বণিক বার্তায় প্রকাশিত
কঠোর লকডাউনে কারখানা সচল রাখতে চান শিল্প মালিকরা

ভেল করোনাভাইরাস সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবেলায় চলমান লকডাউন শেষ হচ্ছে আজ। ১৪ এপ্রিল থেকে আবারো লকডাউন দেয়ার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। এরই মধ্যে সরকারের পক্ষ থেকে ধারণা দেয়া হয়েছে, আসন্ন লকডাউন হবে আরো কঠোর। গণপরিবহনসহ বন্ধ রাখতে হবে শিল্প-কারখানা। তবে শিল্প-মালিকরা বলছেন, কঠোর ওই লকডাউনে কারখানা সচল রাখতে চান তারা।

দেশে গত বছরের মার্চে করোনার সংক্রমণ প্রথম শনাক্ত হয়। মার্চের মধ্যভাগ থেকে কিছু রফতানিমুখী শিল্প-কারখানা কর্তৃপক্ষ নিজ থেকেই কারখানা বন্ধ ঘোষণা করে। ২৬ মার্চ থেকে সাধারণ ছুটি বা অঘোষিত লকডাউন শুরু হলে অনেক কারখানা বন্ধ হয়ে যায়। পরে শর্ত মেনে রফতানিমুখী শিল্প-কারখানা সচল রাখতে শুরু করেন কারখানা মালিকরা। অর্থনীতির গতি ফেরাতে প্রায় দুই মাস পর লকডাউন প্রত্যাহার করা হয়। কিন্তু ততদিনে স্থবিরতার প্রভাব পড়তে শুরু করে অর্থনীতিতে।

এ স্থবিরতা কাটিয়ে দ্রুত পুনরুদ্ধারের পথে এগোচ্ছিল দেশের অর্থনীতি। কিন্তু এর মধ্যেই দেশে শুরু হয়েছে কভিডের দ্বিতীয় ঢেউ। গত মাসের শেষ দিক থেকে স্বাস্থ্য খাতে এ ঢেউয়ের প্রভাব দৃশ্যমান হয়ে ওঠে। দৈনিক মৃত্যু ও সংক্রমণ শনাক্তের রেকর্ড ভাঙছে প্রায় প্রতিদিনই। পরিস্থিতি মোকাবেলায় ৯ এপ্রিল থেকে লকডাউন চলছে। আরো কঠোর লকডাউনের পূর্বাভাস দেয়া হয়েছে সরকারের নীতিনির্ধারণী পর্যায় থেকে। এ পরিস্থিতিতে কারখানা সচল রাখা নিয়ে দুশ্চিন্তা দেখা দিয়েছে রফতানিমুখী শিল্প-কারখানার মালিকদের মধ্যে। মহামারী পরিস্থিতিতে কারখানা পরিচালনার পূর্বাভিজ্ঞতার ভিত্তিতে স্বাস্থ্যবিধি প্রয়োগের মাধ্যমে উৎপাদন সচল রাখতে চাইছেন তারা। নতুন প্রণোদনার দাবিও তুলতে শুরু করেছেন অনেকে।

রফতানিমুখী শিল্পসংশ্লিষ্ট মালিকরা বলছেন, সরকার এখন কঠোর লকডাউনের কথা বলছে। যদিও কোনো বিধিনিষেধ বা প্রজ্ঞাপন দেয়া হয়নি এখনো। পোশাক খাতকে এ বিধিনিষেধের আওতামুক্ত রাখার দাবি তাদের।

তাদের ভাষ্যমতে, আট-নয় মাস ধরে করোনা পরিস্থিতির মোকাবেলা করছেন তারা। স্বাস্থ্যবিধি-সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় প্রটোকলের ভিত্তিতে চালু রেখেছেন উৎপাদন কার্যক্রম। আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলেও সংশ্লিষ্টরা এ নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। পরিসংখ্যান বলছে, পোশাক শ্রমিকদের কভিড-১৯-এ আক্রান্ত হওয়ার হার খুবই কম, ১ শতাংশেরও নিচে। চলমান দ্বিতীয় ঢেউয়েও এ খাতের শ্রমিকদের মধ্যে খুব কমই আক্রান্ত হয়েছেন।

