স্কুল শিক্ষক
নুরজাহান খাতুন আর নেই

বনগ্রাম ডাঃ রমজান আলী উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক এবং  স্বরুপপুর গ্রামের বাসিন্দা মরহুম সানাউল্লা মিয়ার একমাত্র মেয়ে নুরজাহান খাতুন, ৪০বছর বয়সে মস্তিস্কে রক্তক্ষরনজনিত কারনে  গত ৩ই ফেব্রুয়ারী  চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইালাইহি রজি’উন। তিনি এক ছেলে, এক মেয়ে, স্বামী, মা, ভাই সহ অনেক গুনগ্রাহী রেখে গেছেন। তার এই অকাল মৃত্যুতে তার কর্মক্ষেত্রে, ছাত্র, ছাত্রী, বন্ধু, বান্ধবের মধ্যে শোকের ছায় নেমে আসে, তার স্বজন, সন্তানরা মরহুমার জন্য ক্ষমা ও তার আত্নার শান্তি কামনা  করেছেন।

তাসিনকো লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক, তারিকুল ইসলাম স্বপন তার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন এবং তার পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।

বণিক বার্তায় প্রকাশিত
এমটিবির নতুন গ্রুপ সিএফও মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম

সম্প্রতি মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক (এমটিবি) লিমিটেডের গ্রুপ চিফ ফাইন্যান্সিয়াল অফিসার (সিএফও) হিসেবে যোগ দিয়েছেন মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম। এর আগে তিনি ট্রাস্ট ব্যাংক লিমিটেডের সিএফও হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তিনি সাউথইস্ট ব্যাংক লিমিটেডেও একই পদে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া তিনি বিএটিবি, শেভরন, বেওলের মতো বহুজাতিক সংস্থায় অডিট ইনচার্জ হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।

তিনি ইনস্টিটিউট অব চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টস অব বাংলাদেশের (আইসিএবি) একজন ফেলো চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট (এফসিএ)। তিনি চার্টার্ড ইনস্টিটিউট অব ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্ট্যান্টস (সিমা) এবং চার্টার্ড গ্লোবাল ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্ট্যান্টসের (সিজিএমএ) একজন কোয়ালিফায়েড অ্যাসোসিয়েট চার্টার্ড ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্ট্যান্টস (এসিএমএ)। এছাড়া তিনি আইসিএবির একজন গেস্ট ফ্যাকাল্টি ও বিভিন্ন কমিটির সদস্য। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেমে বিবিএ ও এমবিএ ডিগ্রি অর্জন করেন। —বিজ্ঞপ্তি

স্পুটনিক-৫
ভ্যাকসিন বাজিতে জিতে গেলেন পুতিন

গত বছরের আগস্টে বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে নভেল করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন প্রয়োগের অনুমোদন দেয় রাশিয়া। এত তাড়াতাড়ি ভ্যাকসিন অনুমোদনের বিষয়টি হতবাক করে তোলে বিশ্বের অনেককেই। ডিসেম্বরে দেশটির স্বাস্থ্য ও শিক্ষাসহ বিভিন্ন খাতের ফ্রন্টলাইনার কর্মীদের ওপর স্পুটনিক-৫ ভ্যাকসিনের প্রয়োগ শুরু হয়। তৃতীয় পর্যায়ে বৃহদায়তনের পরীক্ষা চালানোর আগেই বিশ্বে কভিড-১৯-এর প্রথম প্রয়োগের বিষয়টিকে ইতিবাচকভাবে নেয়নি কেউই। সে সময় বৈশ্বিক স্বাস্থ্য খাতের অনেকেই রাশিয়ার সমালোচনায় মুখর হয়ে উঠেছিলেন। অন্যদিকে পশ্চিমা গণমাধ্যমে বিষয়টিকে উল্লেখ করা হয় রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের খামখেয়ালিপনার ফসল হিসেবে। অভিযোগ তোলা হয়, ভালোমতো পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও পর্যাপ্ত মাত্রায় তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ না করেই ভ্যাকসিনের অনুমোদন ও প্রয়োগের মাধ্যমে জনস্বাস্থ্য নিয়ে জুয়া খেলছেন পুতিন। তবে চলতি সপ্তাহে ল্যানসেট জার্নালে প্রকাশিত ভ্যাকসিনের তৃতীয় পর্যায়ের ট্রায়ালের ফলাফল বলছে, পুতিন শেষ পর্যন্ত তার বাজি জিতে নিয়েছেন। ট্রায়ালে স্পুটনিক-৫ ভ্যাকসিনের কার্যকারিতা প্রমাণ হয়েছে প্রায় ৯২ শতাংশ। সে হিসাবে পশ্চিমা দেশগুলোর উদ্ভাবিত ভ্যাকসিনের তুলনায় এটি কোনো অংশেই কম না, বরং কিছু কিছু ভ্যাকসিনের চেয়ে এটি বেশি কার্যকর।

