চীনে টেক জায়ান্টদের ওপর সরকারি নিয়ন্ত্রণ
নতুন সম্ভাবনা দেখছে ক্ষুদ্র কোম্পনিগুলো

চীনের প্রযুক্তি ও ইন্টারনেট জায়ান্ট কোম্পানিগুলোর বিরুদ্ধে সরকারের চলমান একচেটিয়া ব্যবসাবিরোধী অভিযানে নতুন সুযোগ দেখছেন দেশটির ছোট কোম্পানি ও বিনিয়োগকারীরা। সম্প্রতি এক বিশ্লেষণে এমনটা জানায় রয়টার্স।

সরকারের এমন নীতির আলোকে ফিনটেক জায়ান্ট অ্যান্ট গ্রুপের উত্থান ঠেকাতে করা নতুন নিয়মের পর মার্কিন পুঁজিবাজার নাসডাকের তালিকাভুক্ত ক্ষুদ্র কোম্পানি ‘মাইক্রোলেন্ডার ৩৬০ ডিজিটেক’ তাদের শেয়ারের দাম বৃদ্ধি করেছে। পাশাপাশি ডিজিটেক তাদের নতুন নতুন ব্যবসার দিকেও নজর দিচ্ছে বলে জানা যায়।

ডিজিটেকের মুখ্য অর্থনৈতিক কর্মকর্তা অ্যালেক্স জু বলেন, ডিসেম্বর থেকে দেখা যাচ্ছে প্রভাবশালী জায়ান্টগুলো যেসব গ্রাহকের ক্রেডিট লাইন কমিয়ে বা সীমাবদ্ধ করে দিচ্ছে, তারা আমাদের সার্ভিস গ্রহণে আগ্রহী হচ্ছেন। তিনি আরো বলেন, আমাদের কাছে প্রভাবশালী কোম্পানিগুলোর ফেলে যাওয়া বাজার অধিগ্রহণ করার চমত্কার সুযোগ রয়েছে।

গত নভেম্বরে টেক জায়ান্ট আলিবাবার সহযোগী প্রতিষ্ঠান অ্যান্ট গ্রুপের ৩ হাজার ৭০০ কোটি ডলারের আইপিও জব্দ করে চীনা পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা। এর ফলে চীনে একচেটিয়া বাজার ব্যবস্থার অবসান ঘটাতে চেয়েছে সরকার। এর মাধ্যমে চীনা ভোক্তাদের জীবনে আলিবাবা, অ্যান্ট গ্রুপ, টেনসেন্ট হোল্ডিংসের মতো কোম্পানিগুলোর প্রভাব কমিয়ে আনতে চেষ্টাও করছে প্রশাসন।

নভেম্বরে প্রকাশিত এক খসড়ায় অনলাইন প্লাটফর্মগুলোর নতুন নিয়ম প্রণয়ন করা হয়। নিয়ম অনুযায়ী যৌথ বিনিয়োগের জন্য নির্দিষ্ট পরিমাণ মূলধন রাখার নিয়ম বাধ্যতামূলক করে নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষ। গত মাসে নতুন করে সাজানো নিয়মে অনলাইন বিনিয়োগকারীরা কেবল একটি ব্যাংকের সঙ্গেই চুক্তি করতে পারবে বলে জানানো হয়।

সরকারের এমন নীতির কারণে এরই মধ্যে ছোট কোম্পানিগুলোর শেয়ারের দাম অনেকটা বৃদ্ধি পেয়েছে। ডিজিটেকের শেয়ারের দাম বেড়েছে প্রায় তিন গুণ। বর্তমানে ডিজিটেকের বাজার মূল্য দাঁড়িয়েছে প্রায় ৫০০ কোটি ডলারে। অন্যদিকে লেক্সিন ফিনটেক হোল্ডিংসের দাম দ্বিগুণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ২৪০ কোটি ডলারের মতো।

চলমান অভিযানের আওতায় গত সপ্তাহে বাইদু, টেনসেন্ট, ডিডি চুজিংয়ের মতো ১২টি কোম্পানিকে একচেটিয়া বিরোধী নীতিমালা ভঙ্গ করে ১০টির মতো চুক্তি করার জন্য জরিমানা করা হয়েছে। একই সময় লাইভ স্ট্রিমিং ই-কমার্স ও ডিপফেক টেকনোলজিকে তদন্তের আওতায় নিয়ে আসছে চীন সরকার।

সরকারের এ কঠোর অবস্থানের ফলে আলিবাবাতে তহবিল কমিয়ে ৩.৩ শতাংশ করেছেন বলে জানান নিউ ইয়র্কভিত্তিক বিনিয়োগকারী টম মাসি। এর আগে কোম্পানিটিতে তার তহবিল ছিল ৯.৯ শতাংশ।

এর ফলে তিনি ইয়েকা লিমিটেড ও অনলাইন স্বাস্থ্য সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান মেনিয়ান ওয়ানহেলথ হেলথকেয়ার হোল্ডিংসের মতো ছোট কোম্পানিগুলোতে বিনিয়োগ করার সুযোগ পেয়েছেন।

টম মাসি বলেন, সরকারের এক কঠোর অবস্থান অন্য কোম্পানিগুলোর উন্নতির পথে নতুন দরজা খুলে দিয়েছে। তিনি জানান, ইয়েকার শেয়ার মূল্য অন্তত দ্বিগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে, অন্যদিকে মেনিয়ান ওয়ানহেলথের শেয়ারের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে অন্তত ৩০ শতাংশ।

মঙ্গলগ্রহের পানি কোথায় গেল!

