ইসলামে সন্ত্রাসবাদের কোনো স্থান নেই: মেসুত ওজিল

আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদের উৎস ইসলাম-ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর এ মন্তব্যের পর থেকে এর প্রতিবাদ জানাচ্ছে মুসলিম দেশ গুলো। এবার সেই বিতর্কিত মন্তব্যের সমালোচনা করে টুইট করেছেন আর্সেনালের জার্মান ফুটবলার মেসুত ওজিল।

শুক্রবার টুইট বার্তায় ওজিল লেখেন, ‘ইসলামে সন্ত্রাসবাদের কোনো স্থান নেই।’

তিনি পবিত্র কোরআনের আয়াত উদ্ধৃতি দিয়ে তিনি লিখেছেন, ‘যে ব্যক্তি কোনো নিরপরাধ মানুষকে হত্যা করল, সে যেন গোটা মানবজাতিকে হত্যা করল। আর যে তাকে বাঁচাল, সে যেন সব মানুষকে বাঁচাল (আল-কোরআন, সুরাহ মায়েদা, আয়াত-৩২)।

করোনামুক্ত হলেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো

১৯ দিনের মাথায় মারণ করোনাভাইরাস থেকে মুক্ত হলেন পর্তুগাল এবং জুভেন্টাস তারকা ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। গতকাল শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) এক বিবৃতির মাধ্যমে রোনালদোর ক্লাব তার করোনামুক্ত হওয়ার খবর সম্পর্কে অনুরাগীদের জ্ঞাত করেছে। বিবৃতিতে তারা জানিয়েছে, তুরিনের বাড়িতে তাদের দলের মধ্যমণিকে আর কোয়ারেন্টাইনে থাকতে হবে না।

উল্লেখ্য, গত ১৩ অক্টোবর দেশের হয়ে উয়েফা নেশনস লিগ চলার মাঝে করোনা আক্রান্ত হয়েছিলেন পর্তুগিজ মহাতারকা। ফ্রান্স থেকে লিসবনে ফেরার পর তার কোভিডের নমুনা পরীক্ষায় রিপোর্ট পজিটিভ আসে। দ্রুত তাকে লিসবনে হোম আইসোলেশনে পাঠানো হয়। এরপর কয়েকদিন পর মেডিক্যাল ফ্লাইটে চড়ে লিসবন থেকে তুরিনে উড়িয়ে আনা হয় জুভেন্টাস তারকাকে। তবে তুরিনে এসেও আইসোলেশনে থাকতে হয়েছিল তাকে।

দেশের জার্সিতে রাশিয়ার বিরুদ্ধে ম্যাচটি মিস করার পর জুভেন্টাসের জার্সিতে সবধরনের প্রতিযোগীতা মিলিয়ে ৪টি ম্যাচ মাঠের বাইরে থাকতে হয় পাঁচবারের ব্যালন ডি’অর জয়ীকে। যার মধ্যে গত বুধবার রাতে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে বার্সেলোনার বিরুদ্ধে ম্যাচটি অন্যতম।
উল্লেখ্য, এই ম্যাচের মধ্যে দিয়ে প্রায় দু’বছর বাদে ফের প্রতিপক্ষ হিসেবে লিওনেল মেসির মুখোমুখি হওয়ার কথা ছিল ক্রিশ্চিয়ানোর। কিন্তু ম্যাচের ২৪ ঘন্টা আগে অবধি সিআর সেভেনের নোভেল করোনা ভাইরাসের রিপোর্ট পজিটিভই ছিল। স্বাভাবিকভাবেই মাঠে নামার অনুমতি পাননি তিনি। একইসঙ্গে একের পর এক পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ আসতে থাকায় উদ্বেগও বাড়ছিল।

অবশেষে গতকাল শুক্রবার সকল উৎকণ্ঠার অবসান হল। এদিন ক্রিশ্চিয়ানোর শরীর থেকে নমুনা সংগ্রহ করে পুনরায় কোভিড পরীক্ষা করা হয়। এবং সেই পরীক্ষার রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে বলে জানিয়েছে জুভেন্টাস কর্তৃপক্ষ। তাই আপাতত জুভেন্টাস শিবিরে যোগ দিতে কোনও অসুবিধা নেই পর্তুগিজ ফুটবল তারকার। তবে আগামী রবিবার অ্যাওয়ে ম্যাচে স্পেজিয়ার বিরুদ্ধে কোচ আন্দ্রে পিরলো তাকে মাঠে নামাবেন কীনা, তা নিয়ে যথেষ্ট সংশয় রয়েছে। বিডি-প্রতিদিন

ইসলামবিদ্বেষের প্রতিবাদে পগবার অবসর, সন্ধ্যার পরই অস্বীকার!

ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাকরনের ইসলামবিদ্বেষী মন্তব্যের প্রতিবাদে দেশটির হয়ে আন্তর্জাতিক ফুটবল খেলা ছেড়ে দিলেন তারকা খেলোয়াড় পল পগবা। আজ সারাদিনই সারা বিশ্বের মেইনস্ট্রিম মিডিয়া কিংবা সোশ্যাল মিডিয়া সরগরম পল পগবার ফ্রান্স জাতীয় ফুটবল দল থেকে অবসরের এমন খবরে।

ব্রিটিশ মিডিয়া দ্য সান মধ্যপ্রাচ্যের কিছু সংবাদ মাধ্যমের বরাত দিয়ে এই সংবাদ গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশ করে। পরে অনেক মেইনস্ট্রিম মিডিয়াও পগবার অবসরের খবর প্রকাশ করে। কিন্তু সন্ধ্যার পরই এলো ভিন্ন খবর। ইনস্টাগ্রামে এক পোস্টের মাধ্যমে ওই খবরকে পুরোপুরি ভুয়া বলে উড়িয়ে দিয়েছেন পগবা। খবর বিবিসির।
তিনি বলেছেন, ‘আনএক্সেপ্টেবল, ফেইক নিউজ। ফ্রান্স জাতীয় ফুটবল দল থেকে তার পদত্যাগের সংবাদ সঠিক নয়। এমনকি এ ধরনের সংবাদ যারা প্রকাশ করছে, সেটা গ্রহণযোগ্যও নয়। পুরোপুরি ভুয়া। এমনকি ভুয়া সংবাদ প্রকাশকের বিপক্ষে আইনি পদক্ষেপ নেবেন বলেও হুমকি দিয়ে রাখলেন তিনি।

পগবা আরও লিখেন, দ্য সান আবারও একই কাজ করলো। আমার সম্পর্কে তারা শতভাগ মিথ্যা একটি সংবাদ প্রকাশ করলো, যেটা এরই মধ্যে চারদিকে ছড়িয়ে পড়েছে। অথচ, এ ধরনের কোনো কথা আমি কখনো বলিনি কিংবা চিন্তাও করিনি। আমি হতবাক, ক্রুদ্ধ, বিস্মিত এবং হতাশ হয়েছি এই সংবাদের কারণে। যেখানে তারা আমাকে শিরোনামে এনেছে। ফ্রান্সের বর্তমান পরিস্থিতিতে আমার ফুটবল খেলার সঙ্গে ধর্মবিশ্বাসকে টেনে এনেছে।

তিনি জানান, আমি সব সময়ই সব ধরনের সন্ত্রাস এবং সহিংসতার বিপক্ষে রয়েছি। আমার ধর্ম অবশ্যই সব সময় শান্তি ও ভালোবাসার এবং অবশ্যই সম্মান পাওয়ার যোগ্য। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে কিছু মিডিয়া সংবাদ পরিবেশনের ক্ষেত্রে দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিচ্ছে না। তারা তাদের সাংবাদিকতার স্বাধীনতার অপব্যবহার করছে।

তারা কি লিখছে, সেগুলোকে কোনোভাবে যাচাই করছে না। তারা গল্প-গুজব তৈরি করছে, যা মানুষের জীবন এবং আমার ব্যক্তিগত জীবনকে মারাত্মকভাবে ব্যাহত করছে। আমি এই ভুয়া সংবাদ প্রকাশক এবং প্রচারকের বিপক্ষে আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করবো বলেও হুঁশিয়ারি দেন পগবা।

