ধর্ষণের ভিডিও করে ‘ব্ল্যাকমেইল’, যুবক গ্রেপ্তার

সাভারের আশুলিয়ায় এক নারী শ্রমিককে ধর্ষণ ও ঘটনার ভিডিও ধারণ করে ব্ল্যাকমেইলের ঘটনায় আসলাম সুমন নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গতকাল মঙ্গলবার গভীর রাতে ইয়ারপুর ইউনিয়নের জিরাবো নামাপাড়া এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। আজ বুধবার তাকে আদালতে তোলা হবে।

পুলিশ বলছে, জিরাবো এলাকার ওই নারী (৩০) তার স্বামীসহ স্থানীয় এক ব্যক্তির বাড়িতে একটি রুম নিয়ে ভাড়া থাকেন। সুমন তার পাশের রুমে থাকেন। গত শনিবার ওই নারীকে ভয়ভীতি দেখিয়ে নিজের ঘরে নিয়ে ধর্ষণ করেন সুমন। এ ঘটনার ভিডিও নিজের মোবাইলেও ধারণ করে রাখেন। ভিডিও নিয়ে তিনি ভুক্তভোগীকে ব্ল্যাকমেইল করে আসছিলেন।

আশুলিয়া থানা জানিয়েছে, গতকাল মঙ্গলবার রাতে ধর্ষণের ঘটনাটি জানাজানি হয়ে যায়। পরে ভুক্তভোগী থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে সুমনকে গ্রেপ্তার করে।

আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম কামরুজ্জামান জানিয়েছেন, ভুক্তভোগীকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে ভর্তি করা হয়েছে। গ্রেপ্তার সুমনের বাড়ি ময়মনসিংহ জেলায়। আজ তাকে আদালতে তোলা হবে।

ক্ষণে ক্ষণে কোটিপতি ছাত্র

অনুং প্রু মারমা ঢাকায় একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেন। বয়স ২০ কী ২১। অগ্রণী ব্যাংক, সোনালী ব্যাংক ও পূবালী ব্যাংকের বান্দরবান শাখায় তার নামে তিনটি হিসাব রয়েছে। এসব হিসাবে গত পাঁচ মাসে অস্বাভাবিক লেনদেন ধরা পড়েছে। এর মধ্যে কেবল অগ্রণী ব্যাংকেই গত এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বরে জমা হয়েছে ২ কোটি ২৩ লাখ টাকা। তার বাবা আথোয়াই মং মারমা চট্টগ্রামের হালিশহর সিএসডি খাদ্যগুদামের ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপক।

বিপুল নগদ অর্থের মালিক হওয়ার পাশাপাশি বান্দরবান জেলার লামা থানার সামনের ছয়তলা বাড়িটির মালিকও আথোয়াই মং মারমা। ১০ গন্ডা জায়গার ওপর ভবনটির সামনে আরও একটি বহুতল ভবন নির্মাণের কাজ চলমান। এ ভবনের নিচতলায় বাংলাদেশ পুলিশের লামা সার্কেল (লামা, আলীকদম ও নাইক্ষ্যংছড়ি) কার্যালয়। সেটি আথোয়াই মং মারমা পুলিশকে ভাড়া দেওয়ার কারণে খোদ বান্দরবান শহরেই তার আলাদা দাপট।

এর মধ্যে অনুং প্রু মারমার নামে সোনালী ব্যাংকের ২০১৮ সালের জুন থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত লেনদেনের একটি হিসাব আমাদের সময়ের হাতে এসেছে। ওই চার মাসে ব্যাংকে টাকা জমা ও তোলার বর্ণনা থেকে দেখা যায়, ব্যাংকটির বান্দরবান শাখায় লেনদেন হয়েছে ৩ কোটি ৩৩ লাখ ২৮ হাজার ৭৩৪ টাকা। একই সময়ে অগ্রণী ব্যাংকে লেনদেন হয়েছে ২ কোটি ২৩ লাখ ৩০ হাজার ৪১৫ টাকা। পূবালী ব্যাংকেরও একটি হিসাব রয়েছে একই নামে। সেখানে গত তিন মাসে আড়াই কোটি টাকা লেনদেনের খবর পাওয়া গেছে।