কোটি কোটি বছর আগে মঙ্গলগ্রহে যে হ্রদ ও সমুদ্র ছিল, সেই পানি এখন আর নেই। বরং মঙ্গলগ্রহ এখন শুষ্ক আর পাথুরে বলে জানা গেছে। তবে পানির বিষয়টি এখনও রহস্যই থেকে গেছে।

অনেকেই মনে করেন, মঙ্গলগ্রহের পানি মহাশূন্যে হারিয়ে গেছে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা প্রতিষ্ঠান নাসার অর্থায়নে করা এক গবেষণা অনুযায়ী, মঙ্গলগ্রহের পানি কোথাও হারিয়ে যায়নি; বরং তা এর ভূপৃষ্ঠের গভীরে খনিজের মধ্যে আটকে রয়েছে।

সায়েন্স সাময়িকীতে এ গবেষণাসংক্রান্ত নিবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে। গবেষণা প্রবন্ধের প্রধান লেখক ইভা স্কেলার বলেছেন, ‘আমরা বলছি যে, মঙ্গলগ্রহের ভূপৃষ্ঠ পানিযুক্ত খনিজ দিয়ে গঠিত। যেসব খনিজ সেখানে আছে, তার ক্রিস্টাল গঠনে পানি রয়েছে।’

স্কেলারের মডেল অনুযায়ী, মঙ্গলগ্রহে ৩০ থেকে ৯৯ শতাংশ পানি এসব খনিজের মধ্যে আটকে রয়েছে।

আদিম মঙ্গলগ্রহের পুরোটাই পানিতে ডুবে ছিল বলে ধারণা করা হয়। সেখানে ১০০ থেকে ১৫০০ মিটার গভীরতার সমুদ্র ছিল। গ্রহটি তার বৈদ্যুতিক ক্ষেত্র হারিয়ে ফেলে। ফলে এর পরিবেশ ক্রমেই দূরে সরে যায় এবং ক্রমে মঙ্গলগ্রহ থেকে পানি হারিয়ে যায়।

তবে নতুন গবেষণায় দেখা গেছে, চৌম্বকক্ষেত্র হারালেও তাতে পানি হারিয়েছে কম। অধিকাংশ পানি ভূত্বকেই রয়ে গেছে।

মঙ্গলগ্রহে পাঠানো নাসার রোভার ও গ্রহটিতে পড়া নানা উল্কা পর্যবেক্ষণ করে গবেষকরা পানির উপাদান হাইড্রোজেনের খোঁজ করেন।

গবেষকদের তথ্যানুযায়ী, মঙ্গলগ্রহ ৩৭০ কোটি থেকে ৪০০ কোটি বছর আগে পানিশূন্য হয়েছিল। অর্থাৎ স্কেলারের মতে, ৩০০ কোটি বছর ধরে মঙ্গলগ্রহে এ রকম অবস্থায় রয়েছে।

স্কেলার আশা করছেন, সম্প্রতি মঙ্গলগ্রহ অভিযানে থাকা পারসেভারেন্স রোভারটি এ গবেষণার ক্ষেত্রে আরও অবদান রাখতে পারবে। রোবটটি মূলত এ ধরনের প্রক্রিয়া, সেখানে ঘটেছে কিনা তা তদন্ত করতেই গেছে।

সূত্র: ন্যাশনাল জিওগ্রাফি

জঙ্গলমহলের দখল নিতে মরিয়া মমতা-অমিত, চার সমাবেশ আজ

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনে জঙ্গলমহলকে ঘিরে প্রচারের ঘনঘটা। আজ সোমবার ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির দ্বৈরথের সাক্ষী হতে চলেছে জঙ্গলমহল। তাদের দু’জনের চার জায়গায় জনসভা আছে আজ।

ঝাড়গ্রাম এবং বাঁকুড়ার রানিবাঁধে জনসভা করবেন অমিত শাহ। গতকাল রবিবারই তিনি পশ্চিমবঙ্গে গেছেন। খড়্গপুর সদরের বিজেপি প্রার্থী হিরণ চ্যাটার্জির সমর্থনে সন্ধ্যায় সেখানে একটি রোড শো করেছেন তিনি।

এরপর দলীয় নেতাদের নিয়ে বৈঠক করেছেন। বিজেপি সূত্রে খবর, সোমবার সকাল ১১টায় ঝাড়গ্রামে প্রথম সভা করবেন অমিত শাহ। তার পর সেখান থেকে সোজা চলে যাবেন বাঁকুড়ায়।

এর আগে ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া এবং বাঁকুড়া কেন্দ্রে জিতেছে বিজেপি। সেই ফল আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে বাড়তি অক্সিজেনের কাজ করবে বলে মনে করছে বিজেপি। সে কারণে বিজেপি’র নির্বাচনী প্রচারের সূচনা হচ্ছে জঙ্গলমহল থেকে।

পুরুলিয়া, বাঁকুড়া এবং ঝাড়গ্রাম পুনর্দখলে জঙ্গলমহলে নিজেদের সর্বশক্তি উজাড় করে দিতে মরিয়া মমতা ব্যানার্জির দল। তৃণমূলনেত্রী মমতা যাচ্ছেন নির্বাচনী প্রচারে।

পুরুলিয়ার বাঘমুণ্ডি বিধানসভার ঝালদার হাটতলায় একটি সভা রয়েছে তার। সেখানে আজ দুপুর দেড়টা নাগাদ সভা হওয়ার কথা মমতা ব্যানার্জির। এরপর তিনি যাবেন বলরামপুরে।

সেখানে বিকেল ৩ টায় সভা করবেন তিনি। এখনো পায়ের চোট সারেনি তার। চোট পাওয়ার পর মমতা জানিয়েছিলেন, কোনো কর্মসূচি বাতিল করতে চান না। প্রয়োজনে হুইল চেয়ারে বসেই জনসভায় যাবেন। গতকাল রবিবার তার শুরুটা করেছেন নন্দীগ্রাম দিবস উপলক্ষে মেয়ো রোড থেকে হাজরা পর্যন্ত রোড শো-এ। হুইল চেয়ারে বসেই তিনি রোড শোতে হাজির হয়েছিলেন।

রোড শো শেষে কর্মী সমর্থকদের উদ্দেশে মমতা বলেন, আমার ওপর ভরসা রাখুন। হুইল চেয়ারে বসেই ভাঙা পায়ে ঘুরব।

সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস

ব্র্যার্ন্ড এবং ক্লোন লিফট এর অর্থ কি?

আমরা যারা লিফট মার্কেটিং এর সাথে জড়িত তারা ব্র্যান্ড ও ক্লোন শব্ধটির সাথে ব্যাপকভাবে পরিচিত । সাধারনত প্রায় সবাই ব্র্যান্ড লিফট মানেই ভাল মানের লিফট হিসাবে মনে করে এবং ক্লোন লিফটকে খারাপ মানের মনে করে । এবার আমরা জানার চেষ্টা করব শব্দ দুটির প্রকৃত অর্থই বা কি এবং আদতে আমরা কি বুঝি?

