সহসাই খুলছে না শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

করোনাভাইরাস সংক্রমণ বন্ধ না হওয়ায় সহসাই খুলছে না দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। প্রাথমিক ও মাধ্যমিকের সব শ্রেণিতে পরীক্ষা ছাড়াই মূল্যায়ন করে অথবা অটো প্রমোশনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের উপরের ক্লাসে তুলে দেওয়া হবে। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, শিক্ষা মন্ত্রণালয়, মাউশি সূত্র এসব তথ্য জানিয়েছে। এ বছরের প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী, জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) ও জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট (জেডিসি) বাতিলের পর এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা বাতিল করায় প্রাথমিক ও মাধ্যমিকের অন্য শ্রেণিতেও বার্ষিক পরীক্ষা হচ্ছে না এটিও বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে।

করোনার প্রকোপ বন্ধ না হওয়ায় শিক্ষাবিদরাও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান না খোলার পরামর্শ দিয়েছেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক বলেন, করোনার এ পরিস্থিতিতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা ঝুঁকিপূর্ণ এতে সন্দেহ নেই। সারা পৃথিবীতেই করোনা সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতি লক্ষ করা যাচ্ছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাও দ্বিতীয় সংক্রমণের ব্যাপারে সতর্ক করেছে। শীতের সময়ে দেশে করোনার সংক্রমণ বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। সবকিছু বিবেচনায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা ঠিক হবে না। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে শিক্ষা মন্ত্রণালয় শিক্ষার্থীদের মূল্যায়নের যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে তা যৌক্তিক।
মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরের (মাউশি) মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. সৈয়দ মো. গোলাম ফারুক বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার বিষয়টি একেবারেই ‘অপ্রত্যাশিত’। আমরা চেষ্টা করব শিক্ষার্থীদের কোনোভাবে মূল্যায়ন করে ওপরের শ্রেণিতে তুলে দেওয়ার। করোনা সংক্রমণ বন্ধ না হলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার সুযোগ নেই। তিনি বলেন, শিক্ষার্থীর জীবনের নিরাপত্তা সবার আগে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা নিরাপদ মনে না হলে স্কুল-কলেজ খোলার সুযোগ নেই। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের এ সময়ে শিক্ষার্থীদের টেলিভিশন, অনলাইনসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের সাহায্যে পাঠদান চলছে।

করোনার কারণে এ বছর প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী ও ইবতেদায়ি শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা বাতিল করে ইতিমধ্যে স্ব স্ব প্রতিষ্ঠানকে পরীক্ষা/মূল্যায়নের নির্দেশনা দেওয়া রয়েছে। জেএসসি ও জেডিসি পরীক্ষাও বাতিল করা হয়েছে। নভেম্বরে এসব পরীক্ষা হওয়ার কথা ছিল। এসব পরীক্ষার্থীকেও সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে মূল্যায়ন করে পরবর্তী শ্রেণিতে তুলে দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। জেএসসি ও এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলের গড়ের ভিত্তিতে শিক্ষার্থীদের এইচএসসিতে মূল্যায়নের সিদ্ধান্ত জানানোর পর আর করোনার সংক্রমণ বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত অন্য শ্রেণির বার্ষিক পরীক্ষা হওয়ারও আর সম্ভাবনা থাকল না।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ঘোষণা অনুযায়ী আগামী ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা রয়েছে। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নভেম্বরে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ আসবে। সে সময় করোনার সংক্রমণ আরও বাড়তে পারে। সম্প্রতি শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি জানিয়েছেন দ্বিতীয় ঢেউ এলে, সংক্রমণ বাড়লে তখন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা নিয়ে সংশয় রয়েছে। সে হিসেবেও এ বছর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা অনিশ্চিত। তাছাড়া শীতকালে করোনার প্রকোপ থাকলে সে হিসেবে নতুন বছরের শুরুতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা যাবে কিনা তা নিয়েও সংশয় রয়েছে।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. আকরাম-আল হোসেন বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, করোনার কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় প্রাথমিক পর্যায়ের একাডেমিক ক্যালেন্ডার পর্যালোচনা করে আগামী ১৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত করা হয়েছে। এর মধ্যেও যদি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা না যায় তবে তো অটো প্রমোশন ছাড়া কোনো উপায় থাকবে না। সচিব আরও বলেন, জানুয়ারিতে নতুন শিক্ষাবর্ষ শুরু হবে। কিন্তু বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, শীতে করোনার প্রকোপ বাড়বে। করোনার প্রকোপ বাড়লে তো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার কোনো সুযোগ থাকবে না। কবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা যাবে তা নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। প্রসঙ্গত, গত করোনাভাইরাস সংক্রমণের কারণে গত ১৭ মার্চ থেকে সারা দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। এ পরিস্থিতিতে প্রাথমিক ও মাধ্যমিকের শিক্ষার্থীদের সংসদ বাংলাদেশ টেলিভিশনের মাধ্যমে পাঠদান চালানো হচ্ছে। এ ছাড়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বেতারের মাধ্যমেও শুরু হয়েছে প্রাথমিকের বিভিন্ন শ্রেণির পাঠদান। আর বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের নির্দেশনার পর দেশের বিভিন্ন পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় অনলাইন মাধ্যম ব্যবহার করে পাঠদান চালু রেখেছে।