যেকোনো ভ্যাকসিনের তৃতীয় পর্যায়ের ট্রায়ালের উদ্দেশ্য হলো এর কার্যকারিতা ও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া খুঁজে বের করা। প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ের এ ট্রায়ালে অন্তত কয়েক হাজার মানুষের ওপর গণহারে ভ্যাকসিনটি প্রয়োগ করার নিয়ম রয়েছে। তবে রাশিয়া যখন স্পুটনিক-৫ ভ্যাকসিনটি ব্যবহারের অনুমোদন দেয়, ততদিনে এটির পরীক্ষামূলক প্রয়োগ করা হয়েছে মাত্র ৩৮ জনের ওপর। ভ্যাকসিনটি প্রয়োগের পর তাদের প্রত্যেকের দেহেই অ্যান্টিবডি তৈরি হয়েছে। অন্যদিকে তাপমাত্রা বেড়ে যাওয়া ও মাথাব্যথা ছাড়া কারো মধ্যে এর অন্য কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও দেখা যায়নি। তবে অনুমোদনের আগে স্বতন্ত্র বিশেষজ্ঞদের নিয়ে পরীক্ষামূলক এ প্রয়োগের ফলাফল মূল্যায়নও (পিয়ার রিভিউ) করা হয়নি।

ভ্যাকসিন নিয়ে তাড়াহুড়োর বিষয়টিকে সে সময় পুতিনের জনস্বাস্থ্য নিয়ে জুয়া খেলার নামান্তর অভিহিত করে এ নিয়ে সমালোচনায় মুখর হয়ে উঠেছিল অনেকেই। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের হুঁশিয়ারি ছিল, ভ্যাকসিনটি নিরাপদ ও কার্যকর কিনা, তা নির্ধারণ করার মতো পর্যাপ্ত তথ্য নেই। কেউ কেউ আবার মতামতও দিয়েছিল, শুধু রাজনৈতিক উদ্দেশ্য থেকেই ভ্যাকসিনটি নিয়ে এ হঠকারী পদক্ষেপ নিয়েছে মস্কো।

কিন্তু পুতিনের এ ‘ভ্যাকসিন হঠকারিতাকেই’ এখন ইতিবাচক চোখে দেখছেন আন্তর্জাতিক জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। তৃতীয় পর্যায়ের পরীক্ষামূলক প্রয়োগে কভিড-১৯ প্রতিরোধে এর কার্যকারিতা প্রমাণ হয়েছে ৯১ দশমিক ৬ শতাংশ।

স্পুটনিক-৫ ভ্যাকসিন উন্নয়নে প্রয়োজনীয় অর্থের জোগান দিয়েছে বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম রাষ্ট্রীয় বিনিয়োগ তহবিল রাশিয়ান ডিরেক্ট ইনভেস্টমেন্ট ফান্ড (আরডিআইএফ)। প্রতিষ্ঠানটির সিইও কিরিল দিমিত্রিয়েভ সম্প্রতি এক আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমকে বলেন, আমি মনে করি এখানে সবকিছুই অত্যন্ত সূচারুভাবে সম্পন্ন হয়েছে। এবং একদিক থেকে এখন নতুন এক নজির তৈরি হয়েছে।

যুক্তরাজ্যভিত্তিক ইউনিভার্সিটি অব লিস্টারের কনসালট্যান্ট ভাইরোলজিস্ট ড. জুলিয়ান তাংয়ের মতে, ভ্যাকসিন নিয়ে রাশিয়ার এ ঝুঁকিপূর্ণ পদ্ধতির প্রয়োগ এখন পর্যন্ত কিছু মাত্রায় ন্যায্য বলেই প্রমাণ হয়েছে।

স্পুটনিক-৫ প্রয়োগ করা হয় দুই ডোজে। মস্কোভিত্তিক গামালেয়া ইনস্টিটিউট ও রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় যৌথভাবে ভ্যাকসিনটি উদ্ভাবন করেছে। রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন গত বছরের ১১ আগস্ট জানান, মস্কোর স্বাস্থ্য সংস্থা প্রথম ও দ্বিতীয় পর্যায়ের ট্রায়ালের ভিত্তিতে নতুন একটি ভ্যাকসিনের অনুমোদন দিয়েছে।