ইংরেজি শব্দ Brand যার বাংলা অর্থ হচ্ছে যথাক্রমে দাগ, চিহ্ন, নিশানা, ছেকাদেওয়া দাগ, নির্দিষ্ট ব্যবসায়িক ছাপ, মার্কা দেত্তয়া ইত্যাদি ইত্যাদি…. সহজ ভাষায় Brand হচ্ছে একটা কোম্পানীর নাম বা লোগো সেটা ভাল বা খারাপ উভয় পন্যর জন্য প্রযোজ্য সুতারাং একটি কোম্পানী যদি তার প্রডাক্ট ও সার্ভিস দিয়ে সুনাম অর্জন করতে পারে তবে অামরা তাকে ভাল ব্র্যান্ড কোম্পানী হিসাবে বলতে পারি এবং যদি কোন কোম্পানী খারাপ পন্য ও বাজে সার্ভিস প্রদান করে তবে আমরা তাকে খারাপ ব্র্যান্ড কোম্পানি বলতে পারি।

ইংরেজি শব্দ Clone ক্লোন হল কোন জীব বা কোষ বা বৃহৎ জৈব অণুর হুবুহু নকল। কোন জীবের একটি দেহকোষ হতে হুবুহু ঔ জীবটিকে পুনরায় তৈরি করার পদ্ধতি ক্লোনিং নামে বিখ্যাত। সহজ ভাষায় বললে ক্লোনিং হলো অতি অত্যাধুনিক একটি প্রযুক্তি যার মাধ্যমে একটা প্রাণীর ক্রোমোজোম বা ডিএনএ (কোষের নিউক্লিয়াসে অবস্থিত এক বিশেষ ধরনের জৈব অ্যাসিড যা একটি জীবের জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত সবকিছু নিয়ন্ত্রন করে –জন্ম, মৃত্যু, চেহারা, আকার-আকৃতি, আচার ব্যবহার, বেড়ে উঠা ইত্যাদি) ব্যবহার করে হুবহু সেই প্রাণীর অনুরূপ আরেকটি প্রাণী করা হয় – যা জেনেটিক এবং ফিনোটাইপিক উভয় দিক থেকেই অনুরূপ হবে। সোজা কথায় ক্লোনিং হল কোন জিনগত ভাবে কোন কিছুর হুবহু প্রতিলিপি তৈরি করা। প্রডাক্টের ক্ষেত্রে কোন একটা ভালমানের পন্যকে অনুকরন করে হুবুহু পন্য তৈরী করলে সেটাকে ক্লোন পন্য বলে।

একটা ভাল মানের কোম্পানী তাদের পন্য বিভিন্ন কারখানাতে তৈরী করলেও তারা সবসময় তাদের লোগো বা নাম ব্যবহার করে থাকে যারফলে সাধারন ক্রেতা মনেপ্রানে বিশ্বাস করে যে, সবকিছু সেই কোম্পানীই তৈরী করেছে। অনেকেই লিফটের ভিতরে মিৎসুবিসি, সিন্ডলার, টোসিবা, হিটাসি, ওটিস, হুন্দাই সহ নানান বিক্ষাত ব্র্যার্ন্ডের লোগে দেখে ভাবে যে তারা সকল পন্যই নিজেরা তৈরি করে থাকে। কিন্তু প্রকৃত সত্য ভিন্ন!

সম্প্রতি চায়না, গ্রীস, ইতালি ও তার্কিতে অবস্থিত বেশ কিছু নামি দামি এলিভেটর ফ্যাক্টরী সরেজমিনে পরিদর্শন করে দেখতে পেলাম যে কোন কোম্পানীই 2০% থেকে 3০% যন্ত্রাংশ তৈরী করে না, তারা সবাই তাদের ডিজাইন অনুযায়ী এবং আন্তর্জাতিক মানদন্ড ঠিক রেখে বিভিন্ন কারখানার মাধ্যমে তাদের পন্য তৈরী করে থাকে তবে কোয়ালিটি কন্টোলের বিষয়ে তারা সবাই খুবই সচেতন থাকে। পৃথিবীর অনেক নামী দামি এলিভেটর কোম্পানীগুলো তাদের মার্কেট ধরে রাখার জন্য এবং পন্যর দাম সহনীয় মাত্রায় রাখার জন্য বিভিন্ন উন্নয়নশীল দেশে অবস্থিত বিভিন্ন কারখানার সাথে ১০ বৎসর বা তার অধিক সময়ের জন্য চুক্তি করে তাদের পন্য উৎপাদন করে থাকে। সব জায়গায় তারা নিজেরাই ফ্যক্টরী করে না তারা ওইএম ফ্যক্টরীর মাধ্যমে তাদের কোয়ালিটি অনুযায়ী প্রডাক্ট তৈরী করে। আমাদের দেশে পোশাক প্রস্তুতকারক শত শত ফ্যাক্টরী আছে যারা বিভিন্ন ক্রেতার অর্ডার অনুযায়ী পোশাক তৈরী করে রপ্তানী করে। দুই একজন বাদে কেউই নিজের ব্র্যার্ন্ডের নামে পোশাক বিক্রয় করেনা । ওয়ালমার্ট বিশ্ববিখ্যাৎ ক্লথ ব্র্যার্ন্ড যাদের কোন ফ্যক্টরী নাই তারা শুধু তাদের ডিজাইন অনুযায়ী ওইএম ফ্যক্টরী থেকে তৈরী করে।

যদি কোন কোম্পানী একই ফ্যাক্টরী থেকে আন্তর্জাতিক মানদন্ড ঠিক রেখে পন্য নিয়ে আসে তবে তা গুনগত মানের দিক থেকে অন্য ব্র্যার্ন্ডের থেকে খুব বেশি খারাপ হওয়ার সুযোগ নাই কারন ওইএম ফ্যাক্টরীগুলো কোয়ালিটির বিষয়ে খুবই সচেতন। পরিশেষে আমি সবসময়ের মত আবারো বলব যে লিফট এর পুরো কোয়ালিটি নির্ভর করে পন্যর মান, প্রপার ইন্সটলেশন এবং প্রপার মেইনটেইনেন্স এর উপর- ধন্যবাদ
#লিফট #এলিভেটর #lift #Elevator

মঙ্গল অভিযানের অন্যতম ‘কারিগর’ ভারতীয় বংশোদ্ভুত মার্কিন বিজ্ঞানী!

