলে হুঁশিয়ারি দেন ওই ওলামা নেতা।

মসজিদ কমিটির সদস্য শাহাদাৎ হোসেন সাজনু বলেন, যুগ যুগ ধরে এই মসজিদ। চাষাড়া এলাকার মুসল্লিরা এখানে নামাজ আদায় করেন। ছোটবেলায় দেখেছি টিনের ঘরে নামাজ হতো। সম্পূর্ণ মুসল্লিদের অনুদানে সেই মসজিদ এখন ৩ তলা। সিটি কর্পোরেশনের মেয়র এখানে মসজিদ ভেঙ্গে শপিং মল আর মাদ্রাসা ভেঙ্গে পার্ক করার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছেন। এই উদ্যোগ কখনোই বাস্তবায়ন করতে দেয়া হবে না। মসজিদের উন্নয়ন করতে চাইলে উপরে পিলার দিয়ে করেন, কিন্তু শপিং মল করে দোকান বাণিজ্য করবেন সেটা হবে না।

সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন স্থানীয় কাউন্সিলর শওকত হাসেম শকু, জেলা উলামা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মাওলানা জাকির হোসাইন কাসেমী, সহ-সভাপতি মাওলানা ইসমাইল আব্বাসী, ওবায়দুর রহমান খান নদভী, মুফতি হারুন অর রশীদ, মীর আহমেদ, মুফতি দেলোয়ার হোসেন, মুফতি আনিস আনাসারী, সাজ্জাদ হোসেন, মাওলানা তাজুল ইসলাম প্রমুখ।

বিডি প্রতিদিন