প্রাচীন মিশরীয় সভ্যতা  মানেই অদ্ভুত আর রহস্যময় নানা উপকথার ভাণ্ডার।

 ওসাইরিস ‘ তেমনই এক আশ্চর্য জীবনের গল্প।

বিস্ময়কর এক চরিত্র এটি। বিশ্বের সবচেয়ে প্রাচীন মমি বলে ধারণা করা হয় ওসাইরিসের মমিকে। গবেষকদের ধারণা মিশরীয়দের মমির অধ্যায় শুরু হয়েছিল ওসাইরিসের থেকে। ওসাইরিস বা ওসিরিসকে নিয়ে সবচেয়ে বিখ্যাত আলোচনাগুলো করেছেন গ্রিক পন্ডিত ডিওডোরাস ও প্লুটার্ক। যদিও তার বহু আগে থেকেই পিরামিড গাত্রে খোদাই করা হয়েছে ওসাইরিসের জীবনকাহিনী। সেইসব পিরামিড স্টোরি থেকেই প্রথম জানা যায় ওসাইরিসের জীবন, হত্যাচক্রান্ত ও পুনরুত্থানের গল্প। পুরাণের মতে মিশর ইতিহাসের সবচেয়ে পুরোনো মমিও ওসাইরিস।

প্রাচীন মিশরে দুই হাজারেরও বেশি দেব দেবীর অস্তিত্বের প্রমাণ পাওয়া যায়

প্রাচীন মিশরে দুই হাজারেরও বেশি দেব দেবীর অস্তিত্বের প্রমাণ পাওয়া যায়

প্যাপিরাস সল্ট থেকে মৃতদেহ মমি করে পচনরোধের যে বিজ্ঞান, তারও প্রথম হাতেকলমে ব্যবহার হয় ওসাইরিসের উপরই। তবে ওসাইরিসের কথায় আসার আগে, আসুন জেনে নেয়া যাক কে এই ওরাইসিস? কোথা থেকে জন্ম তার? পৃথিবীর দেবতা গেব বিয়ে করেন তার বোন আকাশ আর স্বর্গের দেবী নুটকে। ভাইবোনের মধ্যে বিয়ে প্রাচীন মিশরে খুবই পবিত্র বলে মনে করা হত ৷ রক্তের বিশুদ্ধতা ধরে রাখার জন্য মিশরের রাজপরিবারগুলোতে  প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে ভাইয়ের সঙ্গে বোনের বিয়ে হয়ে এসেছে। এমনকি বাবার সঙ্গে মেয়ের। বিয়ের পর যৌথজীবনে ঢুকে দেবতা গেব ও নুট একে একে জন্ম দিলেন চার ছেলেমেয়ের।আরো পড়ুন: মানবদেহে বাজপাখি কিংবা জন্তুর মুখ, মিশরীয়দের অদ্ভূত সব দেব-দেবী

এই চার সন্তানের মধ্যে প্রথম জনই হলেন দেবতা ওসাইরিস বা ওসিরিস। মিশরীয় পুরাণ অনুসারে পুনর্জন্ম, মদ, শস্য তথা উর্বরতার দেবতা ছিলেন ওসাইরিস। পৃথিবী ও আকাশের সঙ্গমে তার জন্ম, প্রকৃতির সম্মিলিত শক্তির প্রতীক বলা চলে তাকে। বয়ঃপ্রাপ্তির পর নিজের সহোদরা বোন সুন্দরী আইসিসকে বিয়ে করেন ওসাইরিস। আইসিস ছিলেন যাদুবিদ্যা, মাতৃত্ব ও প্রকৃতির দেবী। সারল্য আর শিশুদের রক্ষাকর্ত্রী দেবীও তিনি। মিশরের রাজা মানে ফারাওদের বলা হত ‘আইসিসের সন্তান’।

দেবতা গেব ও দেবী নুট

দেবতা গেব ও দেবী নুট

গেবের দ্বিতীয় পুত্র, ওসাইরিসের ভাই সেথ ছিলেন মরুভূমি, ঝড় আর অন্ধকারের দেবতা। ছোটোবেলা থেকেই সেথ অহংকারী, দুর্দমনীয়, কপট। গেব তার দুই পুত্রের মধ্যে রাজত্ব ভাগ করে দিতে চেয়েছিলেন। সেই অনুসারে ঠিক হল মিশরের দক্ষিণ অংশ বড় ভাই ওসাইরিসের দখলে থাকবে। আর উত্তর অংশ থাকবে কনিষ্ঠ সেথের দখলে। তবে ভাগাভাগিতে আপত্তি ছিল সেথের। সে চেয়ে বসল সম্পূর্ণ মিশরের আধিপত্য। এই অসঙ্গত দাবিতে রুষ্ট হয়ে এবং তার অপশাসনের প্রমাণ পেয়ে বাবা গেব ওসাইরিসকেই সমগ্র মিশরের একছত্র অধিপতি ঘোষণা করেন।আরো পড়ুন: মিশরের ফারাওদের নির্মম নিষ্ঠুরতা, বিকৃত যৌনাচার থেকে রক্ষা পায়নি বামনরাও