শিল্প-মালিকদের দাবি, পরিস্থিতি এখন জটিল। কিন্তু এখনই সবকিছু বন্ধ করে শ্রমিকদের ছেড়ে দেয়া হলে তারা নিজ নিজ গ্রামে ফিরে যেতে পারেন। সেক্ষেত্রে দেশের অন্যান্য অঞ্চলেও সংক্রমণ বৃদ্ধির ঝুঁকিও বাড়ে। এছাড়া তাদের বেতন পরিশোধ নিয়েও ঝামেলা দেখা দিতে পারে। এখনো শ্রমিকদের দিয়ে কাজ করানোর সুযোগ রয়েছে। প্রতি বছরই ঈদের আগে তিন-চার সপ্তাহ প্রচুর কাজ থাকে, এবারো থাকবে। এসব কাজের কাঁচামালও কেনা হয়ে গেছে। এ মুহূর্তে কাজের ব্যাঘাত ঘটলে আবারো স্টকলটের (অতিরিক্ত মজুদ চাপ) আশঙ্কা দেখা দিতে পারে।

রফতানিমুখী শিল্পের প্রধান খাত পোশাক শিল্প-মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএর ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মোহাম্মদ আবদুস সালাম বণিক বার্তাকে বলেন, ক্রেতারা তাদের ক্রয়াদেশগুলো আমাদের পাশাপাশি প্রতিযোগী দেশগুলোতেও দেয়। আমাদের জানামতে প্রতিযোগী দেশ কোনোটিই এখনো লকডাউনে যায়নি। সামনের দিনগুলো, বিশেষ করে ঈদের সময়টা আমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। আমরা সরকারকে আবেদন করে রাখতে চাই। নীতিনির্ধারণী মহল আমাদের সমস্যাগুলো অনুধাবন করবে, সে আশাবাদই আমরা জানিয়ে রাখতে চাই।

শিল্প-কারখানার ব্যবসার প্রেক্ষাপট পর্যালোচনা করে রফতানিমুখী শিল্পোদ্যোক্তারা বলছেন, পশ্চিমা দেশগুলো এখন কেবল কার্যক্রম চালুর উদ্যোগ নিয়েছে। এখন সামনের দিনগুলোর ক্রয়াদেশ নিয়ে আলোচনা হবে। এছাড়া গত আট-নয় মাসের রফতানি পরিসংখ্যান এ খাতের ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত দিচ্ছে। ক্রয়াদেশ দিতে ক্রেতারা এখনো অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সরবরাহকারী হিসেবেই বিবেচনা করছেন বাংলাদেশকে। যদিও আগে যেভাবে ১০-১১ ঘণ্টা কারখানা সচল রাখতে হতো, সে পরিমাণ কাজ নেই। এর পরও প্রায় সব কারখানায়ই ৮ ঘণ্টা সচল রাখার মতো কাজ আছে। এদিকে রোজার ঈদের দুই মাস পরই আসছে কোরবানির ঈদ। সব মিলিয়ে বছরের এ সময়টাতেই চাপে থাকে কারখানাগুলো। যেহেতু ক্রয়াদেশ আছে, কাঁচামালও চলে এসেছে, তাই স্বাস্থ্যবিধি মেনে উৎপাদন চালিয়ে নেয়ার সুযোগ দেয়া প্রয়োজন।

বিকেএমইএর প্রথম সহসভাপতি ও এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ইএবি) জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি মোহাম্মদ হাতেম বলেন, কভিডের প্রথম ঢেউ মোকাবেলার অভিজ্ঞতা আছে আমাদের। আট-নয় মাস ধরে স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণের মাধ্যমে উৎপাদন সচল রাখার দক্ষতা গড়ে উঠেছে শিল্প-মালিকদের। অন্যদিকে কারখানাগুলোয় ক্রয়াদেশের বিপরীতে চলমান উৎপাদন নিয়েও জটিলতা সৃষ্টি হবে। এ মুহূর্তে শিপমেন্ট নিয়েও কারখানা মালিকরা কিছুটা চাপের মধ্যে আছেন। লকডাউনে কারখানা বন্ধ রাখলে আকাশপথে শিপমেন্টের চাপ বেড়ে যাবে। এ পরিস্থিতিতে সরকার চাইলে কারখানা বন্ধ রাখতে হবে। তবে আমরা চাই লকডাউনে স্বাস্থ্যবিধি মেনে কারখানা সচল রাখার অনুমতি দেয়া হোক।

রফতানিমুখী শিল্পসংশ্লিষ্টরা বলছেন, শুধু পোশাক খাতের কারখানাগুলো খোলা রেখে ক্রেতাদের ধরে রাখা যাবে না। কারণ এর সঙ্গে বস্ত্র ও গার্মেন্টস অ্যাকসেসরিজ কারখানাগুলোও যুক্ত। সুতা, কাপড় ও অ্যাকসেসরিজের অভাবে পোশাক কারখানার উৎপাদন চালু রাখা নিয়ে সংশয় রয়ে যাবে।

