করোনার মধ্যেও রিজার্ভ ছাড়াল সাড়ে ৪৫ বিলিয়ন ডলার

করোনাভাইসারের মধ্যেও রেকর্ড সংখ্যক বৈদেশিক মুদ্রা এসেছে দেশে। এর পরিমাণ ৪৫ দশমিক ৫৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। যা গত বছরের তুলনায় বৈদেশিক রিজার্ভের প্রবৃদ্ধি ৩৯ দশমিক ৪৯ শতাংশ বেশি।

মঙ্গলবার অর্থমন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

এর আগে চলতি বছরের ৩ মে প্রথমবারের মতো বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৪৫ দশমিক ১০ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছিল।

২০২১ অর্থবছরের মে মাসে ২ দশমিক ১৭ বিলিয়ন ডলার রেমিটেন্স এসেছে। পয়লা জুলাই থেকে ৩১ মে পর্যন্ত রেমিটেন্স এসেছে ২২ দশমিক ৮৩ বিলিয়ন ডলার। অথচ ২০২০ অর্থবছরের মে মাসে ১ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার রেমিটেন্স এসেছিল। গত বছরের জুলাই থেকে মে মাসে দেশে মোট রেমিটেন্স এসেছিল ১৬ দশমিক ৩৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

২০১৯ সালের জুলাই মাস থেকে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সে দুই শতাংশ হারে প্রণোদনা দিচ্ছে বাংলাদেশ সরকার। অর্থাৎ কোনো প্রবাসী এক লাখ টাকা দেশে পাঠালে এর সঙ্গে আরও দুই হাজার টাকা যোগ করে মোট এক লাখ দুই টাকা পাচ্ছেন তারা।

এছাড়াও বিভিন্ন ব্যাংক এবং মোবাইল ব্যাংকিং সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান প্রণোদনার সঙ্গে বাড়তি এক শতাংশ দেওয়ার অফার দিচ্ছে। এতে করে বৈধ চ্যানেলে রেমিট্যান্স পাঠাতে উৎসাহী হচ্ছেন বিদেশে কর্মরত প্রবাসী বাংলাদেশিরা।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এখন বৈধ পথে রেমিট্যান্স আসছে, রপ্তানিও বেড়েছে। এছাড়াও আমদানি ব্যয়ের চাপ কম, দাতা সংস্থা বিশ্বব্যাংক, আইএমএফ ও জাইকার বৈদেশিক ঋণ সহায়তা এবং বিশ্ব সংস্থার অনুদানের কারণে রিজার্ভ বেড়েছে।

যুবতীর পাশে দাঁড়িয়ে সেলফিতে পোজ ভাল্লুকের

সুন্দরী যুবতীর পাশে দাঁড়িয়ে সেলফি তোলার সুযোগ কেউই হাতছাড়া করতে চান না! সম্প্রতি ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিওতে ফের তারই প্রমাণ পাওয়া গেল। যেখানে একজন যুবতীর পাশে দাঁড়িয়ে সেলফি (Selfie) -তে পোজ দিতে দেখা গেল বিশালাকার একটি ভাল্লুককে। যা দেখে হতবাক হয়ে পড়েছেন নেটিজেনরা।

 

https://twitter.com/i/status/1285112464107921408

গ্রামীন খেলাধুলা ও বিনোদন

শাহজাদপুর উপজেলায় স্বরুপপুরগ্রামে কোন মাঠ নেই। সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে সামান্য খোলা মাঠে বিভিন্ন ধরনের ক্রীড়া অনুষ্ঠান হয়ে থাকে। এ গ্রামীন খেলাধুলার মধ্যে হাডুডু, কাবাদি, দাড়িয়া বান্দা ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য। এতে করে গ্রামীন জনগন আনন্দ উপভোগ করে থাকে। গতবছর সংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের খন্ডিত একটা অংশ। আশাকরি আপনাদের ভাল লাগবে।

পথশিশুদের স্বস্তির গোসল

আর্দ্রতার দাপটেই গত তিন দিন বেড়েই চলেছে অস্বস্তির মাত্রা। সকাল থেকেই তাপ ছড়াতে শুরু করছে সূর্য। মাটি থেকে তাপ ঠিকরে বেরোচ্ছে। মানুষ ঘামছেও কুলকুলিয়ে। কিন্তু সেই ঘাম শুকোতে পারছে না, উল্টে গায়ে জমে থাকছে। জমা ঘামের চাপে শরীরের ভেতরের তাপমাত্রা বেড়ে যাচ্ছে, বাড়ছে শ্বাস-প্রশ্বাসের হারও। এর পেছনের কারণ হিসেবে আবহাওয়াবিদরা বলছেন, মধ্যভারত থেকে ধেয়ে আসছে গরম বাতাস। এখানে বায়ুমন্ডেলের নিচের স্তরে অবস্থান করছে ঘূর্ণাবর্ত। ঘূর্ণাবর্তের টানে সমুদ্র থেকে ঢুকছে জলীয়বাষ্প। সকাল সাড়ে আটটার পরই পাল্টে যাচ্ছে আবহাওয়ার চিত্র। দুপুর গড়াতেই একটুখানি ছায়ার খোঁজে সকলেই। স্বস্তি খুঁজতে ভিড় বাড়ছে ঠান্ডা পানীয়ের দোকানে। প্রচন্ড গরমে মানুষ ঘর ছেড়ে বাইরে বের হতে পারছে না। ঘরে বাইরে কোথাও স্বস্তি নেই। শুধু মানুষই নয়। সকল জীবের ত্রাহি ত্রাহি অবস্থা। প্রখর রোদ যেন আগুনের ফুলকা হয়ে বিধছে মানুষের শরীরে। প্রচন্ড রোদ ও গরমের মধ্যে সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়ছেন রাজধানীসহ সরাদেশের শ্রমজীবী মানুষ। ব্যহত হচ্ছে অফিস আদালত, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের কাজকর্ম। ছাত্র ছাত্রীদের লেখা পড়ায় বিঘœ ঘটছে। তাপদাহে রাজধানীর বাস যাত্রীদের জীবন হয়ে উঠেছে দুবির্ষহ। অনেক যাত্রী যানজটে আটকা পড়ে তীব্র তাপদাহে অসুস্থ্য হয়ে পড়ছে। শিশু থেকে বৃদ্ধ গরমে অনেকেই অসুস্থ হয়ে পড়ছেন। রাস্তাঘাটে চলতে গিয়ে গরমের কারণে কোন উপায় না পেয়ে পথচারীরা পান করছেন নানা ধরনের পানি, জুস, শরবত। এই গরমে পথশিশুরা গরমের হাত থেকে বাচঁতে বিজয় স্বরনী মোরে পানি দেখা মাত্রই তারা ঝাপিয়ে পরল নিজেদেরকে ঠান্ডা করার জন্য। সহকারী সম্পাদক মনীর হোসেন আনান্দর ক্যমেরায় সেই দৃশ্য।