দেবতা ওসাইরিস

দেবতা ওসাইরিস

রাজা হিসেবে ওসাইরিস ছিলেন প্রজাদরদি, সুশাসক। যে সময় তিনি সিংহাসনে বসেন, তখন প্রাচীন মিশরের মানুষ ছিল বর্বর। মানুষ মানুষেরই কাঁচা মাংস খেত। নিজেরও এটি প্রিয় খাবার হলেও রীতি বাতিল করলেন নিজেই। আসলে সেসময় মিশরে এমন আরো অনেক কিছুই রীতি হিসেবে মানা হত। এরপর মিশরীয়দের চাষবাস করতে শেখালেন তিনি। ফলাতে শেখালেন গম, বার্লি, আঙুর। তৈরি করলেন উৎকৃষ্ট মদ। শুধু সুসভ্য করাই নয়, কৃষিকাজ এবং তামার ব্যবহার সম্পর্কেও মিশরীয়দের শিক্ষিত করে তোলেন রাজা ওসাইরিস।আরো পড়ুন: নির্মমভাবে হত্যা করে ফেলা হয় লেকে, হাজারো বছরেও পচেনি নগ্ন মৃতদেহ

দেবী আইসিস

দেবী আইসিস

বর্বর প্রাচীন মিশরীয়দের মধ্যে নিয়ে আসেন শৃঙ্খলা। গড়ে তোলেন প্রশাসক, স্থপতি ও কৃষিবিজ্ঞানীদের ফৌজ। সমাজের নিয়মকানুন, আইন-শৃঙ্খলা প্রণয়ন করতে তার আমন্ত্রণে এগিয়ে আসেন জ্ঞানের দেবতা থোথও। দুই দেবতায় মিলে শিল্পকলা আর বিজ্ঞানে পারদর্শী করে তোলেন মিশরবাসীকে। পরস্পরকে খুব ভালোবাসতেন ওসাইরিস ও আইসিস। যখনই রাজ্য ছেড়ে অন্য দেশ ভ্রমণে যেতেন রাজা, রাজত্বভার দিয়ে যেতেন রানি আইসিসের উপর। তবে সুখ জিনিসটাই ক্ষণস্থায়ী।আরো পড়ুন: মৃত মানুষের মগজ খাওয়াই এই জাতির রীতি

এই দুই দেবতার সুখী দাম্পত্যেও কাঁটা হয়ে দাঁড়াল তাদেরই লোভী ভাই সেথ। তারও আগে ওসাইরিস নিজেই ভ্রান্তিবশত জড়িয়ে পড়লেন সেথের স্ত্রী নেফথিসের সঙ্গে অবৈধ সম্পর্কে, যার পরিণামে তাদের একটি ছেলে জন্মায়। এই অবৈধ সন্তানই শেয়াল – দেবতা আনুবিস। গেব ও নুটের ছোট মেয়ে ছিলেন নেপথিসা ওসাইরিস ও আইসিসের মতো নেপথিসও বিয়ে করেন নিজের দাদা অন্ধকারের দেবতা সেথকে।

উশৃঙ্খল ও হিংস্র হিসেবে দুর্নাম আছে দেবতা সেথের

উশৃঙ্খল ও হিংস্র হিসেবে দুর্নাম আছে দেবতা সেথের

এদিকে নেপথিসের গোপন দুর্বলতা ছিল বড়ভাই ওসাইরিসের উপর। তবে ওসাইরিস ছিলেন স্ত্রীর প্রতি একনিষ্ঠ। অন্যের প্রেমপ্রস্তাবে সাড়া দেবেন না। তাই অন্য ফন্দি আঁটলেন দেবী নেপথিস। একদিন তিনি আইসিসের ছদ্মবেশে হাতে পানপাত্র নিয়ে গেলেন ওসাইরিসের ঘরে। একে ছদ্মবেশ, তার উপর মদের প্রভাব, চিনতে ভুল করলেন ওসাইরিস। মিলিত হলেন নেফথিসের সঙ্গে। তাদের মিলনেই জন্ম নিল মৃত্যু বা পরলোকের দেবতা আনুবিস।আরো পড়ুন: এদেশে কুমারী মেয়ের হয় না বিয়ে, বিশ্বের বিভিন্ন দেশের যত অদ্ভুত যৌনরীতি