এ বিষয়ে ওয়েল গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রির চেয়ারম্যান ও সিইও এবং বিটিএমএ ও এফবিসিসিআই পরিচালক সৈয়দ নুরুল ইসলামের ভাষ্য হলো, গত বছর টাস্ক ফোর্স গঠন করে কারখানা খোলা রাখা হয়েছিল স্বাস্থ্যবিধি মেনে। আজকের অভিজ্ঞতা থেকে দেখছি, সেদিন টাস্ক ফোর্সের পরামর্শে প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্তই সঠিক ছিল। আবারো যদি লকডাউনের কারণে বস্ত্র ও পোশাক খাতের কারখানা বন্ধ রাখা হয় তবে পুরো খাতই একেবারে শেষ হয়ে যাবে। সরকারের প্রণোদনা বলি আর সহায়তা বলি কিছুই কাজে আসবে না। তাই সরকারের প্রতি বিনীত অনুরোধ বস্ত্র, পোশাক ও অ্যাকসেসরিজ খাতের কারখানাগুলোকে লকডাউনকালে কঠোর স্বাস্থ্যবিধি মেনে আগের মতো খোলা রাখার সুযোগ দিলে আমাদের রফতানি খাত টিকে থাকার লড়াই চালিয়ে যেতে পারবে।

দেশের শিল্প-কারখানা অধ্যুষিত ছয় এলাকায় কারখানার সংখ্যা ৭ হাজার ৬০২। এসব কারখানায় কর্মরত ৪০-৪১ লাখ শ্রমিক। গত বছর ঈদের সময় তাদের অবস্থান নিয়ে তথ্যানুসন্ধান করেছিল শিল্প পুলিশ। কিন্তু বিষয়টি তদারক করে যথাযথ নজরদারি সম্ভব হয়নি। কারণ ঈদের ছুটিতে কারখানা এলাকার বাইরে যাওয়া যাবে না বলে ঘোষণা থাকলেও সরকারের সর্বশেষ সিদ্ধান্ত ছিল ব্যক্তিগত গাড়ি দিয়ে অনেকে যেতে পারবেন। ফলে শ্রমিকদের একটা অংশ কারখানা এলাকা ছেড়ে চলে যায়। আবার অনেকে যেতে চাইলেও আর্থিক কারণে যেতে পারেননি।

পোশাক শিল্পের ব্যাকওয়ার্ড লিংকেজ বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশনের (বিটিএমএ) সভাপতি মোহাম্মদ আলী খোকন বণিক বার্তাকে বলেন, স্বাস্থ্যবিধি মেনে উৎপাদন সচল রেখে কীভাবে কভিড-১৯ মোকাবেলা করা যায়, সে বিষয়ে এরই মধ্যে শিল্প-মালিকরা যথেষ্ট অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন। সেই অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে লকডাউনের মধ্যেও কারখানা সচল রাখার অনুমতি প্রয়োজন আমাদের। আর পরিসংখ্যান বলছে, এ মুহূর্তে বিটিএমএর সদস্য কারখানাগুলোতে প্রায় ২ বিলিয়ন ডলারের কাজ চলমান আছে। সামনে আসছে ঈদ। সব দিক বিবেচনায় লকডাউনে কারখানা সচল রাখার অনুমতি প্রয়োজন।

আরব বিশ্বে জ্বালানি তেলবহির্ভূত বাণিজ্যে উন্নতি

জ্বালানি তেল বাণিজ্য ছাড়াও আরব বিশ্বের বড় অর্থনীতিগুলোয় প্রবৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। মূলত করোনাভাইরাস প্রতিরোধী টিকা কার্যক্রম শুরু হওয়ার পর এসব ব্যবসায় গতি আসে। আইএইচএস মার্কিটের পারচেজিং ম্যানেজার সূচক অনুযায়ী, ফেব্রুয়ারির তুলনায় মার্চে প্রবৃদ্ধি খুব সামান্য কমেছে। কিন্তু তুলনামূলকভাবে বেসরকারি জ্বালানি তেলবহির্ভূত খাতগুলোর ভালো রকমের উত্থান হয়েছে। এসব খাতের বিস্তৃতি যেমন বেড়েছে, কেনাবেচাও বেড়েছে। খবর ন্যাশনাল নিউজ।

