সমকামী দম্পতিদের শিশু দত্তক নিষিদ্ধ নিয়ে মুখ খুললেন সেলিনা

বলিউডে এখন আর তেমন দেখা যায় না তাকে। এখন তিনি সন্তান-সংসার নিয়েই ব্যস্ত। তাই মুম্বাই নয়, তিনি এখন অস্ট্রিয়ার বাসিন্দা। বলছি বলিউড অভিনেত্রী সেলিনা জেটলির কথা। শোবিজে তার অনুপস্থিতি থাকলেও তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশ সরব। এবার ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের বাসিন্দা হিসেবে সদ্য একটি ঘটনার কড়া প্রতিবাদ জানালেন সেলিনা। খবর টিভি নাইনের।

সম্প্রতি সমলিঙ্গের দম্পতিদের শিশু দত্তক নেওয়ার ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে হাঙ্গেরি সরকার। এই সিদ্ধান্ত মেনে নিতে পারেননি সেলিনা। টুইট করে প্রতিবাদ করেছেন এই অভিনেত্রী। সেলিনা জানান, ‘এটা এমন একটা সিদ্ধান্ত যেটা আমাদের আরও পিছনের দিকে ঠেলে দেবে। ইউরোপিয় ইউনিয়নের বাসিন্দা হিসেবে কোনও সদস্য যে এমন একটা সিদ্ধান্ত নিতে পারেন, সেটা আমি ভাবতেই পারি না।’

কাল জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার প্রদানে ভার্চুয়ালি থাকবেন প্রধানমন্ত্রী

দেশের ৪৪তম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার-২০১৯ প্রদানের আসর বসছে আগামীকাল রবিবার। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এদিন সকাল সাড়ে দশটায় রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে গণভবন থেকে ভার্চুয়াল মাধ্যমে প্রধান অতিথির আসন অলংকৃত করবেন। প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেবেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ এমপি।

এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে যোগ দেবেন তথ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসান এবং তথ্য মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সংসদীয় কমিটির সভাপতি ও সাবেক তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু। তথ্যসচিব খাজা মিয়া স্বাগত বক্তব্য রাখবেন। এছাড়া এই পুরস্কার অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন চলচ্চিত্র ও সংস্কৃতি অঙ্গনের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।

২০১৯ সালে নির্মিত চলচ্চিত্রগুলোর মধ্য থেকে ২৫টি ক্যাটাগরিতে ৬টি যুগ্মসহ মোট ৩১ জনকে জাতীয় পুরস্কারের জন্য নির্বাচিত করে জুরি বোর্ড। এর সাথে চলচ্চিত্রে বিশেষ অবদানের জন্য মাসুদ পারভেজ (সোহেল রানা) ও কোহিনুর আক্তার সুচন্দা এ বছর আজীবন সম্মাননায় অভিষিক্ত হচ্ছেন। গত বছরের ৩ ডিসেম্বর তথ্য মন্ত্রণালয় থেকে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ২০১৯ প্রজ্ঞাপন জারি হয়।

পুরস্কারের জন্য নির্বাচিতদের তালিকা:

আজীবন সম্মাননা (যুগ্ম): চলচ্চিত্র অভিনেতা মাসুদ পারভেজ (সোহেল রানা) এবং অভিনেত্রী কোহিনুর আক্তার সুচন্দা।

শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র (যুগ্ম): ন ডরাই ও ফাগুন হাওয়ায়।

শ্রেষ্ঠ স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র: নারী জীবন।

শ্রেষ্ঠ প্রামাণ্য চলচ্চিত্র: যা ছিলো অন্ধকারে।

শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র পরিচালক: তানিম রহমান অংশু (ন ডরাই)।

শ্রেষ্ঠ অভিনেতা প্রধান চরিত্রে: তারিক আনাম খান (আবার বসন্ত)।

শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী প্রধান চরিত্রে: সুনেরাহ বিনতে কামাল (ন ডরাই)।

শ্রেষ্ঠ অভিনেতা পার্শ্ব চরিত্রে: এম ফজলুর রহমান বাবু (ফাগুন হাওয়ায়)।

শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী পার্শ্ব চরিত্রে: নারগিস আক্তার (হোসনে আরা) (মায়া দ্য লস্ট মাদার)।