রিকশা থেকে নামিয়ে গৃহবধূকে গণধর্ষণ গ্রেফতার ৮

এবার সিএনজি ট্যাক্সিচালকের লালসার শিকার হয়েছেন এক গৃহবধূ। গ্রামের বাড়ি থেকে শহরের বাসায় ফেরার পথে রিকশা থেকে নামিয়ে গণধর্ষণ করা হয় ওই নারীকে। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে এক নারীসহ ৮ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রেফতারকৃতরা হলেন- ট্যাক্সিচালক জাহাঙ্গীর আলম, মো. ইউনুস, মো. রিপন, মো. সুজন, দেবু বড়ুয়া প্রকাশ জুবায়ের হোসেন, মো. শাহেদ, রিন্টু দত্ত ওরফে বিপ্লব এবং ধর্ষণের সহযোগী মনোয়ারা বেগম ওরফে লেবুর মা। বৃহস্পতিবার রাতে নগরীর চান্দগাঁও থানাধীন সিএন্ডবি মোড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ধর্ষণের শিকার ওই গৃহবধূ বর্তমানে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) চিকিৎসাধীন। সিএমপির উত্তর জোনের উপকমিশনার বিজয় বসাক বলেন, ভোরে ওই নারীকে উদ্ধার করে চমেক হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর নগরীর বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালিয়ে এ ধর্ষণের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে ৮ জনকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃতদের সবাই সিএনজি টেক্সিচালক। ধর্ষণে সহযোগিতার অভিযোগে এক নারীকে গ্রেফতার করা হয়। ধর্ষণের সময় ওই নারীকে মারধর করা হয়। একই সঙ্গে তার কাছ থেকে মোবাইল ফোন এবং টাকা ছিনিয়ে নেওয়া হয়। চান্দগঁাঁও থানার ওসি খন্দকার আতাউর রহমান বলেন, বৃহস্পতিবার রাতে ওই নগরীর রাঙ্গুনীয়া থেকে চট্টগ্রাম নগরীর চকবাজারের বাসায় ফিরছিলেন। তাকে বহনকারী সিএনজি নগরীর সিএন্ডবি মোড় এলাকায় নামিয়ে দেয়। সিএনজি টেক্সি থেকে নেমে তিনি রিকশা করে নগরীর চকবাজার এলাকার বাসায় ফিরছিলেন। তাকে বহনকারী রিকশা মৌলভী পুকুরপাড় এলাকায় এলে কয়েকজন যুবক তার গতিরোধ করে রিকশা থেকে নামিয়ে পার্শ্ববর্তী এক ডাস্টবিনের পাশে নিয়ে গণধর্ষণ করে।