অগ্রণী ব্যাংকের হিসাব পর্যালোচনা করে দেখা যায়, চলতি বছরের এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বরের মধ্যে এ হিসাবে সবচেয়ে বেশি টাকা জমা পড়েছে ইএফটি ওয়ার্ড ভিশন নামের একটি হিসাব থেকে। সেখানে ৭ এপ্রিল ১০ লাখ ২৮ হাজার টাকা, ১০ মে ১০ লাখ ৮০ হাজার টাকা, ১ জুন ১০ লাখ ৪৫ হাজার ৭৭২ টাকা, ১২ জুলাই ১০ লাখ ২৫ হাজার টাকা, ১২ জুলাই ৪১ লাখ ৪৪ হাজার টাকা, ২ সেপ্টেম্বর ১০ লাখ ১৬ হাজার টাকা জমা হয়েছে। এর বাইরে আরটিজিএস নামের একটি প্রতিষ্ঠান থেকে এ চার মাসের বিভিন্ন তারিখে জমা হয়েছে ৭৬ লাখ টাকা। এসব টাকার বেশিরভাগই জমা পড়েছে কক্সবাজার থেকে।

তিন ব্যাংকেরই লেনদেনের কথা স্বীকার করে হালিশহর খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপক আথোয়াই মং মারমা আমাদের সময়কে বলেন, আমার ছেলে কলেজে পড়ে। করোনাকালে সারাক্ষণ বাসাতেই থাকে। সে এ সবের কিছুতেই নেই। বিষয়গুলো আমি দেখাশোনা করি। এত টাকা কোত্থেকে আসে? এমন প্রশ্নে আথোয়াই মং বলেন, বান্দরবানের কিছু ঠিকাদার এই হিসাবগুলোয় টাকা রাখে। পাহাড়ি কোটা ব্যবহার করে ঠিকাদারি কাজ করলে কর মওকুফের সুবিধা আছে। সে জন্য তারা এটা করে। কর মওকুফের জন্য তো নিজেদের ব্যাংক হিসাবেই টাকা রাখবে। আপনার কাছে রাখার দরকার কী? জানতে চাইলে তিনি বলেন, ওসব বাদ দেন। আমাকে সহযোগিতা করুন।

কারা এই ঠিকাদার জানতে চাইলে আথোয়াই মং আর তাদের নাম বলতে পারেননি। তিনি বলেন, পুরো বিষয়টা আসলে আমারই দোষ।

তবে ছেলে অনুং প্রু মারমার ফেসবুক ঘেঁটে দেখা যায়, তিনি ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র। যদিও সেখানে বিস্তারিত লেখা নেই।

ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ছেলে অনুং প্রু মারমার নামে হিসাব খোলা হলেও মূলত টাকা তোলার কাজটি আথোয়াই মং মারমা নিজেই করে থাকেন। স্বাক্ষরও করেন তিনি নিজে।

ব্যাংকের লেনদেন পর্যালোচনা করে দেখা যায়, বান্দরবান ও কক্সবাজার জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে এ তিনটি হিসাবে টাকা এসেছে প্রতি মাসে। সোনালী ব্যাংকের ২০১৮ সালের ৬ মাসের হিসাব থেকে দেখা যায়, ওই বছরের ২৩ জুন আলীকদম থেকে তার সোনালী ব্যাংকের হিসাবে জমা হয়েছে ১০ লাখ টাকা। ২৪ জুন লামা থেকে জমা হয়েছে ২ লাখ টাকা। ২৮ জুন কক্সবাজার থেকে যোগ হয়েছে ৪ লাখ টাকা। ২ জুলাই কক্সবাজার জেলার রামু থেকে জমা হয়েছে ১৮ লাখ ৪৮ হাজার টাকা। একই দিনে চট্টগ্রাম শহরের পাহাড়তলী এলাকা থেকে ১৬ লাখ ৯৯ হাজার ৭৭০ টাকা এবং ৪ জুলাই পাহাড়তলী থেকে ৭ লাখ ২৯ হাজার ৮৮৫ টাকা জমা হয়েছে। আবার ৩ আগস্ট আলীকদম থেকে ১১ লাখ টাকা, ১৯ আগস্ট ১৫ লাখ টাকা, ২২ আগস্ট কক্সবাজার থেকে ২০ লাখ টাকা এ ব্যাংক হিসাবে জমা হয়েছে। সেপ্টেম্বরে আলীকদম থেকে তিন দাগে মোট ২৫ লাখ টাকা জমা হয়েছে। চন্দ্রঘোনা থেকে জমা হয়েছে ১০ লাখ টাকা। ২৭ সেপ্টেম্বর লামা থেকে জমা হয়েছে ৫ লাখ টাকা। প্রশ্ন উঠেছে, চট্টগ্রামে চাকরি করার পরও কক্সবাজার ও বান্দরবান জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে কীভাবে এত টাকা জমা হয়?