সাম্প্রতিক এক জরিপে দেখা গেছে, সৌদি আরবের কর্মসংস্থান পরিস্থিতি বেশ স্থিতিশীল অবস্থায় আছে। কিছু ক্ষেত্রে এটি কভিড-১৯ মহামারী শুরুর আগের সময়ের চেয়েও এগিয়ে রয়েছে। ক্রমবর্ধমান উৎপাদন প্রতিষ্ঠানগুলোকে কেনাবেচা বাড়াতে উৎসাহ দেয়া হচ্ছে। কিছু প্রতিষ্ঠান তাদের স্টক শেষ করে ফেলছে। এর মাধ্যমে বোঝা যায় যে ক্রয়ক্ষমতা মাঝারি মানে বেড়েছে।

একটি জরিপ বলছে, নির্মাণ শিল্প খাতের কর্মকাণ্ড মার্চে সংযুক্ত আরব আমিরাতের অর্থনীতিকে দারুণভাবে এগিয়ে নিয়ে গেছে। কভিড-১৯ প্রতিরোধী টিকা কার্যক্রম থেকে পাওয়া আশাবাদ ভবিষ্যৎ কর্মকাণ্ডকে গতিশীল করেছে। সামনের দিনগুলোয় মহামারী সম্পর্কিত বিধিনিষেধ উঠে গেলে সামনে ব্যবসার জন্য আরো ভালো দিন প্রত্যাশা করছেন ব্যবসায়ীরা।

সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত উভয়ই তাদের অর্থনীতির দ্বার উন্মুক্ত করেছে। ব্যবসার ক্ষেত্রে কিছু বিধিনিষেধও শিথিল করা হয়েছে। কারণ হিসেবে গণটিকাদান কর্মসূচির কথা বলা হচ্ছে।

ব্লুমবার্গের ভ্যাকসিন ট্র্যাকারের হিসাব অনুযায়ী, সংযুক্ত আরব আমিরাতে ৮৬ লাখের বেশি টিকা সরবরাহ করা হয়েছে। এ সংখ্যা দেশটির মোট জনসংখ্যার তুলনায় প্রায় ৪০ শতাংশ। এ পর্যন্ত দেশটিতে ৩ কোটি ৮৫ লাখ নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। নমুনা পরীক্ষার সহজলভ্যতা ও টিকার সহজপ্রাপ্যতা দেশটির ব্যবসা খাতে আত্মবিশ্বাস নিয়ে এসেছে।

তবে বিশ্বব্যাপী টিকাদান কার্যক্রম চললেও কভিড-১৯ রোগের তৃতীয় ঢেউ শুরু হয়েছে। ইউরোপ, এশিয়া ও উত্তর আমেরিকার অনেক দেশে নতুন করে লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে। ওয়ার্ল্ডোমিটারের তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বে করোনাভাইরাস সংক্রমণ শনাক্তের সংখ্যা ১৩ দশমিক ১ কোটি ছাড়িয়েছে। মৃতের সংখ্যা ছাড়িয়েছে সাড়ে ২৮ লাখ।

তবে সব মিলিয়ে আরব বিশ্বে ভবিষ্যৎ বাণিজ্যের কর্মকাণ্ড বেশ ইতিবাচক। ব্যবসায়ীরা বলছেন, টিকাদান কর্মসূচি ও নতুন উদ্যমে ব্যবসা শুরু করার কারণে এ অঞ্চলের অর্থনৈতিক অবস্থার উন্নয়ন ঘটবে।

চীনা দূতাবাসের পানির সংযোগ বিচ্ছিন্ন করলেন আঙ্কারার মেয়র

তুরস্কের আঙ্কারা সিটি করপোরেশনের মেয়র মনসুর ইয়াবাস জিনজিয়াংয়ের উইঘুরে মুসলিম নির্যাতনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়েছিলেন। বিষয়টি ভালোভাবে নেয়নি চীনা কর্তৃপক্ষ। এর জেরে আঙ্কারার মেয়রকে কড়া ভাষায় চিঠি দিয়ে প্রতিবাদ জানায় সেখানকার চীনা দূতাবাস। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে দূতাবাসের পানির সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দিয়েছেন মেয়র। গত বুধবার এই পদক্ষেপ নেয় আঙ্কারা সিটি।