দুই লাখ টাকার সমঝোতায় জড়িত থাকায় এসআই ক্লোজড

মাদারীপুর শহরের ডিজিটাল অ্যাপোলো হাসপাতালে চিকিৎসকের অবহেলায় এক প্রসূতির মৃত্যুর ঘটনায় পুলিশের উপস্থিতিতে দুই লাখ টাকায় মীমাংসা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় জড়িত থাকায় সদর থানার এসআই জহুরুল ইসলামকে শনিবার সকালে ক্লোজড করা হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গতকাল শুক্রবার ডাসার থানার আটিপাড়া গ্রামের অন্তঃসত্ত্বা রুনা আক্তারকে (২২) সকাল ৮টার দিকে ডিজিটাল অ্যাপোলো হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ওই হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. ফায়সাল কাবীর ও ডা. ফারজানা আফিয়া মেঘলা প্রসূতির সিজারিয়ান সেকশনের মাধ্যমে একটি ছেলে সন্তান ভূমিষ্ঠ করান। এসময় চিকিৎসকের অবহেলায় ওই প্রসূতি মারা যান।
এই ঘটনায় শুক্রবার রাত ১০টার দিকে সদর থানার এসআই জহুরুল ইসলাম, হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মনিরুজ্জামান মনির, শেয়ার মালিক জাকির দর্জি, স্থানীয় এক আওয়ামী লীগ নেতাসহ প্রভাবশালী একটি মহল দুই লাখ টাকার বিনিময় বিষয়টি মীমাংসা করেন। এই ঘটনায় পুলিশের উপস্থিতি থাকায় শনিবার সকালে জহুরুল ইসলামকে ক্লোজড করা হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মাদারীপুর সদর সার্কের সহকারী পুলিশ সুপার আবির হোসেন। অন্যদিকে ওই হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. ফায়সাল কাবীর ও ডা. ফারজানা আফিয়া মেঘলাকে তদন্তকালীন দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে।

এ ব্যাপারে মাদারীপুর সদর সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার আবির হোসেন জানান, ‘মীমাংসার বিষয়টি আমি শুনেছি। তবে স্পষ্টভাবে জানি না। এই মীমাংসার সময় পুলিশের এসআই জহুরুল ইসলাম উপস্থিত থাকার বিষয়টিও জেনেছি। পরে পুলিশ সুপার তাকে ক্লোজড করে পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করেছেন। এর বাহিরে তেমন কিছু জানি না।’

বিডি প্রতিদিন

আজ চিত্রশিল্পী এস এম সুলতানের মৃত্যুবার্ষিকী

বিশ্ববরেণ্য চিত্রশিল্পী এস এম সুলতানের ২৬তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। বরেণ্য এই শিল্পী ১৯২৪ সালের ১০ আগস্ট নড়াইল শহরের মাছিমদিয়ায় জন্মগ্রহণ করেন। রাজমিস্ত্রি পিতা মেছের আলীর নান্দনিক সৃষ্টির ঘষামাজার মধ্য দিয়ে ছোটবেলার লাল মিয়ার (সুলতান) চিত্রাঙ্কনে সুপ্ত প্রতিভার বিকাশ হয়।

সুলতান ফাউন্ডেশনের সভাপতি জেলা প্রশাসক আনজুমান আরা জানান, স্বাস্থ্যবিধি মেনে শিল্পীর ২৬তম মৃত্যুবার্ষিকী যথাযোগ্য মর্যাদায় উদ্যাপনের লক্ষ্যে যাবতীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। সুলতান ফাউন্ডেশনের আজীবন সদস্য সুলতান মাহমুদ জানান, চিত্রাপাড়ের লাল মিয়া শিল্পের মূল্যায়ন হিসেবে পেয়েছেন ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ‘ম্যান অব দ্য ইয়ার’, নিউইয়র্কের বায়োগ্রাফিক্যাল সেন্টার থেকে ‘ম্যান অব অ্যাচিভমেন্ট’ ও এশিয়া উইক পত্রিকা থেকে ‘ম্যান অব এশিয়া’ পুরস্কার। এ ছাড়া ১৯৮২ সালে একুশে পদক এবং ’৯৩ সালে স্বাধীনতা পদকে ভূষিত হন। ’৮৪ সালে বাংলাদেশ সরকারের রেসিডেন্ট আর্টিস্ট হিসেবে স্বীকৃতি এবং ’৮৬ সালে বাংলাদেশ চারুশিল্পী সংসদ সম্মাননা পান। সুলতানের স্মৃতি ধরে রাখার জন্য শিল্পীর মৃত্যুর পর সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে শিল্পীর বাসভবনসংলগ্ন ২ একর ৫৭ শতক জমির ওপর নির্মিত হয়েছে এস এম সুলতান স্মৃতি সংগ্রহশালা।
১৯৯৪ সালের ১০ অক্টোবর চিরকুমার, অসাম্প্রদায়িক এই শিল্পী দীর্ঘদিন শ্বাসকষ্টে ভোগার পর যশোর সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

