বণিক বার্তায় প্রকাশিত
কঠোর লকডাউনে কারখানা সচল রাখতে চান শিল্প মালিকরা

ভেল করোনাভাইরাস সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবেলায় চলমান লকডাউন শেষ হচ্ছে আজ। ১৪ এপ্রিল থেকে আবারো লকডাউন দেয়ার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। এরই মধ্যে সরকারের পক্ষ থেকে ধারণা দেয়া হয়েছে, আসন্ন লকডাউন হবে আরো কঠোর। গণপরিবহনসহ বন্ধ রাখতে হবে শিল্প-কারখানা। তবে শিল্প-মালিকরা বলছেন, কঠোর ওই লকডাউনে কারখানা সচল রাখতে চান তারা।

দেশে গত বছরের মার্চে করোনার সংক্রমণ প্রথম শনাক্ত হয়। মার্চের মধ্যভাগ থেকে কিছু রফতানিমুখী শিল্প-কারখানা কর্তৃপক্ষ নিজ থেকেই কারখানা বন্ধ ঘোষণা করে। ২৬ মার্চ থেকে সাধারণ ছুটি বা অঘোষিত লকডাউন শুরু হলে অনেক কারখানা বন্ধ হয়ে যায়। পরে শর্ত মেনে রফতানিমুখী শিল্প-কারখানা সচল রাখতে শুরু করেন কারখানা মালিকরা। অর্থনীতির গতি ফেরাতে প্রায় দুই মাস পর লকডাউন প্রত্যাহার করা হয়। কিন্তু ততদিনে স্থবিরতার প্রভাব পড়তে শুরু করে অর্থনীতিতে।

এ স্থবিরতা কাটিয়ে দ্রুত পুনরুদ্ধারের পথে এগোচ্ছিল দেশের অর্থনীতি। কিন্তু এর মধ্যেই দেশে শুরু হয়েছে কভিডের দ্বিতীয় ঢেউ। গত মাসের শেষ দিক থেকে স্বাস্থ্য খাতে এ ঢেউয়ের প্রভাব দৃশ্যমান হয়ে ওঠে। দৈনিক মৃত্যু ও সংক্রমণ শনাক্তের রেকর্ড ভাঙছে প্রায় প্রতিদিনই। পরিস্থিতি মোকাবেলায় ৯ এপ্রিল থেকে লকডাউন চলছে। আরো কঠোর লকডাউনের পূর্বাভাস দেয়া হয়েছে সরকারের নীতিনির্ধারণী পর্যায় থেকে। এ পরিস্থিতিতে কারখানা সচল রাখা নিয়ে দুশ্চিন্তা দেখা দিয়েছে রফতানিমুখী শিল্প-কারখানার মালিকদের মধ্যে। মহামারী পরিস্থিতিতে কারখানা পরিচালনার পূর্বাভিজ্ঞতার ভিত্তিতে স্বাস্থ্যবিধি প্রয়োগের মাধ্যমে উৎপাদন সচল রাখতে চাইছেন তারা। নতুন প্রণোদনার দাবিও তুলতে শুরু করেছেন অনেকে।

রফতানিমুখী শিল্পসংশ্লিষ্ট মালিকরা বলছেন, সরকার এখন কঠোর লকডাউনের কথা বলছে। যদিও কোনো বিধিনিষেধ বা প্রজ্ঞাপন দেয়া হয়নি এখনো। পোশাক খাতকে এ বিধিনিষেধের আওতামুক্ত রাখার দাবি তাদের।

তাদের ভাষ্যমতে, আট-নয় মাস ধরে করোনা পরিস্থিতির মোকাবেলা করছেন তারা। স্বাস্থ্যবিধি-সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় প্রটোকলের ভিত্তিতে চালু রেখেছেন উৎপাদন কার্যক্রম। আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলেও সংশ্লিষ্টরা এ নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। পরিসংখ্যান বলছে, পোশাক শ্রমিকদের কভিড-১৯-এ আক্রান্ত হওয়ার হার খুবই কম, ১ শতাংশেরও নিচে। চলমান দ্বিতীয় ঢেউয়েও এ খাতের শ্রমিকদের মধ্যে খুব কমই আক্রান্ত হয়েছেন।