প্রাণের অস্তিত্ব খুঁজতে লালগ্রহ মঙ্গলে পা রেখেছে নাসার পার্সিভিয়ারেন্স রোভার। আর এই ‘মিশন মঙ্গল’র অন্যতম পুরোধা ভারতীয় বংশোদ্ভূত মার্কিন বিজ্ঞানী স্বাতী মোহন। নাসার রোভার যে সফলভাবে মঙ্গলের মাটি ছুঁয়েছে এ খবর প্রথম ঘোষণা করেছিলেন স্বাতীই।

ভারতীয় গণমাধ্যম বলছে, নাসার এই স্বপ্নের মিশনের দায়িত্ব থাকা স্বাতীর জন্ম বেঙ্গালুরুতে। তাঁর ১ বছর বয়সে পরিবার চলে যায় যুক্তরাষ্ট্রে। এই ভারতীয় কন্যা জানিয়েছেন, ৯ বছর বয়সে ‘স্টার ট্রেক’ শো দেখা পর থেকেই মহাকাশ সম্পর্কে তাঁর আগ্রহ জন্মায়। কিন্তু এরপরেও ডাক্তার হওয়ার স্বপ্ন চোখে নিয়েই তাঁর বড় হওয়া। পরে অবশ্য স্বপ্নের পাতায় নতুন অধ্যায় যোগ করে দিয়েছিল পদার্থবিদ্যার একটি ক্লাস। ১৬ বছর বয়সে স্বাতী সিদ্ধান্ত নেন ডাক্তার নয়, ইঞ্জিনিয়র হতে চান তিনি। এরপরেই কর্নেল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়রিং-এ স্নাতক হন তিনি। পরে ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি থেকে স্নাতকোত্তর ও ডক্টরেড ডিগ্রি লাভ করেন।

পার্সিভিয়ারেন্সের আগে ‘ক্যাসিনি’, ‘গ্রেল’ – এ দুটি মিশনে কাজ করেছেন স্বাতী। ২০১৩ সাল থেকে এই মঙ্গল অভিযানের অংশ হন এই ভারতীয় বংশোদ্ভূত বিজ্ঞানী। পার্সিভিয়ারেন্স-এর ফ্লাইট কন্ট্রোলের দায়িত্বের পুরোভাগের দায়িত্বে ছিলেন তিনি। পাসাডেনার জেট প্রপালসন ল্যাবরেটরিতে মিশন অপারেশনস সেন্টারে টানা তিরিশ ঘণ্টা নিজের সিটে বসেছিলেন স্বাতী।

লাল গ্রহের রুক্ষ মাটিতে পারসিভিয়ারেন্স রোভার নামার পর নিজের উচ্ছ্বাস চেপে রাখেননি স্বাতী। তাৎক্ষণিক এক টুইটবার্তায় তিনি জানান, পারসিভিয়ারেন্স সফলভাবে মঙ্গলের মাটিতে নেমেছে। এখন এটি প্রাণের সন্ধান করতে প্রস্তুত। স্বাতী বলেন,‘স্কুলের থেকে বেশি সময় আমি পার্সিভিয়ারেন্সে কাটিয়েছি। আমার ছোট মেয়ের বয়সের থেকেও বেশি সময় এই মিশনকে আমি দিয়েছি। জীবনের একটা বড় অধ্যায়জুড়ে রয়েছে এই মিশন।’

২০৩ দিন আগে ৪৭ কোটি কিলোমিটারের দূরে লাল গ্রহের পথে রওনা দিয়েছিল নাসার পার্সিভিয়ারেন্স রোভার। এ যাবৎ তাদের তৈরি সর্বাধুনিক রোভার বলে যাকে দাবি করছেন নাসার বিজ্ঞানীরা। ১৮,০০০ কিলোমিটার/ঘণ্টা বেগে ছুটছিল পার্সিভিয়ারেন্স, যে গতি ক্যালিবার ৫.৫৬ অ্যাসল্ট রাইফেল থেকে ছোড়া বুলেটের গতির ছ’গুণের সমান। মঙ্গলের মাটিতে কন্ট্রোলড কলিশনের আগে সেই গতিকে সাত মিনিটে প্রায় শূন্যে নামিয়ে আনা (পরিভাষায় ‘সেভেন মিনিটস অব টেরর’ বা আতঙ্কের ৭ মিনিট) ছিল প্রথম চ্যালেঞ্জ।

সূত্র: গল্ফ টুডে, এই সময়।

বণিক বার্তায় প্রকাশিত
চীনে ফাইভজি ফোন সরবরাহ রেকর্ড সর্বোচ্চে

গত জানুয়ারিতে চীনে পঞ্চম প্রজন্মের মোবাইল নেটওয়ার্ক প্রযুক্তি ফাইভজি সমর্থিত ফোন সরবরাহ ২ কোটি ৭২ লাখ ৭৮ হাজার ইউনিটে পৌঁছেছে, যা দেশটিতে এযাবতকালের মধ্যে রেকর্ড সর্বোচ্চ মাসিক সরবরাহের চিত্র। চায়না একাডেমি অব ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন টেকনোলজি (সিএআইসিটি) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এমনটাই দাবি করা হয়েছে। খবর ইন্দো-এশিয়ান নিউজ সার্ভিস।

বৈশ্বিক টেলিযোগাযোগ খাতে দ্রুত সম্প্রসারিত হচ্ছে ফাইভজি নেটওয়ার্ক প্রযুক্তি। একই সঙ্গে ফাইভজি সমর্থিত স্মার্টফোন ডিভাইসের চাহিদা বাড়ছে। টেলিযোগাযোগ খাতের গুরুত্বপূর্ণ বাজার চীন একযোগে বৃহৎ শহরগুলোতে ফাইভজি চালু করেছে। এরই অংশ হিসেবে দেশটিতে ফাইভজি ফোনের চাহিদা ক্রমান্বয়ে বাড়ছে।

