সুশান্ত সিংয়ের মৃত্যু নিয়ে ছবি, কী বললেন পরিচালক!

২০২০ সালের ১৪ জুন, অভিনেতা সুশান্ত সিং রাজপুত আত্মহত্যা করেন। মুম্বাইয়ের বান্দ্রায় নিজের বাড়িতে তার ঝুলন্ত দেহ পাওয়া যায়। জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন অভিনেতা। সেই থেকেই এমন সিদ্ধান্ত নেন অভিনেতা সুশান্ত সিং রাজপুত। মাত্র ৩৪ বছর বয়সী তরুণ এই অভিনেতার করুণ পরিণতির পর বলিউডের অন্দরে চলা স্বজনপ্রীতি, পাওয়ার প্লে থেকে শুরু করে মাদক মামলা পর্যন্ত চলে আসে প্রশাসনের নজরে।

কিন্তু এই সবকিছুর মধ্যে সব থেকে বেশি আলোচিত হয় সুশান্ত সিং রাজপুতের সাথে রিয়া চক্রবর্তীর সম্পর্ক ও সুশান্তের সাবেক প্রেমিকা অঙ্কিতা লোখান্ডের কথা। মামলা এতটাই গুরুতর হয়ে ওঠে যে তা এনসিবির ছত্রছায়ায় চলে আসে। দীপিকা পাডুকোন, সারা আলি খান, শ্রদ্ধা কাপুর, রিয়া চক্রবর্তী ও তার ভাই সৌভিক চক্রবর্তীকে জেরা করা শুরু হয়। রিয়া চক্রবর্তী এবং তার ভাই সৌভিক চক্রবর্তীকে জেল পর্যন্ত যেতে হয়। কিন্তু সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যু তদন্তের কোনো সুরাহা হয়নি।

সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যুর এতদিন পরে তার রহস্য মৃত্যু নিয়ে ছবি নির্মাণে আগ্রহের কথা জানালেন পরিচালক রাম গোপাল ভার্মা। সম্প্রতি একটি সাক্ষাৎকারে রামগোপাল ভার্মাকে প্রশ্ন করা হয়, সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যুর পরের ঘটনা যে রকম জটিল পথে এগিয়েছে তা নিয়ে ভালো একটি চিত্রনাট্যর দাঁড় করানো যায় কিনা। এ বিষয়ে পরিচালক উত্তর দিয়েছেন,হতেও পারে।  আবার নাও হতে পারে। অনেক ঘটনা ঘটেছে। অনেক পক্ষ তৈরি হয়েছে। যা থেকে বেছে নিতে হবে চিত্রনাট্যে।

রাম গোপালের মতে, মানুষ প্রথমে প্রচুর আওয়াজ তোলে নেট মাধ্যমে। কিন্তু তারপর সময়ের স্রোতে তারা আসল ঘটনা ভুলেও যায় । এত কিছু ঘটল, কিন্তু ফল কিছুই হল না। এমনকি রিয়া চক্রবর্তীর সঙ্গে কী হল, তাও কেউ জানে না। আসলে নেটমাধ্যম একটা সার্কাস। তবে তিনি আদৌ চিত্রনাট্য নিয়ে ভাবনাচিন্তা করছেন কিনা এ বিষয়ে সবিস্তারে কোনও তথ্য তিনি দেননি।

 

গোপনে ফোন করেছিলেন অক্ষয় কুমার, বিস্ফোরক দাবি কঙ্গনার

নিজের সুখ্যাতি নিজেই করেই থাকেন কঙ্গনা রানাউত। নিজেকে কখনও একাধিক অস্কারজয়ী হলিউড অভিনেত্রী মেরিল স্ট্রিপের সঙ্গে তুলনা করেছেন, কখনও আবার ‘সুপার উওম্যান’ গাল গ্যাডোটের সঙ্গে। কিন্তু একটাই দুঃখ তার মনে। বলিউডের কেউ তার প্রশংসা করেন না। যদিও তার দাবি, অনেকেই তার প্রশংসা করতে চান।

কিন্তু মুভি মাফিয়াদের ভয়ে তা করতে পারেন না। কারা তারা? সেই প্রশ্নের উত্তর গতকাল বৃহস্পতিবার (৮ এপ্রিল) এক টুইটারে দিলেন বলিউডের কন্ট্রোভার্সি ক্যুইন। যেখানে তিনি দাবি করেছেন, ‘থালাইভি’ ছবির ট্রেলার দেখার পর অক্ষয় কুমার তাকে গোপনে ফোন করেছিলেন। আবার অভিনয়ের প্রশংসাও করেছিলেন।