শিল্প-মালিকদের দাবি, পরিস্থিতি এখন জটিল। কিন্তু এখনই সবকিছু বন্ধ করে শ্রমিকদের ছেড়ে দেয়া হলে তারা নিজ নিজ গ্রামে ফিরে যেতে পারেন। সেক্ষেত্রে দেশের অন্যান্য অঞ্চলেও সংক্রমণ বৃদ্ধির ঝুঁকিও বাড়ে। এছাড়া তাদের বেতন পরিশোধ নিয়েও ঝামেলা দেখা দিতে পারে। এখনো শ্রমিকদের দিয়ে কাজ করানোর সুযোগ রয়েছে। প্রতি বছরই ঈদের আগে তিন-চার সপ্তাহ প্রচুর কাজ থাকে, এবারো থাকবে। এসব কাজের কাঁচামালও কেনা হয়ে গেছে। এ মুহূর্তে কাজের ব্যাঘাত ঘটলে আবারো স্টকলটের (অতিরিক্ত মজুদ চাপ) আশঙ্কা দেখা দিতে পারে।

রফতানিমুখী শিল্পের প্রধান খাত পোশাক শিল্প-মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএর ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মোহাম্মদ আবদুস সালাম বণিক বার্তাকে বলেন, ক্রেতারা তাদের ক্রয়াদেশগুলো আমাদের পাশাপাশি প্রতিযোগী দেশগুলোতেও দেয়। আমাদের জানামতে প্রতিযোগী দেশ কোনোটিই এখনো লকডাউনে যায়নি। সামনের দিনগুলো, বিশেষ করে ঈদের সময়টা আমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। আমরা সরকারকে আবেদন করে রাখতে চাই। নীতিনির্ধারণী মহল আমাদের সমস্যাগুলো অনুধাবন করবে, সে আশাবাদই আমরা জানিয়ে রাখতে চাই।

শিল্প-কারখানার ব্যবসার প্রেক্ষাপট পর্যালোচনা করে রফতানিমুখী শিল্পোদ্যোক্তারা বলছেন, পশ্চিমা দেশগুলো এখন কেবল কার্যক্রম চালুর উদ্যোগ নিয়েছে। এখন সামনের দিনগুলোর ক্রয়াদেশ নিয়ে আলোচনা হবে। এছাড়া গত আট-নয় মাসের রফতানি পরিসংখ্যান এ খাতের ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত দিচ্ছে। ক্রয়াদেশ দিতে ক্রেতারা এখনো অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সরবরাহকারী হিসেবেই বিবেচনা করছেন বাংলাদেশকে। যদিও আগে যেভাবে ১০-১১ ঘণ্টা কারখানা সচল রাখতে হতো, সে পরিমাণ কাজ নেই। এর পরও প্রায় সব কারখানায়ই ৮ ঘণ্টা সচল রাখার মতো কাজ আছে। এদিকে রোজার ঈদের দুই মাস পরই আসছে কোরবানির ঈদ। সব মিলিয়ে বছরের এ সময়টাতেই চাপে থাকে কারখানাগুলো। যেহেতু ক্রয়াদেশ আছে, কাঁচামালও চলে এসেছে, তাই স্বাস্থ্যবিধি মেনে উৎপাদন চালিয়ে নেয়ার সুযোগ দেয়া প্রয়োজন।

বিকেএমইএর প্রথম সহসভাপতি ও এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ইএবি) জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি মোহাম্মদ হাতেম বলেন, কভিডের প্রথম ঢেউ মোকাবেলার অভিজ্ঞতা আছে আমাদের। আট-নয় মাস ধরে স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণের মাধ্যমে উৎপাদন সচল রাখার দক্ষতা গড়ে উঠেছে শিল্প-মালিকদের। অন্যদিকে কারখানাগুলোয় ক্রয়াদেশের বিপরীতে চলমান উৎপাদন নিয়েও জটিলতা সৃষ্টি হবে। এ মুহূর্তে শিপমেন্ট নিয়েও কারখানা মালিকরা কিছুটা চাপের মধ্যে আছেন। লকডাউনে কারখানা বন্ধ রাখলে আকাশপথে শিপমেন্টের চাপ বেড়ে যাবে। এ পরিস্থিতিতে সরকার চাইলে কারখানা বন্ধ রাখতে হবে। তবে আমরা চাই লকডাউনে স্বাস্থ্যবিধি মেনে কারখানা সচল রাখার অনুমতি দেয়া হোক।

