তারুণ্য ধরে রাখতে চিরতার গুরুত্ব অপরিসীম

চিরতার রয়েছে নানান গুণ। ইউনানী চিকিৎসা অনুযায়ী চিরতা হৃৎপিণ্ড ও যকৃতের সবলকারক, চোখের জ্যোতিবর্ধক ও জ্বর রোগে বিশেষ উপকারী এই চিরতা।
নিম্নে চিরতার উপকারিতা ও গুণাগুণ সম্পর্কে আলোচনা করা হল-

শরীরের রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে তোলে।

নিয়মিত তিতা খাবার খেলে অসুখ হওয়ার প্রবণতা কম থাকে। চিরতা এরমধ্যে অন্যতম।
চিরতা খেলে যেকোনো কাটা, ছেঁড়া, ক্ষতস্থান দ্রুত শুকায়।

ডায়াবেটিসের রোগীদের জন্য চিরতা জরুরি পথ্য। চিরতার রস দ্রুত রক্তে চিনির মাত্রা কমিয়ে দেয়।

উচ্চমাত্রার কোলেস্টেরল, উচ্চরক্তচাপ, অতি ওজন বিশিষ্ট ব্যক্তির জন্যও চিরতা দরকারি।

টাইফয়েড জ্বর হওয়ার পর আবারও অনেকের প্যারাটাইফয়েড জ্বর হয়। তাই টাইফয়েড জ্বরের পরে চিরতার রস খেলে যথেষ্ট উপকার পাওয়া যায়।

চিরতার রস কৃমিনাশক।

তারুণ্য ধরে রাখতেও চিরতার গুরুত্ব অপরিসীম।

শরীরের ঝিমুনিভাব, জ্বরজ্বর লাগা দূর করে চিরতার রস।

চিরতা রক্ত পরিষ্কারক হিসেবে কাজ করে।

যাদের ডায়াবেটিস নেই কিন্তু রক্তে চিনির পরিমাণ সবসময় স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি থাকে, তাদের জন্য চিরতা গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার।

চুলপড়া রোধে কার্যকরী নির্যাস আবিষ্কার থাই বিজ্ঞানীদের

থাইল্যান্ডের গবেষকরা দাবি করেছেন, ম্যানগ্রোভ গাছ থেকে তারা এক ধরনের নির্যাস আবিষ্কার করেছেন, যা চুলপড়া রোধ করে মাথা টাক হওয়া থেকে রক্ষা করে। এটি মূলত মাথা টাক হওয়ায় দায়ী একটি হরমোনকে প্রতিহত করে চুলপড়া বন্ধ করে।

টাক হওয়ার সবচেয়ে সাধারণ রূপ- এন্ড্রোজেনিক অ্যালোপেসিয়ায় আক্রান্ত ৫০ জন রোগীর ওপর একটি ছোট্ট গবেষণায় এই দাবি করেছেন তারা। গবেষণায় বলা হয়েছে, এই নির্যাস চুল পড়া বন্ধ করে এবং চুলের বৃদ্ধিতেও সহায়তা করে।

অ্যাভিসেনিয়া মেরিন নামক ওই উপাদানটিতে প্রধান কেমিক্যাল অ্যাভিসেকুইনন-সি রয়েছে।

সক্রিয় এই যৌগ যে এনজাইমগুলো হরমোনের মাত্রা বাড়িয়ে টাক পড়তে ভূমিকা রাখে, সেগুলোতে হস্তক্ষেপের মাধ্যমে চুল পড়ার রোধ করে বলে মনে করা হয়।

গবেষকদের আশা, তাদের এই গবেষণার ফলাফলগু অ্যান্ড্রোজেনেটিক অ্যালোপেসিয়ায় আক্রান্ত লোকদের চুল পড়া রোধে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

জানা গেছে, থাইল্যান্ডের চুলালংকর্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীরা বছরের পর বছর ধরে অ্যাভিসেকুইনন-সি নিয়ে গবেষণা করছেন। সম্প্রতি তারা থাইল্যান্ডের জাতীয় গবেষণা কাউন্সিলের একটি পুরস্কারও পেয়েছেন।

এন্ড্রোজেনিক অ্যালোপেসিয়ায় আক্রান্ত ৫০ জন পুরুষ ও নারীর ওপর নির্যাসটি পরীক্ষা করা হয়েছে, যারা প্রতিদিন তাদের মাথার ত্বকে এই পদার্থ ব্যবহার করতেন।