উল্লেখ্য, কিছুদিন আগেই নিজের করোনা আক্রান্ত হওয়ার কথা বলেছিলেন অক্ষয় কুমার। তিনি জানিয়েছিলেন, স্থিতিশীল আছেন তিনি। তবে সুরক্ষার কথা মাথায় রেখে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

এমন পরিস্থিতিতেই টুইটারে কঙ্গনা লেখেন, বলিউডে এতটা হিংসা যে কারও প্রশংসা করার জন্য কাউকে বিপদে পড়তে হতে পারে, আমি অনেক গোপন ফোন আর মেসেজ পেয়েছি। এমনকি, অক্ষয় কুমারের মতো বড় তারকাও থালাইভি সিনেমার ট্রেলার দেখে প্রচুর প্রশংসা করেছেন। কিন্তু দীপিকা কিংবা আলিয়ার সিনেমার মতো তারা প্রকাশ্যে প্রশংসা করতে পারেন না। মুভি মাফিয়াদের সন্ত্রাসের জন্য।

চিত্রনাট্যকার অনিরুদ্ধ গুহর টুইটারের পরিপ্রেক্ষিতেই একথা লিখেছিলেন কঙ্গনা। গত ২৩ মার্চ ‘থালাইভি’ ছবির ট্রেলার প্রকাশ্যে এসেছিল। ছবিতে ভারতের রাজনীতিবিদ জয়ললিতার চরিত্র ফুটিয়ে তুলেছেন কঙ্গনা। সকল বাধা-বিপত্তি-অপমানকে হারিয়ে তামিলনাড়ুর ‘আম্মা’ হয়ে উঠেছিলেন জয়ললিতা। ছয়বার তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী হয়েছিলেন। এমন চরিত্র সম্পর্কে কথা বলতে গিয়ে ছবির ট্রেলার লঞ্চে কেঁদে ফেলেছিলেন কঙ্গনা। তিনি জানিয়েছিলেন, তাকেও অনেক প্রতিকূলতার মধ্যে দিয়ে যেতে হয়।

সানি লিওনের মতো স্ত্রী পেয়ে ধন্য : ড্যানিয়েল ওয়েবার

বর্তমান বলিউড সেনসেশন ও সাবেক পর্নতারকা সানি লিওন ব্যক্তিগত জীবনে ড্যানিয়েল ওয়েবারকে বিয়ে করেছেন। এরই মধ্যে এক ছাদের নিচে এক দশক পার করে ফেলেছেন এই দম্পতি। আজ ৯ এপ্রিল ছিল তাদের বিয়ের দশম বার্ষিকী। খবর এনডিটিভির।

বিশেষ এই দিনটি উপলক্ষে ড্যানিয়েল বলেন, এই উন্মাদ পৃথিবীতে বিশেষ করে বিনোদন জগতে সানির লিওনের মতো স্ত্রী পেয়ে আমি ধন্য। সৌভাগ্য যে সে আমার সঙ্গী হয়েছে। সে সঙ্গী হিসেবে অসাধারণ। তিন সন্তানের মা হিসেবেও সে চমৎকার।

এদিকে ড্যানিয়েলের সঙ্গে ছবি পোস্ট করে সানি লিখেছেন, ‘আমার ভালোবাসার মানুষকে ১০তম বিবাহবার্ষিকীর শুভেচ্ছা। আমি প্রার্থনা করি জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত এভাবে একসঙ্গে পার করব। তুমি আমার শক্তি ও নায়ক। তোমাকে অনেক ভালোবাসি।’

উল্লেখ্য, বিয়ের অন্তত তিন বছর আগে থেকেই সম্পর্কে জড়ান সানি ও ড্যানিয়েল। তাদের একসঙ্গে পথচলার ১৩ বছর কেটে গেছে। তারা বিয়ের আগে তিন বছর প্রেম করেন। এরপর পরিবারের সম্মতিতে বিয়ে করেন। এক পর্যায় তারা পর্ন দুনিয়াকে বিদায় জানায়।

কোরিয়ান সিনেমায় যেভাবে নায়ক হলেন বাংলাদেশি শ্রমিক

মাহবুব আলম পল্লব ১৯৯৯ সালে শ্রমিক হিসেবে দক্ষিণ কোরিয়ায় গিয়েছিলেন। শুরুর দিকে তিনি প্রবাসীদের বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে তথ্যচিত্র তৈরি করতে থাকেন। কিন্তু পরে ধীরে ধীরে তিনি বড়পর্দার সিনেমায় সুযোগ পান।