চেহারার দিক থেকে অবশ্য ওসাইরিসের তুলনায় সেথের সঙ্গেই ‘শেয়াল দেবতা ‘ আনুবিসের মিল বেশি। যা হোক, স্ত্রীর পরকীয়া আর অবৈধ সন্তানজন্মের কথা যখন সেথের কানে গেল, রাগে দিকবিদিক জ্ঞান হারালেন তিনি। মনস্থির করলেন ওসাইরিসকে হত্যা করেই এর প্রতিশোধ নেবেন। মাঝেমধ্যে বিদেশভ্রমণের শখ ছিল ওসাইরিসের। বেড়াতে বেড়াতে চলে যেতেন সুদূর ভারতবর্ষের সীমা অব্দি। এমনই একবার, যখন রাজ্যভার রানি আইসিসের উপর দিয়ে রাজা বিদেশে বেড়াতে গেছেন, সেসময় গোপনসূত্রে রানি আইসিস জানতে পারলেন রাজাকে মারার জন্য নতুন করে ষড়যন্ত্র শুরু করেছে ভাই সেথ।

মিশরের মমি রহস্য আজও অধরা

মিশরের মমি রহস্য আজও অধরা

ছোটবেলায় একবার সেথকে লাথি মেরেছিলেন ওসাইরিস। সে অপমান ভোলেনি সেথ। তার উপর পৃথিবীর রাজা হওয়ার লোভ, তাকে পাগল করে তুলেছিল। আসলে ওসাইরিসের সৌভাগ্য আর ক্ষমতাকে শুরু থেকেই হিংসা করত সেথ। নানাভাবে চেষ্টা চালাত তার ক্ষতি করার। সেই ঈর্ষার আগুনে ঘি ফেলেছিল স্ত্রী নেপথিস ও ওসাইরিসের অবৈধ সম্পর্ক। ইথিওপিয়ার রানির সহায়তায় এক প্রকাণ্ড কাঠের সিন্দুক তৈরি করলেন সেথ। এক মানুষ দীর্ঘ সেই সিন্দুকের গায়ে অসাধারণ কারুকাজ। খুব গোপনে ওই সিন্দুক তৈরি করা হয়েছিল ওসাইরিসের শরীরের মাপে।আরো পড়ুন: বিলাসিতায় মগ্ন রাজার গলায় ২৯৩০টি হিরার কণ্ঠহার, সঙ্গী ৩৩২ জন যৌনদাসী!

ওসাইরিস বিদেশ ভ্রমণ শেষে দেশে ফিরলে তার রাজত্বের ২৮ বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে এক বিরাট ভোজসভার আয়োজন করেন সেথ। ভাইকে সসম্মানে আমন্ত্রণ জানান সেই মহাভোজে। আমন্ত্রণ করেন নিজের ৭২ জন বন্ধু ও অনুসারীকেও। ভোজসভা যখন জমে উঠেছে, হাতে হাতে ঘুরছে সুস্বাদু পানীয়ে ভরা পানপাত্র, তখনই বুদ্ধি করে সেথ সেই বিরাট কাঠের সিন্দুকটাকে নিয়ে আসেন ভোজসভায় , আর ঘোষণা করেন যার শরীরের মাপের সঙ্গে এই সিন্দুকের মাপ মিলে যাবে তাকেই উপহার দেয়া হবে এই মহার্ঘ সিন্দুক।

আকাশের দেবী নুট

আকাশের দেবী নুট

এত অপূর্ব কারুকাজ করা সিন্দুক কেউ আগে দেখেনি। সবাই একে একে গিয়ে সিন্দুকের ভেতর শুয়ে দেখতে লাগল। তবে কারো শরীরের মাপের সঙ্গেই মিলল না সিন্দুকের মাপ। মিলবে কী করে! এই সিন্দুক যে তৈরি হয়েছে ওসাইরিসের মাপে। একে একে বিফল মনোরথ হয়ে ফিরে এলেন সবাই। সবার শেষে এল ওসাইরিসের পালা।আরো পড়ুন: ছেলে হয়েও পিরিয়ড হয়, মানসিক যন্ত্রণায় কাবু তারা

ভাইয়ের প্রতি অন্ধবিশ্বাসে কোনোরকম সন্দেহ না করেই ওসাইরিস গিয়ে শুয়ে পড়লেন প্রকাণ্ড সিন্দুকে। সিন্দুকে প্রবেশ করার পর রাজা ওসাইরিস দেখলেন তার শরীরের মাপের সঙ্গে সিন্দুকের মাপ একেবারে মিলে গেছে। তবে দুষ্টু সেথ বাইরে থেকে সেই সিন্দুক বন্ধ করে তার উপর ঢেলে দিলো গলানো সীসা। তারপর ওসাইরিসসহ সেই সিন্দুক নিক্ষেপ করা হল নীলনদের জলে। সিন্দুকের ভিতর ছটফট করতে করতে মারা গেলেন দেবতা ওসাইরিস। সিন্দকের ভেতরেই তার শরীর প্রাকৃতিকভাবে মমি হয়ে রয়েছে হাজার হাজার বছর ধরে।