গত বছরের ১৬ অক্টোবর আথোয়াই মং মারমা চট্টগ্রামের হালিশহর সিএসডি খাদ্য গুদামের সহকারী ব্যবস্থাপক হিসেবে যোগ দেন। এর এক মাসের মধ্যেই তিনি ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপক হিসেবে সেখানকার ছয় উপজেলার খাদ্য গুদামের কর্তৃত্ব নিয়ে নেন। তার সহকর্মীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, তিনি শিক্ষাগত যোগ্যতা না থাকায় ব্যবস্থাপক হওয়ার যোগ্যতা তার নেই। কিন্তু ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপক হয়েই তিনি নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন। এ ক্ষেত্রে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও তার প্রতি সদয় থাকেন।

মূলত রোহিঙ্গা শরণার্থীদের আগমনের পর থেকেই তিনি খাদ্য বিভাগে আলাদীনের চেরাগের খোঁজ পান। নিয়ম অনুযায়ী রোহিঙ্গাদের জন্য বরাদ্দ সব চাল সরকারের গুদামে রেখে পরে সেখান থেকে সরবরাহ করতে হয়। কিন্তু আথোয়াই মং মারমা কোনো চাল গুদামে না এনেই সরবরাহকারীদের সঙ্গে যোগসাজশ করে শরণার্থী শিবিরে পাঠিয়ে দেন। এখানকার টাকাগুলো জমা দিতেই আথোয়াই মং ২০১৭ সালে সোনালী, অগ্রণী ও পূবালী ব্যাংকে ছেলের নামে তিনটি ব্যাংক হিসাব খোলেন। অথচ সে সময় ছেলেটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের গ-ি পার হয়নি।

ব্যাংক হিসেবে বিপুল অর্থ ছাড়াও ছেলে অনুং প্রু মারমার নামে বান্দরবানে এএনপি এন্টারপ্রাইজ ও চৌধুরী অ্যান্ড ব্রাদার্স নামের দুটি প্রতিষ্ঠান আছে। এএনপির নামে বান্দরবান মধ্যমপাড়ায় চালের বড় ব্যবসা আছে। চৌধুরী অ্যান্ড ব্রাদার্সের নামে আছে ট্রাকের ব্যবসা।

কী ধরনের দুর্নীতি করে এত বিপুল বিত্তের মালিক হন আথোয়াই মং মারমা? এ প্রশ্নের জবাব তার সহকর্মীদেরও অজানা। তবে নাম প্রকাশ না করে একাধিক সহকর্মী বলেন, তিনি কক্সবাজার, বান্দরবান ও আশপাশের এলাকায় সরকারি গুদাম থেকে খাদ্য সরবরাহের মূল নেটওয়ার্ক নিয়ন্ত্রণ করেন। আর এক কর্মস্থলে বেশিদিন থাকেন না। ফলে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ পাকাপাকি হওয়ার আগেই তিনি অন্য জায়গায় স্বেচ্ছায় বদলি হয়ে যান। ফলে আগের কোনো সহকর্মী তার বিরুদ্ধে আর লেগে থাকেন না।

ঝাড়খন্ডে সেরা হল জলঘড়ি

ভারতের ঝাড়খন্ড চলচ্চিত্র উৎসব ২০২০ এ একশন থ্রিলার ক্যাটাগরিতে সেরা ছবি হিসাবে নির্বাচিত হয়েছে আসাদ জামানের স্বাধীন চলচ্চিত্র জলঘড়ি-স্টোরি নেভার ডাইজ। বিশ্বের ৪০টি দেশের হাজারের বেশি সিনেমা বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে।