মাহবুব বলছিলেন, অভিবাসী কর্মী হিসেবে প্রায়ই বৈষম্যের শিকার হতে হয় আমাদের। এ কারণে নিজে অভিবাসী হয়েও অন্যদের নিয়ে কাজ করা শুরু করি। একটা সময় বুঝতে পারি, নিজেদের জন্য গণমাধ্যম তৈরি করা দরকার। তৈরি করতে থাকি ডকুমেন্টারি। অভিনয় বা চলচ্চিত্র নিয়ে একেবারেই অভিজ্ঞতা ছিল না আমার। পরিকল্পনা ছিল দুই তিন বছর সেখানে থাকব। তারপর দেশে আসব। তবে সেটা হয়নি। ঘটনাক্রমে যুক্ত হয়ে যাই চলচ্চিত্রে।

২০০৪ সাল থেকে ডকুমেন্টারির কাজ শুরু করেন মাহবুব। কারণ, স্থানীয় মিডিয়া প্রবাসীদের কোনো সুযোগ দিচ্ছিল না। ‘দ্য রোড অব দ্য রিভেঞ্জ’ নামের শর্ট ফিল্মে প্রথম অভিনয় করেন তিনি। এটা এক ধরনের ব্ল্যাক কমেডি।

নায়ক হয়ে ওঠা প্রসঙ্গে মাহবুব বলেন, ‘এ ছবির পরিচালক আমাকে চিনতেন। এখানে আমার দায়িত্ব ছিল স্ক্রিপ্ট নিয়ে কাজ করা ও একজন হ্যান্ডসাম নায়ককে খুঁজে দেওয়া। খুঁজতে গিয়ে দেখি, মনের মতো কাউকেই পাচ্ছি না। কিন্তু পরিচালক যে বিষয়গুলো চান, তার সবই আমার মধ্যে আছে। নির্মাতাকে গিয়ে বললাম, আমি অভিনয় করলে কেমন হয়? তিনি বললেন, মাহবুব তুমি হ্যান্ডসাম, ভাষাও জানো, ভিসারও সমস্যা নেই। কিন্তু তোমাকে ওজন কমাতে হবে। এভাবেই অভিনয় করা শুরু।’

২০০৯ সালে মুক্তি পায় মাহবুব অভিনীত প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘হোয়ার ইজ রনি…’। একই বছরে আসে ‘বান্ধবী’, যা দেশ-বিদেশে ব্যাপক আলোচিত হয়।

মাহবুব অভিনীত চলচ্চিত্রের মধ্যে আছে—‘মাই ফ্রেন্ড অ্যান্ড হিজ ওয়াইফ’, ‘হোয়ার ইজ রনি’, ‘পেইনড’, ‘ইউ আর মাই ভাম্পায়ার’, ‘পারফেক্ট প্রপোজাল’, ‘আসুরা: সিটি অব ম্যাডনেস’ ও ‘লাভ ইন কোরিয়া’।

এখন পর্যন্ত ১৫টির মতো কোরিয়ান নাটক, সিনেমা ও বিজ্ঞাপনে অভিনয় করেছেন মাহবুব। অভিনেতা হিসেবে আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে মর্যাদাপূর্ণ পুরষ্কারও পেয়েছেন তিনি।

সূত্র: বিবিসি বাংলা

‘আরআরআর’ সিনেমা মুক্তির আগেই আয় ৯০০ কোটি

‘রুদ্রম রণম রুধিরাম’ বা ‘আরআরআর’ বা ‘থ্রি আর’। ‘বাহুবলী’খ্যাত পরিচালক এসএস রাজামৌলি নিয়ে এই নতুন সিনেমা।

একঝাঁক তারকা নিয়ে তৈরি হচ্ছে ‘ট্রিপল আর’। সিনেমাটির বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করছেন—জুনিয়র এনটিআর, রাম চরণ, আলিয়া ভাট, অজয় দেবগন। পাশাপাশি আছেন রে স্টেভেনসন, অলিভিয়া মরিস, অ্যালিসন ডুডির মতো আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন তারকারা।