শ্রেষ্ঠ অভিনেতা/অভিনেত্রী খল চরিত্রে: জাহিদ হাসান (সাপলুডু)।

শ্রেষ্ঠ শিশু শিল্পী (যুগ্ম) নাইমুর রহমান আপন (কালো মেঘের ভেলা) ও আফরীন আক্তার (যদি একদিন)।

শ্রেষ্ঠ সংগীত পরিচালক: মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরী ইমন (মায়া দ্য লস্ট মাদার)।

শ্রেষ্ঠ নৃত্য পরিচালক: হাবিবুর রহমান (মনের মতো মানুষ পাইলাম না)।

শ্রেষ্ঠ গায়ক: মৃণাল কান্তি দাস (তুমি চাইয়া দেখো…) (শাটল ট্রেন)।

শ্রেষ্ঠ গায়িকা (যুগ্ম): মমতাজ বেগম (বাড়ির ওই পূর্বধারে…) (মায়া দ্য লস্ট মাদার) ও ফাতিমা-তুয-যাহরা ঐশী (মায়া, মায়া রে…) (মায়া দ্য লস্ট মাদার)।

শ্রেষ্ঠ গীতিকার (যুগ্ম): নির্মলেন্দু গুণ (ইস্টিশনে জন্ম আমার…) (কালো মেঘের ভেলা) ও ড. কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী (কবি কামাল চৌধুরী) (চল হে বন্ধু চল…) (মায়া দ্য লস্ট মাদার)।

শ্রেষ্ঠ সুরকার (যুগ্ম): প্লাবন কোরেশী (আব্দুল কাদির) (বাড়ির ওই পূর্বধারে…) ও সৈয়দ মো. তানভীর তারেক (আমার মায়ের আঁচল…) (মায়া দ্য লস্ট মাদার)।

শ্রেষ্ঠ কাহিনীকার: মাসুদ পথিক (মাসুদ রানা) (মায়া দ্য লস্ট মাদার)।

শ্রেষ্ঠ চিত্রনাট্যকার: মাহবুব উর রহমান (ন ডরাই)।

শ্রেষ্ঠ সংলাপ রচয়িতা: জাকির হোসেন রাজু (মনের মতো মানুষ পাইলাম না)।

শ্রেষ্ঠ সম্পাদক: জুনায়েদ আহমদ হালিম (মায়া দ্য লস্ট মাদার)।

শ্রেষ্ঠ শিল্প নির্দেশক (যুগ্ম): মোহাম্মদ রহমত উল্লাহ বাসু ও মো. ফরিদ আহমেদ (মনের মতো মানুষ পাইলাম না)।

শ্রেষ্ঠ চিত্রগ্রাহক: সুমন কুমার সরকার (ন ডরাই)।

শ্রেষ্ঠ শব্দগ্রাহক: রিপন নাথ (ন ডরাই)।

শ্রেষ্ঠ পোশাক ও সাজ-সজ্জা: খোন্দকার সাজিয়া আফরিন (ফাগুন হাওয়ায়) এবং

শ্রেষ্ঠ মেকআপম্যান: মো. রাজু (মায়া দ্য লস্ট মাদার)।

উল্লেখ্য, ১৯৭৬ সালের ৪ এপ্রিল প্রথম চলচ্চিত্র পুরস্কার দেয়া হয়। ২০০৯ সালে প্রথম চালু করা হয় আজীবন সম্মাননা পুরস্কার।

বিডি-প্রতিদিন

আমাকে বিয়ে করবে?, কাকে বললেন শ্রীলেখা

টলিউড অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র নানা সময়ে নানা মন্তব্য করে আসেন আলোচনায়। তার সে মন্তব্যে অনেকে সমালোচনা করলেও, অনেকে ক্ষুদ্ধ হলেও তিনি তার ধার ধারেন না। এমনই এক স্বাধীনচেতা, একরোখা শ্রীলেখাকে ফের দেখা গেল। গত বুধবার শ্রীলেখা তার ব্যক্তিগত ইউটিউব চ্যানেল ‘আমি শ্রীলেখা’য় একটি ভিডিও পোস্ট করেন যার শিরোনাম ছিল ‘উইল ইউ ম্যারি মি?’ বা আমাকে তুমি বিয়ে বিয়ে করবে?