থাই গবেষকরা নিয়মিতভাবে ৫০ জন অংশগ্রহণকারীর অগ্রগতির চিত্রের ছবি তুলে রাখতেন। এতে তাদের সর্বজনীন দৃশ্যমান উন্নতি দেখা গেছে।

ফার্মাকোগনোসি এবং ফার্মাসিউটিক্যাল উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ওয়ানচাই ডেকনামকুল বলেন, এই নির্যাস চুল পড়া রোধ করার পাশাপাশি চুলের বৃদ্ধিতেও কাজ করে। সূত্র: ডেইলি মেইল

 

ভালোবাসার শক্তির সাথে কেউ জিততে পারে না

পৃথিবীতে এমন কিছু  জিনিস আছে যা মানুষ চাইলেও কেড়ে নিতে পারে না। সেগুলো দামি কোনো জিনিস নয় বরং অতি সাধারণ কিছু জিনিস। তবে আপাতদৃষ্টিতে সেগুলোকে  সাধারণ বলে মনে হলেও তা মহামূল্যবান। কারণ সেই জিনিসগুলো টাকা দিয়ে কেনা যায় না। ক্ষমতা ও শক্তি দিয়ে চাইলেও সেগুলো পাওয়া যায় না। বরং তিলে তিলে তা অর্জন  করতে হয়। ফুলের গন্ধ আমাদের মোহিত করে, আনন্দিত করে, পুলকিত করে।

রং বেরঙের ফুল আমরা দেখতে পেলেও ফুলের অসাধারণ গন্ধকে আমরা দেখতে পাই না। ফুলের সৌন্দর্য দিয়ে ফুলকে পুরোপুরি বিচার করা যায় না। বরং ফুলের গন্ধ দিয়ে ফুলের প্রকৃত সত্তা খুঁজে পাওয়া যায়। যে ফুলের গন্ধ নেই সে ফুল ঘরের সৌন্দর্য বাড়ালেও তা মূল্যহীন। কারণ যে ফুলের গন্ধ নেই সে ফুল বেঁচে থাকে না। বরং মরে যায়। ফুলের মতোই মানুষ। চেহারাটা মানুষের মতো হলেই মানুষকে মানুষ বলা যায় না। বরং মানুষ ক্রমশ মানুষ হয়ে উঠে তার ভিতরের সত্তার বিকাশের মাধ্যমে। মানবিক মূল্যবোধ ও জীবনবোধের বীজ বুনে তা থেকে উৎসারিত গুণাবলীর মাধ্যমে। একটা শব্দ ভালোবাসা। কি বিস্ময়কর তার মানবিক শক্তি। যে শক্তির কাছে সব শক্তিই পরাজিত  হয়। ভালোবাসা যেখানে মাথা তুলে দাঁড়ায় সেখান থেকে  সব অন্ধকার পালিয়ে যায়।

সব মানুষ এই শক্তিকে ধারণ করতে পারে না। তবে যারা পারে তারাই মানুষের হৃদয়ে দাগ কেটে যায়। মানবিক সভ্যতার ইতিহাসের গোড়াপত্তন তাদের মাধ্যমেই ঘটে। ভালোবাসা হল পৃথিবীর একমাত্র শক্তি, যা শত্রুকেও বন্ধু বানাতে পারে এই দর্শনে বিশ্বাস করতেন মার্টিন লুথার কিং। এই মানুষটা আমাদের শিখিয়েছেন কিভাবে ভালোবাসা ও অহিংসা দিয়ে অধিকার আদায় করতে হয়।

একটা ঘটনা ঘটেছিলো  আমেরিকার মাইগোমারি শহরে ১৯৫৫ সালের পহেলা ডিসেম্বর। এই শহরের সিটি লাইসেন্সে বাস চলেছে। সে বাসটির সামনের আসনে বসেছেন ১২ জন শ্বেতাঙ্গ, পেছনের আসনে বসেছেন  ২৪ জন নিগ্রো। একটি আসনও খালি নেই। যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণের অধিকাংশ রাজ্যেই বাসের সামনের দিকে বসবার অধিকার ছিল না নিগ্রোদের। সব বাসই সংরক্ষিত থাকে শেতাঙ্গদের জন্য।