দ্বিতীয় বিয়ের প্রস্তুতি, স্ত্রীর লাথিতে স্বামীর মৃত্যু

চট্টগ্রামে স্বামীর দ্বিতীয় বিয়ের অনুমতি নিয়ে ঝগড়ার একপর্যায়ে স্পর্শকাতর স্থানে স্ত্রীর লাথিতে আবুল হাশেম নামে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় স্ত্রী লায়লী বেগমকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গতকাল ভোরে সীতাকুন্ড থানাধীন জঙ্গল সলিমপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। সীতাকুন্ড থানার ওসি ফিরোজ হোসেন মোল্লা বলেন, জঙ্গল সলিমপুর এলাকার হাশেম-লায়লীর ২৭ বছর সংসার জীবনে তারা নিঃসন্তান ছিলেন। এ নিয়ে প্রায়ই দুজনের মধ্য ঝগড়া হতো। সম্প্রতি হাশেম দ্বিতীয় বিয়ে করতে উদ্যোগ নেন। এ নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর ঝগড়া চরম পর্যায়ে পৌঁছায়। বৃহস্পতিবার সামাজিকভাবে তারা বৈঠকও করেন। ঘর থেকে লোকজন চলে যাওয়ার পর ফের বিবাদে জড়িয়ে পড়েন দুজন। এ সময় স্বামীর স্পর্শকাতর স্থানে লাথি মারেন স্ত্রী। এতে মৃত্যু হয় হাশেমের। এ ঘটনার পর স্ত্রীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

ফেনীতে স্কুলছাত্রী ধর্ষণের ঘটনায় সেই আওয়ামী লীগ নেতা বহিষ্কার

ফেনীর সোনাগাজীতে ৭ম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের ঘটনায় সেই আওয়ামী লীগ নেতা তমিজ উদ্দিন নয়নকে (৫০) দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। গতকাল শুক্রবার (৯ অক্টোবর) মতিগঞ্জ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. ইসমাইল ও সাধারণ সম্পাদক মাহফুজ আলম মিয়াজী স্বাক্ষরিত এক পত্রের মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

তমিজ মতিগঞ্জ ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি ছিলেন। ৭ম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে গত বৃহস্পতিবার (অক্টোবর) রাতে পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে। গতকাল শুক্রবার ওই ছাত্রীর ডাক্তারী পরীক্ষা শেষে আদালতে ২২ ধারায় জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়। তমিজ উদ্দিনকে আদালতে হাজির করে ১০ দিনের রিমান্ড আবেদ করলে আদালত ৭দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে।
প্রসঙ্গত, তমিজ উদ্দিনের ফার্নিচার দোকানের এক কর্মচারীর মেয়ে গত ১ অক্টোবর তার দোকানের সামনে দিয়ে প্রাইভেট পড়তে যাওয়ার সময় সে তাকে জোর পূর্বক দোকানে নিয়ে ধর্ষণ করে। ধর্ষণের পর তাকে হুমকি দেওয়া হয় ঘটনাটি কাউকে জানালে তাকে ও তার বাবাকে হত্যা করা হবে। বিষয়টি তমিজ উদ্দিনের স্ত্রী দেখে ফেললে তার মুখ বন্ধ করার জন্য তাকেও সে মারধর করে। পরে তাদের ঝগড়ায় বিষয়টি এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। এরপর গত বৃহস্পতিবার রাতে ওই ছাত্রী তার বাবা-মাকে ঘটনাটি জানালে তার মা রাতেই তমিজ উদ্দিন নয়নকে আসামি করে সোনাগাজী মডেল থানায় মামলা করে। পরে রাতেই পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে।

