জিরাফের চেয়েও লম্বা ছিল গন্ডারের গলা!

সবচেয়ে লম্বা প্রাণী কে বলুন তো? একটুও না ভেবে সকলে একবাক্যে বলবে জিরাফ! ঠিকই। উচ্চতার নিরিখে সবচেয়ে বড় প্রাণী জিরাফই। কিন্তু কেউ যদি বলেন, না জিরাফ নয়, সবচেয়ে উচ্চতাসম্পন্ন প্রাণী গন্ডার, তা হলে নিশ্চয়ই সকলে চমকে উঠবেন। না, চমকে ওঠার কিছু নেই।

সম্প্রতি এমনই দাবি চীনের একদল গবেষকের। তারা গন্ডারের এমন ফসিল খুঁজে পেয়েছেন, যেটির উচ্চতা জিরাফের চেয়ে বেশি!

চীনের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে খুঁজে পাওয়া গেছে গন্ডারের এই ফসিল। এটি বিশ্লেষণ করে গবেষকেরা বলছেন, এটি প্যারাসেরাথেরিয়াম লিংজিয়ানসের ফসিল।

আড়াই কোটি বছরের বেশি সময় আগে এই প্রাণী ভারতীয় উপমহাদেশ ও চীনজুড়ে ঘুরে বেড়াত। এর ওজন ২১ টন, যা চারটি আফ্রিকান হাতির সমান। এখনকার গন্ডারের মতো এর নাকের ওপর শিং ছিল না। উচ্চতায় এরা বিশাল, প্রায় ২৩ ফুট! এদের গলাই ছিল ৭ ফুট দীর্ঘ! জিরাফের চেয়েও লম্বা।

২০১৫ সালে চীনের গানসু প্রদেশের Dongxiang County-র ওয়াংজিয়াচুয়ান গ্রামের পাশে বিশাল এই ফসিলের সন্ধান মিলেছিল। এত দিন এটি নিয়ে গবেষণা চলেছে। গত সপ্তাহে কমিউনিকেশনস বায়োলজি জার্নালে গবেষণা প্রতিবেদনটি প্রকাশিত হয়েছে। সন্ধান পাওয়া ফসিলটির মাথার খুলি ও চোয়াল বিশ্লেষণ করে গবেষকেরা বলছেন, এটির মাথা বেশ সরু ও লম্বাটে ছিল। এই গবেষণা স্তন্যপায়ী প্রাণী নিয়ে নতুন করে ভাবাবে বিজ্ঞানীদের।

বেইজিংয়ের ইনস্টিটিউট অব ভার্টেব্রেট প্যালিওনটোলজি অ্যান্ড প্যালিওনথ্রোপলজির গবেষক ড. দেং তাও জানান, নতুন শনাক্ত হওয়া স্তন্যপায়ী প্রাণীর ফসিলটির সঙ্গে প্রাচীনকালে পাকিস্তানে বসবাস করা প্রকাণ্ড আকারের গন্ডারের মিল রয়েছে।

সূত্র: জিনিউজ ও বিবিসি

বাঁশিতে ফুঁ পড়তেই ঝাঁকে ঝাঁকে মৌমাছি এসে জড়ো হয় শরীরে

মাহাতাব মোড়ল যশোরের কেশবপুরের একজন বংশীবাদক। সবাই তাকে চেনেন মৌমাছি মাহাতাব নামে। তিনি বাঁশিতে ফুঁ দিতেই ঝাঁকে ঝাঁকে মৌমাছি এসে জড়ো হয় শরীরে।

মধুর চাক ভাঙতে ভাঙতে মৌমাছির প্রতি তার ভালোবাসা তৈরি হয়। প্রথমে টিনের থালার মাধ্যমে একটি দুটি মৌমাছি শরীরে নিতে নিতে এখন বাঁশির সুরে হাজারও মৌমাছি আনতে পারেন তিনি।

বাড়িতে বাঁশির সুর শুরু করলে পাঁচ মিনিটে হাজারও মৌমাছি শরীরে জড়ো হয়। সুর বন্ধ হলে মৌমাছিরা উড়ে পাশের বাগানে চলে যায়।

কাজটি ঝুঁকিপূর্ণ হলেও অভ্যাস হয়ে যাওয়ায় এখন আর ভয় লাগে না মাহাতাব মোড়লকে। মধু আহরণ করেই তার সংসার চলে। সংসারে স্ত্রী, এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে।