ইব্রাহিম হাসকোলোলু নামে তুরস্কের একজন সাংবাদিক এক টুইটার বার্তায় এ তথ্য জানান। স্থানীয় ‘ডুভার ইংলিশ’ নামের একটি অনলাইন নিউজপোর্টাল জানায়, উইঘুর নিয়ে মন্তব্যের জেরে সম্প্রতি চীনা দূতাবাস আঙ্কারার সিটি মেয়র মনসুর ইয়াবাস বরাবর কড়া ভাষায় চিঠি লিখে প্রতিবাদ জানায়। এরপর ক্ষিপ্ত হন মেয়র। এরপর ওই এলাকায় অবৈধ পানির সংযোগ চিহ্নিত করার অভিযান শুরু করে আঙ্কারা সিটি করপোরেশন। অভিযানে চীনা দূতাবাসের পানির সংযোগও বিচ্ছিন্ন করা হয়।

সূত্র : আনাদোলু এজেন্সি।

চীন-ফিলিপাইন উত্তেজনা বাড়ছে!

দক্ষিণ চীন সাগরে নিয়ে উত্তেজনা ক্রমশই বাড়ছে। দক্ষিণ চীন নাগর ইস্যুতে ম্যানিলায় চীনা কূটনীতিকের এক মুখপাত্রকে বহিষ্কারের হুমকি দিয়েছে ফিলিপাইন। গতকাল বুধবার এই হুমকি দেওয়া হয় দেশটির পক্ষ থেকে। সিডনি মর্নিং হেরাল্ডের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানা গেছে।

দেশটির সেক্রেটারি অব ফরেন অ্যাফেয়ার্স টেডি লোকসিন জুনিয়র জানিয়েছেন, তিনি চীনের দূতাবাসে আরো একটি কূটনৈতিক প্রতিবাদ পাঠিয়েছেন। তিনি প্রতিদিনই প্রতিবাদ জানাবেন। যতোদিন পর্যন্ত দক্ষিণ চীন সাগরে একটিও চীনা ফিশিং বোট থাকবে ততোদিন পর্যন্ত প্রতিবাদ জানিয়ে যাবেন।

দক্ষিণ চীন সাগরের স্প্রাটলি দ্বীপপুঞ্জের একটি রিফ হলো হুইটসন রিফ। ওই এলাকার ২২০টি মাছ ধরার নৌকাকে ঘিয়ে উত্তেজনা বাড়ছে। ফিলিপাইনের পক্ষ থেকে ধারণা করা হচ্ছে, এই মাছ ধরার নৌকাগুলো চাইনিজ সামুদ্রিক মিলিশিয়া নিয়ন্ত্রণ করে। এই নিয়ে ফুঁসছে ফিলিপাইন।

গত মাসে চীনা সামরিক জাহাজ দেখার পর থেকে ফিলিপাইনের স্প্রাটলি দ্বীপপুঞ্জের বিতর্কিত রিফের কাছে নৌবাহিনীর টহল বাড়ায়। কিন্তু পরে চীন দাবি করে ওই জাহাজগুলো কেবলই মাছ ধরার নৌকা। কিন্তু ফিলিপাইনের পক্ষ থেকে চীনা দাবি দাবিকে প্রত্যাখ্যান করা হয়। দেশটির প্রতিরক্ষা সচিব ডেলফিন লরেঞ্জানা বলেছে, যে তারা (চীন) আন্তর্জাতিক আইন মানছে না। চীনের ‘পশ্চিম ফিলিপাইন সাগর’ দখলের চেষ্টা করছে। চীনের এমন বাড়বাড়ন্তের প্রতিবাদ জানিয়েছে ফিলিপাইনের ফিশিং ফেডারেশন পামালাকায়াও।

চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ঝাও লিজিয়ান বলছেন, বিষয়টি নিয়ে নিরপেক্ষভাবে ও যুক্তিযুক্তভাবে সমাধানের আহ্বান জানাই আমরা। বিষয়টি নিয়ে উত্তেজনা বন্ধ এবং দক্ষিণ চীন সাগরের পরিস্থিতিতে নেতিবাচক চিন্তা-ভাবনা বন্ধ করার আহ্বান জানাই আমরা।

এদিকে আবার এক ধরনের হুমকিই দিয়ে রেখেছে চীনা কমিউনিস্ট পার্টির মুখপত্র দ্য গ্লোবাল টাইমসের সম্পাদক হু জিজিন। তার ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা একটি ভিডিওটিতে তিনি বলেছেন, ফিলিপাইনের সামরিক বাহিনীর বেপরোয়াভাবে কিছু করা উচিত নয়। অন্যতায় চীন জোরালো জবাব দেবে।