সূত্র: সংগ্রহ

মাস্টারমাইন্ডের ছাত্রীকে ধর্ষণের পর হত্যা : জবানবন্দি দিচ্ছেন দিহান

রাজধানীর মাস্টারমাইন্ড স্কুলের ‘ও’ লেভেলের শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগের মামলায় গ্রেপ্তার ইফতেখার দিহান আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিচ্ছেন।

আজ শুক্রবার (৮ জানুয়ারি) মামলাটির তদন্ত কর্মকর্তা কলাবাগান থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) আসামিকে আদালতে হাজির করেন। এরপর আসামি স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিতে সম্মত হওয়ায় তা রেকর্ড করার আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা।

জানা গেছে, কোচিংয়ের নোট আনতে যাওয়ার কথা বলে কলাবাগানে বন্ধু ইফতেখার ফারদিন দিহানের বাসায় যায়। সেখানেই ‘ধর্ষণের’ শিকার হয়ে মাত্রাতিরিক্ত রক্তক্ষরণে অসুস্থ হয়ে পড়লে নিজ গাড়িতে করে আনোয়ার খান মডার্ন হাসপাতালে নিয়ে যায় দিহান। হাসপাতালে ভর্তির আগেই সেখানকার চিকিৎসক আনুশকাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

এর আগে, ওই স্কুলছাত্রীকে (১৭) ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় তার ‘বন্ধু’ তানভীর ইফতেফার দিহানকে (১৮) একমাত্র আসামি করে কলাবাগান থানায় মামলা করেন নিহতের বাবা আলামিন। এ ঘটনায় হাসপাতাল থেকে আটক দিহানের তিন বন্ধুকেও জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ। সুত্র: কালের কন্ঠ

শিক্ষার্থীরা নামের ক্রমানুসারে পাবে আইডি নম্বর

এ বছর নতুন শ্রেণিতে মাধ্যমিকের শিক্ষার্থীদের রোল নম্বর প্রথা বিলুপ্ত করে আইডি নম্বর প্রদান করা হবে। আইডি নম্বর দেওয়ার ক্ষেত্রে দৈবচয়ন পদ্ধতি বা নামের বর্ণ ক্রমানুসারে দেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। গতকাল সোমবার এ সংক্রান্ত চিঠি পাঠানো হয়েছে মাউশির আঞ্চলিক কার্যালয়, জেলা, উপজেলা শিক্ষা কার্যালসহ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানপ্রধানদের।

চিঠিতে বলা হয়েছে, করোনা মহামারীর কারণে মাধ্যমিক পর্যায়ের বার্ষিক পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব হয়নি। তবে

 

অ্যাসাইনমেন্টভিত্তিক মূল্যায়ন কার্যক্রম সারাদেশে সম্পন্ন হয়েছে। এ মূল্যায়নের ভিত্তিতে শিক্ষার্থীদের রোল নম্বর দেওয়া যথাযথ হবে কিনা তা নিয়ে অভিভাবকদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া রয়েছে। এ ছাড়া রোল নম্বর প্রথা শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রতিযোগিতা ও প্রতিদ্বন্দ্বিতা তৈরি করে, যা গুণগত শিক্ষা অর্জনে অন্তরায়। গুণগত শিক্ষা অর্জনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার মনোভাব নয়, শিক্ষার্থীদের মধ্যে সহযোগিতামূলক মানসিকতা তৈরি করা প্রয়োজন। এ ক্ষেত্রে নম্বর প্রথার পরিবর্তে আইডি নম্বর ব্যবহার অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি করবে।

চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, শিক্ষার্থীদের দুই পদ্ধতিতে আইডি নম্বর দেওয়া যায়। একটি দৈবচয়ন পদ্ধতিতে, অন্যটি শিক্ষার্থীর নামের বানানের প্রথম বর্ণ ক্রমানুসারে আইডি প্রদান করা যায়। এ আলোকে পরবর্তী কার্যক্রম গ্রহণ করতে হবে মাঠপর্যায়ের শিক্ষা কর্মকর্তা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে।

গত ২৯ ডিসেম্বর শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি জানান, নতুন শিক্ষাবর্ষে শিক্ষার্থীদের শ্রেণি রোল নম্বর থাকছে না। এর পরিবর্তে শিক্ষার্থীদের আইডি নম্বর দেওয়া হবে। পুরনো রোল নম্বর প্রথার বিলুপ্তি হবে। রোল নম্বর প্রথার বিলুপ্তির ফলে বন্ধ হবে শিক্ষার্থীদের মধ্যে অনভিপ্রেত প্রতিযোগিতা। তৈরি হবে সহযোগিতার মনোভাব। চলতি বছর লটারির মাধ্যমে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোয় কিছুটা সমতা আসবে এবং গুণগত শিক্ষা অর্জন সহজ হবে।