বিডি-প্রতিদিন

ফতুল্লায় কিশোর গ্যাংয়ের ২ গ্রুপের সংঘর্ষে নিহত ১, গ্রেফতার ২

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় প্রভাব বিস্তারকে কেন্দ্র করে কিশোর গ্যাংয়ের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে নাইম নামে এক কিশোর ছুরিকাঘাতে নিহত হয়েছেন। নিহত নাইম ইসদাইর এলাকার মৃত.খলিল মিয়ার ছেলে। গতকাল শুক্রবার (৯ অক্টোবর) রাতে ফতুল্লার ইসদাইর বুড়ির দোকান এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় দুই কিশোর হৃদয় ও হাবিবকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তাদের উভয়ের বয়স ১৫/১৭ এর মধ্যে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দীর্ঘদিন যাবত ইসদাইর বুড়ির দোকান এলাকায় কিশোর গ্যাংয়ের উৎপাত চলছে। প্রায় সময় কিশোরদের ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ও প্রকাশ্যে ধারালো ছুরি, রাম দা নিয়ে মহড়া নিত্যদিনের ঘটনায় পরিণত হয়েছে। এলাকাবাসী থানা পুলিশকে জানালে পুলিশ এসে কাউকে গ্রেফতার করতে পারতেন না। মাদক ক্রয় বিক্রয় নিয়ে বিরোধের জের ধরে নাইমকে ছুরিকাঘাতে খুন করেছে হৃদয় নামে আরেক কিশোর। এ ঘটনায় পুলিশ হৃদয় ও হাবিব নামে দু’জনকে গ্রেফতার করেছে।
ঘটনাস্থলে যাওয়া ফতুল্লা মডেল থানার এসআই মিজানুর রহমান জানান, দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। লাশ ময়না তদন্তের জন্য শহরের জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। সংঘর্ষে আল আমিন, লিমনসহ তিনজন ছুরিকাঘাতে আহত হয়েছে। সংঘর্ষের কারণ জানতে ও জড়িত অন্যদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

বাংলাদেশে সফরে আসছেন মার্কিন উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী

রাষ্ট্রীয় সফরে বাংলাদেশে আসছেন যুক্তরাষ্ট্রের ডেপুটি সেক্রেটারি অব স্টেট (উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী) স্টিফেন ই. বিগান।   ১৪ থেকে ১৬ অক্টোবর তিনি এই সফর করবেন। সফরের শুরুতে ১২ অক্টোবর তিনি ভারতের নয়াদিল্লিতে পৌঁছবেন। সেখান থেকে ১৪ অক্টোবর বাংলাদেশে আসবেন।

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র বিভাগের ওয়েবসাইটে  শুক্রবার এ তথ্য জানানো হয়।

স্টিফেন ই. বিগান বাংলাদেশের ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। আলোচনার মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশের অংশীদারিত্ব আরও এগিয়ে নেয়ার বিষয়টি এ সফরের অন্যতম উদ্দেশ্য। এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে স্বাধীন, অবাধ, অন্তর্ভুক্তিমূলক, শান্তিপূর্ণ ও নিরাপদ পরিবেশ তৈরিতে যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ সহযোগিতা বৃদ্ধিও আলোচনায় গুরুত্ব পাবে। পাশাপাশি কভিড-১৯ মোকাবিলা ও অর্থনীতি পুনরুদ্ধার এবং টেকসই অর্থনৈতিক উন্নয়ন প্রচেষ্টায় যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের অংশীদারিত্ব ও যৌথ সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা করবেন মার্কিন উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