শ্বেতাঙ্গরা বসবার পর যদি কোনো আসন খালি থাকে তবেই সেখানে কৃষ্ণাঙ্গরা বসতে পারবে। বাস এক জায়গায় দাঁড়াতেই তিনজন শ্বেতাঙ্গ গাড়িতে উঠল। ড্রাইভার কৃষ্ণাঙ্গ যাত্রীদের আসন দেবার আদেশ দিলেন। দু’জন কৃষ্ঞাঙ্গ উঠে দাঁড়ালো। কিন্তু নিজের আসন ছেড়ে নড়ল না রোজা পার্কস নামের একটি  নিগ্রো মেয়ে। রোজা খুব ভদ্র ভাষায়  জানালো, আমি আসন ছাড়ব না।

নিগ্রোদের এ ধরণের আচরণকে আইনের লঙ্ঘন বলে বিবেচনা করা হতো। রোজাকে থানায় নিয়ে যাওয়া হল এবং তার দশ ডলার জরিমানা হল।  কিন্তু এই  বর্ণ বৈষম্যমূলক  ঘটনার প্রতিবাদ করলেন মার্টিন লুথার কিং। সে প্রতিবাদের ডাকে উত্তাল হলো মানুষ। এক অভিনব আন্দোলনের ডাক দিলেন তিনি। বিচিত্র সেই আন্দোলন। যে আন্দোলনে প্রতিহিংসা-প্রতিশোধ ছিলো না, ভালোবাসা মিশ্রিত প্রতিবাদ ছিল, না পাওয়ার  আবেগ ছিল। কোনো ঘৃণা, বিদ্বেষ, আক্রোশ ছিলো না। সহিংসতার পরিবর্তে বর্ণ বৈষম্যের শিকার  মানুষদের নীরব ভালোবাসার বিপ্লব ছিল। এই অভূতপূর্ব অহিংস আন্দোলনে সিদ্ধান্ত হলো  কোনো নিগ্রো আর সরকারী বাসে চড়বে না।

তারপর ঘটল এক ঐতিহাসিক ঘটনা। মন্টগোমারির কোন নিগ্রো আর বাসে চড়লেন না। দিনের পর দিন, মাসের পর মাস কেটে গেলো। এই দীর্ঘ সময়ে কেউ  পায়ে হেটে, কেউ ঘোড়ার গাড়িতে উঠে, কেউবা আবার  সাইকেলে করে  যাতায়াত করতে লাগলো ।

রোজার কণ্ঠের  অহিংস প্রতিবাদের সেই অবিস্মরণীয় সুর লক্ষ  লক্ষ মানুষের প্রতিবাদের ভাষায় পরিণত করলেন মার্টিন লুথার কিং। মহাত্না গান্ধীর অহিংস আন্দোলনের দর্শনকে  বুকে ধারণ করলেন তিনি। বর্ণ বৈষম্যের হিংস্র থাবা থেকে মানুষকে মুক্ত করতে গিয়ে ঘাতকের আঘাতে প্রাণ হারালেন তিনি। মানুষকে ভালোবাসতে গিয়ে প্রাণ দেওয়া যায় এমন কালজয়ী দৃষ্টান্ত সৃষ্টি করলেন তিনি। ভালোবাসা এমন এক শক্তি যা কখনো রক্ত নেয় না, বরং রক্ত দিতে জানে। মানুষটা বলতেন যদি উড়তে না পার, তবে দৌড়াও; যদি দৌড়াতে না পার, তবে হাঁটো; হাঁটতে না পারলে হামাগুড়ি দাও।

যে অবস্থাতেই থাকো, সামনে চলা বন্ধ করবে না। জীবনের কোনো এক মহাপ্রলয়ে সব থেমে গিয়েছিলো ষ্টিফেন হকিংসের। দুরারোগ্য মটর নিউরন ব্যাধিতে আক্রান্ত  ভেঙে টুকরো টুকরো হওয়া একটা মানুষ। একটা হুইল চেয়ার যার ঠিকানা। বিজ্ঞানকে ভালোবাসতেন তিনি। বিজ্ঞানের জ্ঞানের বিকাশের মাধ্যমে মানুষকে ভালোবাসতেন তিনি। সে ভালোবাসার শক্তি তার চিন্তা শক্তিকে কেড়ে নিতে পারেনি। এমন একটা কঠিন ও দুঃসহ অবস্থায়ও তিনি বিগ ব্যাং থিউরির উদ্ভাবন করেছেন। মহাবিশ্ব সৃষ্টির রহস্যের পিছনে ছুটেছেন। রোগে আক্রান্ত হবার পর চিকিৎসকরা বলেছিলেন তিনি বড় জোর দুই থেকে তিন বছর বাঁচবেন। কিন্তু বেঁচে ছিলেন আরও ৫৫ বছর। গবেষণার মাধ্যমে মানুষের প্রতি ভালোবাসার অমিত শক্তি তাকে মৃত্যুর সাথে লড়তে শিখিয়েছে। নতুন জীবন দিয়েছে। পৃথিবীর স্বার্থপর মানুষ মানুষের সব কিছু কেড়ে নিলেও ভালোবাসার মতো ইতিবাচকশক্তিগুলো কখনো কেড়ে পারে না।