বাঁশির সুরে মৌমাছি শরীরের আনার কৌশল আয়ত্ব করায় এলাকায় তার পরিচিতি পেয়েছে মৌমাছি মাহাতাব নামে। বিভিন্ন স্থান থেকে তার বাড়িতে মানুষ ওই দৃশ্য দেখতে আসে।

মালয়েশিয়ায় ৩০৯ অবৈধ অভিবাসী আটক

মালয়েশিয়ায় ৩০৯ জন অবৈধ অভিবাসীকে গ্রেফতার করেছে দেশটির ইমিগ্রেশন বিভাগ। রবিবার (২০ জুন) মধ্যরাতে মালয়েশিয়ার সেলাঙ্গরের মুকিম, ডেংকিল এলাকায় একটি নির্মাণাধীন এলাকায় অভিযান চালিয়ে এদের গ্রেফতার করা হয়।

অভিবাসন বিভাগের পরিচালক দাতুক সেরি ইন্দেরা খায়রুল দাযাইমি দাউদের নেতৃত্বে অভিবাসন বিভাগ, জেনারেল মুভমেন্ট টিম (পিজিএ), জাতীয় নিবন্ধকরণ বিভাগ (জেপিএন), জন প্রতিরক্ষা বাহিনী এবং শ্রম বিভাগের ১৮৯ জন প্রয়োগকারী কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে পরিচালিত এ অভিযানে ৭১৫ জন অভিবাসীকে আটকের পর কাগজপত্র যাচাই করে ৩০৯ জন অবৈধ অভিবাসীকে গ্রেফতার করে ইমিগ্রেশন পুলিশ।

এদিকে অভিবাসন বিভাগ বলছে, বিভিন্ন অপরাধে ২০ থেকে ৫২ বছর বয়সের এই বিদেশিদের ১৯৫৯/৬৩ এর ইমিগ্রেশন আইন এবং ইমিগ্রেশন রেগুলেশন ১৯৬৩ এর আওতায় গ্রেফতার করা হয়েছে।

এর আগে গত ৬ জুন দেশটির সাইবার জায়ার একটি নির্মাণ স্থাপনা থেকে ৬২ জন বাংলাদেশিসহ ১৫৬ জন অবৈধ অভিবাসীকে গ্রেফতার করা হয়। তবে এ অভিযানে কতজন বাংলাদেশি রয়েছেন, তা এখন পর্যন্ত জানা যায়নি।

মালয়েশিয়ায় ৩০৯ অবৈধ অভিবাসী আটক

মালয়েশিয়ায় ৩০৯ জন অবৈধ অভিবাসীকে গ্রেফতার করেছে দেশটির ইমিগ্রেশন বিভাগ। রবিবার (২০ জুন) মধ্যরাতে মালয়েশিয়ার সেলাঙ্গরের মুকিম, ডেংকিল এলাকায় একটি নির্মাণাধীন এলাকায় অভিযান চালিয়ে এদের গ্রেফতার করা হয়।

অভিবাসন বিভাগের পরিচালক দাতুক সেরি ইন্দেরা খায়রুল দাযাইমি দাউদের নেতৃত্বে অভিবাসন বিভাগ, জেনারেল মুভমেন্ট টিম (পিজিএ), জাতীয় নিবন্ধকরণ বিভাগ (জেপিএন), জন প্রতিরক্ষা বাহিনী এবং শ্রম বিভাগের ১৮৯ জন প্রয়োগকারী কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে পরিচালিত এ অভিযানে ৭১৫ জন অভিবাসীকে আটকের পর কাগজপত্র যাচাই করে ৩০৯ জন অবৈধ অভিবাসীকে গ্রেফতার করে ইমিগ্রেশন পুলিশ।

এদিকে অভিবাসন বিভাগ বলছে, বিভিন্ন অপরাধে ২০ থেকে ৫২ বছর বয়সের এই বিদেশিদের ১৯৫৯/৬৩ এর ইমিগ্রেশন আইন এবং ইমিগ্রেশন রেগুলেশন ১৯৬৩ এর আওতায় গ্রেফতার করা হয়েছে।

এর আগে গত ৬ জুন দেশটির সাইবার জায়ার একটি নির্মাণ স্থাপনা থেকে ৬২ জন বাংলাদেশিসহ ১৫৬ জন অবৈধ অভিবাসীকে গ্রেফতার করা হয়। তবে এ অভিযানে কতজন বাংলাদেশি রয়েছেন, তা এখন পর্যন্ত জানা যায়নি।