বিডি-প্রতিদিন

পৃথিবীর সবচেয়ে জনপ্রিয় খেলা ফুটবল। ফুটবল প্রথম গ্লোবাল সুপারস্টার পেলে থেকে শুরু করে হালের মেসি-রোনালদোতেও মেতে আছে বিশ্ব। পিছিয়ে নেই বাংলাদেশও। বিশ্বকাপের সময় এদেশের আকাশেও রঙিন পতাকার আসর বসে। না, সেটি বাংলাদেশের পতাকা নয়, ভিনদেশি ফুটবল পরাশক্তি দলগুলোকে ভালোবেসে সেই ভালোবাসার প্রদর্শন দেখায়। যে ভালোবাসার ব্যপ্তি ছড়িয়ে যায় চা স্টল থেকে শুরু করে ব্যস্ত অফিসের কথামালাতেও।

বাংলাদেশের ক্রিকেটে সফলতা আসলেও সমূহ সম্ভাবনাময় ফুটবলটি নানাবিধ কারণে সেভাবে সাফল্যের মুখ দেখেনি। বাংলাদেশের ফুটবলপ্রেমীগণ সালাউদ্দিন-প্যাটেলদের থেকে শুরু করে আসলাম, চুন্নু, কায়সার হামিদ পেরিয়ে এই শতকে আলফাজ, মুন্নার দেয়াল ছুঁয়ে জামাল ভুঁইয়াতে এসে ঠেকেছে। সেদিক থেকে চিন্তা করলে মহিলা ফুটবলে এরকম আইকনিক ব্যক্তি কেউ ছিলই না।

 

রোকেয়া সাখাওয়াত হোসাইনের বাংলাদেশে মহিলা ফুটবল অনেক পরে এসেছে। প্রথম আন্তর্জাতিক ফুটবল ম্যাচ খেলেছে ২০১১ সালে। তবে আইকনিক ফুটবলার যে এমন বিষ্ময়কর হবে তা কেইবা ভেবেছিলো। বলছিলাম বাংলাদেশ মহিলা ফুটবলের প্রথম আন্তর্জাতিক তারকা ও কিংবদন্তি সাবিনা খাতুনের কথা।

১৯৯৩ সালের ২৪ অক্টোবর সাতক্ষীরা জেলায় পিতা ওয়াজেদ মিয়া এবং মাতা মমতাজ বেগমের কোল আলো করে জন্মগ্রহণ করেন সাবিনা খাতুন। জন্মের সময় ৪র্থ কন্যা সন্তানের আগমণে কতটুকু খুশি হয়েছিলেন তা জানা না গেলেও পরবর্তীতে উনাকে নিয়েই গর্ব করেছিলেন এবং এখনো করেন, সেটি বলার অপেক্ষা রাখে না।

সাতক্ষীরা জেলা ফুটবল দলের কোচ আকবরের মাধ্যমেই সাবিনার ফুটবল যাত্রা শুরু। আন্তঃস্কুল ও আন্তঃজেলা পর্যায়ে নবারুণ উচ্চ বিদ্যালয়ের হয়ে ভালো খেলার মাধ্যমেই বয়সভিত্তিক জাতীয় দলে ডাক পাওয়া ও প্রফেশনাল ফুটবল খেলা শুরু। জাতীয় দলে অভিষেক হয় ২০০৯ সালে। মহিলাদের টপ টায়ার লীগ সবসময় চালু না থাকায় প্রতিভা থাকা সত্ত্বেও ওভাবে খেলার সুযোগ হয় নি।

ঢাকা মেট্টোপলিটন উইমেন্স লিগে মাত্র ১৫ ম্যাচ খেলে ৬৮ টি গোল করেছেন এই গোলমেশিন। বাংলাদেশ উইমেন্স চ্যাম্পিয়নশিপে ৩৩ ম্যাচে গোল করেছেন ১৩১ গোল। শুধু বাংলাদেশেই নয়, প্রথম মহিলা ফুটবলার হিসেবে দেশের বাইরে লিগ খেলেছেন তিনি। মালদ্বীপের লিগে খেলতে গিয়ে মালদ্বীপ ন্যাশনাল ডিফেন্স ফোর্সের হয়ে মাঠে নেমে ৭ ম্যাচে ২২ গোল করেছেন তিনি। বাংলাদেশ উইমেন্স সুপার লিগে ১৯ গোল করতে লেগেছে মাত্র ৫ ম্যাচ। ইন্ডিয়ান উইমেন্স লিগে সেতু এফসির হয়ে ৭ ম্যাচে করেছেন ৬ গোল।