বিডি প্রতিদিন

সালাহ’র জোড়া গোলে ওয়েস্টহামকে উড়িয়ে দিল লিভারপুল

ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে ওয়েস্টহামকে হারিয়ে টানা দ্বিতীয় জয় তুলে নিয়েছে লিভারপুল। মোহামেদ সালাহর জোড়া গোলে ওয়েস্টহামকে ৩-১ ব্যাবধানে উড়িয়ে দিয়েছে ইয়র্গেন ক্লপের শিষ্যরা। দলের হয়ে অন্য গোলটি করেন জর্জিনো ভাইনালডাম।

রবিবার রাতে প্রতিপক্ষের মাঠে আধিপত্য বিস্তার করে টানা দ্বিতীয় জয় তুলে নেয় লিভারপুল।

প্রথমার্ধে আধিপত্য বিস্তার করে খেললেও কোনো গোলের দেখা পায়নি লিভারপুল। তবে বিরতির পর আক্রমণের ধার বাড়ায় সফরকারীরা। এরই ধারাবাহিকতায় গোল পেতেও খুব সময় লাগেনি দলটির। ৫৭ মিনিটে গোল করে লিভারপুলকে এগিয়ে দেন সালাহ। তাকে এই গোলে সহায়তা করেন জোনস।

পরে ম্যাচের ৬৮তম মিনিটে ব্যাবধান দ্বিগুণ করেন সালাহ। জারদান শাকিরির পাসে নিজের জোড়া গোল পূর্ণ করেন এই মিশরীয় তারকা।

খেলার ৮৪তম মিনিটে ভাইনালডাম গোল করে লিভারপুলের বড় জয় নিশ্চিত করেন। যদিও তিন মিনিট পর ওয়েস্টহামের ডসন একটি সান্ত্বনার গোল দেন।

এ জয়ে লেস্টার সিটিকে হটিয়ে পয়েন্ট টেবিলের তিনে উঠে এলো লিভারপুল। ২১ ম্যাচে ৪০ পয়েন্ট অর্জন করেছে তারা। ২০ ম্যাচে ৪৪ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে রয়েছে ম্যানচেস্টার সিটি। আর ২১ ম্যাচে ৪১ পয়েন্ট নিয়ে দুইয়ে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড।

বিডি-প্রতিদিন

চাঁদ দেখতে গিয়ে পপশিল্পীর মৃত্যু

গ্র্যামি মনোনয়ন পাওয়া স্কটিশ পপশিল্পী ও প্রযোজক সোফি জিওন আর নেই। সোফি জিওন  ভক্তমহলে সোফি নামেই বেশি পরিচিত ছিলেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছেন মাত্র ৩৪ বছর।

পূর্ণচন্দ্র দেখতে গিয়ে পা পিছলে পড়ে যান সোফি। স্থানীয় সময় ভোর ৪টায় গ্রিসের অ্যাথেন্সে নিজ বাড়িতে তার মৃত্যু হয়। টুইটারে শিল্পীর প্রতিনিধির দেওয়া এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

২০১৮ সালে “Oil of Every Pearl’s Un-Insides” শিরোনামে সোফির প্রথম অ্যালবামটি প্রকাশিত হয়েছিল। এর আগে ২০১৫ সালে তিনি ম্যাডোনার সঙ্গেও কাজ করেছিলেন। “Bitch, I’m Madonna” এককটি ম্যাডোনার সঙ্গে প্রযোজনা করেছিলেন তিনি।

নির্জন দ্বীপে একা চলচ্চিত্র উৎসব উপভোগ করছেন নার্স লিসা

সারা বিশ্বের ১২ হাজার ব্যক্তিকে হারিয়ে ব্যতিক্রমী এক প্রতিযোগিতায় জয়ী হয়েছেন এক সুইডিশ নার্স। তার নাম লিসা এনরোথ। গোটেবার্গ চলচ্চিত্র উৎসবের ৬০টি চলচ্চিত্র একাই দেখবেন তিনি। শনিবার সকালে তিনি দ্বীপটিতে পৌঁছে গেছেন।