কলম্বিয়া থেকে যেভাবে বাংলাদেশে এলো অজগরটি

গাজীপুরের তারগাছ এলাকায় একটি ইস্পাত তৈরির কারখানায় মিলেছে বিরল প্রজাতির এক অজগর সাপ। প্রাণীটি কলম্বিয়া থেকে একটি কনটেইনারে করে এসেছে। আমদানী নয়, কলম্বিয়া থেকে আসা লোহার কাঁচামালের কনটেইনারে করে বাংলাদেশে চলে এসেছে সাপটি। মালামাল খালাস করতে গিয়ে বিশাল সাইজের অজগরটি দেখতে পান কারখানার শ্রমিকরা।

প্রায় তিন মাস পর গতকাল শনিবার কনটেইনারটি খুলে মালামাল আনলোডের কাজ করছিলেন শ্রমিকরা। এ সময় সাপটি চোখে পড়ে তাদের। শ্রমিকরা সাপটি ধরে কর্তৃপক্ষকে জানালে আজ রোববার দুপুরে বন্যপ্রাণি অপরাধ দমন ইউনিট বিরল সাপটি উদ্ধার করে তাদের হেফাজতে নিয়ে যায়।

কারখানা শ্রমিকরা জানান, কনটেইনার থেকে লোহার বিভিন্ন টুকরো নামানোর সময় অজগরটি দেখতে পান তারা। দীর্ঘদিন ধরে অনাহারী থাকায় সাপটি নড়াচড়ার শক্তি হারিয়ে ফেলেছে। শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।

 

আনোয়ার ইস্পাত কারখানার ব্যবস্থাপক (প্রশাসন) মিজানুর রহমান জানান, তিন মাস আগে এলসির মাধ্যমে কলম্বিয়া থেকে রড তৈরির কাঁচামাল আমদানি করা হয়। এসব মালামাল ৬৪টি কন্টেইনার করে কারখানায় আসে। পরে শ্রমিকরা মালামাল খালাস করতে গিয়ে অজগরটি দেখতে পান। কলম্বিয়ার যে অঞ্চল থেকে অপরিশোধ লোহা আনা হয়েছে, সেখান থেকে কোনোভাবে অজগরটি দেশে এসেছে বলে ধারণা তার।

বিরল প্রজাতির সাপটি পেটে আঘাতপ্রাপ্ত জানিয়ে বাংলাদেশ বন্যপ্রাণি অপরাধ দমন ইউনিটের পরিদর্শক আব্দুল্লাহ আস সাদিক বলেন, কলম্বিয়ান বিরল প্রজাতির অজগরটি কারখানা থেকে উদ্ধারের পর কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়েছে। প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও কোয়ারেন্টিন শেষে সাপটি অবমুক্ত করা হবে।

বন্যপ্রাণি অপরাধ দমন ইউনিটের পরিদর্শক অসিম মল্লিক জানান, বোয়া কনস্ট্রিক্টর (Boa Constrictor) জাতের এ সাপটি লম্বায় প্রায় ৬ ফুট। এর ওজন ৪ কেজি এবং বয়স হবে প্রায় ৭ মাস। সাপটি তিন-চার মাস না খেয়ে থাকায় বেশ দুর্বল হয়ে পড়েছে। শরীরে ইনজুরি রয়েছে। উদ্ধারের পর সাপটি গাজীপুরের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারি পার্ক পাঠানো হয়।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারি পার্কের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. তবিবুর রহমান জানান, অসুস্থ সাপটিকে পার্কের ভেতরে কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়েছে।

ধনী হতে শত শত মানুষ ছুটছেন এই গ্রামে (ভিডিও)

মাটি খুঁড়তে খুঁড়তে কাকতালীয়ভাবে অচেনা পাথর হাতে পড়েছিল এক পশুপালকের। পাথরটি কী তিনি জানতেন না। তবে এ রকম পাথর আগে কখনও দেখেননি।

উজ্জ্বল, সাদা, সূর্যের আলো পড়লে যেন জ্যোতি ঠিকরে পড়ছে তার চারপাশ থেকে। ঠিক যেন হীরা! ওই পশুপালকের এই আবিষ্কারের কথা সামনে আসার পর আরেক কাণ্ড। ধনী হতে মাটি খোঁড়ার যন্ত্র নিয়ে হুড়মুড়িয়ে লোকজন ছুটছেন সেই গ্রামে।