বিডি প্রতিদিন

ফের দখল উত্তরের সেই জমি

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) লাভের গুড় খাচ্ছে পিঁপড়ায়! প্রয়াত মেয়র আনিসুল হকের উদ্ধার করা গাবতলী এলাকায় ডিএনসিসির ১৫৭ বিঘা জমি ফের চলে গেছে প্রভাবশালীদের দখলে। কেউ নিজে করছেন ইট-বালু-সুরকির ব্যবসা। অধিকাংশ দখলদার ওই জমি প্লট করে ভাড়া দিয়েছেন বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের কাছে। প্রায় ১১০০ কোটি টাকা বাজার মূল্যের এ জমি থেকে মাসে দেড় কোটি টাকার ভাড়া আদায় হলেও জানে না সিটি করপোরেশন। ২০১৭ সালে মেয়র থাকাকালীন আনিসুল হক এসব অবৈধ দখল উচ্ছেদে হাত দিলেও তার মৃত্যুর পর থেমে যায় এ উদ্যোগ। এরপর তার উদ্ধার করা অংশও পুনরায় দখল হয়ে যায়।

সরেজমিন দেখা গেছে, রামচন্দ্রপুর স্লুইস গেট থেকে ঢাকা-আরিচা সড়ক পর্যন্ত বেড়িবাঁধ সড়কের দুই পাশে আনিসুল হকের উদ্ধার করা জমিতে গড়ে উঠেছে শত শত অবৈধ দোকান, বাস-ট্রাক স্ট্যান্ড। বেড়িবাঁধ থেকে তুরাগ নদের ওয়াকওয়ে পর্যন্ত ডিএনসিসির পুরো জায়গা দখল করে গড়ে উঠেছে পাঁচ শতাধিক ইট-বালু-সুরকির আড়ত। রয়েছে পাথর ভাঙা কারখানা, কয়লার আড়ত, ভাতের হোটেল, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের গোডাউন, জ্বালানির দোকান থেকে শুরু করে রাজনৈতিক দলের অফিসও। উদ্ধার করা জমির বিভিন্ন স্থানে এখনো উত্তর সিটির সাইনবোর্ড লাগানো রয়েছে। লেখা রয়েছে- ‘এই সম্পত্তির মালিক ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন, প্রবেশাধিকার সংরক্ষিত।’ সাইন বোর্ডের পাশেই রয়েছে ইট-বালুর দোকান। কিছু সাইনবোর্ড ভেঙে ফেলা হয়েছে। এর মাঝেই আবার নতুন করে টাঙানো হয়েছে পাউবো থেকে ইজারা নেওয়ার সাইনবোর্ড। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, জমি উত্তর সিটির হলেও প্রভাবশালী মহল ভাড়া দিয়ে প্রতি মাসে হাতিয়ে নিচ্ছে কোটি টাকা। ব্যবসায়ীরা বলছেন, তারা নিয়মিত প্লটের মালিককে ভাড়া পরিশোধ করছেন। কেউ ভাড়া দিচ্ছেন মাসিক, কেউ বার্ষিক। উত্তর সিটি করপোরেশন বলছে, ওই ১৫৭ বিঘা বা ৫২ একর ডিএনসিসির সম্পত্তি। জমি কাউকে বরাদ্দ দেওয়া হয়নি। তারা কোনো রাজস্ব পায় না, কোনো ভাড়া তোলে না। এদিকে প্লটের মালিক দাবিদার এমন কয়েকজনের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তারা বলেন, এই জমি তাদের অবিভক্ত সিটি করপোরেশন থেকে ইজারা নেওয়া। প্রশ্ন উঠেছে- গাবতলীর এই ১৫৭ বিঘা জমি আসলে কার? কারা আদায় করছেন কোটি টাকা ভাড়া? টাকার ভাগ কোথায় কোথায় যাচ্ছে? এ বিষয়ে উত্তর সিটির মেয়র আতিকুল ইসলাম বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, সিটির সব অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ শুরু করেছি। গাবতলীর ৫২ একর জমিতে ডিএনসিসির অনেক কিছু করার পরিকল্পনা রয়েছে। অচিরেই ওই জমি দখলমুক্ত করতে উচ্ছেদ অভিযান চালানো হবে। আমি গাবতলী এলাকা পরিদর্শন করেছি। এ বিষয়ে সম্পত্তি বিভাগকে নির্দেশনাও দিয়েছি।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ২০০৫ সালে সিটি করপোরেশনে ৩০০ প্লট বরাদ্দের জন্য যারা আবেদন করেছিলেন, তাদের দখলেই আছে ডিএনসিসির ওই ১৫৭ বিঘা সম্পত্তি। তাদের কেউ কেউ নিজেরা ব্যবসা করছেন। অধিকাংশই অন্যদের কাছে ইট-বালু-সুরকি ব্যবসার জন্য প্লট ভাড়া দিয়েছেন। যারা ভাড়া নিয়েছেন তারা আবার প্লটের আংশিক জমি একাধিক জনের কাছে ভাড়া দিয়েছেন। সব মিলে পাঁচ শতাধিক প্লটে চলছে ইট-বালু-সুরকির ব্যবসা। আকার ও অবস্থানভেদে প্রতি প্লট থেকে মাসে ভাড়া তোলা হচ্ছে ১০ থেকে ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত। ইট, পাথর ও বালুর মূল ঘাট এলাকার প্রতিটি প্লটের মাসিক ভাড়া ৫০ হাজার টাকার বেশি। কেউ বার্ষিক ভাড়া নিচ্ছেন। মেহরাব এন্টারপ্রাইজ ইট-বালুর ব্যবসার জন্য বার্ষিক ভাড়া দিচ্ছে সাড়ে ৮ লাখ টাকা। রাস্তার পাশে উচ্ছেদ আতঙ্ক থাকায় তার পাশের প্লটটির বার্ষিক ভাড়া ৭ লাখ টাকা। মোহাম্মদ আলী এন্টারপ্রাইজ তিন কাঠার প্লটের জন্য মাসে ১০ হাজার টাকা ভাড়া দেয়। এর বাইরে ভাঙ্গাড়ির দোকান, নতুন-পুরনো টায়ারের দোকান, চায়ের দোকান, ভাতের হোটেলসহ আরও প্রায় চার থেকে পাঁচশ দোকান গড়ে উঠেছে ওই জমিতে। নদীর পাড়েও ১০-১৫ হাজার টাকা অগ্রিম নিয়ে ও মাসিক এক-দেড় হাজার টাকা ভাড়ায় চায়ের দোকান বসিয়েছেন কেউ কেউ। প্লট ভাড়া নেওয়া একজন ব্যবসায়ী বলেন, ‘এসব দোকান থেকে মাসে দেড় কোটি টাকার বেশি ভাড়া উঠছে। যারা আমাদের জায়গা দিয়েছেন, আমরা তাদের ভাড়া দিচ্ছি। এটা সরকারি জায়গা হলে সরকারকে ভাড়া দিতে আমাদের আপত্তি নেই। আমরা ব্যবসা করতে পারলে খুশি।’ জমির দাম : বর্তমান বাজারদর অনুযায়ী ডিএনসিসির ওই এলাকায় প্রতি কাঠা জমির মূল্য প্রায় ৩৫ লাখ টাকা। সেই হিসাবে ১৫৭ বিঘা জমির দাম প্রায় ১১০০ কোটি টাকা। তবে নদীর পাড়ের বাণিজ্যিক জমি হওয়ায় দাম আরও বেশি হবে বলে মনে করেন স্থানীয়রা।