রফতানিমুখী শিল্পসংশ্লিষ্টরা বলছেন, শুধু পোশাক খাতের কারখানাগুলো খোলা রেখে ক্রেতাদের ধরে রাখা যাবে না। কারণ এর সঙ্গে বস্ত্র ও গার্মেন্টস অ্যাকসেসরিজ কারখানাগুলোও যুক্ত। সুতা, কাপড় ও অ্যাকসেসরিজের অভাবে পোশাক কারখানার উৎপাদন চালু রাখা নিয়ে সংশয় রয়ে যাবে।

এ বিষয়ে ওয়েল গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রির চেয়ারম্যান ও সিইও এবং বিটিএমএ ও এফবিসিসিআই পরিচালক সৈয়দ নুরুল ইসলামের ভাষ্য হলো, গত বছর টাস্ক ফোর্স গঠন করে কারখানা খোলা রাখা হয়েছিল স্বাস্থ্যবিধি মেনে। আজকের অভিজ্ঞতা থেকে দেখছি, সেদিন টাস্ক ফোর্সের পরামর্শে প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্তই সঠিক ছিল। আবারো যদি লকডাউনের কারণে বস্ত্র ও পোশাক খাতের কারখানা বন্ধ রাখা হয় তবে পুরো খাতই একেবারে শেষ হয়ে যাবে। সরকারের প্রণোদনা বলি আর সহায়তা বলি কিছুই কাজে আসবে না। তাই সরকারের প্রতি বিনীত অনুরোধ বস্ত্র, পোশাক ও অ্যাকসেসরিজ খাতের কারখানাগুলোকে লকডাউনকালে কঠোর স্বাস্থ্যবিধি মেনে আগের মতো খোলা রাখার সুযোগ দিলে আমাদের রফতানি খাত টিকে থাকার লড়াই চালিয়ে যেতে পারবে।

দেশের শিল্প-কারখানা অধ্যুষিত ছয় এলাকায় কারখানার সংখ্যা ৭ হাজার ৬০২। এসব কারখানায় কর্মরত ৪০-৪১ লাখ শ্রমিক। গত বছর ঈদের সময় তাদের অবস্থান নিয়ে তথ্যানুসন্ধান করেছিল শিল্প পুলিশ। কিন্তু বিষয়টি তদারক করে যথাযথ নজরদারি সম্ভব হয়নি। কারণ ঈদের ছুটিতে কারখানা এলাকার বাইরে যাওয়া যাবে না বলে ঘোষণা থাকলেও সরকারের সর্বশেষ সিদ্ধান্ত ছিল ব্যক্তিগত গাড়ি দিয়ে অনেকে যেতে পারবেন। ফলে শ্রমিকদের একটা অংশ কারখানা এলাকা ছেড়ে চলে যায়। আবার অনেকে যেতে চাইলেও আর্থিক কারণে যেতে পারেননি।

পোশাক শিল্পের ব্যাকওয়ার্ড লিংকেজ বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশনের (বিটিএমএ) সভাপতি মোহাম্মদ আলী খোকন বণিক বার্তাকে বলেন, স্বাস্থ্যবিধি মেনে উৎপাদন সচল রেখে কীভাবে কভিড-১৯ মোকাবেলা করা যায়, সে বিষয়ে এরই মধ্যে শিল্প-মালিকরা যথেষ্ট অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন। সেই অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে লকডাউনের মধ্যেও কারখানা সচল রাখার অনুমতি প্রয়োজন আমাদের। আর পরিসংখ্যান বলছে, এ মুহূর্তে বিটিএমএর সদস্য কারখানাগুলোতে প্রায় ২ বিলিয়ন ডলারের কাজ চলমান আছে। সামনে আসছে ঈদ। সব দিক বিবেচনায় লকডাউনে কারখানা সচল রাখার অনুমতি প্রয়োজন।

মামুনুল হককে প্রধান আসামি করে আরো তিন মামলা

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও রয়েল রিসোর্টে হেফাজতের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব মামুনুল হককে অবরুদ্ধ করার জের ধরে হামলা, ভাঙচুরের ঘটনায় হেফাজতের নেতাকর্মীদের আসামি করে আরও ৩ টি মামলা হয়েছে। প্রত্যেক মামলায় মামুনুল হককে প্রধান আসামি করা হয়েছে।