১১ অক্টোবর রাত ৯ টায় অনলাইন এওয়ার্ড উৎসবের মধ্য দিয়ে সমস্ত বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হয়। বিশ্বব্যাপী করোনার প্রাদুর্ভাবে এই অনলাইন আয়োজন করতে বাধ্য হয় ঝাড়খন্ড ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল কর্তৃপক্ষ।
উল্লেখ্য, এর আগে জলঘড়ি ইতালির ফিওরেন্সা সেররা ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল, যুক্তরাষ্ট্রের মন্টেগোমারি ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল, ইংল্যান্ডের লিফট অফ, নিউয়র্কের বি বপ কন্টেন্ট উৎসব এবং ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে অফিসিয়াল সিলেকশন হিসাবে নির্বাচিত হয়।

আসাদ জামানের কাহিনী চিত্রনাট্য সংলাপ ও পরিচালনায় জলঘড়ি সিনেমায় বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন- দীপান্বিতা মার্টিন, হাসনাত রিপন, সাজাহান সৌরভ, ইভান সাইর, জয়িতা মহলানবিশ, রিমন সরকার, সেলিম আহমেদ, হুমায়ুন সম্রাট, ইকতারুল ইসলাম, সোয়েব মনির, নূর ইসলাম, স্বপন আহমেদ, নুসরাত জাহান খান নিপা, রুশো শেখ সহ আরও অনেকে।

জলঘড়ি সিনেমায় চিত্রগ্রহণ করেছেন বিদ্রোহী দীপন, সম্পাদনা ও রঙ বিন্যাসে ষাইফ রাসেল, আবহ সংগীত রাজেশ সাহা, সঙ্গীত পরিচালনা করেছেন অর্পণ, সর্বনাম, প্রিন্স, অভ্রদীপ্ত। কোয়ান্টাইজ মিউজিক এন্টারটেইনমেন্ট, বৃক্ষ ফিল্মস, মাইন্ড টিউনের ব্যানারে সিনেমাটি যৌথভাবে নির্মিত হয়েছে। আগামী ২৪ শে ডিসেম্বর বৃক্ষ ফিল্মসের ইউটিউব চ্যানেলে মুক্তি পাচ্ছে আসাদ জামানের স্বাধীন চলচ্চিত্র জলঘড়ি!

বিয়ের প্রলোভনে গাজীপুর থেকে বরিশাল এনে কিশোরীকে ধর্ষণ

মুঠোফোনে পরিচয়ের সূত্র ধরে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে গাজীপুর থেকে বরিশাল এনে ধর্ষণ করা হয়েছে এক কিশোরীকে। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বরিশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক পলি আফরোজ ২২ ধারায় নির্যাতিতা কিশোরীর (১৫) ধারায় জবানবন্দি রেকর্ড করেন।

জবানবন্দিতে ওই কিশোরী জানায়, দুইমাস আগে তার সাথে মুঠোফোনে শায়েস্তাবাদ ইউনিয়নের রামকাঠি এলাকার মোতালেব খানের ছেলে ফয়সাল খানের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক হয়। এর ধারাবাহিকতায় গত ১০ অক্টোবর বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে তাকে বরিশাল আসতে বলে ফয়সাল। এরপর গত ১১ অক্টোবর সে বরিশাল পৌঁছালে ওই রাতে শায়েস্তাবাদ ইউনিয়নের চর হবিনগর এলাকার এক জঙ্গলে নিয়ে তাকে ধর্ষণ করে ফয়সাল।
পরে ফয়সালের বন্ধু সবুজ হাওলাদার, মিরাজ হাওলাদার, সাইদুল, সোহেল ও আলআমিন তাকে ধর্ষণের চেষ্টা চালায়। বিষয়টি স্থানীয় লোকজন টের পেলে দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়। পরে থানা পুলিশ তাকে উদ্ধার করে। খবর পেয়ে নির্যাতিতার মা বরিশাল এসে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।