সুইডেনের বিচ্ছিন্ন একটি দ্বীপে লিসার জন্য চলচ্চিত্র উৎসব দেখার ব্যবস্থা করা হয়েছে। মহামারী কভিড-১৯ মোকাবেলায় স্বাস্থ্যসেবা দিয়েছেন লিসা।

প্রসঙ্গত, করোনার কারণে গোটেবার্গ চলচ্চিত্র উৎসব উপলক্ষে প্রেক্ষাগৃহে কোনো প্রদর্শনীর ব্যবস্থা রাখা হয়নি। পুরো উৎসবটি পরিচালনা করা হবে অনলাইনে। সমুদ্রের মাঝখানে সেই উৎসবের একমাত্র দর্শক লিসা।

উৎসবের আয়োজকরা চলচ্চিত্রের প্রকৃত একজন ভক্তের খোঁজে ছিল। যিনি আবেগীয় ও মানসিকভাবে এ উৎসবের সঙ্গে নিজেকে সম্পৃক্ত করতে পারবেন। সেই হিসেবে করোনায় স্বাস্থ্যসেবা দিতে গিয়ে ক্লান্ত লিসাকেই তাদের উপযুক্ত মনে হয়েছে। লিসা হামনেসকার নামের সেই দ্বীপে এক সপ্তাহ একা কাটাবেন। সঙ্গে কোনো ফোন, কম্পিউটার, বই কিংবা বিনোদনের আর কোনো মাধ্যম রাখার অনুমতি তাকে দেওয়া হয়নি।

বিডি প্রতিদিন

গান গেয়ে তোপের মুখে নচিকেতা

কলকাতার জনপ্রিয় সংগীত শিল্পী নচিকেতার ‘আজকে তিনি তেরঙ্গাতে কাল ভক্ত রামে’ গানটি নিয়ে ক্ষেপেছেন বিজেপি। গত শুক্রবার বর্ধমানে পৌর উৎসবে তিনি অতিথি শিল্পী হিসেবে গানটি গেয়েছিলেন।

তার এই গানের কথা নিয়েই মূলত ক্ষুব্ধ বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মঞ্চ থেকে দলত্যাগী রাজনৈতিক নেতাদের উদ্দেশে নচিকেতা কটূকথা বলেছেন বলে অভিযোগ।

বিজেপির অভিযোগ, বর্ধমানের এই উৎসব তৃণমূলের উৎসবে পরিণত হয়েছে। সেই মঞ্চ থেকে তৃণমূল কংগ্রেসের বিরোধীদের গালিগালাজ দেওয়া হবে এটাই তো স্বাভাবিক। তাই সেই উৎসব থেকে এই নির্বাচনের মুখে শিল্পীদের দিয়ে উদ্দেশ্যমূলকভাবে গালিগালাজ দেওয়া হচ্ছে।

যদিও তৃণমূল কংগ্রেসের দাবি, এই উৎসব পৌর উৎসব কমিটি পরিচালনা করে। তাছাড়া বর্তমানে পৌরসভায় প্রশাসক রয়েছে। তাই এর সঙ্গে তৃণমূলের কোনো যোগ নেই। বরং বিজেপি তৃণমূল কংগ্রেসের সমালোচনা করছে।

অবশ্য সাংস্কৃতিক ব্যক্তিরা বলছেন, বর্ধমান উৎসবকে রাজনৈতিক রঙের ঊর্ধ্বে রাখা উচিত। একাংশের বাসিন্দারা আঘাত পাক এমন কোনো কিছু হওয়া উচিত নয়। কারণ এই উৎসব বর্ধমানবাসীর সকলের। তাই আগামী দিনে এ ব্যাপারে আয়োজকদের সতর্ক থাকতে হবে।

সূত্র : নিউজ১৮

ক্রটিপূর্ণ লিফটে পড়ে নারীর মৃত্যু!