মামলার বাদীরা হলেন-সোনারগাঁও উপজেলা যুবলীগের সভাপতি রফিকুল ইসলাম নান্নু, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহসভাপতি সোহাগ রনির বাবা হাজী শাহ জামাল তোতা ও মোগড়াপাড়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের প্রচার সম্পাদক নাছির উদ্দিন। এর মধ্যে রফিকুল ইসলাম নান্নু বাদী হয়ে ১২০ জনের নাম উল্লেখ করে ও অজ্ঞাত আরও ৫০ থেকে ৬০ জনকে আসামি করে শুক্রবার (৯ এপ্রিল) মামলাটি করেন। অন্যদিকে একই দিন নাছির উদ্দিন বাদী হয়ে অপর মামলাটি দায়ের করেন।

সাবেক ছাত্রলীগ নেতা সোহাগ রনির বাড়িতে হত্যার উদ্দেশে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগে তার বাবা হাজী শাহ জামাল তোতা বাদী হয়ে বৃহস্পতিবার (৮ এপ্রিল) রাতে আরেকটি মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় ২০ জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাত আরও ৩০ থেকে ৪০ জনকে আসামী করা হয়।

সোনারগাঁও থানা সেকেন্ড অফিসার এস আই ইয়াউল এ তথ্য জানান। তবে তিনি নাছির উদ্দিনের দায়ের করা মামলার আসামির সংখ্যা জানাতে পারেননি।

বিষয়টি নিশ্চিত করে নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার জায়েদুল আলম জানান, তিনটি নতুন মামলার বাদীরা তিনজনেই আওয়ামী লীগের। তবে তিনটি মামলার কোনটিতে মামুনুল হককে প্রধান আসামি করা হয়েছে তা জানা যায়নি।

প্রসঙ্গত, এরআগে মামুনুল কান্ডে পুলিশ বাদী হয়ে ২টি ও সাংবাদিককে মারধর ঘটনায় একটি মামলা দায়ের করা হয়। তিনটি মামলায় ৮৩ জনের নাম উল্লেখ ও ৫০০ থেকে ৬০০ জনকে আসামি করা হয়।

বিডি প্রতিদিন

হেফাজতের সন্ত্রাসী তাণ্ডবের পরও প্রশাসন নিরব কেন: মাওলানা ইসমাইল

হেফাজতে ইসলামের সন্ত্রাসী তাণ্ডবের পরও প্রশাসন কেন নিরব- এমন প্রশ্ন তুলেছেন বাংলাদেশ ইউনাইটেড ইসলামী পার্টির চেয়ারম্যান মাওলানা ইসমাইল হোসাইন। তিনি বলেন, এই কি জাতির জনকের সোনার বাংলা?

আজ শুক্রবার সংগঠনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সভায় সভাপতির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি।

মাওলানা ইসমাইল হোসাইন বলেন, গত দুই সপ্তাহ ধরে সরকার, প্রশাসন, সরকার দলীয় নেতাকর্মী ও অরাজনৈতিক দল হেফাজতে ইসলাম নিয়ে এক চতুর্মুখী সংঘর্ষে সমগ্র দেশে সাধারণের জানমালের নিরাপত্তা কেড়ে নিয়েছে।

গত ২৬ মার্চ দেশ স্বাধীনের ৫০ বছর পূর্তিতে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে জুম্মার নামাজের পর যে সাধারণ জনগণ ও পুলিশ বাহিনীর সংঘর্ষ হয় তা মূলত এর পরবর্তী ঘটনাগুলোর পটভূমি। কোন প্রকার আইন-শৃঙ্খলা ভঙ্গকারীকে দল-মত-নির্বিশেষে আইনের আওতায় এনে যথাযথ শাস্তি প্রয়োগ করার ক্ষমতা রাখে পুলিশ প্রশাসন। সেদিন যদি জুম্মার নামাজের পর বায়তুল মোকাররম মসজিদের মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে কোন হেফাজতকর্মী অথবা সাধারণ জনগণ কোন প্রকার রাজনৈতিক উস্কানিমূলক অথবা অস্থিতিশীল কর্মকাণ্ড করে থাকে তবে নিঃসন্দেহে পুলিশের ক্ষমতা প্রয়োগ করে সেটাকে দমন করা উচিত ছিল।