গঠিত হলো বাংলাদেশ আবৃত্তিশিল্পী সংসদ

জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায়কে আহ্বায়ক এবং রূপা চক্রবর্তীকে সদস্য সচিব করে ‘বাংলাদেশ আবৃত্তিশিল্পী সংসদ’র ৬১ সদস্যবিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে। একইসঙ্গে দেশের বরেণ্য কবি ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বের সমন্বয়ে ১৯ সদস্যবিশিষ্ট একটি উপদেষ্টা পর্ষদ গঠিত হয়েছে।

বুধবার রাত ৮টার দিকে এক ভার্চুয়াল সভার মধ্য দিয়ে এই কমিটি ঘোষণা করা হয়। সংসদের প্রধান উপদেষ্টা করা হয়েছে মঞ্চসারথী আতাউর রহমানকে।

উপদেষ্টারা হচ্ছেন-সুবর্ণা মুস্তাফা, এমপি, আবেদ খান, কাজী মদিনা, অধ্যাপক নিরন্জন অধিকারী, সানজিদা আখতার, ম. হামিদ, রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা, কবি রাম চন্দ্র দাস, আব্দুল হালিম দোভাষ, কবি আসাদ চৌধুরী, কবি নির্মলেন্দু গুণ, কথাসাহিত্যিক সেলিনা হোসেন, কবি হাবীবুল্লাহ সিরাজী, কবি মুহম্মদ নূরুল হুদা, কবি কামাল চৌধুরী, কবি মিনার মনসুর, কবি শ্যামসুন্দর সিকদার ও কবি মারুফুল ইসলাম।

সংসদের যুগ্ম আহ্বায়ক করা হয়েছে-পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়, ডালিয়া আহমেদ, বেলায়েত হোসেন, ড. শাহাদাৎ হোসেন নিপু, হাসানুজ্জামান কল্লোল, দেওয়ান সাঈদুল হাসান ও জসিম উদ্দিন বকুল।

যুগ্ম সদস্য সচিবরা হচ্ছেন-মাসকুর-এ-সাত্তার কল্লোল, নাজমুল আহসান, আবু নাছের মানিক, মাসুম আজিজুল বাসার, মজুমদার বিপ্লব, ফারুক তাহের, সুকান্ত  গুপ্ত ও মো. মুজাহিদুল ইসলাম। এর বাইরে দেশের বিভিন্ন জেলার আরো ৪৩ জনকে সদস্য করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, বিজয়ের সুবর্ণরেখায় দাঁড়িয়ে চিরায়ত বাংলার ঐতিহ্য, কৃষ্টি ও সাংস্কৃতিক চেতনার প্রতি দায়বদ্ধতা থেকে মৌলবাদী শক্তির উৎখাত এবং দেশব্যাপী সংস্কৃতিকর্মীদের সৃজন ও সংগ্রামকে বিস্তৃত করার ব্রত নিয়ে ব্যক্তিগত, সাংগঠনিক ও প্রাতিষ্ঠানিক চর্চায় নিষ্ঠ আবৃত্তিশিল্পীদের যূথবদ্ধ মুখপাত্র হিসেবে যাত্রা শুরু করছে ‘বাংলাদেশ আবৃত্তিশিল্পী সংসদ’।

বিডি প্রতিদিন

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় জন্মহার বাড়ানো হবে জাপানে!

জাপানে কমতে থাকা জন্মহার বৃদ্ধির লক্ষ্যে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তিতে অর্থায়নের পরিকল্পনা নিয়েছে দেশটির সরকার। এই প্রযুক্তির সাহায্যে মানুষ তাদের সঙ্গী খুঁজে পাবে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহারের ক্ষেত্রে আগামী বছর থেকে ভর্তুকি প্রদান করবে স্থানীয় সরকার।

গত বছর জাপানে ৮ লাখ ৬৫ হাজারেরও কম শিশু জন্মগ্রহণ করেছে যা দেশটির জন্মহারের সর্বনিম্ন রেকর্ড। প্রবীণদের সংখ্যা বৃদ্ধির দিক থেকে বিশ্বে সবচেয়ে এগিয়ে আছে জাপান। এছাড়া বিশ্বের অন্যতম নিম্ন জন্মহারের দেশও এটি। সে কারণেই জন্মহার বৃদ্ধির জন্য বিভিন্ন পদ্ধতি খুঁজছে দেশটির সরকার। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রয়োগ এসব পদ্ধতির সর্বশেষ উদাহরণ।

বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জন্মহার বাড়াতে আগামী বছর স্থানীয় সরকাগুলোকে ২ বিলিয়ন ইয়েন (১৬১ কোটি টাকারও বেশি) প্রদান করবে জাপান সরকার।