আহত শশুরকে দেখতে এসে লিফটের অকার্যকারিতার কারণে নোয়াখালীতে মাইজদী জি-৮ গ্রামীণ জেনারেল হাসপাতালে জহুরা বেগম (৪০) নামের এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। নিহত জহুরা বেগম লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার চন্দ্রগঞ্জের রামকৃষ্ণপুর গ্রামের খুরশিদ আলমের স্ত্রী ছিলেন। গত ২৯ জানুয়ারি নিহতের শ্বশুর আনোয়ারুল ইসলাম সড়ক দুর্ঘটনায় মারাত্মক আহত হলে তাকে ওই হাসপাতালের চতুর্থ তলার ৪১৭ নম্বর কক্ষে ভর্তি করা হয়। ভর্তির পর থেকেই হাসপাতালটির লিফট চতুর্থতলায় কাজ করছিল না। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে একাধিকবার জানালেও কোনো প্রকার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ মৃত্যুর বিষয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের অবহেলা পেলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে এবং ইতিমধ্যে লিফটি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন সুধারাম মডেল থানার ওসি শাহেদ উদ্দিন।

অন্যদিকে, হাসপাতালটির চেয়ারম্যান আব্দুল মালেক মানিক বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, চতুর্থতলায় লিফটি কাজ করছিল না। কর্তৃপক্ষ বিষয়টি দুর্ঘটনা ব্যক্ত করলেও রোগীর স্বজনদরা সুষ্ঠু বিচারের দাবি নিয়ে বলেছেন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের অবহেলা ও ক্রটিপূর্ণ লিফটের কারণেই জহুরার মৃত্যু হয়েছে।

বিডি প্রতিদিন

১৫ দিনের মধ্যে সব ভাড়াটিয়ার তথ্য চাইল ডিএমপি

আগামী ১৫ দিনের মধ্যে রাজধানীতে সব বাসার ভাড়া‌টিয়ার তথ্য হালনাগাদ ও নিবন্ধন কার্যক্রম শেষ করার নির্দেশ দিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পু‌লিশ। রবিবার (৩১ জানুয়ারি) ডিএমপি মি‌ডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ‌্য জানান ডি‌বি‌র অতি‌রিক্ত পু‌লিশ ক‌মিশনার হা‌ফিজ আক্তার।

এ সময় তি‌নি জানান, অপরাধ দম‌নে পু‌লিশের বি‌ভিন্ন কৌশলের অংশ হিসেবে আবারও ভাড়া‌টিয়া হালনাগাদ শুরু হচ্ছে। এ জন‌্য প্রয়োজনীয় ব‌্যবস্থা নিতে ৫০টি থানায় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

রাজধানীর বি‌ভিন্ন স্থান থেকে অপহরণ চক্রের ৯ সদস‌্যকে আটক করে গো‌য়েন্দা পু‌লিশ। অপহরণ চক্রটি অপহৃত‌দের বি‌ভিন্ন ভাড়া বাসায় আটকে রাখত। এ কা‌র‌ণে আবারও ভাড়া‌টিয়া নিবন্ধন শুরু করছে পু‌লিশ।

বিডি প্রতিদিন

ঢাকায় ফের ধর্ষণের পর শিক্ষার্থীর ‘মৃত্যু’

ঢাকার মোহাম্মদপুরে এক তরুণীকে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ওই তরুণীর বাবা বাদি হয়ে মোহাম্মদপুর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেছেন। এদিকে, মদ্যপান করিয়ে ধর্ষণ অতঃপর হত্যার অভিযোগে ভুক্তভোগী তরুণীর বন্ধুসহ তিনজনকে মোহাম্মদপুর থানা পুলিশ আটক করেছে।

আজ রবিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে মোহাম্মদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল লতিফ গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, গত ২৯ জানুয়ারি ভুক্তভোগী ও তার ছেলে বন্ধু মোহাম্মদপুরের একটি রেস্তোরাঁয় গিয়ে মদ্যপান করেন। এরপর ভুক্তভোগী তরুণী অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে নিয়ে তার ছেলে বন্ধু মোহাম্মদপুরের একটি বাসায় চলে যান। সেখানেও ওই তরুণীকে ধর্ষণ করেন তার ছেলে বন্ধু। একে ভুক্তভোগী তরুণী গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে তার বন্ধু এবং ওই বাসার মালিক একটি হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ সকালে ভুক্তভোগী তরুণীর মৃত্যু হয়।

পুলিশের এই কর্মকর্তা আরও বলেন, ভুক্তভোগী তরুণীর বাবা খবর পেয়ে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকা আসেন। তরুণীর মৃত্যুর আগে তিনি বাদি হয়ে থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা করেছেন। আটকদের তাদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। বিষয়টি বর্তমানে তদন্তাধীন রয়েছে। তদন্তে সকল তথ্য প্রমাণের হাতে পেয়ে বিস্তারিত বলা সম্ভব হবে বলেও জানান ওসি আব্দুল লতিফ।

বিডি-প্রতিদিন