তিনি বলেন, ঘটনার প্রেক্ষিতে হাটহাজারী মাদ্রাসার ছাত্ররা বিক্ষোভ মিছিল বের করে হাটহাজারী থানা, এসিল্যান্ড অফিস এবং আরও কিছু সরকারি প্রশাসনিক ভবন পুড়িয়ে দেয়। তৎক্ষণাৎ পুলিশ রাবার বুলেট ও টিয়ার শেল মেরে ছাত্রদের ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা করে এবং এই প্রক্রিয়ায় ৬ জন ছাত্র নিহত হয়। গত ২৭ মার্চ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় যে ভয়ানক অগ্নিসংযোগ ঘটায় মাদ্রাসার ছাত্ররা, সেটা ইতিহাসের এক কালো অধ্যায় বটে। প্রাথমিক ক্ষয়-ক্ষতির পরিমাণ ১৩৫ কোটি টাকা। এই অবস্থায় হেফাজতের সন্ত্রাসী তাণ্ডব, প্রশাসন নিরব কেন? এই কি জাতির জনকের সোনার বাংলা?

উপস্থিত ছিলেন পার্টির মহাসচিব আল্লামা সাইখুল হাদিস প্রিন্সিপাল শাহাদাত হোসাইন, যুগ্ম-মহাসচিব মাওলানা শাহ মো. ওমর ফারুক, হাফেজ মাওলানা মুফতী মোস্তফা চৌধুরী, মুক্তিযোদ্ধা জয়নুল আবেদীন, হাফেজ মাওলানা মুফতী শহিদুল ইসলাম, মাওলানা মো. আব্দুর রাজ্জাক, খতিব আল্লামা হযরত মাওলানা তাহেরুল ইসলাম, হাফেজ মাওলানা মুফতি মোহসেন চৌধুরী, হাফেজ মাওলানা আব্দুল আজিজ প্রমুখ।

বিডি প্রতিদিন

অপহরণ করে টাকা আদায়, পুলিশের হাতে ধরা র‍্যাবের চারজন

রাজধানীতে এক ব্যক্তিকে অপহরণ করে মুক্তিপণ নেওয়ার অভিযোগে এলিট ফোর্স র‌্যাবের চার সদস্য ও এক নারীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। পরে র‌্যাব সদস্যদের স্ব স্ব বাহিনীর কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। তবে রানী বেগম নামে ওই নারীকে আদালতের নির্দেশে দুই দিনের রিমান্ডে নিয়েছেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা। এই অপহরণ চক্রে সাতজন ছিলেন বলে জানা গেছে।

এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম। তিনি বলেন, টাকা আদায়ের অভিযোগে গ্রেফতার পাঁচজনের বিরুদ্ধে থানায় নিয়মিত মামলা হয়েছে। গ্রেফতার চার র‌্যাব সদস্যের মধ্যে তিনজন সেনাবাহিনী ও একজন বিমানবাহিনীর হওয়ায় তাদের নিজ নিজ বাহিনীর কাছে তুলে দেওয়া হয়েছে। তাদের বিচার নিজ নিজ বাহিনীর আইনকানুন অনুযায়ী হবে।

হাতিরঝিল থানা এবং মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার (৮ এপ্রিল) দিবাগত রাত ১২টা ১০ মিনিটে মামলাটি রেকর্ড করে হাতিরঝিল থানা পুলিশ। রাইয়ানা হোসেন নামের এক তরুণী অভিযোগ করেন, তার বড়ভাই তামজিদ হোসেন (২৭) তাদের মীরবাগের বাসা থেকে বৃহস্পতিবার সকাল ৯টায় উত্তরায় যাওয়ার কথা বলে বের হন। আনুমানিক দুপুর ১২টার দিকে অজ্ঞাত এক ব্যক্তি তাকে ফোন করে র‌্যাবের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে জানান, তার ভাই তামজিদ র‌্যাবের হেফাজতে আছেন। থানা পুলিশ বা ডিবি পুলিশকে জানালে তার ভাইকে প্রাণে মেরে ফেলা হবে। ওই অজ্ঞাত ব্যক্তির ফোনে আরও বলা হয়- তার নামে অস্ত্র ও মাদক মামলা হবে। ভাইকে ক্রসফায়ার থেকে বাঁচাতে চাইলে, দুই কোটি টাকা রেডি করেন। এর কিছুক্ষণ পর সেই ব্যক্তি মোবাইল ফোনে আমার ভাইকে মারধরের শব্দ শোনায়। আমার ভাই কাঁদতে কাঁদতে জানায়, তাকে চোখ বেঁধে গাড়িতে তুলে বেদম মারধর করছে। সে বাঁচার আকুতি জানায়। একপর্যায়ে সেই ব্যক্তি ১৫ লাখ টাকা দাবি করেন। আমাদের কাছে কোনো টাকা নেই জানালে সেই ব্যক্তি নগদ ১২ লাখ টাকা নিয়ে রাজধানীর একটি অভিজাত মার্কেটে যেতে বলে।