ওই সময়ে এ পদক্ষেপের বিরুদ্ধে জোর গলায় বক্তব্য দিতে থাকেন আন্তর্জাতিক বিভিন্ন স্বাস্থ্য ও গবেষণা সংস্থার সংশ্লিষ্টরা। কোনো কোনো ভাইরাস বিশেষজ্ঞ আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, প্রাথমিক পর্যায়ের ট্রায়াল দুটিতে বড় মাত্রার কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া গবেষকদের নজর এড়িয়ে গেলে তা জনমনে অন্যান্য ভ্যাকসিন নিয়েও দ্বিধা ও অবিশ্বাসের জন্ম দেবে। যুক্তরাজ্যভিত্তিক ইউকে সায়েন্স মেডিসিন সেন্টারের এক বিবৃতিতে প্রতিষ্ঠানটির জিন বিশেষজ্ঞ ফ্রাঁসোয়া ব্যালু বলেন, এটি পুরোপুরি একটি হঠকারী ও নির্বোধ সিদ্ধান্ত। ভালোভাবে পরীক্ষা না চালিয়ে গণহারে টিকা প্রয়োগের বিষয়টি অনৈতিকও বটে। রাশিয়ার টিকা প্রয়োগ কর্মসূচিতে কোনো সমস্যা দেখা দিলে তা জনস্বাস্থ্যে নেতিবাচক প্রভাবে ফেলার পাশাপাশি জনমনে ভ্যাকসিনের গ্রহণযোগ্যতাকে আরো কমিয়ে দেবে।

এসব সমালোচনায় কর্ণপাত না করে আগস্টেই বৃহদায়তনে ভ্যাকসিন উৎপাদন শুরু করে রুশ স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। ডিসেম্বরের মধ্যেই শিক্ষক ও চিকিৎসক-স্বাস্থ্যকর্মীদের প্রথম ডোজের ভ্যাকসিন প্রয়োগ শুরু করে। এর কারণ বলতে গিয়ে আরডিআইএফের সিইও কিরিল দিমিত্রিয়েভ বলেন, আমরা জানতাম মানবদেহে টিকা প্রয়োগের ক্ষেত্রে কয়েক দশক ধরে নিরাপদ হিসেবে বিবেচিত অ্যাডেনোভাইরাল প্লাটফর্ম এ ভ্যাকসিন উদ্ভাবনে ব্যবহার করা হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে অপরীক্ষিত মেসেঞ্জার আরএনএ প্লাটফর্মনির্ভর ভ্যাকসিনের তুলনায় এটি পুরোপুরি ভিন্ন। এ কারণে আমরা এখন যারা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকি নিয়ে কাজ করছেন, শুধু তাদের চাহিদার ভিত্তিতেই এটির প্রয়োগ করে যাচ্ছি।

তৃতীয় পর্যায়ের পরীক্ষায় কভিড-১৯ প্রতিরোধে ভ্যাকসিনটির কার্যকারিতা ৯২ শতাংশ বলে ঘোষণা দেয় রাশিয়া। তবে এ ফলাফলের উৎস ছিল মাত্র ২০ জনের ওপর প্রয়োগ করে পাওয়া তথ্য। এছাড়া এ নিয়ে কোনো পিয়ার রিভিউ ছিল না। অন্যদিকে ভ্যাকসিন নিয়ে তৃতীয় পর্যায়ের পরীক্ষা চালানো হয় স্পুটনিক-৫ ভ্যাকসিন গ্রহণ করা প্রায় ১৫ হাজার ব্যক্তির ওপর। তাদের মধ্যে প্রথম ডোজ গ্রহণের ২১ দিনের মধ্যে কভিড-১৯ পজিটিভ হয়েছেন মাত্র ১৬ জন। মৃদু বা মারাত্মক লক্ষণ দেখা যায়নি কারো মধ্যেই।

তবে করোনার লক্ষণহীন সংক্রমণ প্রতিরোধে স্পুটনিক-৫ কতটা কার্যকর, সে বিষয়ে গবেষকদের কাছে কোনো তথ্য নেই। ফাইজার ও মডার্নার ভ্যাকসিনের ক্ষেত্রেও এ ধরনের সংক্রমণবিষয়ক তথ্য গবেষকদের কাছে অনুপস্থিত।

এখন পর্যন্ত বিশ্বের ১৬টি দেশে স্পুটনিক-৫ ভ্যাকসিন প্রয়োগের অনুমোদন দেয়া হয়েছে। দেশগুলো হলো বেলারুশ, আর্জেন্টিনা, বলিভিয়া, সার্বিয়া, আলজেরিয়া, ফিলিস্তিন, ভেনেজুয়েলা, প্যারাগুয়ে, তুর্কমেনিস্তান, হাঙ্গেরি, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ইরান, গিনি ও তিউনিসিয়া।