সিনেমাটি মুক্তির আগেই বেশ মধুর সমস্যার সম্মুখীন সিনেমাটির প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান। সিনেমার অবমুক্তির বাকি আরও মাসখানেক। এর আগেই নানা ওটিটি প্ল্যাটফরম এবং ডিস্ট্রিবিউশন প্রতিষ্ঠানের কাছে দারুণ চাহিদা তৈরি করেছে ‘আরআরআর’। এর জেরে মুক্তির আগেই ৯০০ কোটি রুপি আয় ঘরে তুলে নিল ছবিটি।

জানা গেছে, পেন স্টুডিওর কাছে বিক্রি হয়েছে সিনেমাটির সম্প্রচার এবং মিউজিক স্বত্ব। ভারতীয় গণমাধ্যমের বেশ কিছু প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, ‘আরআরআর’-এর সম্প্রচার স্বত্ব এবং মিউজিক রাইটস মিলে পেন স্টুডওর কাছে বিক্রয় করা হয়েছে ৯০০ কোটি রুপিতে। এর মধ্যে শুধু সিনেমাটির ভারতের প্রেক্ষাগৃহগুলোতে সম্প্রচার স্বত্বই বিক্রি হয়েছে ৫৭০ কোটি রুপিতে। পাশাপাশি ডিজিটাল ও স্যাটেলাইট স্বত্ব আরো ৩০০ কোটি রুপিতে বিক্রি হয়েছে। ২০ কোটি রুপিতে বিক্রি হয়েছে গানের স্বত্ব।

সোশ্যাল মিডিয়া থেকে নিজের ছবি উধাও করলেন শাহরুখ কন্যা

বলিউডে এখনও পা রাখেননি শাহরুখ খানের কন্যা সুহানা খান। কিন্তু সোশ্যাল মিডিয়ায় ঝড় তোলেন তিনি। কিং খানের কন্যার  রুপে মুগ্ধ সকলেই।  শাহরুখ কন্যার বয়স মাত্র ২১ আর এই বয়সেই ইনস্টাগ্রামে ১৬ লক্ষ ইউজার ফলো করেন তাকে। সুহানা খান নিজের ছবি সময়ে সময়ে পোস্ট করেন।

সম্প্রতি একটি কালো পোশাকে উষ্ণ ছবি ইনস্টায় শেয়ার করেছিলেন তিনি। কিন্তু আচমকাই সেটি ইনস্টাগ্রাম থেকে মুছে দিলেন। হঠাৎ ছবি মুছে দেওয়ার কারণ স্পষ্ট নয়, শুধুমাত্র ছবি ডিলিট করেই থামেননি, এবার তার পোস্টে কমেন্টও করতে পারবেন তারাই, যাদের তিনি ফলো করেন।

বলিউডের বাদশা কন্যা সুহানা আপাতত নিউইয়র্ক বিশ্ববিদ্যালয়ে ফিল্মমেকিং নিয়ে পড়াশোনা করছেন। মার্কিন মুলুকে দিনযাপনের সুন্দর মুহুর্ত সোশ্যাল মিডিয়ায় তুলে ধরেন তিনি। এর মধ্যে বেশ কিছু ছবি সোশ্যাল মিডিয়া থেকে উধাও করলেও তার অনুরাগীরা তা এখনও রেখে দিয়েছেন।

সুহানা খান মুম্বাইয়ের ধীরুভাই আম্বানি ইনস্টিটিউশন থেকে পড়াশোনা শেষ করে ব্রিটেনের আরডিংলে কলেজের পড়েন, বর্তমানে নিউইয়র্কে পড়াশোনা করছেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় কিছুদিন আগে তার গায়ের রং নিয়ে ট্রোল হতে হয়েছিল তাকে, তবে সেই ট্রোলারদের পাল্টা জবাবও দিয়েছিলেন তিনি।

সুন্দরী প্রতিযোগিতার মঞ্চে মুকুট নিয়ে টানাটানি, বিউটি কুইনের মাথায় চোট

‘মিসেস শ্রীলঙ্কা’, শ্রীলঙ্কার সবচেয়ে বড় সুন্দরী প্রতিযোগিতা। গত রবিবার রাজধানী কলম্বোর একটি থিয়েটারে অনুষ্ঠিত হল এর গ্রান্ড ফিনালে।

২০২১ সালের বিজয়ী ঘোষণা করা হয় পুষ্পিকা ডি সিলভাকে। খেতাব অর্জনের পর মঞ্চেই বিব্রতকর পরিস্থিতির মধ্যে পড়েন তিনি।