হাতিরঝিল থানা সূত্র বলছে, মামলায় গ্রেফতার ল্যান্স করপোরাল দুলাল মৃধা, সৈনিক রোকন মিয়া, ল্যান্স করপোরাল মো. রনি ও সৈনিক সাগরকে সংশ্লিষ্ট বাহিনীর কাছে সোপর্দ করা হয়েছে বলে আদালতকে জানানো হয়েছে। বিজিবির এক সদস্য পলাতক রয়েছেন। র‌্যাবের মুখপাত্র কমান্ডার খন্দকার আল মঈন জানান, অপহরণের লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে র‌্যাবের চার সদস্যকে গ্রেফতারের বিষয়টি পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। ঘটনাটি তারা তদন্ত করে দেখছেন বলে মন্তব্য করেন তিনি।

বিডি-প্রতিদিন

বাংলাদেশের বায়ুমণ্ডলে ‘রহস্যময়’ মিথেন গ্যাসের ধোঁয়া

বাংলাদেশের বায়ুমণ্ডলে মিথেন গ্যাসের ‘রহস্যময়’ ধোঁয়া শনাক্ত করেছে একাধিক আন্তর্জাতিক গবেষণা সংস্থা। মিথেন একটি গ্রিনহাউস গ্যাস, যা কার্বন ডাই অক্সাইডের তুলনায় বায়ুমণ্ডলে তাপমাত্রা এক শতাব্দী কালব্যাপী ৩০ গুণ বেশি ধরে রাখতে পারে।

জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য সবচেয়ে বেশি ঝুঁকির মধ্যে থাকা দেশগুলোর একটি বাংলাদেশ। নিউইয়র্কভিত্তিক আর্থিক ও ডেটাসেবা প্রদানকারী এবং মিডিয়া কোম্পানি ব্লুমবার্গ তাদের একটি প্রতিবেদনে বাংলাদেশের বায়ুমণ্ডলে শনাক্ত এই গ্যাসকে ‘রহস্যময়’ বলে উল্লেখ করেছে।

বৃহস্পতিবার প্রকাশিত ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ফ্রান্সের কোম্পানি কায়রোস এএএস চলতি বছর বাংলাদেশের উপরে ১২টি সর্বোচ্চ মিথেন নিঃসরণের হার শনাক্ত করেছে।

জিএইচসিএসএটি নামে আরেকটি প্রতিষ্ঠানের প্রেসিডেন্ট স্টিফেন জার্মেইন জানিয়েছেন, তারা বাংলাদেশের বায়ুমণ্ডলে মিথেন গ্যাসের ধোঁয়া শনাক্ত করেছেন।

স্টিফেন জার্মেইন বলেন, এটি আমাদের দেখা সবচেয়ে শক্তিশালী টেকসই নির্গমন। এর উৎস সম্পর্কে আমরা নিশ্চিত হতে পারছি না।

ইউরোপিয়ান স্পেস এজেন্সির ডেটা বিশ্লেষণকারী প্রতিষ্ঠান ব্লুফিল্ড টেকনোলজিসও বাংলাদেশের উপরে এই গ্যাস শনাক্ত করেছে।

কোম্পানিটির প্রতিষ্ঠাতা যোতম এরিয়েল বলেন, আমাদের বিশ্লেষণে দেখা যাচ্ছে পৃথিবীতে সর্বোচ্চ মিথেন নিঃসরণকারী দেশগুলোর একটি বাংলাদেশ। স্যাটেলাইটের মাধ্যমে এটা দেখা যায়।

বাংলাদেশের পরিবেশ বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দিনের একটি সাক্ষাৎকারের উদ্ধৃতি দিয়ে ব্লুমবার্গের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ বিষয়টি সম্পর্কে সচেতন।