এরইমধ্যে মনুষ্য চালিত ‘ম্যাচমেকিং’ বা ঘটকালি সেবা পরিচালনা করছে দেশটির বিভিন্ন স্থানীয় সরকার। এর মধ্যে বেশ কিছু স্থানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রয়োগও চালু হয়েছে। আশা করা হচ্ছে প্রযুক্তির এই ব্যবহারের ফলে লোকজনের জমা দেয়া তথ্যগুলো আরও জটিলভাবে বিশ্লেষণ করা সম্ভব হবে যা তাদের সঙ্গী পাওয়ার প্রক্রিয়াকে আরও সহজ করবে।

জাপানের ইতিহাসে সর্বোচ্চ জনসংখ্যা ছিল ২০১৭ সালে। সে সময় জনসংখ্যা ছিল ১২ কোটি ৮০ লাখ।

পিরামিডের গোপন রহস্য জানার চেষ্টা করেছিলেন নিউটন

ব্রিটিশ গণিতবিদ স্যার আইজ্যাক নিউটন ক্লাসিকাল পদার্থবিদ্যার ভিত্তি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। গতি তত্ত্ব, মাধ্যাকর্ষণ নিয়েও তিনি কাজ করেছেন। আলকেমি ও ধর্মতত্ত্বের অস্পষ্ট বিষয় নিয়েও তার গোপন আগ্রহ ছিল। যা নিউটনের মৃত্যুর ২০০ বছর পর সবাই জানতে পারে।

নিউটনের অপ্রকাশিত নোটের মাধ্যমে জানা গেছে, তিনি বাইবেলের লুকানো অর্থের মানে উদ্ধারের চেষ্টা করেছেন। মিশরের পিরামিড নিয়েও আগ্রহ ছিল নিউটনের। তার লেখা তিন পৃষ্ঠার সেই এলোমেলো নোটে তার প্রমাণ মিলেছে। নিউটনের বিশ্বাস ছিল পিরামিডের মধ্যে গভীর রহস্য লুকানো আছে।

তবে নিউটনের হাতের লেখা সেই নোটের কিছু অংশ পুড়ে যায় তার পোষা কুকুর ডায়মন্ডের কারণে।
সূত্র: গার্ডিয়ান

স্থপতি, চলচ্চিত্রকার, আলোকচিত্রী, গীতিকার, সুরকার ও লেখক
এনামুল করিম নির্ঝরের জন্মদিন আজ

স্থপতি, চলচ্চিত্রকার, আলোকচিত্রী, গীতিকার, সুরকার ও লেখক এনামুল করিম নির্ঝরের জন্মদিন আজ ।রাত ১২টার পর থেকেই জন্মদিনের শুভেচ্ছায় সিক্ত হচ্ছেন তিনি। পরিবার, বন্ধু-স্বজনরা তাকে ফেসবুকে কিংবা মুঠোফোনে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন। তাসিনকো লিমিটেডের পরিবার তার দীর্ঘায়ু কামনা করছে।

এনামুল করিম নির্ঝর বাংলাদেশী চলচ্চিত্র পরিচালক। তিনি বেশ কিছু প্রামাণ্য চিত্র নির্মাণ করার পর ২০০৭ সালে প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র আহা! নির্মাণ করেছেন। তার এই ছবিটি চারটি বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেছে। চলচ্চিত্রটি মিউনিখ আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবেও প্রদর্শিত হয়েছে। কর্মজীবনে তিনি একজন স্থপতি ও ব্যবসায়ী। নির্ঝরের  এক পুত্রসন্তান আছে। তার নাম রৌদ্র সাকিব করিম। তিনি একাধারে স্থপতি, চলচ্চিত্রকার, আলোকচিত্রী, গীতিকার, সুরকার ও লেখক। তার কথা ও সুরে ১০১টি গানের সংকলন নিয়ে প্রথম অ্যালবাম ‘এক নির্ঝরের গান: ০০১’ ইতোমধ্যে শ্রোতাপ্রিয় হয়েছে। অ্যালবামটিতে নতুন ও পুরনো মিলিয়ে ৪৩ জন শিল্পী গানগুলোতে কণ্ঠ দিয়েছেন।

আজকে নিজের জন্মদিনে গুরুজনের সাথে গল্প করার জন্য  শ্রদ্ধেয় আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ স্যারের সাথে কথা বলবেন আজ রবিবার বাংলাদেশ সময় রাত ৯টায়। সকলকে গুরুজনের সাথে আড্ডা দেখার আমন্ত্রন জানিয়েছেন তিনি।
https://www.facebook.com/EKNirjharCollaborations/

স্থপতি কাজী নাসির তার জন্মদিনে মায়ের পাশে

দেশের অগ্রগণ্য স্থপতি, কবি এবং শিল্পী কাজী নাসিরের জন্মদিন আজ। তিনি আজকের এই বিশেষ দিনে তার অসুস্থ মায়ের পাশে সময় কাটিয়েছেন। তাসিনকো নিউজ পরিবার  তাকে জানাচ্ছে শুভেচ্ছা, শ্রদ্ধা এবং ভালবাসা ।