ভিডিওতে শ্রীলেখা মিত্রের নানা সময়ের চিত্র ফুঁটে ওঠে। তাতে হার না মানা শ্রীলেখাকে দেখা যায়। নেপথ্যে ছিল নিজের জীবন, জীবন নিয়ে পর্যবেক্ষণ সংক্রান্ত শ্রীলেখার বর্ণনা। সে বর্ণনায় নিজের অনেক কিছুই তুলে ধরেছেন তিনি।

শ্রীলেখা বলেন, ‘ভালোবেসে বিয়ে করেছিলাম সে বিয়ে কোনো কারণে টিকলো না। খুব স্বাভাবিক ভাবেই কষ্ট পেয়েছি কিন্তু কম্প্রোমাইজ বা এডজাস্ট করে বাঁচবো না। তাই আবারও এগিয়ে গেছি।’

 

তিনি বলেন, ‘ছোটবেলা থেকেই মেয়েদের বোঝানো হয় তারা অসহায়। বাঁচতে গেলে কোনো পুরুষের সাহায্য প্রয়োজন তাদের। আমি এই ভাবনাটাই ভাঙতে চাই। বুঝিয়ে দিতে চাই, আমরা নিজেরা নিজেদের মতো করে বেঁচে থাকতে পারি।’

আক্ষেপ করে শ্রীলেখা বলেন, ‘রিং ফিঙ্গারে কেউ কখনো আংটি পরায়নি। একদিন গাড়িতে যেতে যেতে হঠাৎ এক নামিদামি গয়নার দোকান চোখে পড়ল। ওই ইমপালসিভ আবেগ, ড্রাইভারকে গাড়ি দাঁড় করাতে বললাম, গাড়ি থেকে নামলাম, সোজা ঢুকে গেলাম গয়নার দোকানে। নিজের কষ্টার্জিত অর্থে রিং ফিঙ্গারে একটি দামি ডায়মন্ডের রিং দিয়ে নিজে নিজেকে প্রপোজ করলাম- শ্রীলেখা, উইল ইউ ম্যারি মি?’

অনেক দিন পর্দার বাইরে থাকা শ্রীলেখা আগামী ২৪ জানুয়ারি থেকে শুরু করছেন শর্ট ফিল্ম ‘বিটার হাফ’র শ্যুটিং। এ শর্ট ফিল্মটি পরিচালনার পাশাপাশি অভিনয়ও করেছেন শ্রীলেখা। এর মাধ্যমে প্রথমবারের মতো তিনি এলেন পরিচালনায়।

কার সঙ্গে থাকব, সেটা আমার সিদ্ধান্ত : নুসরাত

কলকাতার বাংলা ছবির অভিনেত্রী ও সংসদ সদস্য নুসরাত জাহান। অভিনেতা যশ দাশগুপ্তের সঙ্গে অবসর কাটাতে গিয়ে সম্প্রতি বিতর্কিত হন এ অভিনেত্রী। শোনা যাচ্ছে, স্বামী নিখিলের সঙ্গে টানাপড়েন চলছে নুসরাতের। কারণ বৈবাহিক সম্পর্কে ঢুকে পড়েছে তৃতীয় ব্যক্তি। এতেই ভাঙছে এ অভিনেত্রীর সংসার। আর অভিযোগের তীর যশের দিকে।

কলকাতার প্রথম সারির একটি গণমাধ্যমে সংসার ভাঙা ও প্রেম নিয়ে সম্প্রতি মুখ খুলেছেন নুসরাত। স্বামীর সঙ্গে আলাদা থাকা ও যশের সঙ্গে বন্ধুত্ব প্রসঙ্গে নুসরাত বলেন, কার সঙ্গে থাকব, কার সঙ্গে ছবি পোস্ট করব- সেটা একান্তই আমার সিদ্ধান্ত।