মন্ত্রী বলেন, এটি সম্ভবত ধান ক্ষেত থেকে আসছে। যখন কৃষকরা তাদের ক্ষেত সেচের পর ভাসিয়ে দেন, তখন জলাবদ্ধ মাটির ব্যাকটেরিয়া বিপুল পরিমাণ গ্যাস তৈরি করতে পারে। আরেকটা উৎস হচ্ছে ল্যান্ডফিল গ্যাস। আমরা এটি কমিয়ে আনার চেষ্টা করছি।

মিথেন গ্যাসের ছড়িয়ে পড়ার হার যদি কঠোর নিয়ন্ত্রণের মধ্যে আনা না যায়, তাহলে জলবায়ু পরিবর্তন প্রতিরোধ করার জন্য বর্তমানে যেসব লড়াই সংগ্রাম চলছে, তাতে খুব একটা ফল পাওয়া যাবে না বলে জানিয়েছেন গবেষকরা।

ঢাকায় জন কেরি

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের জলবায়ু বিষয়ক বিশেষ দূত ও সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী জন কেরি ঢাকায় এসেছেন।

শুক্রবার সকাল সাড়ে ১১টায় দিল্লি থেকে বিশেষ ফ্লাইটে ঢাকায় আসেন তিনি। শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছালে তাকে স্বাগত জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন। এ সময় ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত আর্ল রবার্ট মিলার উপস্থিত ছিলেন।

ঢাকা সফরকালে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেনের সঙ্গে বৈঠক করবেন জন কেরি। এরপর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে তিনি বৈঠক করবেন।

জো বাইডেনের জলবায়ু বিষয়ক বিশেষ দূত জন কেরি আগামী ২২-২৩ এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্রে ক্লাইমেট ইস্যুতে একটি সম্মেলনের দাওয়াত দিতে ঢাকায় এসেছেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে তিনি জো বাইডেনের পক্ষ থেকে এই সম্মেলনে অংশ নেয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানাবেন। শুক্রবার বিকাল ৫টায় তিনি ঢাকা ত্যাগ করবেন।

বিডি-প্রতিদিন

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে এবার ‌‘কড়া লকডাউন’

করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়া থামানো যাচ্ছে না। আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে। এ অবস্থায় গত ৫ এপ্রিল থেকে দেশব্যাপী সাতদিনের বিধিনিষেধ আরোপ করে সরকার। এবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে কঠোর লকডাউনে যাবে সরকার, যা আগামী ১৪ এপ্রিল (পহেলা বৈশাখ) থেকে শুরু হবে। প্রথম ধাপে সাত দিনের জন্য এই লকডাউন আরোপ করা হবে।

তবে কোভিড-১৯ জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটি অন্তত ১৪ দিনের লকডাউনের সুপারিশ করেছে।

এবারের লকডাউন কঠোর হবে জানিয়ে আজ শুক্রবার জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন গণমাধ্যমকে বলেন, ১৪ দিনের লকডাউনের বিষয়ে রবিবার (১১ এপ্রিল) প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে। জরুরি সেবা ছাড়া সব কিছু বন্ধ থাকবে

তিনি বলেন, ‘যেভাবে করোনা ছড়াচ্ছে তাতে মানুষকে বাঁচাতে হলে কঠোর লকডাউনে যেতেই হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশেই ১৪ এপ্রিল থেকে ৭ দিনের কঠোর লকডাউনে যাচ্ছি।’

আজ সর্বশেষ জানানো ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনাভাইরাসে ৬৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত দেশে করোনায় মারা গেছেন ৯ হাজার ৫৮৪ জন।

ওই ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনা শনাক্ত হয়েছে ৭৪৬২ জনের। এ নিয়ে দেশে মোট শনাক্ত হয়েছেন ৬ লাখ ৭৩ হাজার ৫৯৪ জন।একই সময়ে সুস্থ হয়েছেন আরও ৩ হাজার ৫১১ জন। এ পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়েছেন ৫ লাখ ৬৮ হাজার ৫৪১ জন।

বিডি প্রতিদিন

‘যুক্তরাষ্ট্রের প্যারিস চুক্তিতে প্রত্যাবর্তন জলবায়ু কূটনীতিতে নতুন গতির সঞ্চার করবে’