বাংলাদেশে কর্মরত বিশিষ্ট স্থপতিদের মধ্যে একজন। গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের স্থাপত্য অধিদপ্তরের প্রধান হিসেবে সুনামের সাথে কাজ করেছেন তিনি। ১৯৮৩ সালে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থাপত্য ও পরিকল্পনা অনুষদ থেকে তিনি স্মাতক ডিগ্রি লাভ করেন ১৯৯২ সালে জাপানে ইন্টেরিয়র ডিজাইন নিয়ে পড়াশোনা করেছেন। তাঁর হাত ধরেই বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে ইন্টেরিয়র ডিজাইন বিষয়ক পড়াশুনা শুরু হয়। সেখানে তিনি প্রায় দশ বছর খণ্ডকালীন শিক্ষক হিসেবে শিক্ষকতা করেন।

তিন বোন এক ভাইয়ের মধ্যে স্থপতি কাজী গোলাম নাসির তৃতীয়। গ্রামের বাড়ি বরিশাল জেলার সাপানিয়া গ্রামে, তাঁর জন্ম ও বেড়ে ওঠা বরিশালে। কাজী গোলাম নাসিরের বাবার নাম কাজী গোলাম কাদির। তিনি বিএম কলেজের দর্শনের অধ্যাপক ছিলেন। মা গৃহিণী। স্কুল জীবন থেকে সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনের সঙ্গে যুক্ত হয়েছিলেন। বরিশালে জাগৃহী খেলাঘর আসর করতেন। তিনি স্কাউটিং এর সাথেও জড়িত ছিলেন। ছোটবেলা থেকেই তাঁর ইচ্ছা ছিল ডাক্তার হওয়ার। কিন্তু বরিশাল মেডিকেল কলেজে প্রথম বৎসর ভর্তির সুযোগ না পেয়ে বিএম কলেজে পদার্থ বিদ্যায় অনার্সে ভর্তি হন। ওই সময় তাঁর বাবার এক বন্ধুর মাধ্যমে স্থাপত্য বিষয়টি সর্ম্পকে জানতে পারেন। তারপর তিনি ঢাকায় চলে আসেন বুয়েটের ক্যাম্পাস দেখার জন্য। প্রথম দেখাতেই বুয়েট ক্যাম্পাসের প্রেমে পড়ে যান তিনি। পরবর্তীতে বরিশাল মেডিকেল কলেজে দ্বিতীয় বারে চান্স পাওয়ার পরেও ডাক্তারি পড়েননি তিনি। ভর্তি হন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থাপত্য বিভাগে। বরিশাল জিলা স্কুল থেকে এসএসসি পাস করেন ১৯৭৩ সালে, ১৯৭৫ সালে বিএম কলেজ থেকে কৃতিত্বের সাথে এইচএসসি পাসের পর ভর্তি হন বুয়েটের স্থাপত্য বিভাগে। স্থপতি কাজী গোলাম নাসির ব্যাচেলর অব আর্কিটেকচার ডিগ্রি লাভ করেন ১৯৮৩ সালে। পাস করে বের হওয়ার পরই যোগ দেন প্রস্থাপনা লিমিটেড নামক কনসালটেন্সি ফার্মে। সেখানে তিনি এক বছর চাকরি করেন। এরপর নিজে দুই বছর কাজ করার পর ১৯৮৭ সালে স্থপতি কাজী গোলাম নাসির যোগ দেন স্থাপত্য অধিদপ্তরে সহকারি স্থপতি হিসেবে, ১৯৮৪ সালে সামসিন সুলতানার সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। এ দম্পতি এক সন্তানের জনক-জননী। ছেলে কাজী হাসিব কানাডায় পড়াশোনা করছেন।

 

 

তাকে নিয়ে বিশিষ্ট স্থপতি মোস্তফা খালিদ পলাশ তার ফেসবুক পেজে স্থপতি কাজী নাসিরকে নিয়ে লিখেছেন

সেই ১৯৮১ সালের কথা। প্রথম দেখা স্থাপত্য কোচিং ক্লাসে। আমারদের প্রিয় নাসির ভাই তখন তৃতীয় বর্ষে, আমাদের ক্লাস নিতেন। তিনিই প্রথম, যিনি আমায় ভরা ক্লাসে বলেছিলেন ‘তোমার কোচিং করবার দরকার নেই’। অনুপ্রেরণার সেই যে শুরু, আজ দীর্ঘ প্রায় ৪০ বছর ধরে তিনি আমায় শুধুই অনুপ্রাণিত করেই যাচ্ছেন নিঃস্বার্থ ভাবে। আজ আমি যে আমি, তার অনেকখানিই তাঁরই দান। এগিয়ে যাবার জ্বালানি ‘অনুপ্রেরণা’ আর তার অসীম প্রবাহীত এক নদীর নাম ‘কাজি গোলাম নাসির’, আমাদের প্রিয় নাসির ভাই। আজ তাঁর জন্মদিনে শ্রদ্ধা আর ভালোবাসা জানানোর সাথে সাথে সৃস্টিকর্তার কাছে প্রার্থনা যেনো তিনি দীর্ঘজীবন নিয়ে এভাবেই আগ্রজ হয়ে আমাদের এগিয়ে নিয়ে যেতে পারেন।