৮ জানুয়ারি ছিল নুসরাতের জন্মদিন। নেটিজেনদের ধারণা ছিল, জন্মদিন স্বামীর সঙ্গে কাটাবেন নুসরাত। কিন্তু সে ধারণা ভুল প্রমাণ হয়েছে। এবারের জন্মদিনে হাজির হননি তার স্বামী নিখিল। তবে যশ ঠিকই হাজির ছিলেন জন্মদিনের পার্টিতে।

জন্মদিনে নিখিল কোনো উপহার দিয়েছে- এমন প্রশ্নের উত্তরে অভিনেত্রী জানান, জন্মদিনে নিখিল উইশ করেছে।

ব্যবসায়ী নিখিল জৈনের সঙ্গে ২০১৯ সালে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন টালিগঞ্জের অভিনেত্রী নুসরাত জাহান। জমকালো আয়োজনে তুরস্কে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা করেছেন তারা। দাম্পত্য জীবন ভালোই যাচ্ছিল তাদের। স্বামী-সংসার, লাইট-ক্যামেরার কাজ, রাজনৈতিক ময়দান- সব সমান তালে সামলাচ্ছিলেন এ অভিনেত্রী। কিন্তু হঠাৎই নুসরাতের সংসারে ভাঙনের সুর ভাসছে টলিপাড়ায়।

অন্য পথে হাঁটছেন অমিতাভের নাতনি

নানা-নাতির দেখানো পথে নয়, নিজের মতো করে ক্যারিয়ার শুরু করতে চলেছেন অমিতাভ বচ্চনের নাতনি নব্যা নভেলি নন্দা। স্বাস্থ্য বিষয়ক একটি অনলাইন সংস্থা খুলে ফেলেছেন নব্যা। নাম ‘আরা হেলথ’। তবে অবশ্য নব্যা একা নয়, তাঁর সঙ্গে মিলে এই ‘আরা হেলথ’-এর প্রতিষ্ঠা করেছেন প্রজ্ঞা সাবু, অহল্যা মেহতা ও মল্লিকা সাহানে।

জিনিউজ বলছে সম্প্রতি, ‘আরা হেলথ’-এর অনলাইন সেশনে প্রজ্ঞা সাবু, অহল্যা মেহতা ও মল্লিকা সাহানের সঙ্গে হাজির হয়েছিলেন নব্যা। যেখানে পুরুষতান্ত্রিক সমাজে নারী হিসাবে নিজেদের অভিজ্ঞতা নিয়ে কথা বলতে দেখা গেল তাঁদের। নব্যা নভেলি নন্দাকে বলতে শোনা গেল পুরুষতান্ত্রিক সমাজে তাঁকে কীভাবে প্রতিনিয়ত নিজেকে প্রমাণ করতে হয়েছে।

নব্যার কথায়, ‘যখনই আমদের স্পললাইটে রাখা হয়, কোনোও বিক্রেতা কিংবা ডাক্তার (যদি পুরুষ হয়), যার সঙ্গেই কথা বলি না কেন, আমরা মহিলা সেকথা মাথায় রেখেই তাঁরা কথা বলেন।’

বাইরের লোকজনের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে তাঁর কী অনুভূতি হয়েছে সেবিষয়ে নব্যা বলেন, ‘যখন আপনি কোনও বিষয়ে কারোর সঙ্গে কথা বলতে যাবেন, সেই ব্যক্তি আপনার সম্পর্কে কী ভাবছেন, তা কখনও ভাববেন না। তবে আমার মনে হয়েছে, আমাদের আরও প্রমাণ করার দরকার আছে। কারণ, আমরা যে জায়গায় থাকি, তার বেশিরভাগ অংশই পুরুষ দ্বারা পরিচালিত।’

প্রসঙ্গত, নব্যা নভেলি নন্দা হলেন অমিতাভ বচ্চন ও জয়া বচ্চনের কন্যা শ্বেতা বচ্চন নন্দা-র মেয়ে। নব্যার বাবা নিখিল নন্দা, পেশায় ব্যবসায়ী। যিনি আবার রাজ কপুরের মেয়ে রীতু নন্দার ছেলে। তবে ফিল্মি পরিবারে অংশ হয়েও নিজের কেরিয়ারটা অন্যভাবেই শুরু করলেন নব্যা। গতবছর (২০২০) নিউ ইয়র্কের একটি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক বয়েছেন।

ধোনির ব্যবসায় ধস, মেরে ফেলা হচ্ছে আড়াই হাজার মুরগি!