মঙ্গলবার আদালতে জবানবন্দি গ্রহণ শেষে বিচারক ওই নির্যাতিতা কিশোরীকে তার মায়ের জিম্মায় দেন। মামলার বাদীর বাড়ি মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলার ভাসানচর এলাকায় হলেও তারা বর্তমানে গাজীপুর থাকেন।

বিডি প্রতিদিন

১৫৩ সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে ডাকাত দলের ৭ সদস্য গ্রেফতার

রাজধানীর কোতোয়ালী থানাধীন ওয়াইজ ঘাট এলাকা থেকে এক ব্যক্তির কাছে থাকা নগদ পাঁচ লক্ষাধিক টাকা লুট করে নিয়ে যায় ডাকাতদল। পরে এ ঘটনায় দায়েরকৃত মামলার তদন্তে নামে পুলিশ। ঘটনাস্থল ও এর আশে-পাশের এলাকার ১৫৩টি সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে শনাক্ত করা হয় জড়িতদের। এরপর একে একে গ্রেফতার করা হয় ডাকাত দলের সাত সদস্যকে।

মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে ওই ডাকাতির সঙ্গে জড়িত সাত ডাকাতকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কোতোয়ালী থানা পুলিশ। এ সময় তাদের কাছ থেকে ডাকাতির পাঁচ লাখ ২০ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন সুলতান মাহমুদ (৩৯),  মামুন আল হাসান (৩১), খাইরুল ইসলাম (৪০), তুষার ইমরান (২৮), আরিফুল হাসান ফায়সাল (৩০), নাহিন পারভেজ (২৮) ও সালাউদ্দিন আহমেদ তন্ময় (৩৬)।

কোতোয়ালী থানা পুলিশ সূত্র জানায়, গত ১৪ সেপ্টেম্বর ওয়াইজঘাট এলাকা থেকে এক ব্যক্তির কাছ থেকে অজ্ঞাত ডাকাতরা টাকা নিয়ে পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় ১৮ সেপ্টেম্বর কোতোয়ালী থানায় একটি মামলা করা হয়।

মামলার তদন্তকালে বাদামতলী, গুলশান আরা সিটি, বিক্রমপুর গার্ডেন সিটি, ইসলামপুরের বিভিন্ন মার্কেট, বাবুবাজার, নয়াবাজার, কেরানীগঞ্জের কালিগঞ্জসহ বিভিন্ন এলাকার ১৫৩টি সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করা হয়। সেসব ফুটেজ পর্যালোচনা করে জড়িতদের শনাক্ত করা হয়। এরপর তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় ঘটনার প্রায় এক মাস পর অভিযুক্ত সাতজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

ডিএমপির মিডিয়া এন্ড পাবলিক রিলেসন্স বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) ওয়ালিদ হোসেন জানান, ডাকাতির ঘটনায় তদন্তে সাত ডাকাতকে শনাক্ত করে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সাভারে বিয়ের এক দিন পর যুবকের মরদেহ উদ্ধার

বিয়ের এক দিন পর সাভারের আনন্দপুর এলাকা থেকে আনোয়ার হোসেন (৩২) নামে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত আনোয়ার ময়মনসিংহ জেলার গফরগাঁও থানার দৌলতপুর গ্রামের আফাজ উদ্দিনের ছেলে। তিনি পরিবারসহ আনন্দপুর এলাকার গেদু কমিশনারের বাড়িতে ভাড়া থাকতো।

মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) রাত সাড়ে ৯টার দিকে সাভারের আনন্দপুর এলাকার গেদু কমিশনারের বাড়ি থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। এর আগে গত সোমবার (১২ অক্টোবর) সাভারের ব্যাংক কলোনি এলাকায় বিউটি আক্তারে সাথে আনোয়ারের বিয়ে হয়৷
নিহতের স্ত্রী বিউটি জানান, তাদের বিয়ে হয়েছে সোমবার। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় নিখোঁজ হয় আনোয়ার। পরে আনন্দপুর এলাকার একটি নির্মাণাধীন ভবন থেকে তাকে উদ্ধার করে সাভার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায় স্থানীরা। এসময় হাসাপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ ব্যাপারে সাভার মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) তৌহিদ বলেন, আনোয়ারের কিভাবে মৃত্যু হয়েছে সেটা বলা যাচ্ছে না। আনোয়ারের গায়ে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকার সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