কিরিল দিমিত্রিয়েভ জানিয়েছেন, আগামী সপ্তাহের শেষ নাগাদ ভ্যাকসিনটিতে অনুমোদন দেয়া দেশের সংখ্যা ২৫-এ পৌঁছবে। তবে যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রে এ মুহূর্তে ভ্যাকসিনটির প্রয়োগ অনুমোদনের জন্য আবেদন করার কথা ভাবা হচ্ছে না।

বিজনেস ইনসাইডার অবলম্বনে

করোনাকালে তুরস্কে জনপ্রিয় হচ্ছে ‘মোবাইল ঘর’

করোনাকালে গিজেম বাবুরহান নামে তুরস্কের এক নাগরিক চাকায় চালিত একটি ছোট বাড়িতে স্থানান্তরিত হয়েছেন, যা তিনি একটি আঙুর বাগানে ভাড়া নিয়েছেন। যার মাঝে তিনি দেখতে পাচ্ছেন করোনাক্রান্ত তুরস্কের পর্যটনের ভবিষ্যৎও। বাবুরহান বলেন, জীবনমান ন্যূনতম পর্যায়ে থাকা অমূল্য শান্তি বয়ে আনা। আমি আশা করি, ভবিষ্যতে আমরা এ রকম ছোট একটি বাড়ির মালিক হব এবং পিঠে একটি বাড়ি নিয়ে গোটা পৃথিবী ভ্রমণ করতে পারব।

ছোট বাড়ি বা মোবাইল হাউজের এই ধারণা যুক্তরাষ্ট্রের ২০০৮ সালের বৈশ্বিক সংকটের পর ব্যাপক গতি লাভ করে। এই মহামারীতে তুরস্কে সেটি আবার নতুন করে পথ খুঁজে পেয়েছে। আলগা কাঠ ও যৌগিক ধাতু কাঠামো, যা ঘরের আকার নিয়ে চাকার সঙ্গে যুক্ত থাকে। তুরস্কে যারা এই বাড়িগুলো নির্মাণ করে, তারা বলছে, আগের বছরগুলোয় কদাচিৎই তারা চাহিদার সঙ্গে তাল মেলাতে পেরেছিল। কিন্তু এবার পরিস্থিতি বদলে গেছে।

ওয়াইএকেও গ্রুপের প্রধান নির্বাহী গালিপ অলমেজ বলেছেন, ২০১৭ সালে এই ধারণা সামনে আনার পর আমি বিক্ষিপ্ত কিছু অর্ডার পেয়েছিলাম। যদি আমি ২০২০ সালের সঙ্গে আগের অর্ডারগুলোর তুলনা করি, তবে দেখব এ সময়ে এসে চাহিদা ২০ গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। যদিও কী পরিমাণ বিক্রি হয়েছে, সেটি নির্দিষ্টভাবে তিনি উল্লেখ করেননি।

স্থপতি পেলিন ডাস্টেগোর বলেন, কাসা লোকোমোটিফ কোম্পানির জন্য তার ডিজাইন করা বেশির ভাগ ছোট ঘর ছিল পর্যটন শিল্পে ব্যবহারের জন্য। যারা মূলত ক্যাম্পিংয়ের ধারণা মাথায় রেখে এগুলো অর্ডার করছেন। এএফপিকে তিনি বলেন, ২০১৯ সালে আমাদের অর্ডার ছিল ২৫০-এর নিচে এবং ২০২০ সালের এক মাসে এটি ৪ হাজার ৫০০ পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছিল।

বিশ্বে যেসব দেশ ভ্রমণের জন্য অধিক পরিচিত, তুর্কি তার অন্যতম। যেখানে গোল্ডেন বিচকে কেন্দ্র করে বিলাসবহুল হোটেলগুলো গড়ে উঠেছে। কিন্তু মহামারীতে অন্যান্য দেশের পর্যটন খাতের মতো তুরস্কের পর্যটন খাতও ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পাশাপাশি ধারণা করা হচ্ছে আগামী কয়েক বছর মানুষ ভিড় থেকে দূরে সরে থাকতে বেশি স্বস্তি বোধ করবে, যে কারণে এখন তুরস্কের পর্যটন খাত নতুন করে নিজেদের পরিকল্পনা পরিবর্তন করতে শুরু করেছে।

ডাস্টেগোরের মতে, পর্যটন খাতে ছোট ঘরের ধারণা জনপ্রিয় হওয়ার পেছনে যুক্ত রয়েছে কম বিনিয়োগের ধারণা। যা কিনা সাড়ে তিন বছরের মধ্যে লাভের দিকে মুখ ঘুরিয়ে দিতে সক্ষম। বড় এবং বিলাসবহুল হোটেলে অর্থ বিনিয়োগের চেয়ে ছোট এই মোবাইল ঘরগুলোয় বিনিয়োগ করা এবং সেগুলোর রক্ষণাবেক্ষণ করা অধিকতর সহজ।