ভারতীয় জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনির মুরগির ব্যবসা বেশ ভালোই চলছিল। কিন্তু এই করোনার মহামারীতে বার্ড ফ্লু ছড়িয়েছে ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে। তাই হঠাৎ করেই মুরগির অর্ডার বাতিল করে দিয়েছেন ধোনি। একজন মুরগি ব্যবসায়ী হিসেবে বেশ শঙ্কায়ও রয়েছেন তিনি।

ধোনির পোলট্রি ফার্মে কড়কনাথ মোরগ ও মুরগি প্রতিপালন করছেন। কিন্তু যেখান থেকে ধোনি কড়কনাথ মুরগির ছানা কিনেছিলেন সেখানে বার্ড ফ্লু ইতিমধ্যেই ছড়িয়ে পড়েছে। এর ফলে এমন আশঙ্কা করা হচ্ছে যে, ধোনির ফার্মের অন্তত আড়াই হাজার কড়কনাথ মুরগিকে মেরে ফেলা হতে পারে।

কড়কনাথ মুরগিতে প্রচুর পরিমাণে মাংস পাওয়া যায়। সবচেয়ে দামি মুরগির ডিমও এই কড়কনাথের। কড়কনাথ প্রজাতির মুরগি যেগুলো ডিম দেয়, সেগুলোর দাম বাজারে ৩ থেকে ৪ হাজার রুপি। যদি মুরগির ছানা থেকে মুরগি তৈরি করা হয় তাহলে ৬-৭ মাসে সেটা ডিম দেওয়ার মতো তৈরি হয়ে যায়। ভারতে কড়কনাথ মুরগির ছানার দাম ৮০ থেকে ১০০ রুপি হয়। কোটা, রাজস্থানে কড়কনাথ মুরগির ব্যবসায়ীর মতে বাজারে এই মুরগির মাংস ও ডিমের চাহিদা বেশি। তুলনায় যোগানও কম। তাই এই মুরগির কোনো ফিক্সড রেট নেই। বাজারে এখন একটি কড়কনাথ মুরগির ডিমের দাম ২০ থেকে ৩০ রুপি।

বিডি প্রতিদিন

মায়ের সাবেক স্বামীকে নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য শ্রাবন্তী পুত্রের

ব্যায়ামবিদদের নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন টলিউড অভিনেত্রী শ্রাবন্তী পুত্র অভিমন্যু চট্টোপাধ্যায়। ক্ষোভ প্রকাশের জন্য সিংহভাগ তারকার মতোই সোশ্যাল মিডিয়াকে বেছে নিয়েছেন তিনি। ইনস্টাগ্রামে একটি স্টোরি পোস্ট করতেই শুরু জল্পনা। কী লিখলেন টলিউডের এই স্টারকিড?

তিনি লিখেছেন, এই পৃথিবীতে কিছু বুদ্ধিহীন বডিবিল্ডার আছে যারা তাদের শরীরের এতটাই বৃদ্ধি ঘটিয়েছে যে তাদের মস্তিষ্কেই আর কিছু নেই।এখানেই থেমে যাননি অভিমন্যু। তার সংযোজন, বাস্তবে তাদের ভদ্র ভাবে কথা বলার মতো ক্ষমতা নেই কারণ তারা সেই শিক্ষা নিয়ে বড় হয়নি।

মায়ের সাবেক স্বামী অর্থাৎ রোশন সিংকে ইশারা করেই নাকি অভিমন্যু ছুড়েছেন এমন কটাক্ষের তির। কারণ রোশন যে অনেক বড় ‘জিম ফ্রিক’, সে কথা জানতে বাকি নেই কারও। শরীরচর্চার প্রতি ভালবাসা থেকে একটি জিমও খুলে ফেলেছেন তিনি। মাঝেমধ্যেই ইনস্টাগ্রামে দেখা যায় তার জিম সেশনের ঝলক। এই সূত্র ধরেই হিসাব মেলানোর চেষ্টা করেছেন অনেকে। টলিপাড়ার অনেকে বলছেন, স্টোরিতে ‘বডি বিল্ডারস’ অর্থাৎ বহুবচনে লিখলেও আসলে অভিমন্যু একজনকেই খোঁচা দিতে চেয়েছেন।