পুরস্কার মঞ্চে মুকুট নিয়ে টানাটানি শুরু হয়। বিশৃঙ্খলার এক পর্যায়ে মাথায় চোট পান বিউটি কুইন পুষ্পিকা ডি সিলভা। খবর বিবিসির।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ঘোষণার কয়েক মুহূর্ত পরে ২০১৯ সালের বিজয়ী ক্যারোলিন জুরি তার মুকুটটি ছিনিয়ে নেন। ক্যারোলিন দাবি করেন, ডি সিলভা আসলে ডিভোর্সপ্রাপ্ত। তিনি এই খেতাবের যোগ্য নন।

জুরি বলেন, ‘ইতোমধ্যেই বিয়ে হয়েছে এবং বিচ্ছেদ হয়েছে এমন নারীরা নিয়ম অনুযায়ী এ খেতাব পেতে পারেন না। তাই আমি দ্বিতীয় স্থান অধিকারীকে মুকুটটি দিয়ে দিচ্ছি।’

এ কথা বলেই ডি সিলভার মাথা থেকে সোনালি মুকুট তুলে নিয়ে রানার-আপের মাথায় পরিয়ে দেন তিনি। অশ্রুসিক্ত চোখে মঞ্চ ছাড়েন ডি সিলভা। মঞ্চের বিশৃঙ্খলায় মাথায় চোট লাগে তার। এ ঘটনার পর আয়োজকরা নিশ্চিত হন যে, ডি সিলভার ডিভোর্স হয়নি। তিনি আলাদা হয়ে গেছেন, কিন্তু ডিভোর্স হয়নি। আয়োজকরা তার কাছে ক্ষমা চেয়েছেন। তাকে এক দিনের মধ্যেই বিজয়ীর খেতাব ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে।

এক ফেসবুক পোস্টে ডি সিলভা বলেন, এই ঘটনায় তিনি মাথায় আঘাত পেয়েছেন। চিকিৎসার জন্য তাকে হাসপাতালে যেতে হয়েছে।

মিসেস ডি সিলভা আরও জানান, তার সঙ্গে হওয়া ‘অযৌক্তিক ও অপমানজনক’ আচরণের জন্য তিনি আইনি ব্যবস্থা নেবেন।‘

প্রতিযোগিতার ফাইনাল অনুষ্ঠানে দেশটির প্রধানমন্ত্রীর স্ত্রী প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে অভিনেতা ফারুক

জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে রয়েছেন অভিনেতা ও সংসদ সদস্য আকবর হোসেন পাঠান ফারুক। পাকস্থলীতে রক্তক্ষরণের কারণে তার অবস্থা বেশ গুরুতর বলে জানিয়েছেন এ অভিনেতার ছেলে শরৎ। ফারুক বর্তমানে সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

গত ২১ মার্চ থেকে তিনি হাসপাতালটির আইসিইউতে অজ্ঞান অবস্থায় রয়েছেন, তার চেতনা নেই। শরৎ জানিয়েছেন, এরই মধ্যে ফারুকের রক্তে ব্যাক্টেরিয়াজনিত সংক্রমণ ভয়াবহভাবে ছড়িয়ে পড়েছে।

শরৎ বলেন, ‘বাবার রক্তে সংক্রমণ মারাত্মকভাবে বেড়ে গেছে। পাকস্থলীতে ইন্টারনাল রক্তক্ষরণ হয়েছে। কিছুদিন আগে বাবার মস্তিষ্কে একটি সিজার করা হয়। সবাই আমার বাবার জন্য দোয়া করবেন।’

উল্লেখ্য, গত ৪ মার্চ নিয়মিত চেকআপের জন্য সিঙ্গাপুর যান ফারুক। সেখানে গিয়ে আরও বেশি অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি।

বিবাহিত পুরুষের প্রেমে পড়া নিয়ে মুখ খুললেন রেখা

ফাইল ছবি

সম্প্রতি ‘ইন্ডিয়ান আইডল ১২’-এর বিচারক হয়ে এসেছিলেন রেখা। আর সেখানেই দর্শকদের মাতিয়ে রাখলেন কিংবদন্তি এই অভিনেত্রী। আর সেখানে বিবাহিত পুরুষের প্রতি প্রেমে পড়া নিয়ে মুখ খুলে আলোচনায় উঠে এলেন তিনি।

‘ইন্ডিয়ান আইডল ১২’-এর সঞ্চালক জয় ভানুশালি রেখার পাশে বসে থাকা সদ্য বিবাহিত গায়িকা নেহা কক্করের কাছে একটি প্রশ্ন রাখেন। তিনি জিজ্ঞাসা করেন, ”কোনও নারীকে বিবাহিত পুরুষের প্রেমে পড়তে দেখেছেন কি?”