তাছাড়া কোনো ধরনের বিল্ডিং পারমিট বা অনুমতি ছাড়াই বাড়িগুলো পার্ক করিয়ে রাখা সম্ভব। কারণ তুরস্কে সেগুলোর গাড়ির মর্যাদা রয়েছে। এমনকি ৩০ কিংবা ৪০ বছর বয়সী মানুষেরাও এসব বাড়ি কেনার প্রতি আগ্রহী। মূলত বাইরে বাড়ি ভাড়া করে অধিক অর্থ ব্যয়ের চেয়ে এই ঘরগুলো একবার কিনে ফেলে প্রচুর অর্থ বাঁচানো সম্ভব।

ডাস্টেগোর বলেন, আমি আরো অনেক বেশি ক্যাম্পিং স্টেশন এবং ছোট ঘরের রিসোর্ট ভবিষ্যতের দিনগুলোয় দেখতে পাব বলে আশা করছি।

গাগলার গোকগুন তার কেনা ছোট বাড়িটি এরই মধ্যে ভাড়া দিয়েছেন, যেটি তিনি এজিয়ান সাগরের কাছে একটি আঙ্গুর বাগানের ধারে পার্ক করেছেন। তিনি বলেন, মানুষ ৫০০ লোকের সঙ্গে হোটেলে থাকার চেয়ে সামনের দিনগুলোয় ছোট দল নিয়ে প্রকৃতির মাঝে অবস্থান করতে ভালোবাসবে।

এএফপি অবলম্বনে

ক্ষুদ্র উদ্যোক্তার কাছে পণ্য পৌঁছাবে ইভ্যালির ‘এসএমই ডিল’

সারাদেশের কারখানা থেকে উৎপাদিত পণ্য ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প উদ্যোক্তা ও বিক্রেতাদের কাছে সহজে পৌঁছে দিতে দেশের অন্যতম ডিজিটাল মার্কেটপ্লেস ইভ্যালি নিয়ে এসেছে ‘এসএমই ডিল’।

এর মাধ্যমে ইভ্যালির প্ল্যাটফর্মে অর্ন্তভুক্ত পণ্য উৎপাদকের কাছ থেকে পাইকারি ও খুচরা ব্যবসায়ী এবং ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প উদ্যোক্তারা সরাসরি অর্ডার করতে পারবেন। আর অর্ডার করা পণ্য যথাসময়ে ব্যবসায়ীদের দোরগোঁড়ায় পৌঁছে দেয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করবে ইভ্যালি।

আজ সোমবার (২৫ জানুয়ারি ২০২১) ইভ্যালির প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ‘এসএমই ডিল’ সম্পর্কে বিস্তারিত জানান প্রতিষ্ঠানটির বাণিজ্যিক বিভাগের প্রধান সাজ্জাদ আলম।

সাজ্জাদ আলম বলেন, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প উদ্যোক্তাদের বড় অর্ডারের ক্ষেত্রে খুবই আকর্ষণীয় মূল্যে পণ্য সরবরাহ করা হবে। এছাড়া অর্ডারকৃত পণ্য সময়মতো ডেলিভারির জন্য বিশেষ লজিস্টিক সাপোর্টের ব্যবস্থা থাকবে। সব ধরণের পণ্য দেশের যেকোনো স্থানে চাহিদা অনুযায়ী পৌঁছে দেওয়াই হলো ইভ্যালির আসল শক্তি।

তিনি বলেন, দেশজুড়ে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা হাজারো কারখানা থেকে উৎপাদিত বিভিন্ন ধরণের পণ্য প্রচলিত সরবরাহ পদ্ধতিতে ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তা ও ব্যবসায়ীদের কাছে পৌঁছানো খুবই কষ্টকর। ইভ্যালির এসএমই ডিল এই কষ্ট দূর করে উৎপাদকের সাথে ডিলার ও খুচরা বিক্রেতার মধ্যে একটি সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করবে।

এটুআই আইসিটি ডিভিশন ই-কমার্স বিভাগের প্রধান রেজোয়ানুল হক জামি এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, এটি অবশ্যই একটি সময় উপযোগী পদক্ষেপ এবং করোনা পরবর্তী সময়ে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের জন্য একটি বড় সুযোগ ব্যবসা সম্প্রসারণ ও লাভজনক করার।

অনুষ্ঠানে ইভ্যালির নির্বাহী পরিচালক (কৌশল ও বাস্তবায়ন শাখা) এহসান সরওয়ার চৌধুরী, বাণিজ্যিক শাখার গ্রুপ হেড এনামুল হক, হেড অব ব্র্যান্ড মোহাইমেন সিদ্দিকিসহ প্রতিষ্ঠানটির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