কিছু দিন আগেই এক সাক্ষাৎকারে রোশন জানিয়েছিলেন শ্রাবন্তীর সঙ্গে তার কোনও যোগাযোগ নেই। অন্যদিকে, শ্রাবন্তীও নিজের কাজ নিয়ে ব্যস্ত। কিছুদিন আগেই নতুন ছবি ‘বিক্ষোভ’এর একটি গানের শ্যুটিংয়ের জন্য উত্তরবঙ্গে উড়ে গিয়েছিলেন এই অভিনেত্রী। এবার প্রশ্ন, তাহলে রোশনের উপর কেন চটলেন অভিমন্যু?

 

গুঞ্জনের মধ্যেই শাঁখা-সিঁদুরে সেজে যশকে নিয়ে মন্দিরে নুসরাত!

পশ্চিমবঙ্গের চলচ্চিত্র পাড়ায় ও রাজনীতিতে আলোচনায় বিবাহিত সাংসদ অভিনেত্রী নুসরাত জাহান ও যশ দাশগুপ্তের প্রেম। এমনই গুঞ্জন নিয়ে চারিদিকে যখন হইচই পড়ে গেছে, তখন সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হলো তাদের মন্দিরে যাওয়ার একটি ভিডিও।

ভিডিওতে ভারতের দক্ষিণেশ্বর কালী মন্দিরে পাওয়া গেল ‘যশরত’কে। শাঁখা-সিঁদুর, আর সবুজ-গোলাপি ভারি সিল্কের শাড়িতে সেজেছেন নুসরাত। যশ-নুসরাতের সঙ্গে হাজির হয়েছিলেন তৃণমূল নেতা মদন মিত্রও। যশ-নুসরাত দু’জনের মুখই ঢাকা রয়েছে মাস্কে।

যশ দাশগুপ্তের এক ফ্যান ক্লাবের পক্ষে এই ভিডিওটি পোস্ট করা হয়েছিল গত ১৬ ডিসেম্বর। ক্যাপশন লেখা রয়েছে ভিডিওটি আগের দিনের, অর্থাৎ ১৫ ডিসেম্বরের। সুতরাং যশের সঙ্গে রাজস্থানে ঘুরতে যাওয়ার আগেই দক্ষিণেশ্বরে পৌঁছেছিলেন যশ-নুসরাত।

তবে ঠিক কারণে ছিল মন্দির দর্শন, তা স্পষ্ট নয়। ভিডিওর সাউন্ড বন্ধ রয়েছে, তাই কী কথা হচ্ছে তিনজনের তা জানাও সম্ভব হয়নি।
এদিকে যশের সঙ্গে প্রেম, নিখিলের সঙ্গে ঘর ভাঙার গুঞ্জন নিয়ে নুসরাত জানিয়েছেন, ‘আমার ব্যক্তিগত জীবন জনগণের জন্য নয়।’

তিনি আরও বলেন, ‘মানুষ সবসময় আমাকে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছে। এইবার আমি আর কিছু বলব না। মানুষ আমার বিচার করুক আমার কাজ দিয়ে, আমার অভিনয় দিয়ে। আমি ভালো বা খারাপ অভিনেত্রী সেটা বলুক। এটা আমার ব্যক্তিগত জীবন।’

সূত্র : হিন্দুস্তান টাইমস।

বিয়ে করলেন হাবিব ওয়াহিদ

আবারও বিয়ের পিঁড়িতে বসলেন জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী হাবিব ওয়াহিদ। পাত্রী মডেল-অভিনেত্রী আফসানা চৌধুরী শিফা। ইডেন মহিলা কলেজের মার্কেটিং বিভাগের ছাত্রী তিনি। বিয়ের বিষয়টি হাবিব নিজেই নিশ্চিত করেছেন।