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ বলেছেন, জলবায়ু পরিবর্তন সম্পর্কিত প্যারিস চুক্তিতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রত্যাবর্তন জলবায়ু পরিবর্তন কূটনীতিতে নতুন গতি সঞ্চার করবে।

তিনি বলেন, ‘প্যারিস চুক্তিতে যুক্তরাষ্ট্রের ফিরে আসা জলবায়ু কূটনীতির ক্ষেত্রে নতুন গতির সঞ্চার করবে।’

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে আজ বিকেলে গণভবনে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের জলবায়ু সংক্রান্ত বিশেষ দূত জন কেরি সৌজন্য সাক্ষাৎকালে প্রধানমন্ত্রী একথা বলেন।

বৈঠকৈর পর প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন।

বিডি প্রতিদিন

স্থপতি মাসুম কবির আর নেই

স্থপতি মাসুম কবির আর আমাদের মাঝে নেই, ইন্না-লিল্লাহ ওয়া ইন্না ইলাইহে রাজিউন
আজ ৮ই এপ্রিল ২০২১ দুপুরে করোনায় আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। তার কর্মজীবনের পুরো সময়টাই নিজেকে নিয়োজিত রেখেছিলেন স্থাপত্য চর্চায় । তার নেতৃত্বে বাংলাদেশে অসংখ্যা স্থাপনা নির্মান হয়েছে।সদাহাস্যজ্জ্বল এই মানুষটাকে হারিয়ে তার সহকর্মীগন এবং পরিচিত জনের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে আসে।

তাসিনকো লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক গুনী স্থপতির মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন এবং তার পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন, তিনি সকলের কাছে তার রুহের জন্য মাগফেরাত কামনা করেছেন।

মেঘনায় ফেরিতে আগুন, পুড়ল পণ্যবাহী ৮ ট্রাক

ভোলার মেঘনায় ফেরিতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় পুড়ে গেছে ৮টি পণ্যবাহী ট্রাক। আজ বৃহস্পতিবার ভোর সাড়ে ৪ টার দিকে ভোলা-লক্ষীপুর রুটে চলাচলকারী কলমিলতা নামের ফেরিতে অগ্নিকাণ্ডের এ ঘটনা ঘটে। আগুনে কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গেছে। ভোলা ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট, নৌ পুলিশ ও কোস্টগার্ডের একটি দল সকাল ৯ টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

ভোলা ফেরি ঘাটের টার্মিনাল এসিসস্টেন্ট (টিএ) কামরুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ভোর ৩টার দিকে লক্ষীপুর থেকে পণ্যবাহী ট্রাক নিয়ে ভোলার উদ্দেশ্য ছেড়ে আসে কলমীলতা নামের একটি ফেরি। ওই রুটের মেঘনার বিরিবিরি বয়া নামক এলাকায় এসে হঠাৎ করেই ফেরিতে থাকা একটি গাড়িতে আগুন লাগে। মুহুর্তই আগুন ছড়িয়ে পড়ে পাশের গাড়িতেও।

খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস, নৌ পুলিশ ও কোস্টগার্ডের ৫ ঘণ্টার প্রচেস্টায় নিয়ন্ত্রণে আসে আগুন। আগুনে ফেরির ক্ষতি না হলেও ৭/৮টি ট্রাক পুড়ে গেছে বলে জানিয়েছেন টার্মিনাল এসিসস্টেন্ট। তিনি বলেন, কীভাবে আগুনোর সূত্রপাত প্রাথমিকভাবে তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি, তবে পণ্যবাহী ট্রাক থেকে আগুন লেগেছে তা নিশ্চিত হওয়া গেছে।

 

বিআইডব্লিউটিসি’র ভোলার ম্যানেজার পারভেজ সংবাদমাধ্যমকে জানিয়য়েছেন, ফেরিতে ১৬টি গাড়ি নিয়ে লক্ষীপুরের মজু চৌধুরীর ঘাট থেকে ভোলার ইলিশার উদ্দেশে ছেড়ে আসে। আগুন লেগে পিকআপ ভ্যান, লরি ও মোটরসাইকলসহ ৯টি গাড়ি পুড়ে যায়। বর্তমানে ফেরিটি মেঘনা নদীর ভোলার চর নামক এলাকায় নোঙ্গর করা রয়েছে।