নচিকেতার গানে চটেছে বিজেপি

গানের কারণে ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) নেতাকর্মী ও সমর্থকদের তোপের মুখে পড়েছেন পশ্চিমবঙ্গের জনপ্রিয় শিল্পী নচিকেতা চক্রবর্তী।

গত ২৯ জানুয়ারি, শুক্রবার বর্ধমানের পৌর উৎসবে অতিথি শিল্পী হিসেবে সংগীত পরিবেশন করেন নচিকেতা। সেখানে তার গাওয়া ‘আজকে তিনি তেরঙ্গাতে কাল ভক্ত রামে’গানটির কারণে বিজেপি কর্মী-সমর্থকেরা ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছে বলে সংবাদে বলা হয়েছে।

সেদিনের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মঞ্চ থেকে দলত্যাগী রাজনৈতিক নেতাদের উদ্দেশ্য করেই নচিকেতা এই গান গেয়েছেন বলেছেন বলে অভিযোগ বিজেপি’র। তাদের দাবি, বর্ধমানের এই উৎসব তৃণমূলের উৎসবে পরিণত হয়েছে। সেই মঞ্চ থেকে তৃণমূল কংগ্রেসের বিরোধীদের গালিগালাজ করা হবে এটাই তো স্বাভাবিক।

তাই সেই উৎসব থেকে এই নির্বাচনের মুখে শিল্পীদের দিয়ে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে গালিগালাজ দেওয়ানো হচ্ছে বলে অভিযোগ বিজেপি নেতাদের।

যদিও এসব অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। তাদের দাবি, এই উৎসব পৌর উৎসব কমিটি পরিচালনা করে। তাছাড়া বর্তমানে পৌরসভায় প্রশাসক রয়েছে। তাই এর সঙ্গে তৃণমূলের কোনো যোগসূত্র নেই।

এদিকে স্থানীয় সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বরা এই উৎসবকে রাজনীতির রঙের ঊর্ধ্বে রাখার পক্ষে মত দিয়েছেন। তারা জানিয়েছেন, বাসিন্দাদের একাংশ আঘাত পাবে, এমন কিছু হওয়া উচিত নয়, কারণ এই উৎসব সকল বর্ধমানবাসীর। তাই আগামী দিনে এ ব্যাপারে আয়োজকদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

অবশ্য এসব বিষয়ে নচিকেতার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

সুত্র:  বাংলা/এসএ/

নবাব এলএলবি সিনেমায় ১১ ‘আপত্তিকর’ দৃশ্য

নবাব এলএলবি’ চলচ্চিত্রের ১১ দৃশ্যে আপত্তি তুলেছে সেন্সর বোর্ড। ওই দৃশ্যগুলো বাদ দিয়ে নতুন সংযোজন করে সেন্সরে জমা দেওয়ার জন্য পরিচালক ও প্রযোজক বরাবর বুধবার চিঠি দেওয়া হয়েছে। কর্তন ছাড়া ছবিটি ছাড়পত্র দেওয়া সম্ভব হবে না বলে জানানো হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছন সেন্সর বোর্ডের সচিব মো. জসিম উদ্দিন।

গত বিজয় দিবসে অনলাইন প্ল্যাটফরম আই থিয়েটারে মুক্তি পায় অনন্য মামুন পরিচালিত সিনেমা ‘নবাব এলএলবি’। শাকিব খান, শহিদুজ্জামান সেলিম, অর্চিতা স্পর্শিয়া, মাহিয়া মাহি, রাশেদ অপু, সুষমা সরকার, সুমন আনোয়ার, শায়েদ আলী, শাহীন মৃধা ও সীমান্ত অভিনয় করেছেন ছবিটিতে। ধর্ষণের বিরুদ্ধে জোর প্রতিবাদস্বরূপ নির্মিত হয় ‘নবাব এলএলবি’। সিনেমার সংলাপে আপত্তি ও পুলিশকে হেয় করার অভিযোগে গ্রেপ্তার হন পরিচালক অনন্য মামুন ও অভিনেতা শাহীন মৃধা। কয়েকদিন কারাগারে থাকতে হয় তাদের। বিদেশি গণমাধ্যমে এ খবর গুরুত্ব দিয়ে প্রকাশ হয়।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সেন্সর বোর্ডের এক সদস্য বলেন, সিনেমায় একাধিক সংলাপে আপত্তি রয়েছে। কোর্টে বিচারকের কার্যকলাপ সঠিক মনে হয়নি। তিনি আরো জানান, অনন্য মামুন পরিচালিত আরেক সিনেমা ‘মেকআপ’-এর সংলাপেও আপত্তি রয়েছে সেন্সর বোর্ডের।