সিএআইসিটির প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিভিন্ন ডিভাইস ব্র্যান্ড চলতি বছরের শুরুতেই চীনে কয়েক ডজন নতুন ফাইভজি সমর্থিত স্মার্টফোন উন্মোচন করেছে। এছাড়া চীনা ব্র্যান্ডগুলো আরো কয়েক ডজন নতুন ফাইভজি স্মার্টফোন উন্মোচনের জন্য তালিকাভুক্ত করেছে। গত জানুয়ারিতে চীনে সরবরাহকৃত মোট মোবাইল ফোনের ৬৮ শতাংশই ছিল ফাইভজি সমর্থিত। বিভিন্ন ডিভাইস ব্র্যান্ড গত মাসে চীনে ২৩টি মডেলের নতুন ফাইভজি ফোন উন্মোচন করেছে, যা দেশটিতে গত মাসে মোট উন্মোচন করা ফোনের ৫৭ দশমিক ৫ শতাংশ।

বিভিন্ন বাজার গবেষণা প্রতিষ্ঠানের পূর্বাভাস অনুযায়ী, চলতি বছরও বৈশ্বিক ফাইভজি স্মার্টফোন বাজারে নেতৃত্ব দেবে চীনভিত্তিক ডিভাইস ব্র্যান্ডগুলো। ক্রমবর্ধমান বাজারটিতে দ্বিতীয় ও তৃতীয় অবস্থানে থাকবে যথাক্রমে মার্কিন প্রযুক্তি কোম্পানি অ্যাপল ও দক্ষিণ কোরিয়াভিত্তিক স্যামসাং।

সিএআইসিটির প্রতিবেদনে চীনে পাওয়া যাচ্ছে এমন ফাইভজি স্মার্টফোন সিরিজের একটি তালিকা দেয়া হয়েছে। এগুলো হলো জিটিই অ্যাক্সন ১০ প্রো ফাইভজি, হুয়াওয়ে মেট ২০এক্স ফাইভজি, হুয়াওয়ে মেট ৩০ সিরিজ, হুয়াওয়ে মেট এক্স (ফোল্ডিং), অনার ভি৩০ সিরিজ, চায়না মোবাইল পাইওনিয়ার এক্স১, ভিভো আইকিউওও প্রো ফাইভজি, ভিভো নেক্স৩ ফাইভজি, স্যামসাং নোট ১০ প্লাস ফাইভজি, শাওমি মি৯ প্রো ফাইভজি, হুয়াওয়ে নোভা ৬, অপো রেনো৩ প্রো, অ্যাপলের আইফোন ১২ সিরিজের চার ডিভাইস ইত্যাদি।

চীন চলতি বছর ছয় লাখ ফাইভজি বেস স্টেশন নির্মাণের ঘোষণা দিয়েছে। দেশটির সরকার ফাইভজি নেটওয়ার্ক অবকাঠামো নির্মাণ এবং প্রয়োজনীয় অ্যাপ্লিকেশন উন্নয়নে জোর দেয়ার আহ্বান জানিয়েছে। দেশজুড়ে প্রধান শহরগুলোকে দ্রুত ফাইভজির আওতায় আনতে এমন আহ্বান জানানো হয়েছে।

বাজার গবেষণা প্রতিষ্ঠান ইন্টারন্যাশনাল ডাটা করপোরেশন (আইডিসি) এর আগে জানিয়েছিল, চলতি বছর চীনের স্মার্টফোন ব্র্যান্ডগুলোর ফাইভজি ডিভাইস সরবরাহে ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি দেখা যাবে, যা গত বছরের চেয়ে উল্লেখযোগ্যসংখ্যক বেশি হতে পারে।

বিশ্লেষকদের মতে, চলতি বছর চীনের ফাইভজি স্মার্টফোন বাজারের আকার ৩০ কোটি ইউনিট ছাড়াতে পারে। আগের তুলনায় ফাইভজি ফোনের দাম অনেক কমেছে। এছাড়া নিয়মিত নতুন নতুন ব্র্যান্ডের ফাইভজি ফোন বাজারে আসছে। ফাইভজি নেটওয়ার্ক অবকাঠামো বিস্তারের পাশাপাশি ডিভাইসের দাম কমায় বাজারটির ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি দেখা যাবে বলে মনে করা হচ্ছে।

বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ টেলিযোগাযোগ বাজারগুলোয় ফাইভজির বাণিজ্যিক ব্যবহার শুরু হয়েছে। বাণিজ্যিক ব্যবহারের দিক থেকে ফোরজির চেয়ে ফাইভজির বিস্তার দ্রুত হচ্ছে। উন্নত ও দ্রুতগতির এ নেটওয়ার্ক সেবা ব্যবহারে ফাইভজি সমর্থিত স্মার্টফোন প্রয়োজন। যে কারণে ফাইভজি সমর্থিত স্মার্টফোনের চাহিদা দ্রুত বাড়ছে। একই সঙ্গে ফাইভজি ফোনের চাহিদা বৃদ্ধি সামগ্রিক স্মার্টফোন বাজারের মন্দা ভাব কাটিয়ে উঠতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখছে।

বিশ্বজুড়ে ফাইভজির পূর্ণাঙ্গ বাণিজ্যিক ব্যবহার শুরুর লক্ষ্যে কার্যক্রম জোরদার করেছে সেলফোন অপারেটরগুলো। এ মোবাইল নেটওয়ার্ক প্রযুক্তি গ্রহণযোগ্যতার দিক থেকেও ফোরজির চেয়ে এগিয়ে রয়েছে।

হোপ’র প্রথম ছবিতেই সবচেয়ে বড় আগ্নেয়গিরির ছবি

সংযুক্ত আরব আমিরাতের মহাকাশযান ‘হোপ’ পৃথিবীতে মঙ্গল গ্রহের প্রথম ছবি পাঠিয়েছে। আজ রোববার আমিরাত থেকে প্রকাশিত ছবিতে দেখা যায়, সূর্যের আলোয় আলোকিত হচ্ছে মঙ্গল গ্রহ। এছাড়া গ্রহটির উত্তর মেরু ও সবচেয়ে বড় আগ্নেয়গিরি অলিম্পাস মন্সও ছবিতে চোখে পড়ে।