তিন বছরে রাজস্ব আসত ৫৪ কোটি টাকা : ২০১৭ সালে ওই জমি অবৈধ দখলমুক্ত করা হয়। আনিসুল হকের মৃত্যুর পর ফের তা বেদখল হয়। অথচ, ভাড়া তুললেও মাসে দেড় কোটি টাকা করে তিন বছরে ডিএনসিসি রাজস্ব পেত ৫৪ কোটি টাকা।

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা মো. মোজাম্মেল হক বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, গাবতলীর ওই ৫২ একর জমি সিটি করপোরেশন কাউকে ভাড়া বা বরাদ্দ দেয়নি। সেখান থেকে সিটি করপোরেশন কোনো রাজস্ব পায় না। আমাদের কোনো কর্মী সেখান থেকে টাকা-পয়সা আনে না। কাদের ভাড়া দিয়ে ব্যবসায়ীরা দোকান বসিয়েছে তা তারাই জানেন। শিগগিরই এসব অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে জমি উদ্ধার করা হবে। ওই জমিতে আধুনিক জবেহখানা, আধুনিক ওয়ার্কশপ, খেলার মাঠ তৈরিসহ বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে। দখলদাররা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে ওই জমি ইজারা নিয়েছে বলে যেসব কাগজপত্র দেখায় সেগুলোর কোনো ভিত্তি নেই।