প্রতি বছর বিয়ে করেন এই রাজা

এখনও বিশ্বে এমন একটি দেশ রয়েছে, যেখানে রাজতন্ত্র কায়েম এবং সেখানকার রাজা প্রতি বছর একজন ‘‌কুমারি’ মেয়েকে বিয়েও করেন। এমনকি এই বিয়ের জন্য আয়োজিত হয় কুমারি মেয়েদের বিশেষ প্যারেডও।‌ শুনতে অবাক লাগলেও এটাই সত্যি।

বর্তমানে বিশ্বের খুব কম জায়গাতেই রাজতন্ত্র রয়েছে। থাকলেও প্রশাসনিক বা সাংবিধানিক ক্ষমতা প্রায় নেই বললেই চলে। তবে দক্ষিণ আফ্রিকা এবং মোজাম্বিকের সীমান্তে অবস্থিত ছোট্ট একটি দেশ ইসোয়াতিনি বা সোয়াজিল্যান্ডে রাজতন্ত্র রয়েছে। আর সেখানকার শাসনভারও থাকে রাজার হাতে।
১৯৪০ সাল থেকে সে দেশে চলে আসছে এই নিয়ম। বিয়ের আগে মেয়েদের কুমারিত্ব বাঁচাতে এবং আরও বেশ কিছু কারণে এই নিয়ম চালু হয়েছিল। বর্তমানে সে দেশের রাজা কিং এমসাতি তৃতীয়‌। ১৯৮৬ সালে ১৮ বছর বয়সে রাজা হন তিনি। তারপর থেকে প্রতিবছরই একজন কুমারি মেয়েকে বিয়ে করছেন তিনি। এর মধ্যে তিনজন স্ত্রীকে ডিভোর্সও দিয়েছেন তিনি। ৩০–এরও বেশি সন্তান রয়েছে তার।

কিন্তু কীভাবে রানিকে বেছে নেন রাজা?‌ নিয়মানুযায়ী দেশের সব কুমারি মেয়েকে প্রথমে নিয়ে যাওয়া হয় রানিদের থাকা জায়গা লুদজিদিনি রয়্যাল রেসিডেন্সে। তারপর সেখান থেকে নিয়ে যাওয়া হয় এনগাবেজওয়েনি রাজকীয় বাসস্থানে। এরপর পরবর্তীতে এমবাবানের রয়্যাল প্যালাসে আয়োজিত হয় বর্ণাঢ্য প্যারেডের। সেখানে কুমারিত্বের প্রতীক হিসেবে ছুরি হাতে অংশ নেন ওই কুমারি মেয়েরা। অনুষ্ঠান দেখতে আসা অতিথি এবং রাজার সামনে পদযাত্রায় অংশ নেন। এরপরই রাজা তাদের মধ্যে থেকেই একজনকে নতুন রানি হিসেবে বেছে নেন। আজব মনে হলেও পুরো দেশের মানুষ কিন্তু বেশ উৎসাহের সঙ্গে যোগ দেয় এই অনুষ্ঠানে।

সূত্র: চ্যানেল আফ্রিকা, ডেইলি হান্ট

৩০ টাকার ওপরে বিক্রি করা যাবে না আলু

প্রতি কেজি আলুর খুচরা, পাইকারি ও হিমাগার এই তিন পর্যায়ে দাম বেঁধে দিয়ে, ওই দামে নিত্যপ্রয়োজনীয় সবজিটির বিক্রি নিশ্চিত করতে সারা দেশের জেলা প্রশাসকদের চিঠি দিয়েছে কৃষি বিপণন অধিদফতর। কৃষি পণ্যের বাজার নিয়ন্ত্রণে কাজ করা সরকারি এই সংস্থাটি কেজিপ্রতি আলুর দাম হিমাগার পর্যায়ে ২৩ টাকা, পাইকারি পর্যায়ে ২৫ টাকা এবং খুচরা পর্যায়ে ৩০ টাকা নির্ধারণ করে দিয়েছে।