‘নবাব এলএলবি’র একটি সংলাপ হলো ‘নারী ধর্ষণ মানে স্বাধীনতাকে হত্যা’, এটি দর্শক পছন্দ করেছে বলে মনে করেন নির্মাতা অনন্য মামুন। তবে এ সংলাপ নিয়েও সেন্সর বোর্ড আপত্তি জানিয়েছে। অনন্য মামুন বলেন, ‘নারী ধর্ষণ মানে স্বাধীনতাকে হত্যা’ সংলাপটি নিয়ে কিভাবে আপত্তি ওঠে আমার জানা নেই। ভালো সিনেমা নিয়ে কেন সেন্সর থেকে আপত্তি আসে- এ প্রশ্নের কোনো উত্তর পাইনি। বরং মানহীন কোয়ালিটিলেস সিনেমাগুলো আনকাট সেন্সর ছাড়পত্র পেতে দেখি।’

মামুন বলেন, ১১ জায়গায় সেন্সর থেকে আপত্তি জানিয়েছে। এগুলো বাদ দিয়ে পুনরায় আবার ‘নবাব এলএলবি’ জমা দেব। এতে করে সিনেমাটির টানটান উত্তেজনায় ভাটা পড়বে- এটাই স্বাভাবিক। তবে সেন্সর ছাড়পত্র নিয়ে সিনেমা হলে মুক্তি দেব।

শাকিব খান অভিনীত ছবিটি নিয়ে নিয়মিত কাদা মাখামাখিও চলছে। শেষ পর্যন্ত সিনেমা কোথায় গিয়ে দাঁড়ায়, সেটা দেখার অপেক্ষায় রয়েছে চলচ্চিত্রপ্রেমীরা।

ফেসবুক বন্ধ করল মিয়ানমার

সামরিক অভ্যুত্থানের পর মিয়ানমারে অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টির অভিযোগে ফেসবুক বন্ধ করে দিয়েছে দেশটির যোগাযোগ মন্ত্রণালয়। এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মিয়ানমারে ফেসবুক পরিষেবা বন্ধ থাকবে। বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, ইন্টারনেট সরবরাহকারী ও টেলিকম কোম্পানিগুলোকে এই সিদ্ধান্ত মোতাবেক ফেসবুক বন্ধ রাখতে হবে। কারণ এই মাধ্যমটি ব্যবহার করে মিয়ানমারে অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টি করা হচ্ছে।

তাদের অভিযোগ মিথ্যা তথ্য, ভুয়া সংবাদ ছড়িয়ে মানুষের মধ্যে ছড়ানো হচ্ছে বিভ্রান্তি। যার কারণে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। জানা যায়, মন্ত্রণালয় থেকে ফেসবুক বন্ধের নির্দেশ আসার আগেই পরিষেবাটি ব্যাবহার করতে নানা সমস্যায় পড়েছেন সাধারণ মানুষ। এই সিদ্ধান্তের ফলে আগামী ৭ জানুয়ারি পর্যন্ত মিয়ানমারে ফেসবুকের পাশাপাশি ম্যাসেঞ্জার, ইন্সটাগ্রাম, হোয়াটসঅ্যাপও ব্যবহার করা যাবে না।

এর আগে গত সোমবার সকালে দেশটির ক্ষমতাসীন দল ন্যাশনাল লীগ ফর ডেমোক্রেসির (এনএলডি) প্রধান অং সান সু চি, দেশটির প্রেসিডেন্ট উইন মিন্টসহ বেশ কয়েকজনকে আটক করে দেশের ক্ষমতা গ্রহণ করে সেনাবাহিনী। দেশটির বড় শহরগুলোতে সৈন্যরা টহল দিচ্ছে এবং রাস্তাঘাট নীরব হয়ে পড়েছে। এর সঙ্গে জারি রয়েছে রাত্রিকালীন কারফিউ। ফোন ও ইন্টারনেট সংযোগ গত মঙ্গলবার সকাল থেকে চালু হলেও সব ধরনের সামাজিক মাধ্যম ব্লক রয়েছে। ফলে এসব মাধ্যম ব্যবহার করতে পারছে না সাধারণ মানুষ।

মিয়ানমারে ৫ কোটির বেশি মানুষ ফেসবুক ব্যবহার করে। সম্প্রতি সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে লোকজন যেভাবে বিক্ষোভ করছে তার ছবি এবং ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ায় বিক্ষোভ-প্রতিবাদ আরো বড় পরিসরে ছড়িয়ে পড়তে পারে এমন আশঙ্কা থেকেই গুরুত্বপূর্ণ এই প্লাটফর্ম বন্ধ রেখেছে কর্তৃপক্ষ।