সূত্র: সিডনি মর্নিং হেরাল্ড।

সুয়েজ খালের প্রস্থ আরো বাড়ানোর পরিকল্পনা কর্তৃপক্ষের

সুয়েজ খালের প্রস্থ আরো বাড়ানোর পরিকল্পনা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে সুয়েজ খাল কর্তৃপক্ষ। গতকাল মঙ্গলবার কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান ওসামা রাবি জানান, দক্ষিণের যে পাশে এভার গিভেন জাহাজটি আটকে পড়েছিল সেখানকার প্রস্থ বাড়ানোর বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে।

কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান জানান, নতুন একটি ক্রেনেরও ব্যবস্থা করা হচ্ছে, যেটি ৮২০ ফুট উচ্চতায় কাজ করতে পারবে। এছাড়া আরো দুই থেকে তিনটি টাগবোট আনারও চিন্তা করা হচ্ছে। তিনি জানান, নীরবে এ বিষয়ে কাজ করা হচ্ছে। গত ২৩ মার্চ প্রচণ্ড ঝড়ে এভার গিভেন জাহাজটি আটকে যায়। এর ফলে শত শত জাহাজের জট সৃষ্টি হয় যাতে বৈশ্বিক বাণিজ্যে ব্যাপক ক্ষতি হয়। জাহাজ আটকে যাওয়ার কারন নিয়ে তদন্ত চলছে।

চেয়ারম্যান জানান, এর মধ্যেই জাহাজের রেকর্ডার থেকে তথ্য নেওয়া হয়েছে এবং তা তদন্ত কমিটির কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। তিনি জানান, আরো দুই থেকে তিন দিন সময় নেওয়া হবে রিপোর্ট দেওয়ার জন্য। এর চেয়ে বেশি সময় নেওয়া হবে না বলেও জানান তিনি।

সূত্র: রয়টার্স।

দেশে মার্চে রেমিট্যান্স এসেছে প্রায় ১৯২ কোটি ডলার

দেশে চলতি বছরের মার্চ মাসেও ১৯১ কোটি ৬৬ লাখ মার্কিন ডলারের (এক লাখ ৫৮ হাজার ১০৩ কোটি টাকা) রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন  প্রবাসীরা। রেমিট্যান্স প্রবাহ স্থিতিশীল থাকায় ঊর্ধ্বমুখী অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ।

বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রকাশিত রেমিট্যান্সের হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে। বর্তমানে দেশে রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে প্রায় ৪৪ বিলিয়ন ডলার।

বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মার্চ মাসে প্রবাসীরা ১৯১ কোটি ৬৬ লাখ মার্কিন ডলারের রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ ১৬ হাজার ২৯১ কোটি টাকা (প্রতি ডলার ৮৫ টাকা ধরে)। যা আগের বছরের একই সময়ের চেয়ে ৬৪ কোটি ৩ লাখ ডলার বেশি।

২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেটে ২ শতাংশ হারে প্রণোদনা ঘোষণা করা হয়। বৈধ উপায়ে প্রবাসী আয় বাড়াতে এমন সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। সে অনুযায়ী, গতবছরের ১ জুলাই থেকে প্রবাসীরা ব্যাংকিং চ্যানেলে টাকা পাঠালে প্রতি ১০০ টাকার বিপরীতে ২ টাকা প্রণোদনা পেয়ে আসছেন। ফলে করোনার মধ্যেও রেকর্ড গড়ছে রেমিট্যান্স।

বিডি-প্রতিদিন

ভারত থেকে চিনি-তুলা আমদানির সিদ্ধান্ত পাল্টাল পাকিস্তান

প্রায় দুই বছর বন্ধ থাকার পর সম্প্রতি ভারত থেকে আবারও চিনি ও তুলা আমদানির ঘোষণা দিয়েছিল পাকিস্তান। তবে এ সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করেছে পাকিস্তান। কাশ্মীর ইস্যুতে তেমন কোনো অগ্রগতি না হওয়ার মধ্যেই ভারতের সঙ্গে বাণিজ্য শুরু করার সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর পাকিস্তান সরকার তুমুল সমালোচনার মুখে পড়ে এবং আমদানি বাণিজ্য স্থগিত করে।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ থেকে সুস্থ হওয়ার পর প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান আবার কাজে ফিরেছেন। গতকাল বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন তিনি। ওই বৈঠকে আলোচনা করা হয় ভারত থেকে চিনি ও তুলা আমদানি করা হবে কিনা। পাকিস্তানের বিরোধীদল এবং কাশ্মীরি জনগণের পক্ষ থেকে কঠোর সমালোচনা সৃষ্টির পর কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা ভারতের সঙ্গে বাণিজ্যের সিদ্ধান্ত স্থগিত করে।