শত শত মানুষের এই হুল্লোড় নিমেষে নজর টেনেছে সারাবিশ্বের। করোনাকালে এত মানষের জমায়েতেও উদ্বেগ বাড়িয়েছে প্রশাসনের। সত্যিই ওই এলাকার মাটির নিচে হীরা রয়েছে কি না, তা নিয়েই তৈরি হয়েছে ধন্দ।

ঘটনা দক্ষিণ আফ্রিকার খালাথি গ্রামের। ওই গ্রামে একটি বিস্তৃত ফাঁকা মাঠ রয়েছে। সেই মাঠে সচরাচর মানুষের যাতায়াত নেই। মূলত গৃহপালিত পশুর চারণক্ষেত্রই হয়ে উঠেছিল ওই এলাকা। সম্প্রতি সেখান থেকেই মাটি খুঁড়ে ওই অচেনা উজ্জ্বল পাথরের খোঁজ মেলে।

এখবর ছড়িয়ে পড়তে বেশি সময় লাগেনি। দক্ষিণ আফ্রিকার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে শত শত লোক ওই পাথরের খোঁজে আসতে শুরু করেন। সঙ্গে নিয়ে আসেন মাটি খোঁড়ার নানা যন্ত্রও। তাদের বিশ্বাস ওই এলাকায় মাটির নিচে হীরা লুকিয়ে আছে। কিন্তু মাটি খুঁড়ে কোয়ার্জ ছাড়া আর কিছুর সন্ধান এখনও মেলেনি।

আফ্রিকার মধ্যে সবচেয়ে বেশি বেকার দক্ষিণ আফ্রিকায়। দেশের বেশির ভাগ পরিবারই দারিদ্র্যসীমার নিচে। সে কারণেই এই আবিষ্কারের কথা জানতে পেরে বহু মানুষ ছুটে গিয়েছেন ওই এলাকায়। তাদের অনেকেই নানারকম দেখতে পাথরও উদ্ধার করেছেন। ওই অঞ্চলে ঘাঁটি ফেলে মাটি খোঁড়ার কাজ শুরু করেছে একাধিক হীরা উত্তোলক সংস্থাও।

কিন্তু সত্যিই সেখানে হীরা পাওয়া গেছে কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। দক্ষিণ আফ্রিকা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ভূতত্ত্ববিদদের একটি দল পাঠানো হয়েছে সেখানে। যত দ্রুত সম্ভব ওই এলাকা খালি করার কাজ শুরু করেছে প্রশাসন। এরপরই সরেজমিনে খতিয়ে দেখতে পারবেন বিশেষজ্ঞরা। উদ্ধার হওয়া পাথরগুলো হীরারই ভিন্ন রূপ কি না, তা জানা যাবে।

গ্যাস্ট্রিক সমস্যা দূর করে কাঁচা পেঁপে

পেঁপে পাকা খেতে যেমন সুস্বাধু তেমনি বিভিন্ন রেসিপিতেও কাঁচা পেঁপের বেশ কদর রয়েছে। কাঁচা পেঁপেতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন। বিভিন্ন রকম অসুখ সারাতে কাঁচা পেঁপে খুবই উপকারি। পেটের নানা রোগবালাই দূরীকরণে কাঁচা পেঁপে খুবই কার্যকরী। শুধু পেটের সমস্যায় নয়, আরও অনেক নানাবিধ স্বাস্থ্য সমস্যায় এই ফলের উপকারিতা অনেক।

অন্যান্য ফলের তুলনায় পেঁপেতে ক্যারোটিন অনেক বেশি থাকে। কিন্তু ক্যালরির পরিমাণ অনেক কম থাকায় যারা মেদ সমস্যায় ভুগছেন তারা অনায়াসে খেতে পারেন এ ফলটি। নিচে পেঁপের নানাবিধ পুষ্টিগুণের কথা তুলে ধরা হল-