সূত্র: বিবিসি।

পাকিস্তান থেকে নিক্ষেপ করা ৫০ রকেট আঘাত হেনেছে আফগানিস্তানে

পাকিস্তান থেকে নিক্ষেপ করা অন্তত ৫০টি রকেট আফগানিস্তানের কুনার রাজ্যের শেল্টন জেলায় আঘাত হেনেছে। কুনার রাজ্যের গভর্নর মুহাম্মদ ইকবাল সাইদ এ তথ্য জানিয়েছেন।

কুনার রাজ্যের গভর্নরের বরাত দিয়ে টোলো নিউজ এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, রকেট হামলার জেরে স্থানীয় বাসিন্দাদের অর্থনৈতিক ক্ষতি হয়েছে।

কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, সীমান্ত এলাকায় পাকিস্তান এবং আফগান সরকার মাঝে মাঝেই গোলাগুলি চালানোর ব্যাপারে একে অন্যকে দোষারোপ করে। অথচ, সীমান্তের উভয় দিকেই মাঝে মাঝে জঙ্গি সংগঠনের সদস্যরা অবস্থান করে।

দুরান্দ লাইন বা আন্তার্জাতিক সীমান্তরেখা দ্বারা আফগানিস্তান ও পাকিস্তান বিভক্ত। দেশ দুটির মধ্যে প্রায় দুই হাজার ৪০০ কিলোমিটার সীমান্ত রয়েছে। আর সেই সীমানারেখা বরাবর গ্রাম থেকে শুরু করে মসজিদ, বিদ্যালয় এবং নানা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। সেখানে এমনও বাড়ি রয়েছে, যার অর্ধেক রয়েছে পাকিস্তানে এবং বাকি অর্ধেক আফগানিস্তানে।

পাকিস্তান ২০১৭ সালে জানায়, সহিংসতা বন্ধে গৃহীত পদক্ষেপের অংশ হিসেবে সীমানা বরাবর বেড়া দেওয়া হচ্ছে। যদিও পাকিস্তানের সেই পদক্ষেপের নিন্দা জানায় কাবুল।

পরে ২০২০ সালের জুলাইয়ে আফগান পুলিশ জানায়, রকেট হামলার শিকার হয়ে অন্তত চারজন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় আরো ৯ জন আহত হয়। আহতদের মধ্যে নারী ও শিশু রয়েছে।

আফগানিস্তান তাদের মাটিতে রকেট হামলা চালানোর ঘটনায় পাকিস্তানের সেনাবাহিনীর নিন্দা জানিয়েছে।

সূত্র : এএনআই, জি ফাইভ।

নাসার শীর্ষ পদে নিয়োগ পেলেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত মার্কিন ভাব্যালাল

নতুন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের আমলে ভারতীয় বংশোদ্ভূত মার্কিন নাগরিক ভাব্যালালকে নাসার প্রধান হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। ইন্দো এশিয়ান নিউজ সার্ভিসের (আইএএনএস) বরাত দিয়ে গাল্ফ টুডে এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নাসার প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পাওয়ার আগে হোয়াইট হাউসে ক্ষমতা হস্তান্তর প্রক্রিয়ায় জো বাইডেনের হয়ে কাজ করেছেন ভাব্যালাল।

মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, প্রকৌশল ও মহাকাশ প্রযুক্তি বিষয়ে দারুণ অভিজ্ঞতা রয়েছে ভাব্যালালের। ২০০৫ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত ইনস্টিটিউট ফর ডিফেন্স অ্যানালিসিস এবং সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি পলিসি ইনস্টিটিউটে গবেষণা দলের সদস্য হিসেবে তিনি কাজ করেছেন।

সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি পলিসি ইনস্টিটিউটে যোগ দেওয়ার আগেও ভাব্যালাল এ ধরনের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে শীর্ষ পদে কাজ করেছেন। এ ছাড়া ম্যাসাচুসেটসের ক্যামব্রিজে সেন্টার ফর সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি পলিসি স্টাডিসে পরিচালক পদেও থেকেছেন তিনি।

মহাকাশবিষয়ক গবেষণা, সেমিনার ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে দায়িত্ব পালনের জেরে ভাব্যা বেশ অভিজ্ঞ। মহাকাশবিষয়ে অনেক গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য তিনি আন্তর্জাতিক মহাকাশবিজ্ঞান একাডেমির সদস্য হিসেবে মনোনীত হয়েছিলেন এবং নির্বাচিত হন।

পরমাণু প্রকৌশলবিদ্যায় তিনি স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেছেন। টেকনোলজি অ্যান্ড পলিসি বিষয়েও ভাব্যালাল স্নাতকোত্তর করেছেন ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি থেকে। পরে জর্জ ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি থেকে লোকপ্রশাসন বিষয়ে পিএইচডি ডিগ্রি লাভ করেন তিনি।

সূত্র : গাল্ফ টুডে