এ ঘটনায় মনে করা হচ্ছে, পাকিস্তান সরকার জনগণের চাপের মুখে আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য হয়েছে। কাশ্মীর পরিস্থিতির অগ্রগতি ছাড়া ভারতের সঙ্গে বাণিজ্য শুরুর বিরুদ্ধে জনগণের বিরাট একটি অংশ।

জানা যায়, বৈঠকে শেখ রশিদ, মাহমুদ কোরেশি, মানবাধিকার মন্ত্রী শিরিন মাজারিসহ পাকিস্তানের একাধিক প্রভাবশালী মন্ত্রী ভারত থেকে তুলা-চিনি আমদানির বিরোধিতা করায় বিষয়টি স্থগিত হয়ে যায়।

এদিকে, ভারত থেকে তুলা আমদানির সিদ্ধান্ত বাতিল করায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন পাকিস্তানের ব্যবসায়িক নেতারা। পাকিস্তান অ্যাপারেল ফোরামের চেয়ারম্যান জাভেদ বিলওয়ানির মতে, ভারত থেকে তুলা আমদানির অনুমতি ছিল পুরোপুরি বাস্তবসম্মত সিদ্ধান্ত এবং এই মুহূর্তে তাদের জন্য এটাই প্রয়োজন। সেই অনুমতি বাতিলের সিদ্ধান্ত দ্রুততম সময়ে পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়েছেন তিনি।

পাকিস্তানের এ ব্যবসায়িক নেতা বলেন, দেশে যথেষ্ট তুলার সুতা নেই। এই মুহূর্তে মন্ত্রিসভায় ইসিসির প্রস্তাব বাতিল বিদেশি ক্রেতাদের কাছে নেতিবাচক বার্তা দেবে। ভারত থেকে তুলা আমদানির সিদ্ধান্ত বাতিলের পরপরই এর দাম বেড়ে গেছে জানিয়ে বিলওয়ানি বলেন, সরকার যদি ভারত থেকে তুলা আমদানির অনুমতি না দেয় তাহলে যেন এর প্রাপ্যতা নিশ্চিত করে।

সূত্র: দ্যা হিন্দু , টাইমস অব ইন্ডিয়া।

ভারত থেকে চিনি-তুলা আমদানি করবে পাকিস্তান

বেসরকারি খাতে ভারত থেকে পাঁচ লাখ টন সাদা চিনি আমদানি করবে পাকিস্তান। আজ বুধবার দেশটির দ্য ইকোনোমিক কো-অরডিনেশন কমিটি (ইসিসি) এ বিষয়ে অনুমোদন দিয়েছে। পাকিস্তানের অর্থমন্ত্রী হাম্মাদ আজহার এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি জানান, ভারত থেকে তুলাও আমদানি করা হবে, যা চলতি বছরের জুনের শেষের দিকে শুরু হবে।

নতুন নিয়োগ পাওয়া এ অর্থমন্ত্রী ভারতের সঙ্গে চিনি বাণিজ্য পুনরায় খুলে দেওয়ার কারণ হিসেবে দুই দেশের মধ্যে দামের পার্থক্যের কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ভারত ছাড়া পৃথিবীর অন্যান্য দেশ থেকে আমরা চিনি আমদানির অনুমোদন দিয়েছি। কিন্তু অন্যান্য স্থানে এর দাম অনেক বেশি। যে কারণে তা আমদানি করা যাচ্ছে না। অন্যদিকে পাকিস্তানের তুলনায় ভারতে চিনির দাম অনেক কম। তাই আমরা সেখান থেকে বেসরকারি খাতে ৫ লাখ টন পর্যন্ত চিনি আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছি। ‘ভারতের তুলনায় আমাদের চিনির দাম ১৫ থেকে ২০ শতাংশ বেশি,’ বলেন তিনি।

ভারত থেকে তুলা আমদানির সিদ্ধান্তের ব্যাপারে তিনি বলেন, পাকিস্তানের বস্ত্র রপ্তানি বেড়েছে কিন্তু গত বছর সে তুলনায় দেশে তুলা উৎপাদন হয়নি। দামের পার্থক্য ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পে প্রভাব ফেলছে। বড় ব্যবসায়ীরা মিসর ও অন্যান্য দেশ থেকে আমদানি করতে পারলেও এসএমই ব্যবসায়ীরা তা পারছে না।