বিয়ের আগে যৌন সম্পর্ককে স্বীকৃতি দেওয়া উচিত মুসলিমদের: ডেনমার্কের মন্ত্রী

বিয়ের আগে যৌন সম্পর্ককে স্বীকৃতি দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন ডেনমার্কের প্রভাবশালী মন্ত্রী। মুসলিম নারীদের বিয়ের আগে যৌন সম্পর্ক তৈরি করাকে অধিকার হিসেবেও উল্লেখ করেন ডেনমার্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মেটিয়েস টেসফায়ে। দেশটির সংখ্যালঘু মুসলিম সম্প্রদায়ের নেতাদের উদ্দেশ্যে এ আহ্বান জানান তিনি।

ডেনমার্কের মুসলিম সম্প্রদায়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে এই মন্ত্রী বলেন, আমি তাদের সরাসরি ও জোর দিয়ে বলছি যে অন্য নারীদের মতো মুসলিম নারীদের এ ধরনের অধিকার রয়েছে। মন্ত্রী আরও বলেন, আমি শুনেছি বিয়ের রাতে রক্তপাত হবে কি না এ নিয়ে মুসলিম নারীরা শঙ্কিত থাকেন কারণ তাদের নিজেদেরকে কুমারী প্রমাণ করতে হয়।

তিনি মুসলিম নারীদের উদ্দেশ্যে বলেন, জীবনটা তোমাদের তাই পছন্দ তোমাদেরই । এখানে ইমামদের কথা শোনার কিছু নেই বলেও মন্তব্য করেন তিনি। মুসলিম নারীরা কী করবে তা ইমামদের সিদ্ধান্তে হতে পারে না বলেও মত দেন মন্ত্রী। তবে মন্ত্রীর এ ধরনের মন্তব্য মোটেই ভালোভাবে নেয়নি মুসলিম সম্প্রদায়ের নেতা ও ধর্মীয় ব্যক্তিত্বরা। সূত্র: আল জাজিরা।

কাশ্মীরে ইসলামিক স্টাডিজের পরীক্ষায় শীর্ষে হিন্দু ছাত্র

কাশ্মীর বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসে এই প্রথম। সবাইকে চমকে দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামিক স্টাডিজ এর স্নাতকোত্তর স্তরের প্রবেশিকা পরীক্ষায় শীর্ষ স্থান অধিকার করলেন রাজস্থানের শুভম যাদব।

ইসলামিক স্টাডিজের ছাত্র হিসেবে এর আগে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেছেন বহু অমুসলিম ছাত্র। কিন্তু প্রবেশিকা পরীক্ষায় এই প্রথমে শীর্ষ স্থান অধিকার করলেন কোনও হিন্দু ছাত্র।

রাজস্থানের আলওয়ারের বাসিন্দা শুভম জানান, ‘ইসলাম সম্পর্কে বহু ভুল ধারনা চালু রয়েছে। ইসলামকে উগ্রতার সমর্থক বলেও প্রচার করা হয়। সমাজে এরকম বাতাবরণ বেড়ে চলেছে। এই সময়ে একে অপরকে আরও বেশি করে বোঝা দরকার।’
বিশ্ববিদ্যালয়ে ইসলামিক স্টাডিজের স্নাতকোত্তর বিভাগে ভর্তির প্রবেশিকা পরীক্ষা নেওয়া হয়েছিল গত ২০ সেপ্টেম্বর। বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক হামিদ নাসিম রাফিয়াবাদি বলেন, এর আগে আমরা বহু অমুসলিম ইসলামি স্কলার পেয়েছি। কিন্তু এই প্রথম কোনও অমুসলিম ছাত্র প্রবেশিকা পরীক্ষায় শীর্ষ স্থান অধিকার করেছে।

এর আগে দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে দর্শনে স্নাতক হয়েছেন শুভম। কলেজে থাকতে থাকতেই ইসলাম সম্পর্কে তার আগ্রহ জন্মায়। স্নাতক হওয়ার পরই ঠিক করে ফেলেন, ইসলাম নিয়ে আরও পড়শোনা করবেন। তারপরেই কাশ্মীর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রবেশিকা পরীক্ষা বসেন। ভবিষ্যতে আইএএস অফিসার হতে চান শুভম। সূত্র: জিনিউজ