বাংলাদেশ জাতীয় দলে এখন পর্যন্ত ৩৭ ম্যাচ খেলে গোল করেছি ১৯ টি, যা বাংলাদেশ মহিলা ফুটবলে সর্বোচ্চ। এত গোল দেখে অবাক হওয়ার কিছু নেই। গর্ব করার মত আমাদের একজন সাবিনা রয়েছেন। সুনীল ছেত্রীর জাতীয় দলের গোলসংখ্যা দেখানো হয় আন্তর্জাতিক গোলসংখ্যার তালিকায়। কিন্তু পরিসংখ্যান সংগ্রহের উদাসীনতা কিংবা দায়িত্বপ্রাপ্তদের খামখেয়ালির জন্য সেভাবে সাবিনার রেকর্ডগুলো আমরা দেখি না।

২০১৯ সালে শিশুদের অধিকার রক্ষায় কাজ করা সেভ দ্য চিলড্রেন যুব দূত হিসেবে চুক্তিবদ্ধ হয়েছিলেন সাবিনা। ২০২০ এ স্কয়ার ফুড & বেভারিজ লিমিটেড এর সৌজন্যে পেয়েছেন ‘রাঁধুনি কীর্তিমতী – ২০২০’ এর অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন তিনি।

ফুটবলার হিসেবেই শুধু নন, শিখছেন কোচিং এর হাতেখড়ি। এএফসির ‘সি’ ও ‘বি’ কোর্স সম্পন্ন করে ফেলেছেন ইতিমধ্যেই। বাংলাদেশ নারী অনুর্ধ ১৬ জাতীয় দলের কোচ হিসেবেও কাজ করেছেন তিনি। বাংলাদেশ মহিলা দলে বর্তমান  প্রজন্মের যারা খেলছেন, তাদের প্রায় সবারই আইডল সাবিনা। খেলাধুলার জন্য পারিবারিক বাধার মুখে পরলে সাবিনার ছবি দেখিয়েও অনেক খেলোয়ার বুঝিয়েছেন যে, মেয়েরাও ফুটবল খেলে।

নারী ফুটবলের শুরুটা খুব বেশিদিনের না হলেও সাবিনার মত এতটা পরিচিতি আগে কেউ পাননি। প্রথম আন্তর্জাতিক সমাদৃত হিরো হিসেবে ব্রাজিলের যেমন পেলে, আর্জেন্টিনার ম্যারাডোনা, পর্তুগালের ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো, বাংলাদেশের মহিলা ফুটবলের তেমনি সাবিনা খাতুন। রাত জেগে ইউরোপীয় ফুটবলের খেলা দেখা ফুটবলপ্রেমিক চেনে জোতা পালিশ করা পেলেকে, কয়লার খনিতে বড় হওয়া ডি মারিয়া, রাস্তায় মায়ের সাথে ঝাড়ু দেওয়া ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোকে, তেমনি চেনা উচিত ছিলো আমাদের রত্ন সাবিনাকে।

আমার ভূখণ্ডের প্রতিনিধিত্ব করা তারকাকে আমাদেরই পরিচয় করাতে হবে বিশ্বের কাছে। দেশটা আমাদের, দায়িত্বটাও আমাদেরই। আজ এই গুণী মানুষটি জন্মদিন। শুভ জন্মদিন কিংবদন্তি।

বাংলাদেশ বনাম পাকিস্তান লুডু টুর্নামেন্টের বিজয়ী হলেন যারা

আলিবাবা গ্রুপের অঙ্গ সংগঠন দারাজের গেইমিং প্ল্যাটফর্ম দারাজ ফার্স্ট গেইমস, ডিএফজি-তে আয়োজিত হয় বাংলাদেশ বনাম পাকিস্তান লুডু টুর্নামেন্ট। দারাজের টেন টেন (১০.১০) ক্যাম্পেইন উপলক্ষ্যে গত ৭ থেকে ৯ অক্টোবর হয়ে যাওয়া এই লুডু টুর্নামেন্টে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মোট ১ লাখ প্রতিযোগীকে পিছনে ফেলে সেরা ৩০-এ জায়গা করে নেন বাংলাদেশের ২১ জন খেলোয়াড়।