এর আগে ২০১৯ সালের ৯ আগস্ট ভারতের সংবিধানের ৩৭০ অনুচ্ছেদ বাতিল করে অধিকৃত কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা বাতিলের পর পাকিস্তান এক প্রতিক্রিয়ায় ভারতের সঙ্গে ব্যবসায়ী সম্পর্ক সীমিত করে। করোনা মহামারিতে প্রয়োজনীয় ওষুধের যাতে ঘাটতি না হয় সে জন্য ২০২০ সালের মে মাসে ভারত থেকে চিকিৎসা সরঞ্জাম ও কাঁচামাল আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে পাকিস্তান। ভারতের সঙ্গে ব্যবসায়ী সম্পর্ক পুনঃস্থাপনে এটা ছিল পাকিস্তানের প্রথম পদক্ষেপ।

এর আগে, ভারত ছাড়া পৃথিবীর সব দেশ থেকে তুলা, সুতা ও চিনি আমদানির অনুমতি দিয়েছিল পাকিস্তান। এসব পণ্য এখন ভারত থেকেও আমদানি করবে বৈরী সম্পর্কের প্রতিবেশী দেশটি। বাণিজ্য ও বস্ত্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান ইসিসিতে অনুমোদনের জন্য উপস্থাপনের আগে খসড়া প্রস্তাবটিতে অনুমোদন দিয়েছেন। এর মানে হচ্ছে, প্রধানমন্ত্রী ইমরান এর মধ্যে ভারত থেকে এসব পণ্য আমাদানিতে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারে সম্মতি দিয়েছেন।

উল্লেখ্য, প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান গত সোমবার হাফিজ শেখকে সরিয়ে হাম্মাদ আজহারকে অর্থমন্ত্রীর দায়িত্ব দেন। আজহার অবশ্য এর মধ্যে শিল্প ও উৎপাদন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এর অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে তিনি এখন অর্থ মন্ত্রণালয়ও দেখবেন।সূত্র : দ্যা ডন, এনডিটিভি

মোটরসাইকেলে যাত্রী পরিবহনে নিষেধাজ্ঞা

চলমান করোনা পরিস্থিতিতে দুই সপ্তাহের জন্য রাইড শেয়ারিং সার্ভিসের মাধ্যমে মোটরসাইকেলে যাত্রী পরিবহনে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)।

আজ বুধবার বিআরটিএ’র এক অফিস আদেশে বিষয়টি জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়, করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত (আপাতত দুই সপ্তাহ) রাইড শেয়ারিং সার্ভিসে মোটরসাইকেলে যাত্রী পরিবহনে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।

এ ছাড়াও, গণপরিবহনে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা ও ধারণ ক্ষমতার অর্ধেক যাত্রী পরিবহনের নির্দেশনাও দিয়েছে বিআরটিএ।

চীন- ইরান সহযোগিতা চুক্তি, নিষেধাজ্ঞার কথা ভাবছে যুক্তরাষ্ট্র

ইরান ও চীনের মধ্যে সাম্প্রতি চার শ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ চুক্তি হয়েছে। এর প্রেক্ষিতে নিষেধাজ্ঞামূলক পদক্ষেপের কথা ভাবছে যুক্তরাষ্ট্র। গতকাল সোমবার যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের সরকারি বাসভবন ও কার্যালয় হোয়াইট হাউজের প্রেস সেক্রেটারি জেন সাকি এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান।

জেন সাকি বলেন, এ চুক্তির পরিপ্রেক্ষিতে যুক্তরাষ্ট্র কোনো নিষেধাজ্ঞা প্রয়োগের প্রয়োজনীয়তার বিষয়ে পর্যালোচনা করবে। তবে এখনো পুরো চুক্তি মার্কিন প্রশাসন পর্যালোচনা করেনি বলে জানান তিনি।

এর আগে গত শনিবার চীনের ‘বেল্ট অ্যান্ড রোড’ কার্যক্রমের আওতায় তেহরানের সঙ্গে বেইজিং ২৫ বছর মেয়াদি সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষর করে। এর মাধ্যমে পূর্ব এশিয়াকে ইউরোপের সঙ্গে যুক্ত করার বিশাল এক অবকাঠামোগত প্রকল্প হাতে নিয়েছে চীন।
সূত্র : মিডল ইস্ট মনিটর