গত মঙ্গলবার লাল রঙা গ্রহটির কক্ষপথে মহাকাশযানটি প্রবেশ করে। একটি প্রশস্ত কক্ষপথে হোপকে স্থাপন করা হয়েছে যেন এটি মঙ্গলের আবহাওয়া ও জলবায়ু নিয়ে গবেষণা করতে পারে। ফলে প্রথম আরব দেশ হিসেবে মঙ্গলে বৈজ্ঞানিক উপস্থিতি তৈরি করে ইতিহাস সৃষ্টি করে সংযুক্ত আরব আমিরাত।

হোপকে যেখানে স্থাপন করা হয়েছে, সেখানে সম্পূর্ণ গ্রহের গোলাকার অবস্থাও এটি দেখা যাবে। হোপের ইএক্সআই উপকরণ থেকে ছবিটি তোলা হয়েছে। মঙ্গলপৃষ্ঠ থেকে ২৪ হাজার ৭০০ কিলোমিটার দূরত্ব থেকে গত বুধবার গ্রিনিচ মিন সময় ২০:৩৬ মিনিটে ছবিটি তোলা হয়। অর্থাৎ মঙ্গলের কক্ষপথে ঢোকার একদিন পরেই ছবি তুলেছে হোপ।

 

ছবিতে উপরে বাম দিকে মঙ্গলের উত্তর মেরু চোখে পড়ে। মাঝখানে সূর্যের আলোয় ভোরবেলা আলোকিত হতে থাকা মঙ্গল। সেখানে অলিম্পাস মন্সকেও দেখা যাচ্ছে যা শুধু মঙ্গলেরই নয়, সমগ্র সৌরজগতের বৃহত্তম আগ্নেয়গিরি। রাত ও দিনের যে সীমানা চোখে পড়ছে সেটি কথিত ‘টার্মিনেটর’।

ছবিতে পাশপাশি থাকা তিনটি আগ্নেয়গিরি হল- অ্যাসক্রেয়াস মন্স, প্যাভোনিস মন্স ও আর্সিয়া মন্স। এছাড়া পূর্ব দিকে মঙ্গলের গিরিখাত ভ্যালেস ম্যারিনারিস দেখা যাচ্ছে যা মেঘে ঢাকা অবস্থায় রয়েছে।

হোপ মিশনের টুইটার অ্যাকাউন্টের পোস্টে বলা হয়েছে, ‘হোপ মহাকাশযানের মঙ্গলের প্রথম ছবি পাঠানো আমাদের ইতিহাসের একটি অনন্য মূহূর্ত এবং উন্নত দেশের মহাকাশ অভিযানে সংযুক্ত আরব আমিরাতের যোগ দেয়াকে এটি চিহ্নিত করছে। আমরা আশা করি এই মিশনের মাধ্যমে মঙ্গলের নতুন কিছু আবিষ্কার হবে যাতে উপকৃত হবে মানবজাতি।’

‘মনের জোর’ বাড়ে যেসব কাজে

সফল হতে চাইলেই তো আর সফল হওয়া যায় না। তবে সফল হতে গেলে যেটা সবার আগে প্রয়োজন। তা হলো মানসিকভাবে শক্ত হওয়া। পরিস্থিতি যেসব সময় আপনার অনুকূল হবে তা কিন্তু নয়। পরিস্থিতি আপনার প্রতিকূলেও যেতে পারে, এটা অবশ্যই মাথায় রাখা দরকার। সেই কথা মাথায় রেখেই যেকোনো নতুন কাজ করা উচিত। তবে মানসিকভাবে শক্ত হওয়ার জন্য নিজের মনকেই সবার আগে স্থির করতে হবে। কিন্তু অনেকেই মনের জোড় না বাড়িয়ে নিজের ভাগ্যকেই দোষারোপ করতে থাকেন। তবে ভাগ্যকে দোষারোপ না করে নিজের মনের জোর বাড়াতে চেষ্টা করুন। এবার দেখে নিন কীভাবে নিজের মনের জোর বাড়িয়ে সফলতাকে আপনার সঙ্গী করবেন…

১. নিজের প্রতি দুঃখিত না হওয়া

নিজের প্রতি কখনোই দুঃখিত বোধ করবেন না। নিজেকে আহারে, বলার কোনও দরকার নেই এতে আপনার সময়ই নষ্ট হবে। আখেরে আপনার কোনো লাভ হবে না। সেখান থেকে উঠে দাঁড়ান। কাজে দেবে।

২. লক্ষ্যে স্থির হওয়া

আপনার পাশে যদি কেউ না দাঁড়ায় তাহলে ভয় পাবেন না। নিজেই নিজের সব থেকে বড় লাঠি হয়ে দাঁড়ান। যদি কেউ আপনার সঙ্গে চলতে না চায় তাহলে একলাই চলুন। সাফল্য পাওয়ার পর কারোর প্রতি কৃতজ্ঞতা স্বীকার করতে হবে না।

৩. পরিবর্তনকে ভয় না পাওয়া

আপনার রোজকার জীবনে যদি কোনও পরিবর্তন ঘটে তাহলে ভয় পাবেন না। জানবেন, সব পরিবর্তন আপনার প্রতি এক একটা চ্যালেঞ্জ। তাই ভয় না পেয়ে পরিবর্তনকে আপন করে নিন।

৪. পছন্দ না হওয়া কাজ না করা

ধরুন এমন কাজ যা আপনার ঠিক পছন্দ নয়। তাই আপনি ঠিক পারবেন না। এমনকি আপনার মনে কাজের প্রতি অতটা কনফিডেন্ট নেই। তখন সেই কাজ না করাই ভালো। যে কাজ আপনি মন থেকে ভালোবাসেন সেই কাজ করুন।

৫. অন্যের কথার গুরুত্ব না দেওয়া

কে কী বলল তাতে আপনার কী! কারোর কথায় গুরুত্ব দেওয়া ছেড়ে দিন। নিজের জীবন কীভাবে কাটাবেন, কী কাজ করে ভালো থাকবেন, তা একান্ত আপনার সিদ্ধান্ত। আপনার জীবনের সিদ্ধান্ত নেওয়ার দায়িত্ব অন্য কারোর হাতে কখনোই দেবেন না।