এর মধ্যে প্রথম স্থান অধিকার করেছেন সিলেট মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থী খুরশিদ জয়, যিনি জিতে নিয়েছেন ১,০০,০০০ টাকার দারাজ ভাউচার, দ্বিতীয় স্থান অধিকারী শওকত ওসমান জিতে নেন ১০ হাজার টাকার দারাজ ভাউচার, এছাড়াও আরো ১৯ জন জিতে নেন ৩ হাজার টাকার সমমূল্যের ভাউচার। দারাজ বাংলাদেশের হেড অফিসে বুধবার প্রথম বিজয়ীর হাতে ভাউচারটি তুলে দেন প্রতিষ্ঠানটির হেড অফ মার্কেটিং সৈয়দ আহমদ আবরার হাসনাইন।

‘লুডু লাখপতি’র প্রথম বিজয়ী খুরশিদ বলেন – “আমি কখনো চিন্তাও করিনি যে এই টুর্নামেন্টের উইনার হব। ১০.১০ ক্যাম্পেইনের সময় যখন ম্যাচে রেজিস্ট্রেশন করার নোটিফিকেশন আসলো তখন ভাবলাম করেই ফেলি। তারপর একটা একটা করে ম্যাচ খেলতে খেলতে ফাইনাল রাউন্ডে চলে গেলাম আর উইনার হলাম। আমি জোর গলায় বলতে চাই যে দারাজ আসলেই একটি বিশ্বস্ত কোম্পানি”।

এছাড়াও দারাজের সিক্সথ অ্যানিভার্সারি ক্যাম্পেইনের আর.জে কম্পিটিশনের বিজয়ীদের হাতেও তুলে দেওয়া হয় পুরষ্কার। এর মধ্যে প্রথম হয়েছেন ক্যাপিটাল এফ এম – এর আর.জে রাশেদ, যিনি পেয়েছেন একটি রিয়েলমি সিক্স ফোন ও দ্বিতীয় হয়েছেন স্পাইস এফ এম – এর আর.জে আনিজা, যিনি পেয়েছেন একটি রিয়েলমি সি ১১ ফোন।

প্রেমিকাকে সময় দেয়ায় বিপদে ফুটবলার, হতে পারে ৬ মাসের জেল

বাংলাদেশ সময় রাত ৮টায় শনিবার (২৪ অক্টোবর) নিজেদের ঘরের মাঠে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী বার্সেলোনার মুখোমুখি হচ্ছে রিয়াল মাদ্রিদ। তবে এই ম্যাচের আগে বিশেষ এক কাণ্ড করে ফেললেন রিয়াল মাদ্রিদের ২২ বছর বয়সী সার্বিয়ান ফরোয়ার্ড লুকা জোভিচ।

জানা গেছে, লুকা জোভিচ করোনাভাইরাস প্রটোকল ভঙ্গ করে বায়োবাবল থেকে বেরিয়ে গিয়ে প্রেমিকা সোফিজা মিলোসেভিচের সঙ্গে সময় কাটিয়ে এসেছেন তিনি। এর জন্য ছয় মাসের জেল হতে পারে তার।
মার্চে করোনাভাইরাসের কারণে পুরো রিয়াল মাদ্রিদ স্কোয়াড যখন কোয়ারেন্টাইনে ছিল, তখন সেখানে না থেকে তিনি ফিরেছিলেন দেশে। সার্বিয়ার প্রসিকিউটর অফিস থেকে জানানো হচ্ছে, তখন দেশে গেলেও প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যবিধি মানেননি জোভিচ। তাই তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে যে আইন অনুসরণ করতে হবে, সে ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

সূত্রের খবর, জেলের শাস্তি থেকে বাঁচতে এরই মধ্যে ৩০ হাজার ইউরোর (টাকার হিসাবে ৩০ লাখ টাকা) বেশি জরিমানা দিয়েছেন জোভিচ। এরপরও সার্বিয়ান প্রসিকিউটররা স্বাস্থ্যবিধি অমান্য করার অপরাধে তার ছয় মাসের জেলের আবেদন করবেন বলে জানা গেছে।