এ বিষয়ে গাবতলী ইট, পাথর ও বালু ব্যবসায়ী বহুমুখী সমবায় সমিতির কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য মাহমুদুল হাসান মনির বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, অবিভক্ত ঢাকা সিটি করপোরেশনের কাছ থেকে ২০০৫ সালে সালামির মাধ্যমে আমরা ৩০০ প্লট বরাদ্দ নিয়ে এখানে ইট-বালু-পাথরের ব্যবসা করছি। সরকারের প্রয়োজনে সরকার যদি এই জমি নেয়, তবে আমাদের ব্যবসা করার জায়গা দিক। ঢাকা শহরের উন্নয়নের জন্য ইট-বালু-পথরের একটা ঘাট থাকা দরকার। সরকারের কাছে আমাদের অনুরোধ, আমাদের জায়গাটার বৈধতা দেওয়া হোক। আমাদের এই ব্যবসার সঙ্গে প্রায় কয়েক লাখ মানুষের কর্মসংস্থান জড়িত। সরকারের আমাদের কথাও ভাবা উচিত। ২০১৭ সালের ৫ থেকে ৯ জুলাই পর্যন্ত ওই জমিতে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করে ডিএনসিসি। তৎকালীন মেয়র প্রয়াত আনিসুল হক ওই অভিযানে নেতৃত্ব দেন। উদ্ধারের পর টিন দিয়ে সীমানা চিহ্নিত করা হয়। উচ্ছেদ অভিযান শেষে উত্তর সিটির পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়- ১৯৮৯ সালে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড অবিভক্ত সিটি করপোরেশনকে ৫২ একর জমির মালিকানা হস্তান্তর করে। পরে যা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের দখলে চলে যায়। পুরো ৫২ একর জমি উদ্ধারের পর ওই জমিতে একটি অ্যাসফল্ট প্ল্যান্ট ও কেন্দ্রীয় পরিবহন ওয়ার্কশপ নির্মাণের পরিকল্পনার কথা তখন বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়। তবে আনিসুল হক মারা যাওয়ার পর সেখানে আর টেকসই সীমানাপ্রাচীর তৈরি করেনি ডিএনসিসি। আবার বরাদ্দ দিয়ে ভাড়াও আদায় করেনি। এ সুযোগে দখলদার চক্র ডিএনসিসির সাইনবোর্ড, টিনের সীমানা খুঁটি সরিয়ে আবার দখল করে নেয়।

ফের বিয়ে করলেন শমী কায়সার

একসময়ের জনপ্রিয় অভিনেত্রী শমী কায়সার আবারও বিয়ের করেছেন। বরের নাম রেজা আমিন। তিনি পেশায় একজন ব্যবসায়ী।

পরিণয়ের আগে উভয়েই ভালো বন্ধু ছিলেন। সেই বন্ধুত্ব থেকেই একে অপরের প্রতি ভালো লাগা এবং বিয়ে। বিয়েতে দুই পক্ষের পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন বলে শমী কায়সারের ঘনিষ্ঠ এক মিডিয়াকর্মী নিশ্চিত করেছেন।

শমী কায়সারের তৃতীয় বিয়ে এটি। এর আগে ১৯৯৯ সালে পশ্চিমবঙ্গের চিত্রনির্মাতা রিঙ্গোকে বিয়ে করেন শমী কায়সার। তাদের সংসারের স্থায়িত্ব ছিল দুই বছর। নানা কারণে তাদের মধ্যে দূরত্ব বেড়ে গেলে সেই বিয়ে ভেঙে যায়। এরপর শমী বিয়ে করেন একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক আরাফাতকে।

নব্বই এর দশকের জনপ্রিয় টিভি অভিনেত্রী শমী কায়সার। শহীদ বুদ্ধিজীবি শহীদুল্লাহ কায়সার ও সাবেক সংসদ সদস্য পান্না কায়সারের কন্যা তিনি। শমী কায়সার ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ( ই-ক্যাব)-এর সভাপতি।