হাবিব তার ফেসবুকে লেখেন, ‌‘প্রিয় ভক্তগণ, আমার ব্যক্তিগত জীবনে হঠাৎ ঘটে যাওয়া একটি ঘটনা আপনাদের সঙ্গে শেয়ার করতে চাই। সম্প্রতি বিয়ে করলাম, বউয়ের নাম আফসানা চৌধুরী (শিফা)। আপনারা সবাই জানেন বৈশ্বিক মহামারির কারণে সারা বিশ্ব বর্তমানে খুব খারাপ সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। তাই বিয়ের অনুষ্ঠানটি খুব সীমিত রাখা হয়েছে। আল্লাহ সবার মঙ্গল করুন।’

উল্লেখ্য, এটি হাবিব ওয়াহিদের তৃতীয় বিয়ে। ২০০৩ সালে প্রথম বিয়ে করেন লুবায়না নামে একজনকে। প্রেমের সেই বিয়ের অল্প কিছুদিনের মধ্যেই বিচ্ছেদ হয়। এরপর ২০১১ সালের ১২ অক্টোবর চট্টগ্রামের মেয়ে রেহানের সঙ্গে নতুন সম্পর্কে আবদ্ধ হন হাবিব। সে সংসারও ভেঙে যায় ২০১৭ সালের ১৯ জানুয়ারি।

কিভাবে সুস্থ থাকতে হবে- পরামর্শ দিলেন ঐশী

কণ্ঠশিল্পী ঐশী নতুন করে আলোচনায় এসেছেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়ে। এতো অল্প সময়ে সর্বোচ্চ স্বীকৃতি, এটাই বলে দিচ্ছে ঐশীর কণ্ঠের কারুকার্যের বিষয়টি। ঐশীর কণ্ঠে যেমন মুগ্ধতা ছড়ায়, তেমনই জোরালো কণ্ঠে আবেশিত হন দেহতাত্ত্বিক সুরপ্রেমীরা। সঙ্গীতশিল্পী ঐশী ব্যক্তি জীবনে মেডিক্যাল কলেজের শিক্ষার্থী। রাজধানীর শমরিতা মেডিক্যাল কলেজে এমবিবিএসে পড়ছেন। পড়াশোনাও শেষের দিকে, আয়ত্ব করছেন চিকিৎসা শাস্ত্রকে।

শিগগিরই চিকিৎসক হতে যাচ্ছেন ঐশী। বিভিন্ন সময় সোশ্যাল হ্যান্ডেলে ঐশী নানা ধরনের পরামর্শ দিয়ে থাকেন। এবার ভিডিও শেয়ারিং প্ল্যাটফরমে পাওয়া গেল ঐশীর সবিস্তার আলোচনা।

সম্প্রতি অবমুক্ত হওয়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, স্বাস্থ্য আর সুস্থ থাকার কৌশল নিয়ে কথা বলেছেন এই কণ্ঠশিল্পী। ঐশী বলেন, সুস্থ দেহ মানেই সুস্থ মন। আর এই দুইয়ে মিলে একজন সুস্থ মানুষ।

ভিডিওটিতে ঐশী মূলত কয়েকটি বিষয় নিয়ে নিয়ে কথা বলেছেন। এগুলো হলো- ১. ঘুম, ২. খাদ্যাভ্যাস, ৩. ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া ওষুধ সেবন না করা
৪. এক্সারসাইজ ৫. বিনোদন ও ৬. নির্দিষ্ট সময় অন্তর ডাক্তারের সাক্ষাৎ।

একটি মোবাইলফোন সেবাদানকারি প্রতিষ্ঠান আয়োজিত প্রতিভা অন্বেষণ কর্মসূচির মাধ্যমে গানে নাম লেখান ঐশী। গতবছর প্রথম অ্যালবাম ‘ঐশী এক্সপ্রেস’ প্রকাশ হওয়ার পরই আলোচনায় এসেছিলেন এই কণ্ঠশিল্পী। এরপর দ্বৈত কয়েকটি গানে কণ্ঠ দিয়ে শ্রোতাদের কাছে পৌঁছান।