৬. ভাগ্যকে দোষারোপ না করা

কী হয়নি তা নিয়ে বেশি ভাবনা-চিন্তা করার দরকার নেই। কী হতে পারে, সেই নিয়ে ভাবনা-চিন্তা করুন। তাতে আপনার সময়ও বাঁচবে এবং নিজের মনোবলও বাড়বে।

৭. একই ভুল বারবার না করা

একই ভুল বারবার করার কোনও মানেই হয় না। বারবার একই ভুল করতে থাকলে আস্তে আস্তে নিজের মনোবল ভেঙে যাবে। তাই একই ভুল বারবার না করে ধীরে সুস্থে কাজ করুন।

৮. অন্যের খুশিতে খুশি হওয়া

অন্যের খুশিতে খুশি হওয়ার চেষ্টা করুন। মানুষের সঙ্গে সম্পর্ক ভালো রাখুন। দেখবেন আপনার সাফল্যতে এবং খারাপ সময় অনেকের সঙ্গ পাবেন। তবে যদি অন্যের খুশিতে খুশি না হন, তাহলে আপনি ভেঙে পড়বেন।

৯. প্রথমবার সফল হতে না পেরে ভেঙে পড়া

যদি প্রথমবার সফল হতে না পারেন, তাহলে আবার চেষ্টা করুন। দেখুন, চেষ্টা না করলে কেউই কখনও সফল হতে পারে না। তাই প্রথমবার যদি কোনোভাবে সফল হতে না পারেন, তাহলে ভেঙে না পড়ে, শক্ত হয়ে উঠে দাঁড়ান।

১০. একাকীত্বকে ভয় না পাওয়া

আপনার সঙ্গে কেউ না থাকলেও একাকীত্বকে ভয় পাবেন না। যদি খারাপ সময় কেউ আপনার পাশে দাঁড়াতে না চায় তাহলে ক্ষতি কী। একাই পরিস্থিতির মোকাবিলা করুন। দেখবেন, এতে আপনার মন যেভাবে শক্ত হবে তা কখনোই ভাঙা যাবে না।

১১. ধীর স্থিরভাবে কাজ করা

যখন পরিস্থিতি আপনার অনুকূল না হবে, তখন ধীর স্থিরভাবে কাজ করুন। তাড়াহুড়ো করে কাজ করলে কিছুই হবে না। অনেক ভুল হয়ে যাবে। তাই পরিস্থিতি আপনার প্রতিকূল হলে মাথা ঠান্ডা রেখে কাজ করুন।

১২. কাজের পর নিজেকে জাহির না করা

আপনি আপনার লক্ষ্যে স্থির থাকুন। যাতে কেউ না আপনাকে লক্ষ্যভ্রষ্ট করতে পারে। সফল হওয়ার পর নিজেকে জাহির করবেন না। কারণ, নিজের ঢাক নিজে না পেটানোই ভালো। এতটা আপনার নিজের পক্ষেও খুব একটা ভালো হবে না।

বিডি প্রতিদিন

 

তুরস্কে মনোলিথ রহস্য! এরদোয়ান বললেন, ‘আকাশে তাকাও, চাঁদ দেখ’

ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্রের বেশ কয়েকটি স্থানে সম্প্রতি রহস্যময় কিছু ধাতব স্তম্ভের আবির্ভাব ঘটে। পরে সেগুলো উধাও-ও হয়ে যায়। এসব স্তম্ভ পরিচিত মনোলিথ হিসেবে। আর গত সপ্তাহে সেই মনোলিথের দেখা মিলে দক্ষিণপূর্ব তুরস্কের একটি অঞ্চলে। কয়েকদিন পর আবার সেটি উধাও-ও হয়ে যায়।

তুরস্কের সানলিউরফা সিটি সেন্টার থেকে প্রায় ২০ কিলোমিটার দূরে গত শুক্রবার এই ধাতব স্তম্ভের দেখা মিলে। তিন মিটার (৯ দশমিক ৮ ফুট) লম্বা এবং এক মিটার (৩ দশমিক ২ ফুট) প্রস্থের এই ধাতব স্তম্ভের দেখা মিলার পরই অনেক কৌতূহলী মানুষ স্তম্ভটি দেখতে যান। ওই মনোলিথে প্রচীন তুর্কি শব্দ ব্যবহার করে কিছু লিখা ছিল বলে জানায় তুরস্কের সংবাদ সংস্থা আনাদুলু এজিন্সি।

আনাদুলু জানিয়েছে, তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তায়িপ এরদোয়ান রহস্যময় ধাতব স্তম্ভের লেখাগুলো প্রকাশ্যে নিয়ে এসেছেন। একটি অনুষ্ঠানে তিনি ওই লেখাগুলো নিয়ে মন্তব্যও করেছেন। দেশটির রাজধানী আঙ্কারায় ‘নতুন স্পেস প্রোগ্রাম’ উন্মোচন অনুষ্ঠানে এরদোয়ান প্রাচীন তুর্কি শব্দ দিয়ে ওই লেখাগুলোর অর্থ বলেছেন। তিনি বলেন, ‘আকাশের দিকে তাকাও, চাঁদ দেখ।’ তিনি আরো বলেন, আমি এটির সঙ্গে ১০ বছরের জন্য তুরস্কের জাতীয় মহাকাশ কর্মসূচির উদ্বোধন করছি।

দক্ষিণপূর্ব তুরস্কের যে জায়গায় এই মনোলিথটির পাওয়া যায়; সেই জায়গার মালিক ফুয়াত ডেমিরডি। তিনি জানিয়েছেন, এই মনোলথকে অজ্ঞাত ব্যক্তিরা জমিতে পুঁতে রেখেছেন। কি কারণে রেখেছেন তিনি জানেন না। তিনি জানান, মঙ্গলবার সকালে তিনি এই মনোলিথকে আর দেখতে পাননি। মঙ্গলবার এক প্রতিবেদনে আনাদুলু জানিয়েছে, প্রথমে যে জায়গায় মনোলিথ দেখা গিয়েছিল; সেই জায়গায় মনোলথ নেই। এটি অদৃশ্য হয়ে গেছে।

নিউইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এর আগে দু’টি মনোলিথ অবির্ভাবের পর কয়েকটি গ্রুপ এটিকে নিজেদের বলে দাবি করে। ওই গ্রুপগুলোর মধ্যে ছিল চারজনের একটি দল। তাদের দাবি, তারা নিজেরা একটি মনোলিথ তৈরি করেছেন। ক্যালিফোর্নিয়ার ‘অ্যা পিস অব গেরিলা আর্ট’র অংশ হিসেবে তারা এটি তৈরি করেছিলেন। তবে অন্যান্য মনোলিথগুলোর মূল উৎস হতে পারে শিল্প কিংবা অতিপ্রাকৃত কোনো তত্ত্ব।

নিউইয়র্ক টাইমের প্রতিবেদনে আরো বলা হয়, এগুলো তৈরি করা যথেষ্ট সহজ। ইচ্ছাশক্তি ও বিশেষ দক্ষতা সম্পন্ন ব্যক্তিরা এগুলো তৈরি করতে পারেন।

সূত্র: আনাদুলু এজিন্সি, নিউইয়র্ক টাইম।

করোনার টিকা নিবন্ধনের কথা বলে মোবাইল থেকে চুরি করছে তথ্য

করোনাভাইরাসের টিকা গ্রহণের জন্য রেজিস্ট্রেশন করে দেওয়ার কথা বলে অনেকের মোবাইল ফোন থেকে ব্যক্তিগত তথ্য হাতিয়ে নেওয়া হচ্ছে। এছাড়া অনেকের মোবাইল ওয়ালেটের টাকাও গায়েব করে দেওয়া হয়েছে। ঢাকার সাইবার ক্রাইম অ্যাওয়ারনেস ফাউন্ডেশনের কাছে এ নিয়ে কয়েকটি অভিযোগ এসেছে বলে জানিয়েছেন সংস্থাটির প্রেসিডেন্ট কাজী মুস্তাফিজ। এ ব্যাপারে পুলিশের সাইবার অপরাধ বিভাগ সবাইকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে।

আজ সোমবার বিবিসি বাংলা’র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, করোনাভাইরাসের টিকা নিতে গত দুই সপ্তাহ ধরে অনলাইনে নিবন্ধনের কথা বলা হলেও সার্ভারের সমস্যা থাকায় অনেকেই নিবন্ধন করতে পারেননি। আবার প্রযুক্তিগত জ্ঞান বা প্রয়োজনীয় ডিভাইস না থাকার কারণেও অনেকের পক্ষে নিবন্ধন করা সম্ভব হচ্ছে না। এই সুযোগটি কাজে লাগিয়ে একটি চক্র গ্রাহকদের ফোন করে তাদের সহায়তা করার কথা বলে মোবাইল থেকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হাতিয়ে নিচ্ছে। এসব স্পর্শকাতর তথ্য কাজে লাগিয়ে অনেকের মোবাইল ওয়ালেটের টাকা গায়েব করে দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।

কোভিড-১৯ এর টিকা নিবন্ধনের জন্য গ্রাহকের নাম, বয়স, ফোন নম্বর, ঠিকানা, ভোটার আইডি কার্ডের নম্বর ইত্যাদির প্রয়োজন হয়। প্রতারক চক্র এভাবে ফোন করে টিকা নিবন্ধনের কথা বলে গ্রাহকদের নাম, ভোটার আইডি কার্ডের নম্বর চেয়ে থাকে। তারপর তারা বলে, ‘আপনার ফোনে ওটিপি বা ওয়ান টাইম পাসওয়ার্ড আসবে। সেটা বললে নাম নিবন্ধন হয়ে যাবে। আর শিগগিরই টিকার তারিখ পেয়ে যাবেন।’

যখনই গ্রাহক তাদের কথামতো ওটিপি বলে দেন, তখনই তাদের মোবাইল ওয়ালেট যেমন বিকাশ, নগদ, বা রকেটের অ্যাকাউন্টে রাখা টাকা গায়েব হয়ে যেতে পারে।

এখনও এ নিয়ে খুব বেশি সংখ্যক মানুষ অভিযোগ করেননি। তবে এখন থেকেই নিজেকে সাবধান রাখার পাশাপাশি, পরিচিত সবাইকে সতর্ক করার পরামর্শ দিচ্ছে পুলিশ।

যারা নিবন্ধন করতে পারছেন না স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে তাদের বলা হচ্ছে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে তথ্য কর্মকর্তার কাছে গিয়ে নিবন্ধন করতে। সেক্ষেত্রে ওই কর্মকর্তাদের সাথে এসব তথ্য শেয়ার করা যেতে পারে। অপরিচিত কাউকে ব্যক্তিগত তথ্য জানাবেন না

মানুষ এ ব্যাপারে সচেতন থাকলে ঝুঁকি এড়ানো সম্ভব বলে মনে করছেন সাইবার ক্রাইম অ্যাওয়ারনেস ফাউন্ডেশনের প্রেসিডেন্ট কাজী মুস্তাফিজ। ‘তিনি বলেন, অপরিচিত কোন কল, মেসেজ বা ইমেইলে সাড়া দেবেন না।’

আবার অগ্রিম টিকা বুকিংয়ের জন্য আগেই টাকা পাঠানোর কথাও বলতে পারে প্রতারক চক্র। এসব ফাঁদে পা বাড়াতে মানা করেছেন কাজী মুস্তাফিজ।

এমন নানা উপায়ে আপনার ব্যক্তিগত তথ্য হাতিয়ে নিয়ে অর্থ আত্মসাতের পাশাপাশি প্রতারক চক্র আরও ভয়াবহ ক্ষতি করতে পারে বলেও তিনি জানিয়েছেন।

করোনাভাইরাস প্রতিরোধে ‘টিকা নিতে হলে নিচের লিঙ্কে ক্লিক করুন’ – এমন বার্তাসহ কোনো মেসেজ বা ইমেইল পেলেও তাতে সাড়া না দেওয়ার জন্য বলেছেন এই বিশেষজ্ঞ।

সূত্র: আমাদের সময়