আইপিএলের ইতিহাসে প্রথমবার, টানা ২ ম্যাচে সেঞ্চুরি ধাওয়ানের

টানা দু’টি ম্যাচে সেঞ্চুরি। আইপিএলের ইতিহাসে প্রথমবার। আগের ম্যাচে সেঞ্চুরি করে চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে দলকে জিতিয়েছিলেন দিল্লি ক্যাপিটালসের বাঁ-হাতি ওপেনার শিখর ধাওয়ান। আর গতকাল মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে কিংস ইলেভেন পাঞ্জাবের বিরুদ্ধে দুরন্ত সেঞ্চুরি করে নজির গড়লেন তিনি। যদিও এদিন হেরে যায় তার দল দিল্লি।

ধাওয়ানের চওড়া ব্যাটে ভর করে কিংস ইলেভেন পাঞ্জাবের সামনে ১৬৫ রানের টার্গেট দেয় দিল্লি ক্যাপিটালস। ১০৬ রানের দুরন্ত ইনিংস খেলে শেষ পর্যন্ত অপারিজত থাকেন দিল্লির এই বাঁ-হাতি ওপেনার। অর্থাৎ ওপেন করতে নেমে শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থেকে ‘ক্যারি দ্য ব্যাট’ করে টি-২০ ক্রিকেটে নজির গড়লেন ধাওয়ান। তার চওড়া ব্যাটে ৫ উইকেটে ১৬৪ রান তোলে দিল্লি ক্যাপিটালস।
কিংস ইলেভেন পাঞ্জাবের বোলারদের বিরুদ্ধে এদিন শুরু থেকই আক্রমণাত্মক ইনিংস খেলেন ধাওয়ান। হাফ-সেঞ্চুরি করেন মাত্র ২৮ বলে আটটি চার ও একটি ছক্কা মেরে। অন্য প্রান্তে যখন কোনও ব্যাটসম্যান বেশিক্ষণ ক্রিজে কাটাতে পারেননি, তখন তিনি স্বমহিমায় ব্যাট করে গেলেন। ৫৭ বলে এক ডজন বাউন্ডারি ও ৩টি ওভার বাউন্ডারি মেরে সেঞ্চুরিতে পৌঁছান ধাওয়ান। শেষ পর্যন্ত ৬১ বলে ১২টি চার ও ৩টি ছয় মেরে ১০৬ রানে অপরাজিত থাকেন দিল্লির এই বাঁ-হাতি ওপেনার। স্টাইক-রেট ১৭৩.৭৭।

এর আগে গত শনিবার শারজায় চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধেও অপরাজিত সেঞ্চুরি এসেছিল ধাওয়ানের ব্যাটে। রান তাড়া করতে নেমে ১০১ রানে অপরাজিত থেকে দিল্লিকে জিতিয়ে মাঠ ছেড়েছিলেন ধাওয়ান। ৫৮ বলের ইনিংসে সেদিন ১৪টি বাউন্ডারি এবং একটি ওভার বাউন্ডারি হাঁকিয়েছিলেন ধাওয়ান।

বিডি-প্রতিদিন

গোলশূন্য ড্র রোনালদো-এমবাপেদের

সবশেষ রাশিয়া বিশ্বকাপের শিরোপা ঘরে তুলেছে ফ্রান্স। আর ২০১৮ সালের ইউরো চ্যাম্পিয়ন বিশ্বের অন্যতম সেরা ফুটবলার ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর দেশ পর্তুগাল।

উয়েফা নেশনস লিগে রবিবার রাতে মুখোমুখি হয় এই দুই দল। তবে কেউ জয় পায়নি। বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ফ্রান্স ঘরের মাঠে পর্তুগালকে পেয়েও হারাতে পারেনি।
অন্যদিকে পর্তুগালও পায়নি জালের নাগাল। গোলশূন্য ড্রয়ে পয়েন্ট ভাগাভাগি করে মাঠ ছেড়েছে রোনালদো-এমবাপেরা।