উল্লেখিত মূল্যে কোল্ডস্টোরেজ, পাইকারি বিক্রেতা এবং ভোক্তা পর্যায়ে খুচরা বিক্রেতাসহ তিন পক্ষই যাতে সবজিটি বিক্রয় করেন সেজন্য কঠোর মরিটরিং ও নজরদারির প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানানো হয়েছে সম্প্রতি ডিসিদের কাছে পাঠানো ওই চিঠিতে।

কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. নাসিরুজ্জামান বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, গত কয়েক বছর আলুর দাম কম থাকায় কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ফলে এ বছর দাম বাড়ায় তারা লাভবান হবেন। কিন্তু কোনোভাবেই এই সবজির দাম ৫০ টাকায় ওঠার সুযোগ নেই। এ বিষয়ে অবশ্যই ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরসহ বাজার নিয়ন্ত্রণে স্থানীয় প্রশাসনের মনিটরিং জোরদার করা উচিত।

কৃষি বিপণন অধিদফতরের কর্মকর্তারা জানান, তারা আলুর উৎপাদন খরচ, সংরক্ষণ ব্যয়সহ, মুনাফা হিসাব করেই এই তিন পর্যায়ে দাম নির্ধারণ করেছেন। কর্মকর্তারা জানান, প্রতিকেজি আলুতে হিমাগার ভাড়া বাবদ ৩ টাকা ৬৬ পয়সা, বাছাই খরচ ৪৬ পয়সা, ওয়েট লস ৮৮ পয়সা, মূলধনের সুদ ও অন্যান্য খরচ বাবদ ২ টাকা ব্যয় ধরেছেন তারা।

কৃষি বিপণন অধিদফতরের হিসাব অনুযায়ী, এ মৌসুমে একজন চাষির প্রতি কেজি আলু উৎপাদনে খরচ হয়েছে ৮ টাকা ৩২ পয়সা। উৎপাদন থেকে শুরু করে অন্যান্য খরচ ধরে এক কেজি আলু হিমাগার পর্যন্ত সংরক্ষণে সর্বমোট ব্যয় হয়েছে ২১ টাকা। এক্ষেত্রে হিমাগার পর্যায়ে বিক্রয় মূল্যের ওপর ২-৫ শতাংশ লভ্যাংশ, পাইকারি পর্যায়ে ৪-৫ শতাংশ এবং খুচরা পর্যায়ে ১০-১৫ শতাংশ লভ্যাংশ ধরে তারা এই তিন পর্যায়ের দাম নির্ধারণ করেছেন।

চিঠিতে কৃষি বিপণন অধিদফতর জানায়, বাংলাদেশে গত আলুর মৌসুমে প্রায় ১ দশমিক ৯ কোটি মেট্রিক টন আলু উৎপাদিত হয়েছে। দেশে মোট আলুর চাহিদা প্রায় ৭৭ দশমিক ৯ লাখ মেট্রিক টন। এতে দেখা যায় যে, গত বছর উৎপাদিত মোট আলু হতে প্রায় ৩১ দশমিক ৯১ লাখ মেট্রিক টন আলু উদ্বৃত্ত থাকে। কিছু পরিমাণ আলু রপ্তানি হলেও ঘাটতির আশঙ্কা নেই বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়।

হিমাগার মালিকদের সতর্ক করে অ্যাসোসিয়েশনের চিঠি-

এদিকে আলুর দাম ইতিহাসের সর্বোচ্চ পর্যায়ে ওঠার পর সবজিটি মজুদ করে কৃত্রিম সংকট না করার বিষয়ে হিমাগার মালিকদের সতর্ক করে দিয়েছে বাংলাদেশ কোল্ড স্টোরেজ অ্যাসোসিয়েশন।