অন্ত্রের চলাচলকে নিয়ন্ত্রণ করে : পেঁপের বীজে আছে এন্টি- অ্যামোবিক ও এন্টি-প্যারাসিটিক বৈশিষ্ট্য যা অন্ত্রের চলাচলকে নিয়ন্ত্রণ করে। এমনকি এটি বদহজম, কোষ্ঠকাঠিন্য, এসিড রিফ্লাক্স, হৃদযন্ত্রের সমস্যা, অন্ত্রের সমস্যা, পেটের আলসার ও গ্যাস্ট্রিক সমস্যা থেকেও রক্ষা করে।
ত্বকের সমস্যা ও ক্ষত দূর করে : পেঁপেতে বিদ্যমান পুষ্টিগুণ ব্রণ ও ত্বকের যে কোন ধরনের সংক্রামক থেকে রক্ষা করে। এমনকি এটি ত্বকের ছিদ্র মুখগুলো খুলে দেয়। তবে বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই এটি ফেসপ্যাক হিসেবে ব্যবহার করা হয়। কাঁচা পেঁপে ত্বকের মরা কোষগুলোকে পুনজ্জ্বীবিত করে তুলতে সাহায্য করে।

ব্যথা নিরাময় করে : পেঁপের পুষ্টিগুণ মেয়েদের জন্য সবচেয়ে বেশি দরকারী। কারণ এটি মহিলাদের যে কোনো ধরনের ব্যথা কমাতে কার্যকারী ভূমিকা রাখে। পেঁপের পাতা, তেঁতুল ও লবণ একসাথে মিশিয়ে পানি দিয়ে খেলে ব্যথা একেবারে ভালো হয়ে যায়।

হৃদরোগের সমস্যা থেকে মুক্তি দেয় : এটি ব্লাড প্রেসার ঠিক রাখার পাশাপাশি রক্তের প্রবাহকে নিয়ন্ত্রণ করে। এমনকি শরীরের ভেতরের ক্ষতিকর সোডিয়ামের পরিমাণকেও কমিয়ে দেয়। ফলে হৃদরোগের সমস্যা থেকে সহজেই মুক্তি পাওয়া যায়। একারণেই হৃদরোগীদের সবসময় পেঁপে খেতে বলা হয়।

অতিরিক্ত ক্যালরি ও চর্বি কমিয়ে দেয় : পেঁপেতে আছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি, ই ও এ। এগুলো ১০০ গ্রামে মাত্র ৩৯ ক্যালোরি দেয়। এছাড়া এতে বিদ্যমান এন্টি-অক্সিডেন্ট অতিরিক্ত ক্যালরি ও চর্বির পরিমাণ কমিয়ে দেয়।

বিডি-প্রতিদিন

‘আর্তুগুল’র সঙ্গে প্রতারণার দায়ে পাকিস্তানি টিকটকার গ্রেফতার

তুরস্কের ঐতিহাসিক ধারাবাহিক ‘দিরিলিস: আর্তুগুলের’ অভিনেতা এঙ্গিন আলতান দুজিয়াতানের সঙ্গে প্রতারণার অভিযোগে পাকিস্তানের টিকটক তারকা কাসিফ জামিরকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার লাহোর অপরাধ তদন্ত কর্তৃপক্ষ (সিআইএ) তাকে গ্রেফতার করে। এর আগে তার বিরুদ্ধে রেসকোর্স পুলিশে অভিযোগ দায়ের করা হয়।

অভিযোগে এঙ্গিন আলতান বলেন, অবৈধ মুনাফা অর্জনে সন্দেহভাজন ওই ব্যক্তি তার তারকাখ্যাতি ব্যবহার করেছেন। বেশ কয়েকটি চুক্তির বিনিময়ে ওই ব্যক্তি তাকে ভুয়া চেক হস্তান্তর করেছেন। এছাড়া অনুমতি না নিয়েই গোপন উদ্দেশ্যে আমার নাম ও ছবি ওই টিকটক তারকা ব্যবহার করেছেন বলে অভিযোগ।

তিনি কাসিফ জামির চৌধুরীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পাকিস্তানের পুলিশ মহাপরিদর্শকের কাছে অনলাইনে আবেদন করেন। ওই টিকটকার নিজেকে চৌধুরী গ্রুপ অব কোম্পানিজের স্বত্বাধিকারী বলে দাবি করেন।

খাতার মলাটের সূত্র ধরে হত্যার রহস্য উদঘাটন

সাভারের আশুলিয়ায় খাতার মলাটের সূত্র ধরে ৩ মাস পর কফিল উদ্দিন নামে এক ব্যক্তির হত্যার রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় পলাতক রিতা বেগম নামে প্রতিবেশী নারীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