প্রথমার্ধে ফ্রান্সের আঁতোয়ান গ্রিজমান গোলের সুযোগ পেয়েছিলেন। কিন্তু তার নেওয়া শট পর্তুগালের গোলরক্ষক রুই প্যাট্রিসিওকে ফাঁকি দিতে পারেনি। রোনালদোও অবশ্য প্রথমার্ধে প্রায় গোল দিয়ে ফেলেছিলেন। কিন্তু তার নেওয়া শট ফ্রান্সের রক্ষণভাগের খেলোয়াড় লুকাস হার্নান্দেজ লক্ষ্যভ্রষ্ট করেন।

যোগ করা সময়ে রোনালদো গোলমুখে শট নিয়েছিলেন। কিন্তু সেটা ধরে ফেলেন ফ্রান্সের গোলরক্ষক হুগো লরিস।

পর্তুগালের রক্ষণভাগের খেলোয়াড় পেপে ফ্রি কিক থেকে আসা বলে মাথা লাগিয়ে অবশ্য জালে জড়িয়ে দিয়েছিলেন। কিন্তু গোলটি অফসাইডের কারণে বাতিল হয়।

শেষ পর্যন্ত কোনও দলই জালের নাগাল পায়নি। তাতে জয়ও ধরা দেয়নি বিশ্ব ও ইউরো চ্যাম্পিয়নদের হাতে। পয়েন্ট ভাগাভাগি করেই সন্তুষ্ট থাকতে হয় তাদেরকে।

৩ ম্যাচ থেকে ৭ পয়েন্ট সংগ্রহ করে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে আছে পর্তুগাল। সমান ম্যাচ থেকে সমান পয়েন্ট নিয়ে গোল ব্যবধানে পিছিয়ে থেকে দ্বিতীয় স্থানে আছে ফ্রান্স। ৩ ম্যাচ থেকে ৩ পয়েন্ট সংগ্রহ করে ক্রোয়েশিয়া আছে তৃতীয় স্থানে। চতুর্থ স্থানে থাকা সুইডেন এখন পর্যন্ত কোনও পয়েন্ট সংগ্রহ করতে পারেনি।

করোনার কারণে স্টাডে ডি ফ্রান্সের গ্যালারিতে বসে পর্তুগাল-ফ্রান্সের ম্যাচ দেখার সুযোগ পেয়েছেন মাত্র ১ হাজার দর্শক। যদিও এই স্টেডিয়ামের ধারণক্ষমতা ৮০ হাজার।

বিডি প্রতিদিন

মালিকের নতুন রেকর্ডে গর্বিত সানিয়া মির্জা

পাকিস্তানি ক্রিকেটার শোয়েব মালিক নতুন এক রেকর্ড গড়েছেন। প্রথম এশিয়ান ক্রিকেটার হিসেবে টি-টোয়েন্টিতে ১০ হাজার রান পূরণ করলেন ৩৮ বছয় বয়সী এ ক্রিকেটার।

রবিবার পাকিস্তানের ঘরোয়া টি-টোয়েন্টি লিগ-ন্যাশনাল টি-টোয়েন্টি কাপে খাইবার পাখতুনখোয়ার হয়ে ৭৪ রান করেন মালিক। বেলুচিস্তানের বিপক্ষে মাত্র ৪৪ বলে ৮ চার ও ২ ছক্কায় নিজের ইনিংস সাজান মালিক। আর এই ইনিংস খেলার পথেই এই রেকর্ড গড়েন তিনি।

শোয়েব মালিকের এই কীর্তিতে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন স্ত্রী সানিয়া মির্জা। ভারতীয় টেনিস তারকা টুইটারে লিখেছেন, স্বামীর এমন কীর্তিতে গর্বিত তিনি।

মালিকের এই কীর্তি নিয়ে টুইট করে ক্রিকেটে নিয়ন্ত্রক সংস্থা আইসিসি। যা রিটুইট করেন সানিয়া মির্জা। ক্যাপশনে লিখেন, ‘দীর্ঘায়ু, ধৈর্য, কঠোর পরিশ্রম, ত্যাগ এবং বিশ্বাস।’ এরপর একটা ভালোবাসার ইমোজি ব্যবহার করে লিখেছেন, ‘অনেক গর্বিত।’
৩৯৫ তম ম্যাচে ৩৬৮ ইনিংসে এই কীর্তি তার। সব দেশ মিলে টি-টোয়েন্টিতে সর্বাধিক রান সংগ্রাহকের তালিকায় মালিকের অবস্থান তৃতীয়। ১৩,২৯৬ রান নিয়ে সবার ওপরে ওয়েস্ট ইন্ডিজের ক্রিস গেইল। ১০,৩৭০ রান নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে আছেন গেইলের স্বদেশি কিয়েরন পোলার্ড। এরপরই মালিকের অবস্থান।