গত ১১ সেপ্টেম্বর সারা দেশের হিমাগার মালিকদের কাছে পাঠানো এক চিঠিতে বলা হয়েছে, বাজারে চাহিদা থাকা সত্ত্বেও হিমাগারে সংরক্ষণকারী কৃষক, বেপারী ও ব্যবসায়ীরা অধিক লাভের আশায় আলু ছাড়ছেন না বলে জানা যায়। কোনো কোনো অঞ্চলে হিমাগার থেকে ধীরগতিতে আলু সরবরাহ হচ্ছে। এ প্রেক্ষিতে বাজারদর নিয়ন্ত্রণ ও ভোক্তা সাধারণের সুবিধার্থে হিমাগার থেকে প্রয়োজনীয় আলু সরবরাহ নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হলো।

 

আজ ঢাকায় আসছেন মার্কিন শীর্ষ কর্মকর্তা বিগান

ঢাকায় আসছেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দফতরের ডেপুটি সেক্রেটারি স্টিফেন এডওয়ার্ড বিগান। এর আগে তিনি সোমবার থেকে নয়াদিল্লি সফর করছেন। আজ নয়াদিল্লি থেকে তিনদিনের সফরে বিশেষ ফ্লাইটে তিনি ঢাকায় আসবেন।

ওয়াশিংটন ডিসিতে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দফতরের মুখপাত্র গত শুক্রবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানান, ‘জ্যেষ্ঠ সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ এবং যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ অংশীদারী পুনর্ব্যক্ত করতে ডেপুটি সেক্রেটারি বিগান বুধবার থেকে শুক্রবার বাংলাদেশ সফর করবেন।’
উল্লেখ্য, স্টিফেন বিগান যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দফতরের দ্বিতীয় শীর্ষ ব্যক্তি। যুক্তরাষ্ট্রের সেক্রেটারি অব স্টেট (পররাষ্ট্রমন্ত্রী) মাইক পম্পেওর পরই তার অবস্থান। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো শীর্ষ কর্মকর্তার এটিই প্রথম বাংলাদেশ সফর।

বিডি প্রতিদিন

দক্ষিণ এশিয়ায় জিডিপি প্রবৃদ্ধিতে সবচেয়ে এগিয়ে বাংলাদেশ: আইএমএফ

চলতি বছর (২০২০) মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) প্রবৃদ্ধির হারের হিসাবে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছে বাংলাদেশ।

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) প্রকাশিত “ওয়ার্ল্ড ইকোনোমিক আউটলুকে” এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়েছে, চলতি বছরের শেষ নাগাদ পর্যন্ত বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার দাঁড়াবে ৩ দশমিক ৮ শতাংশ।

একই সময় ভারতের জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার দাঁড়াবে মাইনাস  ১০ দশমিক ৩ শতাংশ (-১০.৩), পাকিস্তানের মাইনাস শূন্য দশমিক ৪ শতাংশ (-০.৪), শ্রীলংকার মাইনাস ৪ দশমিক ৬ শতাংশ (-৪.৬), ভুটানের শূন্য দশমিক ৬ শতাংশ (০.৬), মালদ্বীপের মাইনাস ৮ দশমিক ৬ শতাংশ (-৮.৬), আফগানিস্তানের মাইনাস ৫ শতাংশ (-৫)। দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে কেবল নেপালের প্রবৃদ্ধির হার অপরিবর্তিত থাকবে অর্থাৎ চলতি বছর শেষে দেশটির জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার দাঁড়াবে শূন্য (০) শতাংশ।

প্রতিবেদনে দেওয়া পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, ২০২৫ সালে বাংলাদেশের জিডিপির প্রবৃদ্ধির হার দাঁড়াবে ৭ দশমিক ৩ শতাংশ। একই সময় প্রতিবেশী ভারতের প্রবৃদ্ধির হার ৭ দশমিক ২ শতাংশ, পাকিস্তানের ৫ শতাংশ, আফগানিস্তানের ৪ শতাংশ, শ্রীলঙ্কার ৪ দশমিক ৮ শতাংশ, নেপালের ৫ শতাংশ, ভুটান ৬ শতাংশ এবং মালদ্বীপের ৫ দশমিক ৯ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হবে। অর্থাৎ এই হিসেবে অর্ধ দশক পরও দক্ষিণ এশিয়ায় জিডিপির প্রবৃদ্ধি সবেচেয়ে বেশি হবে বাংলাদেশে।

বিডি প্রতিদিন