নেহা কক্করের পাশে বসে থাকা রেখা বলেন, ”এ বিষয়ে আমাকে প্রশ্ন করতে পারেন।” পরক্ষণেই আবার তিনি বলেন, ”আমি কিছু বলিনি।” তবে তার অভিব্যক্তি অনেক কিছু বুঝিয়ে দেয়। সেসময় উপস্থিত সকলেই রেখার কথা শুনে হেসে ফেলেন। সঞ্চালক জয় ভানুশালিও ঠিক কী বলবেন বুঝতে পারছিলেন না।তবে রেখা যে অতীতে তার আর অমিতাভ বচ্চনের প্রেমের গুঞ্জনের দিকে ইঙ্গিত করেছেন তা বুঝে নিতে কারও বাকি থাকেনি। অভিনেত্রীর কথা শুনে দর্শক মহলেও ওঠে হাসির রোল।

বিয়ের আগে অন্তঃসত্ত্বা হওয়া নিয়ে যা বললেন দিয়া

বলিউড অভিনেত্রী দিয়া মির্জা। প্রেমিক বৈভব রেখিকে বিয়ে করেন গত ১৫ ফেব্রুয়ারি। বিয়ের দেড় মাস যেতেই অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার খবর জানান তিনি। এ নিয়ে নেট দুনিয়ায় চলছে আলোচনা।

নারীর ক্ষমতায়ন নিয়ে সোচ্চার দিয়া। এমনকি তার বিয়েও পড়িয়েছেন একজন নারী পণ্ডিত। তাহলে বিয়ের পরেই কেন মা হওয়ার খবর জানালেন এই অভিনেত্রী? বিয়ের আগে কি নারীদের মা হওয়ার অধিকার নেই? দিয়াকে এমনই প্রশ্ন করেন এক ভক্ত।

এর উত্তরে দিয়া বলেন, “খুবই মজার প্রশ্ন। প্রথমত, আমাদের সন্তান আসছে দেখেই বিয়ে করেছি তা কিন্তু নয়। একসঙ্গে থাকব জন্যই বিয়ে করেছি। যখন বিয়ের পরিকল্পনা করছিলাম তখনই মা হওয়ার বিষয়টি জানতে পারি। সুতরাং, অন্তঃসত্ত্বা হয়েছি তাই বিয়ে করেছি বিষয়টি এমন নয়।”

‘রেহনা হ্যায় তেরে দিল ম্যায়’ সিনেমাখ্যাত এই অভিনেত্রী আরও বলেন, “আমরা যতক্ষণ পর্যন্ত এই বিষয়ে নিশ্চিত না হয়েছি ততক্ষণ ঘোষণা দেইনি। এটি আমার জীবনের অনেক খুশির সংবাদ। এর জন্য অনেক বছর অপেক্ষা করেছি। মেডিকেল কিছু বিষয় ছাড়া অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার খবরটি লুকানোর কোনও কারণ নেই।”

বিয়ের দেড় মাসের মাথায় ১ এপ্রিল ফটো ও ভিডিও শেয়ারিং সাইট ইনস্টাগ্রামে বেবি বাম্পের ছবি পোস্ট করে ভক্তদের মা হওয়ার খবর জানান তিনি। বৈভবের সঙ্গে দাম্পত্য জীবনে এটিই দিয়ার প্রথম সন্তান।

এর আগে নির্মাতা সাহিল সাংঘাকে বিয়ে করেছিলেন দিয়া মির্জা। সিনেমার চিত্রনাট্য শোনাতে গিয়ে দিয়ার সঙ্গে সাহিলের ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয়। এরপর ছয় বছর প্রেম করেন তারা। ২০১৪ সালে বিয়ে করেন দিয়া ও সাহিল। কিন্তু ২০১৯ সালের আগস্টে বিবাহবিচ্ছেদের ঘোষণা দেন এই জুটি।

দিয়া অভিনীত সর্বশেষ মুক্তিপ্রাপ্তে সিনেমা ‘থাপ্পড়’। তেলেগু ভাষার ‘ওয়াইল্ড ডগ’ সিনেমায় অভিনয় করছেন তিনি। অভিনয়ের পাশাপাশি সমাজকর্মী হিসেবেও পরিচিত এই অভিনেত্রী। এছাড়া ইউএনইপি-এর গুডউইল অ্যাম্বাসেডর দিয়া