আর্সেনালকে হারিয়ে লিভারপুলের টানা তৃতীয় জয়

ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে জয়ের ধারা ধরে রেখেছে লিভারপুল। আর্সেনালকে হারিয়ে লিগ শিরোপা ধরে রাখার অভিযানে টানা তৃতীয় জয় পেয়েছে ইয়ুর্গেন ক্লপের দল। অ্যানফিল্ডে সোমবার রাতে পিছিয়ে পড়েও ৩-১ গোলে জিতেছে লিভারপুল। টানা দুই জয়ের পর প্রথম হারের স্বাদ পেয়েছে মিকেল আর্তেতার দল।

আলেকসঁদ লাকাজেত আর্সেনালকে এগিয়ে নেওয়ার পর সমতা ফেরান সাদিও মানে। শিরোপাধারীদের বাকি দুই গোলদাতা অ্যান্ড্রু রবার্টসন ও দিয়োগো জোতা। ঘরের মাঠে শুরু থেকে বল দখলের পাশাপাশি আক্রমণে আধিপত্য ছিল লিভারপুলের। ২১ মিনিটে গোল পেতে পারত তারা; তবে ট্রেন্ট অ্যালেকজ্যান্ডার-আর্নল্ডের জোরাল শট আর্সেনাল ডিফেন্ডার এক্তর বেইয়েরিনের পায়ে লেগে দিক পাল্টে ক্রসবারে লাগে।
২৫ মিনিটে রবার্টসনের ভুলে এগিয়ে যায় আর্সেনাল। প্রতি আক্রমণে এইন্সলি মেইটল্যান্ড-নাইলসের ক্রস ডি-বক্সে ক্লিয়ার করতে গিয়ে লাকাজেতের পায়ে তুলে দেন লিভারপুল ডিফেন্ডার। গোলের উদ্দেশে নিজেদের প্রথম শটেই জালের দেখা পায় সফরকারীরা। দুই মিনিট পরই স্বাগতিকদের ম্যাচে ফেরান মানে। দুরূহ কোণ থেকে মোহামেদ সালাহর শট গোলরক্ষক ঠেকানোর পর খুব কাছ থেকে ফাঁকা জালে বল পাঠান সেনেগালের এই ফরোয়ার্ড।

৩৪ মিনিটে দলকে এগিয়ে নেন রবার্টসন। অ্যালেকজ্যান্ডার-আর্নল্ডের ক্রস ডি-বক্সে প্রথম দফায় ঠিকমতো নিয়ন্ত্রণে নিতে না পারলেও জালে পাঠাতে ভুল করেননি এই স্কটিশ ডিফেন্ডার। ৬২ মিনিটে ডি-বক্সের বাইরে থেকে ভার্জিল ফন ডাইকের জোরালো শট ফিরিয়ে আর্সেনালের ত্রাতা গোলরক্ষক বার্নড লেনো। পরের মিনিটে সমতা ফেরানোর দারুণ এক সুযোগ হাতছাড়া করেন লাকাজেত। আলিসনকে একা পেয়েও বল জালে পাঠাতে পারেননি তিনি।

নির্ধারিত সময়ের দুই মিনিট বাকি থাকতে ব্যবধান বাড়িয়ে লিভারপুলের জয় নিশ্চিত করেন দিয়াগো জোতা। অ্যালেকজ্যান্ডার-আর্নল্ডের ক্রস হেডে ঠিকমতো ক্লিয়ার করতে পারেননি দাভিদ লুইস। বল নিয়ন্ত্রণে নিয়ে দারুণ ভলিতে জালে পাঠান সাত মিনিট আগে বদলি নামা দিয়াগো জোতা। সূত্র : দ্য গার্ডিয়ান।