গ্রেফতারকৃত রিতা বেগম নওগাঁ জেলা সদরের চকরামচন্দ্র মহল্লার খাইরুল ইসলামের মেয়ে। নিহত কফিল উদ্দিন জামালপুর জেলার ইসলামপুর থানার পাতুসি গ্রামের মৃত কাজী মুনশী শেখের ছেলে।

তদন্তকারী কর্মকর্তা ও আশুলিয়া থানার উপ-পরিদর্শক সুদীপ কুমার গোপ জানান, গত ২২ মার্চ আশুলিয়ার বঙ্গবন্ধু রোডের ডা. সাফকাতের বাড়ির কেয়াটেকার কফিল উদ্দিনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। শরীরের কোন আঘাতের চিহৃ নেই। তবে ঘটনার পর থেকে প্রতিবেশী এক নারী পালিয়ে যায়। সেই ঘরে তল্লাশী করে শুধু একটি খাতার মলাট পাওয়া যায়। সেই মলাটে শিশুর নাম ও একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নাম পাওয়া যায়। সেই সূত্র ধরেই দীর্ঘ ৩ মাস পর তাকে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারকৃত রিতার বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, কৌশলে ঘরে নিয়ে রিতা বেগমকে ধর্ষণের চেষ্টা করলে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে গলা চেপে ধরলে জ্ঞান হারিয়ে ফেলে কফিল উদ্দিন। আগে থেকেই শ্বাস কষ্টের রোগী ছিলেন কফিল উদ্দিন। ঘটনা আড়াল করতে কফিল উদ্দিনের হাতে ইন হেলার দিয়ে পালিয়ে যায় রিতা বেগম।

৩ মাস আগে অপমৃত্যু মামলা হলেও রাতে নিহতের স্ত্রী হানুফা বেগম আশুলিয়া থানায় বাদী হয়ে হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।

বিডি-প্রতিদিন

Source: Institute of Architects Bangladesh
বাস্থই প্রাংগণে বৃক্ষ রোপন কর্মসূচি

পহেলা আষাঢ় ১৪২৮ (১৫ জুন ২০২১) তারিখ বাংলাদেশ স্থপতি ইনস্টিটিউট এর সোশ্যাল রেস্পন্সিবিলিটি কমিটির উদ্যোগে বাস্থই প্রাংগণে বৃক্ষ রোপন কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
বাস্থই সভাপতি স্থপতি মোবাশ্বের হোসেন নৈতিক দায়িত্ব হিসাবে সকল স্থপতিকে বৃক্ষ রোপণের আহবান জানিয়ে বলেন, প্রয়োজনে দুইজন স্থপতি মিলে একটি বৃক্ষ রোপণ করে পরিবেশের প্রতি আমাদের মমতা প্রকাশ করা উচিত। তিনি এই উদ্যোগকে চলমান রাখা এবং আরও বৃহৎ পরিসরে পালনের জন্য সকলের প্রতি আহবান জানান।কমিটির সভাপতি স্থপতি কাজী গোলাম নাসির জাতীয় নীতি অনুযায়ী অন্তত তিন ধরনের বৃক্ষ রোপণের প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করে বলেন যে, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় একটি ফলজ, একটি বনজ ও একটি ঔষধি গাছ লাগানো সর্বাধিক উপযোগী।
বাস্থই সাধারণ সম্পাদক ও সোস্যাল রেস্পন্সিবলিটি কমিটির সদস্য সচিব স্থপতি ফারহানা শারমীন ইমু উপস্থিত সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে আশা প্রকাশ করে বলেন যে, এই উদ্যোগ আগামীতেও চলমান থাকবে এবং স্থপতি সমাজ, অন্যান্য সামাজিক দায়বদ্ধতার পাশাপাশি পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে।

আষাঢ় উদযাপনের এই ব্যতিক্রমী আয়োজনটিতে বাস্থই নির্বাহী পরিষদ এবং সোস্যাল রেস্পন্সিবলিটি কমিটির বেশ কয়েকজন সদস্য ছাড়াও প্রাক্তন বাস্থই সভাপতি স্থপতি আবু সাঈদ এম আহমেদ এবং আইএবি সেন্টার ফ্যাসিলিটিজ ডেভেলপমেন্ট এন্ড ম্যানেজমেন্ট কমিটির সভাপতি স্থপতি এহসান খান উপস্থিত থেকে অনুষ্ঠানটি সফলভাবে সম্পন্ন করার পাশাপাশি আয়োজক কমিটির সদস্যদের অনুপ্রাণিত করেন।